This is a valid Atom 1.0 feed.
This feed is valid, but interoperability with the widest range of feed readers could be improved by implementing the following recommendations.
... r.com/styles/atom.css" type="text/css"?><feed xmlns='http://www.w3.org/2 ...
^
... r.com/styles/atom.css" type="text/css"?><feed xmlns='http://www.w3.org/2 ...
^
... eds/8872312683140648806/posts/default'/><link rel='alternate' type='text ...
^
line 1, column 0: (3 occurrences) [help]
<?xml version='1.0' encoding='UTF-8'?><?xml-stylesheet href="http://www.blog ...
line 1, column 0: (24 occurrences) [help]
<?xml version='1.0' encoding='UTF-8'?><?xml-stylesheet href="http://www.blog ...
line 2, column 0: (391 occurrences) [help]
<div style="background-color: white; box-sizing: border-box; color: ...
<img alt="সুন্দরবন হবে আরো সুন্দর!" src="http://www.poribo ...
<img alt="সুন্দরবন হবে আরো সুন্দর!" src="http://www.poribo ...
<ins class="adsbygoogle" data-ad-client="ca-pub-4937852533 ...
<ins class="adsbygoogle" data-ad-client="ca-pub-4937852533 ...
<ins class="adsbygoogle" data-ad-client="ca-pub-4937852533 ...
line 60, column 0: (224 occurrences) [help]
<div data-block="true" data-editor="dut3p" data-offse ...
line 60, column 0: (224 occurrences) [help]
<div data-block="true" data-editor="dut3p" data-offse ...
line 60, column 0: (685 occurrences) [help]
<div data-block="true" data-editor="dut3p" data-offse ...
line 111, column 0: (7 occurrences) [help]
<img alt="KaromJol-Pic-002" class="size-full wp-image-1722 ...
line 657, column 89: (4 occurrences) [help]
... le="font-family: inherit;">সুন্দরবনের এই ক্ষতি কাটিয়ে ওঠার ...
^
line 621, column 0: (98 occurrences) [help]
<span data-offset-key="8ujru-0-0" style="font-family: inhe ...
<?xml version='1.0' encoding='UTF-8'?><?xml-stylesheet href="http://www.blogger.com/styles/atom.css" type="text/css"?><feed xmlns='http://www.w3.org/2005/Atom' xmlns:openSearch='http://a9.com/-/spec/opensearchrss/1.0/' xmlns:blogger='http://schemas.google.com/blogger/2008' xmlns:georss='http://www.georss.org/georss' xmlns:gd="http://schemas.google.com/g/2005" xmlns:thr='http://purl.org/syndication/thread/1.0'><id>tag:blogger.com,1999:blog-8872312683140648806</id><updated>2024-11-08T21:20:50.795+06:00</updated><category term="Sundarbon"/><category term="Feature"/><category term="ভ্রমন কাহীনি"/><category term="Royal Bengal Tiger"/><category term="করমজল"/><category term="Honey"/><title type='text'>Visit Sundarbon</title><subtitle type='html'>Welcome To Home Of Royal Bengal Tiger</subtitle><link rel='http://schemas.google.com/g/2005#feed' type='application/atom+xml' href='http://visitsundarbon.blogspot.com/feeds/posts/default'/><link rel='self' type='application/atom+xml' href='http://www.blogger.com/feeds/8872312683140648806/posts/default'/><link rel='alternate' type='text/html' href='http://visitsundarbon.blogspot.com/'/><link rel='hub' href='http://pubsubhubbub.appspot.com/'/><link rel='next' type='application/atom+xml' href='http://www.blogger.com/feeds/8872312683140648806/posts/default?start-index=26&max-results=25'/><author><name>RAKOM</name><uri>http://www.blogger.com/profile/02904944596596026686</uri><email>noreply@blogger.com</email><gd:image rel='http://schemas.google.com/g/2005#thumbnail' width='16' height='16' src='https://img1.blogblog.com/img/b16-rounded.gif'/></author><generator version='7.00' uri='http://www.blogger.com'>Blogger</generator><openSearch:totalResults>34</openSearch:totalResults><openSearch:startIndex>1</openSearch:startIndex><openSearch:itemsPerPage>25</openSearch:itemsPerPage><entry><id>tag:blogger.com,1999:blog-8872312683140648806.post-1509931155441891419</id><published>2018-08-17T21:05:00.001+06:00</published><updated>2018-08-17T21:05:00.302+06:00</updated><title type='text'>Sundarban To See - Kotka । Dublar Chor । Hiron Point । Karamjal । সুন্দরবন</title><content type='html'><iframe allowfullscreen="" frameborder="0" height="344" src="https://www.youtube.com/embed/vq0tB1J3iVw" width="459"></iframe></content><link rel='replies' type='application/atom+xml' href='http://visitsundarbon.blogspot.com/feeds/1509931155441891419/comments/default' title='Post Comments'/><link rel='replies' type='text/html' href='http://visitsundarbon.blogspot.com/2018/08/sundarban-to-see-kotka-dublar-chor.html#comment-form' title='0 Comments'/><link rel='edit' type='application/atom+xml' href='http://www.blogger.com/feeds/8872312683140648806/posts/default/1509931155441891419'/><link rel='self' type='application/atom+xml' href='http://www.blogger.com/feeds/8872312683140648806/posts/default/1509931155441891419'/><link rel='alternate' type='text/html' href='http://visitsundarbon.blogspot.com/2018/08/sundarban-to-see-kotka-dublar-chor.html' title='Sundarban To See - Kotka । Dublar Chor । Hiron Point । Karamjal । সুন্দরবন'/><author><name>Anonymous</name><uri>http://www.blogger.com/profile/05598857397934846320</uri><email>noreply@blogger.com</email><gd:image rel='http://schemas.google.com/g/2005#thumbnail' width='16' height='16' src='https://img1.blogblog.com/img/b16-rounded.gif'/></author><media:thumbnail xmlns:media="http://search.yahoo.com/mrss/" url="https://img.youtube.com/vi/vq0tB1J3iVw/default.jpg" height="72" width="72"/><thr:total>0</thr:total></entry><entry><id>tag:blogger.com,1999:blog-8872312683140648806.post-869910082275812201</id><published>2018-04-30T00:01:00.002+06:00</published><updated>2018-04-30T00:01:15.581+06:00</updated><category scheme="http://www.blogger.com/atom/ns#" term="Sundarbon"/><title type='text'>সুন্দরবনের পাশেই আরেক সুন্দরবন!</title><content type='html'><div dir="ltr" style="text-align: left;" trbidi="on">
<div style="background-color: white; box-sizing: border-box; color: #444444; font-family: solaimanlipi; font-size: 18px; line-height: 24px; padding: 0px 0px 6px; text-align: justify; width: 522.766px;">
জীববৈচিত্রে সমৃদ্ধ বিশ্ব ঐতিহ্য সুন্দরবনের পাশেই যেন আরেক সুন্দরবন! প্রকৃতির নিয়মে সেটিকে আরো সুশোভিত করে তুলছে প্রাণিকুল। আসল সুন্দরবন ছেড়ে&nbsp; সেখানে গিয়ে যেন আত্মীয় বাড়ি বেড়ানোর সুখ উপভোগ করছে তারা। সুন্দরবনের আকার বৃদ্ধি হয়ে হিরণ পয়েন্ট ও দুবলার চরের মাঝখানে জেগে ওঠা এই অঞ্চলটি সবার কাছে পরিচিতি পেয়েছে ‘বঙ্গবন্ধু চর’ নামে।শুরুতে ফাঁকা থাকলেও এখন চরে অনেক গাছ-গাছালি জন্মেছে। সুন্দরবন থেকে হরিণ, শূকর, বানর ছাড়াও বিভিন্ন প্রজাতির সাপ সেখানে আবাস গেড়েছে।</div>
<div style="background-color: white; box-sizing: border-box; color: #444444; font-family: solaimanlipi; font-size: 18px; line-height: 24px; padding: 0px 0px 6px; text-align: justify; width: 522.766px;">
জানা গেছে, প্রায় দুই যুগ আগে বঙ্গোপসাগরে মাছ ধরতে গিয়ে নতুন জেগে ওঠা চরের দেখা পান মৎস্যজীবী মালেক ফরাজি। ফিরে এসে তিনিই জনমানবহীন দ্বীপের নাম রাখেন ‘বঙ্গবন্ধু চর’।এরপর ১৯৯২ সালে অন্যান্য জেলেরাও দ্বীপটিতে যান। তখন এর আয়তন ছিল মাত্র দুই একর, বালি আর কাদায় ভরা। ২০০৪ সালের পর থেকেই দ্বীপটি বড় হতে থাকে। চলতি বছর দ্বীপটির আয়তন দাঁড়িয়েছে ৭ দশমিক ৮৪ বর্গকিলোমিটার।</div>
<div style="background-color: white; box-sizing: border-box; color: #444444; font-family: solaimanlipi; font-size: 18px; line-height: 24px; padding: 0px 0px 6px; text-align: justify; width: 522.766px;">
বন বিভাগ সূত্রে জানা গেছে, সুন্দরবনের হিরণ পয়েন্ট থেকে ১৫ কিলোমিটার এবং দুবলারচর থেকে ২০ কিলোমিটার দক্ষিণ-পশ্চিমে ‘বঙ্গবন্ধু চরের’ অবস্থান। চরটি সুন্দরবনের বন্যপ্রাণিদের অভয়ারণ্য (দক্ষিণ) এবং ইউনেস্কো ঘোষিত বিশ্ব ঐতিহ্যের মধ্যে পড়েছে। বর্তমানে বঙ্গবন্ধু চরে কেওড়া, বাইন, সুন্দরি ও গরান প্রজাতির ম্যানগ্রোভ বৃক্ষ এবং লতাগুল্ম জন্মেছে।চরটি আগামী কয়েক বছরের মধ্যে বন্যপ্রাণির অভয়াশ্রম এলাকা নীলকমলের সঙ্গে সংযুক্ত হয়ে যাবে। বর্তমানে ভাটার সময় ওই দুই এলাকার মধ্যে ব্যবধান হয়ে রয়েছে ছোট্ট একটি খাল।</div>
<div style="background-color: white; box-sizing: border-box; color: #444444; font-family: solaimanlipi; font-size: 18px; line-height: 24px; padding: 0px 0px 6px; text-align: justify; width: 522.766px;">
বঙ্গবন্ধু দ্বীপের বিষয়ে মোংলার চিলা ইউনিয়নের জেলে সরদার এবং দুবলার চরের মৎস্য ব্যবসায়ী মো. বেলায়েত হোসেন (৩৬) জানান, বর্তমানে চরটি হিরণ পয়েন্টের সঙ্গে মিশে যাচ্ছে। এজন্য ভাটা এলে সুন্দরবনের অনেক প্রাণি সাঁতার কেটে ওই চরে পাড়ি জমাচ্ছে। প্রায় ২০ বছর ধরে বেলায়েত সুন্দরবন এলাকায় ব্যবসা করছেন। বছরে ৪/৫ বার তার চরে যাওয়া পড়ে।বেলায়েতের ভাষায়, চরটি যেন সুন্দরবনের ভেতরে আরেক সুবিশাল সুন্দরবন, দেখতে ছবির মতো।</div>
<div style="background-color: white; box-sizing: border-box; color: #444444; font-family: solaimanlipi; font-size: 18px; line-height: 24px; padding: 0px 0px 6px; text-align: justify; width: 522.766px;">
এ বিষয়ে সুন্দরবন খুলনা রেঞ্জের সিএফ আমির হোসেন চৌধুরী বলেন, ‘বঙ্গবন্ধু চরে দিনকে দিন ইকো-ট্যুরিস্টদের পদচারণা বাড়ছে। তবে সেখানে কোনো পর্যটন স্পট করার পরিকল্পনা আপাতত বনবিভাগের নেই। চরটির পাশেই বিশ্ব ঐতিহ্য নীলকমল অভয়ারণ্য। এটি ন্যাচারাল ফরেস্ট, তাই এটিকে সংরক্ষণ করাই আমাদের কাজ।’ তবে আশঙ্কার বিষয় হলো, ২০১৫ সালে কোস্টগার্ড দ্বীপটির নাম ‘সরোয়ার স্যান্ড দ্বীপ’ উল্লেখ করে পর্যবেক্ষণ টাওয়ার স্থাপনের অনুমতি চেয়ে জেলা প্রশাসনে চিঠি দিয়েছে।এতে বলা হয়েছে, বঙ্গোপসাগরে চলাচলকারী নৌযান ও রামপাল বিদ্যুৎকেন্দ্রের কয়লাবাহী জাহাজের নিরাপত্তা দিতে পর্যবেক্ষণ টাওয়ারটি বসানো প্রয়োজন।এছাড়া চরের জমি চেয়ে ভূমি এবং স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়েও পৃথক আবেদন করেছে কোস্টগার্ড। বঙ্গবন্ধু চরে পর্যবেক্ষণ টাওয়ার বসালে সেটি জীববৈচিত্রের ওপর সরাসরি প্রভাব পড়বে।</div>
<div style="background-color: white; box-sizing: border-box; color: #444444; font-family: solaimanlipi; font-size: 18px; line-height: 24px; padding: 0px 0px 6px; text-align: justify; width: 522.766px;">
তবে মোংলা কোস্টগার্ডের অপারেশন কর্মকর্তা লে. কমান্ডার ফরিদুজ্জামান বলেন, ‘টাওয়ারটি নির্মাণ হলে মোংলা ও পায়রা বন্দরে দেশি-বিদেশি জাহাজের নিরাপত্তা মনিটরিং করা সহজ হবে।’জেলেরা দুই যুগ আগে দ্বীপটি খুঁজে পেলেও ১৯৭৬ সাল থেকেই স্যাটেলাইট ইমেজে এর অস্তিত্ব ধরে পড়ে। এরপর দ্বীপটি মাঝেমধ্যে জেগে ওঠে, আবার ডুবে যায়। তবে ২০০৪ সাল থেকে দ্বীপের আকার ধীরে ধীরে স্থিতিশীল অবস্থায় আসতে থাকে। এখন&nbsp; ক্রমেই বড় হচ্ছে এটি।চলতি বছরের শুরুতে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ২৯ সদস্যের গবেষক দল বঙ্গবন্ধু চরে গিয়ে তিন দিন অবস্থান করে। এ সময় তারা দ্বীপের অভ্যন্তরীণ মৃত্তিকা, ডিসিপি জরিপ ও ভিজিবিলিটি অ্যানালাইসিসসহ বিভিন্ন ধরনের বিজ্ঞানভিত্তিক অনুসন্ধান চালান।</div>
<div style="background-color: white; box-sizing: border-box; color: #444444; font-family: solaimanlipi; font-size: 18px; line-height: 24px; padding: 0px 0px 6px; text-align: justify; width: 522.766px;">
প্রতিনিধি দলের সদস্য ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ভূগোল ও পরিবেশ বিভাগের অধ্যাপক ড. মো. শহীদুল ইসলাম বলেন, ‘জেগে উঠার পর থেকে কয়েক গুন বৃদ্ধি পেয়েছে বঙ্গবন্ধু দ্বীপের আয়তন। গেল এক যুগে সবচেয়ে বেশি বেড়েছে।আমরা প্রায় ১৪ মিটার গভীর একটি ড্রিল করে এর অভ্যন্তরীণ মৃত্তিকা সংগ্রহ করেছি। তাতে দেখা গেছে, সমুদ্র তলদেশ থেকে চারটি পর্যায়ে দ্বীপটি গঠিত হয়েছে। বর্তমানে তা ধীরে ধীরে পূর্ণতা লাভ করছে।’ বাগেরহাটের অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (রাজস্ব) মো. শফিকুল ইসলাম বলেন, ‘দ্বীপটি দেশের স্বার্থে কীভাবে ব্যবহার করা যায়, তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে।’</div>
</div>
</content><link rel='replies' type='application/atom+xml' href='http://visitsundarbon.blogspot.com/feeds/869910082275812201/comments/default' title='Post Comments'/><link rel='replies' type='text/html' href='http://visitsundarbon.blogspot.com/2018/04/blog-post_56.html#comment-form' title='0 Comments'/><link rel='edit' type='application/atom+xml' href='http://www.blogger.com/feeds/8872312683140648806/posts/default/869910082275812201'/><link rel='self' type='application/atom+xml' href='http://www.blogger.com/feeds/8872312683140648806/posts/default/869910082275812201'/><link rel='alternate' type='text/html' href='http://visitsundarbon.blogspot.com/2018/04/blog-post_56.html' title='সুন্দরবনের পাশেই আরেক সুন্দরবন!'/><author><name>RAKOM</name><uri>http://www.blogger.com/profile/02904944596596026686</uri><email>noreply@blogger.com</email><gd:image rel='http://schemas.google.com/g/2005#thumbnail' width='16' height='16' src='https://img1.blogblog.com/img/b16-rounded.gif'/></author><thr:total>0</thr:total></entry><entry><id>tag:blogger.com,1999:blog-8872312683140648806.post-4952150509791894939</id><published>2018-04-30T00:00:00.001+06:00</published><updated>2018-04-30T00:00:22.277+06:00</updated><category scheme="http://www.blogger.com/atom/ns#" term="Royal Bengal Tiger"/><category scheme="http://www.blogger.com/atom/ns#" term="Sundarbon"/><title type='text'>সুন্দরবন হবে আরো সুন্দর!</title><content type='html'><div dir="ltr" style="text-align: left;" trbidi="on">
<div class="details-news-home-image" style="border: none; font-family: SolaimanLipi; font-size: 18px; list-style: none; margin: 0px; outline: 0px; padding: 0px; width: 759px;">
<h2 style="border: none; color: #333333; font-size: 30px; font-weight: 500; list-style: none; margin: 0px; outline: 0px; padding: 10px 0px;">
<div class="details-news-home-image" style="border: none; color: black; font-size: 18px; list-style: none; margin: 0px; outline: 0px; padding: 0px; width: 759px;">
<img alt="সুন্দরবন হবে আরো সুন্দর!" src="http://www.poriborton.com/upload/shundrbon.jpg" style="border: none; list-style: none; margin: 0px; max-width: 100%; outline: 0px; padding: 0px; width: 759px;" /><div class="fb-quote fb_iframe_widget" fb-iframe-plugin-query="app_id=307424479605879&amp;container_width=759&amp;href=http%3A%2F%2Fwww.poriborton.com%2Fspecial-arrangement%2F11425%2F%25E0%25A6%25B8%25E0%25A7%2581%25E0%25A6%25A8%25E0%25A7%258D%25E0%25A6%25A6%25E0%25A6%25B0%25E0%25A6%25AC%25E0%25A6%25A8-%25E0%25A6%25B9%25E0%25A6%25AC%25E0%25A7%2587-%25E0%25A6%2586%25E0%25A6%25B0%25E0%25A7%258B-%25E0%25A6%25B8%25E0%25A7%2581%25E0%25A6%25A8%25E0%25A7%258D%25E0%25A6%25A6%25E0%25A6%25B0&amp;locale=en_US&amp;sdk=joey" fb-xfbml-state="rendered" style="border: none; display: inline-block; left: 308.5px; list-style: none; margin: 0px; outline: 0px; padding: 0px; position: absolute; top: 377px;">
<span style="border: none; display: inline-block; height: 47px; list-style: none; margin: 0px; outline: 0px; padding: 0px; position: relative; text-align: justify; vertical-align: bottom; width: 169px;"><iframe allow="encrypted-media" allowfullscreen="true" allowtransparency="true" class="" frameborder="0" height="1000px" name="f3b42c9635d2ecc" scrolling="no" src="https://www.facebook.com/v2.7/plugins/quote.php?app_id=307424479605879&amp;channel=http%3A%2F%2Fstaticxx.facebook.com%2Fconnect%2Fxd_arbiter%2Fr%2F2VRzCA39w_9.js%3Fversion%3D42%23cb%3Df18f77cc14b31c%26domain%3Dwww.poriborton.com%26origin%3Dhttp%253A%252F%252Fwww.poriborton.com%252Ff32e75c11124728%26relation%3Dparent.parent&amp;container_width=759&amp;href=http%3A%2F%2Fwww.poriborton.com%2Fspecial-arrangement%2F11425%2F%25E0%25A6%25B8%25E0%25A7%2581%25E0%25A6%25A8%25E0%25A7%258D%25E0%25A6%25A6%25E0%25A6%25B0%25E0%25A6%25AC%25E0%25A6%25A8-%25E0%25A6%25B9%25E0%25A6%25AC%25E0%25A7%2587-%25E0%25A6%2586%25E0%25A6%25B0%25E0%25A7%258B-%25E0%25A6%25B8%25E0%25A7%2581%25E0%25A6%25A8%25E0%25A7%258D%25E0%25A6%25A6%25E0%25A6%25B0&amp;locale=en_US&amp;sdk=joey" style="border-style: none; border-width: initial; height: 47px; list-style: none; margin: 0px; outline: 0px; padding: 0px; position: absolute; visibility: visible; width: 169px;" title="fb:quote Facebook Social Plugin" width="1000px"></iframe></span></div>
</div>
<div class="summary-news-area" style="border: none; color: black; font-size: 18px; list-style: none; margin: 0px; outline: 0px; padding: 0px;">
<blockquote class="article-intro" style="border: none; list-style: none; margin: 0px; outline: 0px; padding: 15px 0px; text-align: justify;">
<div style="border: none; font-size: 22px; list-style: none; outline: 0px; padding: 0px 0px 0px 10px;">
সুন্দরবন নিয়ে বিস্তর কথা হচ্ছে, লেখালেখি হচ্ছে। সেটা দীর্ঘদিন ধরেই। সুন্দরবনের পাশে রামপাল বিদ্যুৎকেন্দ্র নির্মাণ নিয়ে সবারই সুন্দর সুন্দর কথা বলার কথা ছিল। কিন্তু সবাই সুন্দরবন নিয়ে বেশি বেশি অসুন্দর কথা বলছেন। এটা মোটেও ঠিক নয়।</div>
</blockquote>
</div>
<div class="desktop-ad-nilsagor" style="border: none; color: black; font-size: 18px; list-style: none; margin: 7px auto; outline: 0px; padding: 0px; text-align: center;">
<ins class="adsbygoogle" data-ad-client="ca-pub-4937852533832826" data-ad-slot="4930597011" data-adsbygoogle-status="done" style="border: none; display: inline-block; height: 90px; list-style: none; margin: 0px; outline: 0px; padding: 0px; text-decoration-line: none; width: 728px;"><ins id="aswift_0_expand" style="border: none; display: inline-table; height: 90px; list-style: none; margin: 0px; outline: 0px; padding: 0px; position: relative; text-decoration-line: none; visibility: visible; width: 728px;"><ins id="aswift_0_anchor" style="border: none; display: block; height: 90px; list-style: none; margin: 0px; outline: 0px; padding: 0px; position: relative; text-decoration-line: none; visibility: visible; width: 728px;"><iframe allowfullscreen="true" allowtransparency="true" frameborder="0" height="90" hspace="0" id="aswift_0" marginheight="0" marginwidth="0" name="aswift_0" scrolling="no" style="border-style: none; border-width: initial; height: 90px; left: 0px; list-style: none; margin: 0px; outline: 0px; padding: 0px; position: absolute; top: 0px; width: 728px;" vspace="0" width="728"></iframe></ins></ins></ins></div>
<div class="details-news-area" style="border: none; color: black; font-size: 18px; list-style: none; margin: 0px; outline: 0px; padding: 0px;">
<div style="border: none; font-size: 22px; list-style: none; outline: 0px; padding: 0px 0px 15px; text-align: justify;">
এক্ষেত্রে একমাত্র দায়িত্ব নিয়ে সুন্দর সুন্দর কথা বলার কাজটি করে চলেছে সরকার ও তার দায়িত্বশীল মন্ত্রণালয়। শুধু তাই নয়, সুন্দরবনকে সুন্দর করার যতো আয়োজন বর্তমান সরকারই সেটা নিজ দায়িত্বেই করে চলেছে। দেশের গণমাধ্যমও ‘সুন্দরবন ধ্বংস! সুন্দরবন ধ্বংস’ এসব না বলে চুপ থেকে চরম দায়িত্বশীলতার পরিচয় দিচ্ছে।</div>
<div style="border: none; font-size: 22px; list-style: none; outline: 0px; padding: 0px 0px 15px; text-align: justify;">
সারাদেশের মতো সুন্দরবনেও বিদ্যুৎ সরবরাহ সময়ের দাবি। শুধু মানুষই বিদ্যুতের আলোয় থাকবে, এটা ঠিক নয়। বনের পশুপাখিরও আছে বন আলোকিত করে রাতের আঁধার কাটানোর অধিকার। এটা একটা যুক্তি। আবার অনেকে বলছেন, মাত্র ৯-১০ কিলোমিটার দূরত্বের রামপালে কয়লা বিদ্যুৎ কেন্দ্র খুব বেশি কাছে হয়ে যায়। এটা বনের জন্য ঝুঁকিপূর্ণ। এটা প্রতিবেশ ঝুঁকিতে ফেলবে বন ও তার জীবজন্তু ও প্রাণীদেরকে। এক পর্যায়ে খাদ্যশৃঙ্খল নষ্ট হয়ে বন ও তার বাসিন্দারা ধ্বংস হয়ে যাবে।</div>
<div style="border: none; font-size: 22px; list-style: none; outline: 0px; padding: 0px 0px 15px; text-align: justify;">
বলি, একটি দেশের জন্য বনজঙ্গলের দরকারটাইবা কি? বনজঙ্গলে কি হয়? আমরা প্রাচীন ইতিহাসে পড়েছি, মানুষ উল্টো বনজঙ্গল কেটে মানব বসতি গড়ে সভ্যতা বিনির্মান করেছে। সুন্দরবনে মানববসতি গড়ে তোলা সময়ের দাবি। কয়েকদিন আগেই ঘোষণা হলো, দেশের জনসংখ্যা এখন নাকি ষোলো কোটি হয়েছে। এই ষোলো কোটি মানুষের দেশে বন উজাড় করে বসতি গড়ার দরকার আছে। এতো মানুষের জন্য আবাসন একটা বড় সমস্যা।</div>
<div style="border: none; font-size: 22px; list-style: none; outline: 0px; padding: 0px 0px 15px; text-align: justify;">
সুন্দরবন সাফ করে এর প্রক্রিয়া শুরু করা যেতে পারে। এ জন্য বনের বাসিন্দাদের উচ্ছেদ প্রয়োজন। কিন্তু হুটহাট করে বনের বাঘ, মোষ, সাপ, ব্যাঙ, কুমির, গুইসাপ, হরিণদেরকে উচ্ছেদ করলে বড়ই অমানবিক দেখায় বিষয়টা। আপনারা দেখেছেন, শহরের বস্তি উচ্ছেদ করলে তার বাসিন্দাদের কি দুর্দশাটাই না হয়। এক্ষেত্রে সুন্দরবনের ব্যাপারে দুর্দান্ত দূরদর্শী এক পদক্ষেপ নেওয়া হচ্ছে। কয়লাবিদ্যুৎ কেন্দ্র হলো সেই আধুনিক পদ্ধতি। এর বাসিন্দারা বসতিচ্যূত হবেন আগামি ৪০ বা ৫০ বছরে ধীরে ধীরে। সুন্দর এক উচ্ছেদ ব্যবস্থা। &nbsp;&nbsp;</div>
<div style="border: none; font-size: 22px; list-style: none; outline: 0px; padding: 0px 0px 15px; text-align: justify;">
সরকারের পরিবেশ সমীক্ষা অনুযায়ী, রামপাল কয়লা বিদ্যুৎকেন্দ্র চালু হলে প্রতিদিন ১৪২ টন বিষাক্ত সালফার ডাই অক্সাইড, ৮৫ টন বিষাক্ত নাইট্রোজেন ডাই অক্সাইড নির্গত হবে। বছরে ৯ লাখ টন অত্যন্ত ক্ষতিকর বিষাক্ত ছাই বাতাসে মিশবে। কয়লাবিদ্যুৎ প্লান্টের জন্য রামপালের পাশের পশুর নদী থেকে পানি তুলতে হবে, গরম পানি ফেলতে হবে।</div>
<div style="border: none; font-size: 22px; list-style: none; outline: 0px; padding: 0px 0px 15px; text-align: justify;">
হ্যাঁ, ঠিকই ধরেছেন। এভাবেই নদীর পানি, জলজ জীববৈচিত্র্যের গোষ্ঠি নিপাত হবে। এভাবেই ওই এলাকা মানুষের বসবাসের উপযোগি করা হবে।</div>
<div style="border: none; font-size: 22px; list-style: none; outline: 0px; padding: 0px 0px 15px; text-align: justify;">
বিদ্যুতও পেলাম, সুন্দরবন থেকে ক্ষতিকর ও ভয়ানক সব জীবজন্তুর হাত থেকে মানবজাতি বিশেষ করে উপকূলীয় লোকজনকেও রক্ষা করলাম, এরকম একটা সুন্দর প্রকল্পের বিরোধিতা করা শুধু দেশদ্রোহীতাই নয়, রীতিমত মীরজাফরিও বটে। বাংলাদেশের মিডিয়া এ ক্ষেত্রে ভীষণ দায়িত্বশীলতার পরিচয় দিচ্ছে। তারা অর্জুন রামপালদের নিয়ে যতো নিউজ প্রকাশ করছে এখন, তারচে কম প্রকাশ করছে সুন্দরবনের রামপাল প্রকল্প নিয়ে খবর। এখানেই দায়িত্বশীলতার বড় পরিচয়।</div>
<div style="border: none; font-size: 22px; list-style: none; outline: 0px; padding: 0px 0px 15px; text-align: justify;">
এই বাংলাদেশের বাইরে অন্য কোনোদেশে এই রামপাল প্রকল্প হলে দেখা যেতো মিডিয়া প্রতিদিনই ‘রামপাল রামপাল করে’ মাথা নষ্ট করে ফেলতো। সাপ-ব্যাঙ-কুমির-বাঘের অভয়ারণ্যের জন্য তারা ঘুম হারাম করে ফেলত। কিন্তু আমাদের মিডিয়া এটা সুন্দরভাবে বুঝতে পেরেছে। তাই তারা ক্ষতিকর বাঘ-কুমির, সাপ-ব্যাঙ-গুইসাপদের পক্ষে নেই।</div>
<div style="border: none; font-size: 22px; list-style: none; outline: 0px; padding: 0px 0px 15px; text-align: justify;">
উল্লেখ্য, ২০০ বছর আগেও সুন্দরবনের মোট আয়তন ছিল প্রায় ১৭ হাজার বর্গ কিলোমিটার। বর্তমানে সমাজহিতৈষী নানা সরকার ও স্থানীয় প্রভাবশালী ভাল মানুষদের তৎপরতায় এটা দাঁড়িয়েছে এখন ১০ হাজার বর্গ কিলোমিটারে। আগামি ৫০ বছরে এটিকে ঐতিহাসিক ৭১ বর্গ কিলোমিটারে নিয়ে আসা হবে। তখন সুন্দরবন হয়ে যাবে কিউট সাইজের এক সাফারি পার্ক।</div>
<div style="border: none; font-size: 22px; list-style: none; outline: 0px; padding: 0px 0px 15px; text-align: justify;">
যেহেতু আধুনিক মানুষদের কাছে বনের চেয়ে সাফারি পার্কের কদর বেশি, ফলে দেশের লোকজন তখন সুন্দরবন সাফারি পার্কের ভেতর দিয়ে গিয়ে একেবারে সমুদ্রের শেষ প্রান্তে দাঁড়িয়ে সাগরের সাথে সেলফি তুলতে পারবেন। নয়নাভিরাম সূর্যাস্ত দৃশ্য দেখে তখন বলে উঠতে পারবেন, ‘ওয়াও! বহুত আচ্ছা হ্যায়। কুল হ্যায়।’</div>
<div style="border: none; font-size: 22px; list-style: none; outline: 0px; padding: 0px 0px 15px; text-align: justify;">
<strong style="border: none; list-style: none; margin: 0px; outline: 0px; padding: 0px;">লুৎফর রহমান হিমেল</strong><strong style="border: none; list-style: none; margin: 0px; outline: 0px; padding: 0px;">&nbsp;:&nbsp;</strong>সাংবাদিক, কলামিস্ট। বার্তা সম্পাদক, বাংলাদেশ প্রতিদিন।</div>
</div>
</h2>
</div>
</div>
</content><link rel='replies' type='application/atom+xml' href='http://visitsundarbon.blogspot.com/feeds/4952150509791894939/comments/default' title='Post Comments'/><link rel='replies' type='text/html' href='http://visitsundarbon.blogspot.com/2018/04/blog-post_64.html#comment-form' title='0 Comments'/><link rel='edit' type='application/atom+xml' href='http://www.blogger.com/feeds/8872312683140648806/posts/default/4952150509791894939'/><link rel='self' type='application/atom+xml' href='http://www.blogger.com/feeds/8872312683140648806/posts/default/4952150509791894939'/><link rel='alternate' type='text/html' href='http://visitsundarbon.blogspot.com/2018/04/blog-post_64.html' title='সুন্দরবন হবে আরো সুন্দর!'/><author><name>RAKOM</name><uri>http://www.blogger.com/profile/02904944596596026686</uri><email>noreply@blogger.com</email><gd:image rel='http://schemas.google.com/g/2005#thumbnail' width='16' height='16' src='https://img1.blogblog.com/img/b16-rounded.gif'/></author><thr:total>0</thr:total></entry><entry><id>tag:blogger.com,1999:blog-8872312683140648806.post-1055097714858827562</id><published>2018-04-29T23:53:00.000+06:00</published><updated>2018-04-29T23:53:03.835+06:00</updated><category scheme="http://www.blogger.com/atom/ns#" term="Sundarbon"/><title type='text'>সুন্দরবনের নাম সুন্দরবন কেন?</title><content type='html'><div dir="ltr" style="text-align: left;" trbidi="on">
<div data-block="true" data-editor="dut3p" data-offset-key="dgbg7-0-0" style="background-color: white; box-sizing: border-box; color: #212529; font-family: kalpurush, lato, sans-serif; font-size: 16px;">
<div data-offset-key="dgbg7-0-0" style="box-sizing: border-box;">
সুন্দরবন আমাদের গর্ব। প্রাকৃতিক বিশ্ব ঐতিহ্যের অংশ এটি। কিন্তু আপনি কি কখনো ভেবেছেন এর নাম সুন্দরবন কেন? বনটি সুন্দর, তাই? নাকি সুন্দরী গাছের জন্য? এ নিয়ে আছে নানান মত। অনেকে মনে করেন, নামটির আক্ষরিক শব্দেই রয়েছে মূল কথা। সুন্দরবন অর্থ সুন্দর জঙ্গল বা সুন্দর বনভূমি। আর আমাদের সুন্দরবনের সৌন্দর্য্য যে অতুলনীয় তা তো বলারই অপেক্ষা রাখে না।</div>
</div>
<div data-block="true" data-editor="dut3p" data-offset-key="vctb-0-0" style="background-color: white; box-sizing: border-box; color: #212529; font-family: kalpurush, lato, sans-serif; font-size: 16px;">
<div data-offset-key="vctb-0-0" style="box-sizing: border-box;">
&nbsp;</div>
</div>
<div data-block="true" data-editor="dut3p" data-offset-key="a0dbs-0-0" style="background-color: white; box-sizing: border-box; color: #212529; font-family: kalpurush, lato, sans-serif; font-size: 16px;">
<div data-offset-key="a0dbs-0-0" style="box-sizing: border-box;">
সুন্দরবন নামের সম্ভাব্য আরেকটি কারণ মনে করা হয় সমুদ্রকে। সমুদ্রের তীরে বনের অবস্থান বলে 'সমুদ্র বন' থেকে কালক্রমে এর নাম হয়েছে সুন্দরবন এমনটি ধারণা করেন অনেকে।</div>
</div>
<div data-block="true" data-editor="dut3p" data-offset-key="bo31s-0-0" style="background-color: white; box-sizing: border-box; color: #212529; font-family: kalpurush, lato, sans-serif; font-size: 16px;">
<div data-offset-key="bo31s-0-0" style="box-sizing: border-box;">
&nbsp;</div>
</div>
<div data-block="true" data-editor="dut3p" data-offset-key="an0ks-0-0" style="background-color: white; box-sizing: border-box; color: #212529; font-family: kalpurush, lato, sans-serif; font-size: 16px;">
<div data-offset-key="an0ks-0-0" style="box-sizing: border-box;">
তবে বিশাল এক জনমত আছে সুন্দরী গাছের পক্ষে। এই বনে অসংখ্য সুন্দরী গাছ জন্মে। বনের স্থানীয়দের ঘর তৈরি, ঘরের ছাউনি দেওয়ার গাছে এই গাছের বড় বড় পাতা খুবই কাজে দেয়। শুধু তাই নয়,&nbsp;এখানকার বিখ্যাত সুন্দরী গাছের মূলে রয়েছে ডায়াবেটিস প্রতিরোধী ওষুধ। স্থানীদের জোরালো যুক্তি, এই বনের নামের সাথে জড়িত সুন্দরী গাছই।</div>
</div>
<div data-block="true" data-editor="dut3p" data-offset-key="97aop-0-0" style="background-color: white; box-sizing: border-box; color: #212529; font-family: kalpurush, lato, sans-serif; font-size: 16px;">
<div data-offset-key="97aop-0-0" style="box-sizing: border-box;">
&nbsp;</div>
</div>
<div data-block="true" data-editor="dut3p" data-offset-key="72sct-0-0" style="background-color: white; box-sizing: border-box; color: #212529; font-family: kalpurush, lato, sans-serif; font-size: 16px;">
<div data-offset-key="72sct-0-0" style="box-sizing: border-box;">
তবে নামের রহস্য যাই হোক না কেন সুন্দরবন ভ্রমণ এক অসাধারণ অভিজ্ঞতা। সুন্দরবনকে জালের মত জড়িয়ে রয়েছে সামুদ্রিক স্রোতধারা, কাদা চর এবং ম্যানগ্রোভ বনভূমির লবণাক্ততাসহ ক্ষুদ্রায়তন দ্বীপমালা।</div>
<div data-offset-key="72sct-0-0" style="box-sizing: border-box;">
&nbsp;</div>
<div data-offset-key="72sct-0-0" style="box-sizing: border-box;">
মোট বনভূমির ৩১.১ শতাংশ, অর্থাৎ ১,৮৭৪ বর্গকিলোমিটার জুড়ে রয়েছে নদীনালা, খাঁড়ি, বিল মিলিয়ে জলাকীর্ণ অঞ্চল। বিখ্যাত রয়েল বেঙ্গল টাইগারের আবাসস্থল হলেও বাঘ মামার দেখা পাওয়া খুবই কঠিন। তবে দেখা পাবেন হরিণ, বানরসহ নানান বণ্য প্রাণীর। অসংখ্য পাখির কলকাকলি আর পাতার ফাঁকে বয়ে চলা বাতাসের শব্দ সত্যিই রোমাঞ্চকর। একবার হলেও অবশ্যই ভ্রমণ করবেন অপরূপ এই বনটি।</div>
</div>
</div>
</content><link rel='replies' type='application/atom+xml' href='http://visitsundarbon.blogspot.com/feeds/1055097714858827562/comments/default' title='Post Comments'/><link rel='replies' type='text/html' href='http://visitsundarbon.blogspot.com/2018/04/blog-post_32.html#comment-form' title='0 Comments'/><link rel='edit' type='application/atom+xml' href='http://www.blogger.com/feeds/8872312683140648806/posts/default/1055097714858827562'/><link rel='self' type='application/atom+xml' href='http://www.blogger.com/feeds/8872312683140648806/posts/default/1055097714858827562'/><link rel='alternate' type='text/html' href='http://visitsundarbon.blogspot.com/2018/04/blog-post_32.html' title='সুন্দরবনের নাম সুন্দরবন কেন?'/><author><name>RAKOM</name><uri>http://www.blogger.com/profile/02904944596596026686</uri><email>noreply@blogger.com</email><gd:image rel='http://schemas.google.com/g/2005#thumbnail' width='16' height='16' src='https://img1.blogblog.com/img/b16-rounded.gif'/></author><thr:total>0</thr:total></entry><entry><id>tag:blogger.com,1999:blog-8872312683140648806.post-2081868273892324125</id><published>2018-04-29T23:49:00.001+06:00</published><updated>2018-04-29T23:49:05.093+06:00</updated><category scheme="http://www.blogger.com/atom/ns#" term="Sundarbon"/><category scheme="http://www.blogger.com/atom/ns#" term="করমজল"/><title type='text'>সুন্দরবনের ‘করমজল’ ইকো-ট্যুরিজম ও বন্যপ্রাণী প্রজনন কেন্দ্র</title><content type='html'><div dir="ltr" style="text-align: left;" trbidi="on">
<h5 style="color: #333333; font-family: Tahoma, SolaimanLipi, Oswald, arial, serif; font-size: 18px; font-weight: normal; line-height: 22px; margin: 0px 0px 10px; padding: 0px; text-align: justify;">
<span style="color: black;"><strong>সল্প খরচে এবং একদিনেই যারা সুন্দরবন ভ্রমণ করতে চান তাদের জন্য একটি আদর্শ দর্শনীয় স্থান ‘করমজল’ ইকো-ট্যুরিজম কেন্দ্র।</strong></span></h5>
<div style="color: #333333; font-family: Tahoma, Tahoma, SolaimanLipi, &quot;Droid Sans&quot;, sans-serif; font-size: 15px; line-height: 22px; padding: 0px 0px 15px; text-align: justify;">
সুন্দরবন পূর্ব বনবিভাগের চাঁদপাই রেঞ্জের অধীন করমজল&nbsp;পর্যটন কেন্দ্রটি&nbsp;ভ্রমন&nbsp;পিপাসুদের কাছে একটি আকর্ষণীয় স্থান। ইকো-ট্যুরিজম কেন্দ্র ছাড়াও এখানে রয়েছে হরিণ ও কুমির প্রজনন ও লালন পালন কেন্দ্র।</div>
<div style="color: #333333; font-family: Tahoma, Tahoma, SolaimanLipi, &quot;Droid Sans&quot;, sans-serif; font-size: 15px; line-height: 22px; padding: 0px 0px 15px; text-align: justify;">
<strong><a href="http://www.bagerhatinfo.com/attractive-places/378/" style="color: #0094d2; text-decoration-line: none;" target="_blank" title="ইতিহাস ঐতিহ্য ও বাগেরহাট">বাগেরহাটে</a></strong>র মংলা উপজেলা সদর বা মংলা বন্দর থেকে ইঞ্জিনচালিত নৌকায় চড়ে করমজলের জেটিতে পৌঁছাতে সময় লাগে মাত্র এক থেকে দেড় ঘণ্টা। নদী পথে মংলা থেকে&nbsp;দূরত্ব প্রায় ৮ কিলোমিটার আর&nbsp;খুলনা থেকে প্রায় ৬০ কি.মি.।</div>
<div style="color: #333333; font-family: Tahoma, Tahoma, SolaimanLipi, &quot;Droid Sans&quot;, sans-serif; font-size: 15px; line-height: 22px; padding: 0px 0px 15px; text-align: justify;">
<img alt="KoromJol" class="size-full wp-image-8272 alignleft" height="250" src="http://www.bagerhatinfo.com/wp-content/uploads/2013/12/KoromJol.jpg" style="background-color: white; border: 4px solid rgb(238, 238, 238); display: inline; float: left; height: auto; margin: 0px 15px 10px 0px; max-width: 100%; padding: 1px;" width="360" />এখানে প্রবেশপথেই মাটিতে শোয়ানো বিশালাকৃতির মানচিত্র সুন্দরবন সম্পর্কে সাম্যক ধারণা দেবে। মানচিত্রটিকে পেছনে ফেলে বনের মধ্যে দক্ষিণে চলে গেছে আঁকাবাঁকা কাঠের তৈরি হাঁটা পথ। এই নাম ‘মাঙ্কি ট্রেইল’।</div>
<div style="color: #333333; font-family: Tahoma, Tahoma, SolaimanLipi, &quot;Droid Sans&quot;, sans-serif; font-size: 15px; line-height: 22px; padding: 0px 0px 15px; text-align: justify;">
এই নামের স্বার্থকতা খুঁজে পাওয়া যায় ট্রেইলে পা ফেলার সঙ্গে সঙ্গেই। পুরো ট্রেইল জুড়েই দেখা মিলবে সুন্দরবনের অন্যতম বাসিন্দা রেসাস বানরের। বানরগুলো ট্যুরিস্টদের কাছাকাছি চলে আসে। হাতে কলা বা অন্য কোনো খাবার নিয়ে পথ না চলাই ভালো। কারণ বানরগুলো খাবারের জন্য আপনাকে ঘিরে ধরতে পারে। তাই সাবধান বানর থেকে।</div>
<div style="color: #333333; font-family: Tahoma, Tahoma, SolaimanLipi, &quot;Droid Sans&quot;, sans-serif; font-size: 15px; line-height: 22px; padding: 0px 0px 15px; text-align: justify;">
<img alt="karamjal-Sundarban-Pic-003" class="alignnone size-full wp-image-17223" height="450" src="http://www.bagerhatinfo.com/wp-content/uploads/2015/05/karamjal-Sundarban-Pic-003.jpg" style="background-color: white; border: 4px solid rgb(238, 238, 238); display: inline; height: auto; margin: 0px 0px 15px; max-width: 100%; padding: 1px;" width="700" />কাঠ বিছানো পথের দুই ধারে ঘন জঙ্গল। দুই পাশে বাইন, কেওড়া আর সুন্দরী গাছের সারি। তবে বাইন গাছের সংখ্যা বেশি।&nbsp;কাঠের পথটি কিছু দূর যাওয়ার পর হাতের বাঁয়ে শাখা পথ গিয়ে থেমেছে পশুরের তীরে।&nbsp;শেষ মাথায় নদীর তীরে বেঞ্চ পাতানো ছাউনি।&nbsp;মূল পথটি আরও প্রায় আধা কিলোমিটার দক্ষিণে গিয়ে ছোট খালের পাড়ে থেমেছে।</div>
<div style="color: #333333; font-family: Tahoma, Tahoma, SolaimanLipi, &quot;Droid Sans&quot;, sans-serif; font-size: 15px; line-height: 22px; padding: 0px 0px 15px; text-align: justify;">
এ পথের মাথায় গোলপাতার ছাউনির গোলাকৃতির আরও একটি শেইড।&nbsp;যেখানে বেঞ্চে বসে বনের নিস্তব্ধতা উপভোগ করা যাবে।</div>
<div style="color: #333333; font-family: Tahoma, Tahoma, SolaimanLipi, &quot;Droid Sans&quot;, sans-serif; font-size: 15px; line-height: 22px; padding: 0px 0px 15px; text-align: justify;">
সেখান থেকে আবারও পশ্চিম দিকে কাঠের ট্রেইলটি চলে গেছে কুমির প্রজনন কেন্দ্রের পাশে। এই ট্রেইলের মাঝামাঝি জায়গায় নির্মাণ করা হয়েছে একটি পর্যবেক্ষণ টাওয়ার (বুরুজ)। &nbsp;করমজলে সবচেয়ে আকর্ষণীয় হচ্ছে একটি সুউচ্চ ওয়াচ টাওয়ার। এর চূড়ায় থেকে করমজল এবং চারপাশটা ভালো করে দেখা যায়।</div>
<div style="color: #333333; font-family: Tahoma, Tahoma, SolaimanLipi, &quot;Droid Sans&quot;, sans-serif; font-size: 15px; line-height: 22px; padding: 0px 0px 15px; text-align: justify;">
<img alt="KaromJol-Pic-002" class="size-full wp-image-17222 alignleft" height="200" sizes="(max-width: 360px) 100vw, 360px" src="http://www.bagerhatinfo.com/wp-content/uploads/2015/05/KaromJol-Pic-002.jpg" srcset="http://www.bagerhatinfo.com/wp-content/uploads/2015/05/KaromJol-Pic-002.jpg 410w, http://www.bagerhatinfo.com/wp-content/uploads/2015/05/KaromJol-Pic-002-300x166.jpg 300w" style="background-color: white; border: 4px solid rgb(238, 238, 238); display: inline; float: left; height: auto; margin: 0px 15px 10px 0px; max-width: 100%; padding: 1px;" width="360" />সুন্দরবনের উপরিভাগের সবুজাভ নয়নাভিরাম এ দৃশ্য দেখে যে কেউ মুগ্ধ হতে বাধ্য।</div>
<div style="color: #333333; font-family: Tahoma, Tahoma, SolaimanLipi, &quot;Droid Sans&quot;, sans-serif; font-size: 15px; line-height: 22px; padding: 0px 0px 15px; text-align: justify;">
কাঠের তৈরি ট্রেইলের একেবারে শেষ প্রান্তে কুমির প্রজনন কেন্দ্র। সেখান থেকে সামান্য পশ্চিম দিকে হরিণ ও কুমিরের প্রজনন কেন্দ্র। সামনেই ছোট ছোট অনেকগুলো চৌবাচ্চা। কোনটিতে ডিম ফুটে বের হওয়া কুমির ছানা, কোনটিতে মাঝারি আকৃতির আবার কোনটিতে আরও একটু বড় বয়সের লোনা জলের কুমিরের বাচ্চা।</div>
<div style="color: #333333; font-family: Tahoma, Tahoma, SolaimanLipi, &quot;Droid Sans&quot;, sans-serif; font-size: 15px; line-height: 22px; padding: 0px 0px 15px; text-align: justify;">
একেবারে দক্ষিণ পাশে দেয়াল ঘেরা বড় পুকুরে আছে রোমিও, জুলিয়েট আর পিলপিল।&nbsp;লবণ পানির প্রজাতির কুমিরের প্রজনন বৃদ্ধি ও লালন-পালনের জন্য সুন্দরবনস বায়োডাইভার্সিটি কনজারভেশন প্রকল্পের আওতায় ২০০২ সালে পূর্ব সুন্দরবনের করমজল পর্যটন কেন্দ্রে ৮ একর জমির ওপর বনবিভাগের উদ্যোগে গড়ে তোলা হয় দেশের একমাত্র সরকারি এই কুমির প্রজনন কেন্দ্র।</div>
<div style="color: #333333; font-family: Tahoma, Tahoma, SolaimanLipi, &quot;Droid Sans&quot;, sans-serif; font-size: 15px; line-height: 22px; padding: 0px 0px 15px; text-align: justify;">
<img alt="Crocodile-in-Sundorbon" class="alignnone size-full wp-image-10894" height="392" sizes="(max-width: 640px) 100vw, 640px" src="http://www.bagerhatinfo.com/wp-content/uploads/2014/04/Crocodile-in-Sundorbon.jpg" srcset="http://www.bagerhatinfo.com/wp-content/uploads/2014/04/Crocodile-in-Sundorbon.jpg 640w, http://www.bagerhatinfo.com/wp-content/uploads/2014/04/Crocodile-in-Sundorbon-300x183.jpg 300w" style="background-color: white; border: 4px solid rgb(238, 238, 238); display: inline; height: auto; margin: 0px 0px 15px; max-width: 100%; padding: 1px;" width="640" />ওই বছর&nbsp;সুন্দরবনের বিভিন্ন নদীতে জেলেদের জালে আটকা পড়া ছোট-বড় পাঁচটি লোনা পানির কুমির নিয়ে কেন্দ্রের কার্যক্রম শুরু হয়। রোমিও-জুলিয়েটের বয়স এখন ২৪। এই জুটি প্রজননক্ষম হয় ২০০৫ সালে।</div>
<div style="color: #333333; font-family: Tahoma, Tahoma, SolaimanLipi, &quot;Droid Sans&quot;, sans-serif; font-size: 15px; line-height: 22px; padding: 0px 0px 15px; text-align: justify;">
জুলিয়েট আকারে রোমিওর চেয়ে সামান্য ছোট। লোনা পানির এই প্রজাতির কুমির ৮০ থেকে ১০০ বছর বাঁচে।&nbsp;এই কেন্দ্রটি তত্ত্বাবধানে ছিলেন (২০১৪ সাল) অষ্ট্রেলিয়ার আন্তর্জাতিক ওয়াইল্ড লাইফ কনজারভেশন সেন্টারে প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত এক জন বন কর্মকর্তা।</div>
<div style="color: #333333; font-family: Tahoma, Tahoma, SolaimanLipi, &quot;Droid Sans&quot;, sans-serif; font-size: 15px; line-height: 22px; padding: 0px 0px 15px; text-align: justify;">
<img alt="CROCODILE-in-SundorBon" class="size-medium wp-image-12531 alignleft" height="191" sizes="(max-width: 300px) 100vw, 300px" src="http://www.bagerhatinfo.com/wp-content/uploads/2014/08/CROCODILE-in-SundorBon-300x191.jpg" srcset="http://www.bagerhatinfo.com/wp-content/uploads/2014/08/CROCODILE-in-SundorBon-300x191.jpg 300w, http://www.bagerhatinfo.com/wp-content/uploads/2014/08/CROCODILE-in-SundorBon.jpg 660w" style="background-color: white; border: 4px solid rgb(238, 238, 238); display: inline; float: left; height: auto; margin: 0px 15px 10px 0px; max-width: 100%; padding: 1px;" width="300" />জুলিয়েট এ পর্যন্ত (মে ২০১৫) ডিম দিয়েছে মোট ৫৩২টি। সেখান থেকে ২৮৪টি (ডিসেম্বর ২০১৪) বাচ্চা ফুটিয়েছেন বন্য প্রাণী প্রজনন ও সংরক্ষণ কেন্দ্রের কর্মীরা। করমজল বন্য প্রাণী প্রজনন ও সংরক্ষণ কেন্দ্রের আরেক নারী সদস্য পিলপিল। এখন পর্যন্ত সে ডিম দিয়েছে ৪৪টি, যা থেকে বাচ্চা ফুটেছে ৩৩টি।</div>
<div style="color: #333333; font-family: Tahoma, Tahoma, SolaimanLipi, &quot;Droid Sans&quot;, sans-serif; font-size: 15px; line-height: 22px; padding: 0px 0px 15px; text-align: justify;">
এর পাশেই চোখে পড়বে চিড়িয়াখানার মতো উপরিভাগ উন্মুক্ত খাচায় ঘেরা খোলা জায়গা। ভেতরে চিত্রা হরিণ। খাঁচার ভেতরে পশ্চিম কোণে ছোট আরেকটি খাঁচা। ভেতরে রয়েছে কয়েকটি রেসাস বানর।</div>
<div style="color: #333333; font-family: Tahoma, Tahoma, SolaimanLipi, &quot;Droid Sans&quot;, sans-serif; font-size: 15px; line-height: 22px; padding: 0px 0px 15px; text-align: justify;">
সাম্প্রতি (২০১৫ সালে) আই.ইউ.সি.এন (IUCN) প্রকল্পের আওতায় বাচ্চা উৎপাদনের উদ্যেশ্যে&nbsp;‘করমজল বন্য প্রাণী প্রজনন কেন্দ্রে’র পুকুরে &nbsp;ছাড়া হয়েছে ছাড়া হয়েছে ১৪টি কচ্ছপ।</div>
<ul style="color: #333333; font-family: Tahoma, Tahoma, SolaimanLipi, &quot;Droid Sans&quot;, sans-serif; font-size: 15px; margin: 0px; padding: 0px 0px 15px;">
<li style="list-style-type: square; margin: 0px 0px 0px 30px; padding: 0px; text-align: justify;"><span style="color: black;"><strong>প্রয়োজনীয় তথ্য</strong></span></li>
</ul>
<div style="color: #333333; font-family: Tahoma, Tahoma, SolaimanLipi, &quot;Droid Sans&quot;, sans-serif; font-size: 15px; line-height: 22px; padding: 0px 0px 15px; text-align: justify;">
করমজলে দেশি পর্যটকের জন্য প্রবেশ মূল্য জনপ্রতি ২০ টাকা, বিদেশী পর্যটক ৩শ’ টাকা। দেশি ছাত্র ২০ টাকা। দেশি গবেষক ৪০ টাকা। বিদেশী গবেষক জনপ্রতি ৫শ’ টাকা। অপ্রাপ্ত বয়স্ক (বারো বছরের নিচে) ১০&nbsp;টাকা। দেশি পর্যটকের ভিডিও ক্যামেরা ব্যবহারে ক্যামেরা প্রতি ২শ’ টাকা। বিদেশি পর্যটক ৩শ’ টাকা। সব মূল্যের সঙ্গে ১৫ শতাংশ ভ্যাট প্রযোজ্য।</div>
<div style="color: #333333; font-family: Tahoma, Tahoma, SolaimanLipi, &quot;Droid Sans&quot;, sans-serif; font-size: 15px; line-height: 22px; padding: 0px 0px 15px; text-align: justify;">
<img alt="karamjal-Sundarban-Pic-02" class="alignnone size-full wp-image-17151" height="424" sizes="(max-width: 700px) 100vw, 700px" src="http://www.bagerhatinfo.com/wp-content/uploads/2015/05/karamjal-Sundarban-Pic-02.jpg" srcset="http://www.bagerhatinfo.com/wp-content/uploads/2015/05/karamjal-Sundarban-Pic-02.jpg 700w, http://www.bagerhatinfo.com/wp-content/uploads/2015/05/karamjal-Sundarban-Pic-02-300x181.jpg 300w" style="background-color: white; border: 4px solid rgb(238, 238, 238); display: inline; height: auto; margin: 0px 0px 15px; max-width: 100%; padding: 1px;" width="700" />করমজল যেতে হয় পশুর নদী পাড়ি দিয়ে। এই নদী সবসময়ই কম-বেশি উত্তাল থাকে। তাই ভালো মানের ইঞ্জিন নৌকা নিয়ে যাওয়া উচিৎ। আগেই নিশ্চিত হয়ে নিন নৌকায় পর্যাপ্ত লাইফ জ্যাকেট ও লাইফ বয়া আছে কী না।</div>
<div style="color: #333333; font-family: Tahoma, Tahoma, SolaimanLipi, &quot;Droid Sans&quot;, sans-serif; font-size: 15px; line-height: 22px; padding: 0px 0px 15px; text-align: justify;">
বন রক্ষী ছাড়া জঙ্গলের ভেতরে ঢুকবেন না। হরিণ ও কুমির প্রজনন কেন্দ্রের কোন প্রাণীকে খাবার দিবেন না।</div>
<ul style="color: #333333; font-family: Tahoma, Tahoma, SolaimanLipi, &quot;Droid Sans&quot;, sans-serif; font-size: 15px; margin: 0px; padding: 0px 0px 15px;">
<li style="list-style-type: square; margin: 0px 0px 0px 30px; padding: 0px; text-align: justify;"><span style="color: black;"><strong>কীভাবে যাবেন</strong></span></li>
</ul>
<div style="color: #333333; font-family: Tahoma, Tahoma, SolaimanLipi, &quot;Droid Sans&quot;, sans-serif; font-size: 15px; line-height: 22px; padding: 0px 0px 15px; text-align: justify;">
সুন্দরবনের ‘করমজল’ ইকো-ট্যুরিজম (পর্যটন) কেন্দ্রে যাবার জন্য সব চেয়ে সহজ মংলা থেকে নদী পথে যাওয়া। এছাড়া খুলনা থেকেও নদী পথে যেতে পারেন করমজল। দেশের যে কোনো প্রান্ত থেকে সড়ক পথে আপনি আসতে পারবেন বাগেরহাটের মংলায়। মংলা থেকে ইঞ্জিন নৌকায় চড়ে যেতে হবে করমজল।</div>
<div style="color: #333333; font-family: Tahoma, Tahoma, SolaimanLipi, &quot;Droid Sans&quot;, sans-serif; font-size: 15px; line-height: 22px; padding: 0px 0px 15px; text-align: justify;">
<img alt="KoromZol-Sundorbon" class="size-full wp-image-14892 alignleft" height="245" src="http://www.bagerhatinfo.com/wp-content/uploads/2014/12/KoromZol-Sundorbon.jpg" style="background-color: white; border: 4px solid rgb(238, 238, 238); display: inline; float: left; height: auto; margin: 0px 15px 10px 0px; max-width: 100%; padding: 1px;" width="400" />দশ জনের উপযোগী একটি ইঞ্জিন নৌকার যাওয়া আসার ভাড়া পড়বে ৭শ’ (৭০০) থেকে ১ হাজার ২শ’ টাকা। এসব ইঞ্জিন নৌকাগুলো সাধারণত ছাড়ে মংলা ফেরি ঘাট থেকে।</div>
<ul style="color: #333333; font-family: Tahoma, Tahoma, SolaimanLipi, &quot;Droid Sans&quot;, sans-serif; font-size: 15px; margin: 0px; padding: 0px 0px 15px;">
<li style="list-style-type: square; margin: 0px 0px 0px 30px; padding: 0px; text-align: justify;"><span style="color: black;"><strong>কোথায় থাকবেন</strong></span></li>
</ul>
<div style="color: #333333; font-family: Tahoma, Tahoma, SolaimanLipi, &quot;Droid Sans&quot;, sans-serif; font-size: 15px; line-height: 22px; padding: 0px 0px 15px; text-align: justify;">
সারাদিন করমজলে বেড়িয়ে রাতে এসে থাকতে পারেন বন্দর শহর মংলায়। এখানে আছে বাংলাদেশ পর্যটন করপোরেশনের মোটেল পশুর (০৪৬৬২-৭৫১০০) ছাড়াও বেশ কয়েকটি সরকারি-বেসরকারি রেস্ট হাউস হোটেল-মোটেল। রুম&nbsp;(ডাবল) প্রতি ভাড়া পড়বে ৮শ’ থেকে&nbsp;২ হাজার টাকা (নন এসি/এসি)।</div>
<div style="color: #333333; font-family: Tahoma, Tahoma, SolaimanLipi, &quot;Droid Sans&quot;, sans-serif; font-size: 15px; line-height: 22px; padding: 0px 0px 15px; text-align: justify;">
ইকনোমি বেড ৬শ’ টাকা। এছাড়াও মংলা শহরে সাধারণ মানের কিছু হোটেল আছে। এসব হোটেলে দেড়শ’ থেকে ৬শ’ টাকায় কক্ষ পাওয়া যাবে।</div>
</div>
</content><link rel='replies' type='application/atom+xml' href='http://visitsundarbon.blogspot.com/feeds/2081868273892324125/comments/default' title='Post Comments'/><link rel='replies' type='text/html' href='http://visitsundarbon.blogspot.com/2018/04/blog-post_60.html#comment-form' title='0 Comments'/><link rel='edit' type='application/atom+xml' href='http://www.blogger.com/feeds/8872312683140648806/posts/default/2081868273892324125'/><link rel='self' type='application/atom+xml' href='http://www.blogger.com/feeds/8872312683140648806/posts/default/2081868273892324125'/><link rel='alternate' type='text/html' href='http://visitsundarbon.blogspot.com/2018/04/blog-post_60.html' title='সুন্দরবনের ‘করমজল’ ইকো-ট্যুরিজম ও বন্যপ্রাণী প্রজনন কেন্দ্র'/><author><name>RAKOM</name><uri>http://www.blogger.com/profile/02904944596596026686</uri><email>noreply@blogger.com</email><gd:image rel='http://schemas.google.com/g/2005#thumbnail' width='16' height='16' src='https://img1.blogblog.com/img/b16-rounded.gif'/></author><thr:total>0</thr:total></entry><entry><id>tag:blogger.com,1999:blog-8872312683140648806.post-5293683137436522653</id><published>2018-04-29T23:47:00.002+06:00</published><updated>2018-04-29T23:47:47.063+06:00</updated><category scheme="http://www.blogger.com/atom/ns#" term="Sundarbon"/><category scheme="http://www.blogger.com/atom/ns#" term="করমজল"/><title type='text'>সুন্দরবনের করমজল প্রজনন কেন্দ্র, পিপাসু মেধার অজানা তথ্য</title><content type='html'><div dir="ltr" style="text-align: left;" trbidi="on">
<div style="background-color: white; border: 0px; box-sizing: border-box; color: #3d3d3d; font-family: rapidFont, SolaimanLipi, Bangla, AdorshoLipi, NikoshGrameen, Verdana, Arial; font-size: 18px; margin-bottom: 20px; outline: 0px; padding: 0px; text-align: justify; vertical-align: baseline;">
সুন্দরবনের করমজল প্রজনন কেন্দ্র, পিপাসু মেধার অজানা তথ্য। বিশ্ব ঐতিহ্য সুন্দরবনের বন্যপ্রাণি ইকোট্যুরিস্ট করমজলে প্রজনন কেন্দ্রের বানর-হরিণ, কচ্ছপ ও কুমিরসহ প্রাকৃতিক দৃশ্য দেখে মুগ্ধ দর্শনার্থীরা। বাগেরহাটের পূর্ব সুন্দরবন বিভাগের করমজল দর্শনার্থীদের পদচারণায় মুখর হয়ে উঠেছে। এই স্থানটিতে দর্শনার্থীদের ভিড় থাকে চোখে পড়ার মত।</div>
<figure class="wp-caption aligncenter" id="attachment_105660" style="background-color: white; border: 1px solid rgb(204, 204, 204); box-sizing: border-box; clear: both; color: #3d3d3d; font-family: rapidFont, SolaimanLipi, Bangla, AdorshoLipi, NikoshGrameen, Verdana, Arial; font-size: 14px; margin: 0px auto 15px; max-width: 100%; width: 700px;"><img alt="" class="size-full wp-image-105660" height="366" sizes="(max-width: 640px) 100vw, 640px" src="https://i1.wp.com/www.cnewsbd.com/wp-content/uploads/2018/03/koromjol-1.jpg?resize=640%2C366&amp;ssl=1" srcset="https://i1.wp.com/www.cnewsbd.com/wp-content/uploads/2018/03/koromjol-1.jpg?w=700&amp;ssl=1 700w, https://i1.wp.com/www.cnewsbd.com/wp-content/uploads/2018/03/koromjol-1.jpg?resize=300%2C171&amp;ssl=1 300w" style="box-sizing: border-box; display: block; height: auto; margin: 8.375px auto 0px; max-width: 98%; vertical-align: middle;" width="640" /><figcaption class="wp-caption-text" style="box-sizing: border-box; font-style: italic; margin: 10px 0px; text-align: center;">সুন্দরবনের করমজল প্রজনন কেন্দ্র, পিপাসু মেধার অজানা তথ্য</figcaption></figure><div style="background-color: white; border: 0px; box-sizing: border-box; color: #3d3d3d; font-family: rapidFont, SolaimanLipi, Bangla, AdorshoLipi, NikoshGrameen, Verdana, Arial; font-size: 18px; margin-bottom: 20px; outline: 0px; padding: 0px; text-align: justify; vertical-align: baseline;">
আত্মীয় স্বজন ও পরিবারের সদস্যদের নিয়ে সুন্দরবনের করমজলে এই পর্যটন মৌসুমে এলাকাটি ঘুরে আনন্দ-উপভোগ করছেন। সুন্দরবন বিভাগের কর্মকর্তারা বলছেন, করমজলে হরিণ ও কুমির প্রজনন কেন্দ্রে যদি ডলফিনের প্রদর্শনি করা সম্ভব হয় এবং বনে যেসব অরকিড আছে সেগুলোর বাটার ফ্লাইয়ের গার্ডেন করে একটু বৈচিত্র্য আনতে পারলে আরও দর্শানার্থী বাড়বে।</div>
<div style="background-color: white; border: 0px; box-sizing: border-box; color: #3d3d3d; font-family: rapidFont, SolaimanLipi, Bangla, AdorshoLipi, NikoshGrameen, Verdana, Arial; font-size: 18px; margin-bottom: 20px; outline: 0px; padding: 0px; text-align: justify; vertical-align: baseline;">
সিরাজগঞ্জের উল্লাপাড়া পলিটেকনিকেলের শিক্ষার্র্থী আব্দুল মমিন বলেন, আমরা ৪৬ জনের একটি টিম আসছি। বইতে পড়েছি সুন্দরবন সম্পর্কে, কিন্ত আজ স্বচক্ষে দেখে খুবই ভাল লেগেছে। এখানকার প্রাকৃতিক বনের সৌদর্য আলদা বৈশিষ্টের, না দেখলে বুঝানো যাবে না। অনেক কিছু দেখলাম, অনেক মজা করেছি।</div>
<div style="background-color: white; border: 0px; box-sizing: border-box; color: #3d3d3d; font-family: rapidFont, SolaimanLipi, Bangla, AdorshoLipi, NikoshGrameen, Verdana, Arial; font-size: 18px; margin-bottom: 20px; outline: 0px; padding: 0px; text-align: justify; vertical-align: baseline;">
ফরিদপুর থেকে আসা গৃহবধূ তায়শা ইসলাম বলেন, সুন্দরবনে প্রথম এসে হরিন, বানর, কুমির, বিলুপ্ত প্রজাতির কচ্ছপ ও নানা পশুপাখি দেখে মুগ্ধ হয়েছি। যারা সুন্দরবনে আসেননি, তারা সুন্দরবন ঘুরে প্রাকৃতিক দৃশ্য উপভোগ করতে পারেন। এই বনের আলাদা বৈশিষ্ট রয়েছে।</div>
<figure class="wp-caption aligncenter" id="attachment_105661" style="background-color: white; border: 1px solid rgb(204, 204, 204); box-sizing: border-box; clear: both; color: #3d3d3d; font-family: rapidFont, SolaimanLipi, Bangla, AdorshoLipi, NikoshGrameen, Verdana, Arial; font-size: 14px; margin: 0px auto 15px; max-width: 100%; width: 626px;"><img alt="" class="size-full wp-image-105661" height="357" sizes="(max-width: 626px) 100vw, 626px" src="https://i0.wp.com/www.cnewsbd.com/wp-content/uploads/2018/03/koromjol-2.jpg?resize=626%2C365&amp;ssl=1" srcset="https://i0.wp.com/www.cnewsbd.com/wp-content/uploads/2018/03/koromjol-2.jpg?w=626&amp;ssl=1 626w, https://i0.wp.com/www.cnewsbd.com/wp-content/uploads/2018/03/koromjol-2.jpg?resize=300%2C175&amp;ssl=1 300w" style="box-sizing: border-box; display: block; height: auto; margin: 7.48438px auto 0px; max-width: 98%; vertical-align: middle;" width="612" /><figcaption class="wp-caption-text" style="box-sizing: border-box; font-style: italic; margin: 10px 0px; text-align: center;">সুন্দরবনের করমজল প্রজনন কেন্দ্র</figcaption></figure><div style="background-color: white; border: 0px; box-sizing: border-box; color: #3d3d3d; font-family: rapidFont, SolaimanLipi, Bangla, AdorshoLipi, NikoshGrameen, Verdana, Arial; font-size: 18px; margin-bottom: 20px; outline: 0px; padding: 0px; text-align: justify; vertical-align: baseline;">
তবে অনেক দর্শনার্থীদের অভিযোগ, ট্যুরিজম এলাকায় দর্শনার্থীদের বসার টুলের ব্যবস্থা নেই, ফুট ট্রেইল ও ওয়াচ টাওয়ারটি নাজুক। একারণে দর্শনার্থীদের ঝুঁকি নিয়ে চলাচল করতে হয়। এখানে অবকাঠামোর উন্নত ব্যবস্থা থাকলে দর্শনার্থীরা ভালোভাবে সুন্দরবন ঘুরে দেখতে পারতো।</div>
<div style="background-color: white; border: 0px; box-sizing: border-box; color: #3d3d3d; font-family: rapidFont, SolaimanLipi, Bangla, AdorshoLipi, NikoshGrameen, Verdana, Arial; font-size: 18px; margin-bottom: 20px; outline: 0px; padding: 0px; text-align: justify; vertical-align: baseline;">
বাগেরহাটের মোংলা বন্দর থেকে ৫ কিলোমিটার দূরে পূর্ব সুন্দরবনের করমজলে বন্যপ্রাণি ইকোট্যুরিজম সেন্টার হওয়ায় প্রতিনিয়ত দেশ-বিদেশের প্রতিবেশ পর্যটকরা আসছে নৈসর্গ উপভোগ করতে। সুন্দবনের বানর, হরিণ ও কুমিরসহ পশু-পাখি খুব কাছ থেকে দেখা ও স্পর্শ করা যায়। এছাড়া বনের সৌন্দার্য দেখার জন্য রয়েছে ওয়াচ টাওয়ার। একারণে সহসাই বনের দৃশ্যগুলো দেখে দর্শনার্থীর মুগ্ধ। অনেক দর্শনার্থীরা বনের অবিরাম দৃশ্যগুলো ধারন করতে ব্যস্ত হয়ে পড়েন।</div>
<figure class="wp-caption aligncenter" id="attachment_105662" style="background-color: white; border: 1px solid rgb(204, 204, 204); box-sizing: border-box; clear: both; color: #3d3d3d; font-family: rapidFont, SolaimanLipi, Bangla, AdorshoLipi, NikoshGrameen, Verdana, Arial; font-size: 14px; margin: 0px auto 15px; max-width: 100%; width: 770px;"><img alt="" class="size-full wp-image-105662" height="398" sizes="(max-width: 640px) 100vw, 640px" src="https://i1.wp.com/www.cnewsbd.com/wp-content/uploads/2018/03/koromjol-3.jpg?resize=640%2C398&amp;ssl=1" srcset="https://i1.wp.com/www.cnewsbd.com/wp-content/uploads/2018/03/koromjol-3.jpg?w=770&amp;ssl=1 770w, https://i1.wp.com/www.cnewsbd.com/wp-content/uploads/2018/03/koromjol-3.jpg?resize=300%2C187&amp;ssl=1 300w, https://i1.wp.com/www.cnewsbd.com/wp-content/uploads/2018/03/koromjol-3.jpg?resize=768%2C478&amp;ssl=1 768w, https://i1.wp.com/www.cnewsbd.com/wp-content/uploads/2018/03/koromjol-3.jpg?resize=464%2C290&amp;ssl=1 464w" style="box-sizing: border-box; display: block; height: auto; margin: 9.20313px auto 0px; max-width: 98%; vertical-align: middle;" width="640" /><figcaption class="wp-caption-text" style="box-sizing: border-box; font-style: italic; margin: 10px 0px; text-align: center;">সুন্দরবনের করমজল প্রজনন কেন্দ্র, পিপাসু মেধার অজানা তথ্য</figcaption></figure><div style="background-color: white; border: 0px; box-sizing: border-box; color: #3d3d3d; font-family: rapidFont, SolaimanLipi, Bangla, AdorshoLipi, NikoshGrameen, Verdana, Arial; font-size: 18px; margin-bottom: 20px; outline: 0px; padding: 0px; text-align: justify; vertical-align: baseline;">
কিছু সমস্যার কথা স্বীকার করে সুন্দরবন পূর্ব বিভাগের করমজল বন্যপ্রানী ইকোট্যুরিজমের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা হাওলাদার আজাদ কবির বলেন, এসএসসির পরীক্ষা শেষ হওয়ায় দর্শনার্থীদের সংখ্যা বাড়ছে। শুক্রবার দর্শানর্থীদের সামাল দিতে আমাদের হিমশিম খেতে হয়েছে। পর্যটক মৌসুমে এখানে দুটি ঘাট যথেষ্ট নয়। আমাদের পরিকল্পনা রয়েছে নতুন কিছু অবকাঠামো নির্মানের। যাতে ঘুরতে এসে কোন দর্শনার্থীদের বিড়ম্বনায় পড়তে না হয়।</div>
</div>
</content><link rel='replies' type='application/atom+xml' href='http://visitsundarbon.blogspot.com/feeds/5293683137436522653/comments/default' title='Post Comments'/><link rel='replies' type='text/html' href='http://visitsundarbon.blogspot.com/2018/04/blog-post_79.html#comment-form' title='0 Comments'/><link rel='edit' type='application/atom+xml' href='http://www.blogger.com/feeds/8872312683140648806/posts/default/5293683137436522653'/><link rel='self' type='application/atom+xml' href='http://www.blogger.com/feeds/8872312683140648806/posts/default/5293683137436522653'/><link rel='alternate' type='text/html' href='http://visitsundarbon.blogspot.com/2018/04/blog-post_79.html' title='সুন্দরবনের করমজল প্রজনন কেন্দ্র, পিপাসু মেধার অজানা তথ্য'/><author><name>RAKOM</name><uri>http://www.blogger.com/profile/02904944596596026686</uri><email>noreply@blogger.com</email><gd:image rel='http://schemas.google.com/g/2005#thumbnail' width='16' height='16' src='https://img1.blogblog.com/img/b16-rounded.gif'/></author><thr:total>0</thr:total></entry><entry><id>tag:blogger.com,1999:blog-8872312683140648806.post-32663419637383091</id><published>2018-04-29T23:43:00.001+06:00</published><updated>2018-04-29T23:43:58.932+06:00</updated><category scheme="http://www.blogger.com/atom/ns#" term="Honey"/><category scheme="http://www.blogger.com/atom/ns#" term="Sundarbon"/><title type='text'>অজানা তথ্যের ভাণ্ডার সুন্দরবন নাকি মধুর বন</title><content type='html'><div dir="ltr" style="text-align: left;" trbidi="on">
<h2 style="background-color: white; color: #29303b; font-family: Georgia, &quot;Lucida Sans Unicode&quot;, lucida, Verdana, sans-serif; font-weight: 400; letter-spacing: 1px; text-align: center;">
<div style="box-sizing: border-box; color: #444444; font-family: &quot;Open Sans&quot;; font-size: 16px; letter-spacing: normal; margin-bottom: 3rem; text-align: start;">
বাংলাদেশের জাতীয় পশুর নাম কী? উত্তর – রয়েল বেঙ্গল টাইগার। কোথায় দেখা যায় রয়েল বেঙ্গল টাইগারকে? উত্তর – সুন্দরবনে। কেন সুন্দরবন ? সে বনে সুন্দরী গাছের উপস্থিতির কারণে। সেখানে আর কী পাওয়া যায়? মধু পাওয়া যায়। আসলে&nbsp; সুন্দরবনে কী পাওয়া যায় না-এটা একটা প্রশ্ন হতে পারে! আসুন জেনে নেওয়া যাক অজানা তথ্যের ভাণ্ডার প্রকৃতিকন্যা সুন্দরবন ও&nbsp;সুন্দরববনের মধু সম্পর্কে।</div>
</h2>
<h2 style="background-color: white; box-sizing: border-box; color: #333333; font-family: Lato; font-size: 3.3rem; line-height: 4.2rem; margin: 0px 0px 1.8rem;">
সুন্দরববন</h2>
<h2 style="background-color: white; color: #29303b; font-family: Georgia, &quot;Lucida Sans Unicode&quot;, lucida, Verdana, sans-serif; font-weight: 400; letter-spacing: 1px; text-align: center;">
<div style="box-sizing: border-box; color: #444444; font-family: &quot;Open Sans&quot;; font-size: 16px; letter-spacing: normal; margin-bottom: 3rem; text-align: start;">
সুন্দরবন হচ্ছে খুলনা, বাগেরহাট ও সাতক্ষীরা জেলায় অবস্থিত পৃথিবীর একমাত্র বৃহত্তম প্রাকৃতিক ম্যানগ্রোভ বন।&nbsp; এ বন বঙ্গোপসাগরের কোল ঘেঁষে অবস্থিত। সুন্দরবনের মোট আয়তন ১০০০০ বর্গকিলোমিটার। এর মধ্যে আমাদের দেশের মধ্যের অংশের আয়তন প্রায় ৬,০১৭ বর্গ কিলোমিটার।&nbsp; বর্তমানে মোট ভূমির আয়তন ৪,১৪৩ বর্গ কিলোমিটার (বালুতট ৪২ বর্গ কি.মি. -এর আয়তনসহ) এবং নদী, খাঁড়ি ও খালসহ বাকি জলধারার আয়তন ১,৮৭৪ বর্গ কি.মি. ।</div>
<div style="box-sizing: border-box; color: #444444; font-family: &quot;Open Sans&quot;; font-size: 16px; letter-spacing: normal; margin-bottom: 3rem; text-align: start;">
“সুন্দরবন”-এর আক্ষরিক অর্থ “সুন্দর জঙ্গল” বা “সুন্দর বনভূমি”। খুব সম্ভবত ‘সুন্দরবন’ নামটি সুন্দরী বৃক্ষের আধিক্যের কারণে (সুন্দরী-বন) অথবা সাগরের বন (সমুদ্র-বন) এখান থেকে এসেছে। সাধারণভাবে গৃহীত ব্যাখ্যাটি হলো এখানকার প্রধান উদ্ভিদ সুন্দরী বৃক্ষের (<em style="box-sizing: border-box;">Heritiera fomes</em>) নাম থেকেই এ বনভূমির নামকরণ।</div>
</h2>
<h2 style="background-color: white; box-sizing: border-box; color: #333333; font-family: Lato; font-size: 3.3rem; line-height: 4.2rem; margin: 0px 0px 1.8rem;">
সুন্দরববনের জীববৈচিত্র</h2>
<h2 style="background-color: white; color: #29303b; font-family: Georgia, &quot;Lucida Sans Unicode&quot;, lucida, Verdana, sans-serif; font-weight: 400; letter-spacing: 1px; text-align: center;">
<div style="box-sizing: border-box; color: #444444; font-family: &quot;Open Sans&quot;; font-size: 16px; letter-spacing: normal; margin-bottom: 3rem; text-align: start;">
জীববৈচিত্রের আধার এই সুন্দরবন। এখানে পাওয়া যাওয়া গাছের মধ্যে উল্লেখযোগ্য হল সুন্দরী, গেওয়া, গরান এবং কেওড়া গাছ। উল্লেখযোগ্য বন্যপ্রাণীর মধ্যে শুরু হল রয়েল বেঙ্গল টাইগার, হরিণ, বানর, শুকর, কুমির, ডলফিন, গুইসাপ, অজগর, হরিয়াল, বালিহাঁস, গাংচিল, বক, মদনটাক, মরালিহাঁস, চখা, ঈগল, চিল মাছরাঙা ইত্যাদি। এ বন দেশের মৎস্য সম্পদেরও এক বিরাট আধার। ইলিশ, লইট্টা, ছুরি, পোয়া,&nbsp; রূপচাঁদা, ভেটকি, পারসে, গলদা, বাগদা, চিতরা ইত্যাদি মাছ পাওয়া যায়। এছাড়া এ বনের মধ্যে দিয়ে প্রবাহিত প্রধান প্রধান নদীগুলো হলো- পশুর, শিবসা, বলেশ্বর, রায়মংগল ইত্যাদি। তাছাড়া শত শত খাল এ বনের মধ্যে জালের মতো ছড়িয়ে আছে।</div>
<div style="box-sizing: border-box; color: #444444; font-family: &quot;Open Sans&quot;; font-size: 16px; letter-spacing: normal; margin-bottom: 3rem; text-align: start;">
এখানে বলতে হয় যে, বিশ্ব ঐতিহ্যে সুন্দরবন জায়গা করে নিয়েছে। ১৯৯২ সালের ২১শে মে সুন্দরবন রামসার স্থান হিসেবে স্বীকৃতি লাভ করে। সুন্দরবন ১৯৯৭ খ্রিস্টাব্দে ইউনেস্কো কর্তৃক বিশ্বের অন্যতম ঐতিহ্যবাহী স্থান হিসেবে স্বীকৃতি লাভ করে।</div>
<div style="box-sizing: border-box; color: #444444; font-family: &quot;Open Sans&quot;; font-size: 16px; letter-spacing: normal; margin-bottom: 3rem; text-align: start;">
সুন্দরবনের জনসংখ্যার বেশির ভাগই স্থায়ী নয়। এ বন দেশের বনজ সম্পদের সবচেয়ে বড় উৎস। কাঠের উপর নির্ভরশীল সকল শিল্পের কাঁচামাল জোগান দেয় এই বন। এছাড়া এ বন থেকে নিয়মিত ব্যাপকভাবে আহরণ করা হয় ঘর ছাওয়ার পাতা, মধু, মৌচাকের মোম, মাছ, কাঁকড়া এবং শামুক-ঝিনুক।</div>
</h2>
<h2 style="background-color: white; box-sizing: border-box; color: #333333; font-family: Lato; font-size: 3.3rem; line-height: 4.2rem; margin: 0px 0px 1.8rem;">
সুন্দরববনের মধু</h2>
<h2 style="background-color: white; color: #29303b; font-family: Georgia, &quot;Lucida Sans Unicode&quot;, lucida, Verdana, sans-serif; font-weight: 400; letter-spacing: 1px; text-align: center;">
<div style="box-sizing: border-box; color: #444444; font-family: &quot;Open Sans&quot;; font-size: 16px; letter-spacing: normal; margin-bottom: 3rem; text-align: start;">
দেশে মধু উৎপাদনের অন্যতম প্রধান ক্ষেত্র হচ্ছে সুন্দরবন। ১৮৬০ সাল থেকে সুন্দরবনে মধু সংগ্রহ করা হয়। বনসংলগ্ন একটি ক্ষুদ্র গোষ্ঠী বংশপরম্পরায় মধু সংগ্রহ করে। এদেরকেই মৌয়াল বলা হয়। দেশে উৎপাদিত&nbsp; মোট মধুর ২০% সুন্দরবনে পাওয়া যায়। সুন্দরবনের সবচেয়ে ভালো মানের মধু খোলসী ফুলের ‘পদ্ম মধু’। মানের দিক থেকে এরপরেই গরান ও গর্জন ফুলের ‘বালিহার মধু’। মৌসুমের একেবারে শেষে আসা কেওড়া ও গেওয়া ফুলের মধু অপেক্ষাকৃত কম সুস্বাদু।</div>
<div style="box-sizing: border-box; color: #444444; font-family: &quot;Open Sans&quot;; font-size: 16px; letter-spacing: normal; margin-bottom: 3rem; text-align: start;">
মধু সংগ্রহের জন্য প্রতিবছরের ১ এপ্রিল থেকে তিন মাসের (এপ্রিল, মে ও জুন) জন্য বন বিভাগ মৌয়ালদের অনুমতিপত্র (পাস) দেয়। আর সময় নষ্ট না করে শুরুর দিন থেকেই মধু সংগ্রহের কাজে ব্যস্ত হয়ে পড়ে মৌয়ালরা।</div>
<div style="box-sizing: border-box; color: #444444; font-family: &quot;Open Sans&quot;; font-size: 16px; letter-spacing: normal; margin-bottom: 3rem; text-align: start;">
মধু সংগ্রহ করতে যাওয়ার আগে বিশেষ প্রার্থনা করে নেন মৌয়ালরা ৷ &nbsp;কারণ সেখানে বাঘের ভয়ের পাশাপাশি আছে ডাকাতের ভয় ৷ কেউ কেউ পরিবারের সদস্যদের কাছ থেকে বিদায় নিয়ে যান৷ মধু সংগ্রহের কিছু নিয়মনীতি ঠিক করে দিয়েছে বন বিভাগ, যেমন- মৌচাক থেকে মৌমাছি সরানোর সময় আগুনের ধোঁয়া ব্যবহার করতে হবে – এরকম নিয়ম আছে৷</div>
<div style="box-sizing: border-box; color: #444444; font-family: &quot;Open Sans&quot;; font-size: 16px; letter-spacing: normal; margin-bottom: 3rem; text-align: start;">
মৌয়ালরা এখন সনাতন পদ্ধতির পাশাপাশি হাইজেনিক পদ্ধতিতেও সুন্দরবন থেকে মধু ও মোম সংগ্রহ করছে। যার ফলে মধু ও মোম সংগ্রহের পরিমাণ দিন দিন বাড়ছে । পরিচ্ছন্নভাবে মধু সংগ্রহ এবং এর গুণগত মানও বজায় রাখার জন্য বেসরকারি সংগঠনগুলো মৌয়ালদের যন্ত্রপাতি বিতরণ করছে।</div>
<div style="box-sizing: border-box; color: #444444; font-family: &quot;Open Sans&quot;; font-size: 16px; letter-spacing: normal; margin-bottom: 3rem; text-align: start;">
মধু নিয়ে এত কথা হচ্ছে, আপনি জানেন মধু কী ? &nbsp;মধু হচ্ছে একটি তরল আঠালো মিষ্টি জাতীয় পদার্থ, যা মৌমাছিরা ফুল থেকে পুষ্পরস হিসেবে সংগ্রহ করে মৌচাকে জমা রাখে । পরবর্তীতে জমাকৃত পুষ্পরস প্রাকৃতিক নিয়মেই মৌমাছি বিশেষ প্রক্রিয়ায় পূর্ণাঙ্গ মধুতে রূপান্তর এবং কোষবদ্ধ অবস্থায় মৌচাকে সংরক্ষণ করে । বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা এবং খাদ্য ও কৃষি সংস্থার মতে মধু হচ্ছে এমন একটি মিষ্টি জাতীয় পদার্থ যা মৌমাছিরা ফুলের পুষ্পরস অথবা জীবন্ত গাছপালার নির্গত রস থেকে সংগ্রহ করে মধুতে রূপান্তর করে এবং সুনির্দিষ্ট কিছু উপাদান যোগ করে মৌচাকে সংরক্ষণ করে।</div>
<div style="box-sizing: border-box; color: #444444; font-family: &quot;Open Sans&quot;; font-size: 16px; letter-spacing: normal; margin-bottom: 3rem; text-align: start;">
কেন&nbsp;সুন্দরববনের মধু&nbsp;এত গুরুত্বপূর্ণ? &nbsp;একারণ হিসেবে বলা যায় – মধু শক্তি প্রদায়ী, হজমে সহায়তা, কোষ্ঠকাঠিন্য দূর করে, ফুসফুসের যাবতীয় রোগ ও শ্বাসকষ্ট নিরাময়ে করে। মধুতে রয়েছে ভিটামিন যা&nbsp; অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট হিসাবে কাজ করে। মধুতে প্রায় ৪৫টি খাদ্য উপাদান থাকে।</div>
<div style="box-sizing: border-box; color: #444444; font-family: &quot;Open Sans&quot;; font-size: 16px; letter-spacing: normal; margin-bottom: 3rem; text-align: start;">
মধুর এত গুণ থাকা পরেও বাজারের মধু খাঁটি কিনা আপনি জানেন কি? অনেকেই বলবেন, না। খাবারের তালিকাভুক্ত ৪৩ ধরনের পণ্যে শতকরা ৪০ ভাগ ভেজালের সন্ধান পেয়েছে জনস্বাস্থ্য ইন্সটিটিউট (আইপিএইচ) এবং এর মধ্যে ১৩টি পণ্যে ভেজালের হার প্রায় শতভাগ।</div>
<div style="box-sizing: border-box; color: #444444; font-family: &quot;Open Sans&quot;; font-size: 16px; letter-spacing: normal; margin-bottom: 3rem; text-align: start;">
প্রশ্ন করতে পারেন, খাঁটি মধু তবে কি পাওয়া যাবে না ? উত্তরে বলব, হ্যাঁ পাওয়া যাবে। বর্তমানে সুন্দরবন থেকে হাইজেনিক পদ্ধতিতে মধু আহরণ করা হয়, যা খাঁটি এবং সেই সাথে&nbsp;khaasfood.com&nbsp;থেকে খাঁটি&nbsp;সুন্দরববনের মধু পাবেন।&nbsp;</div>
</h2>
</div>
</content><link rel='replies' type='application/atom+xml' href='http://visitsundarbon.blogspot.com/feeds/32663419637383091/comments/default' title='Post Comments'/><link rel='replies' type='text/html' href='http://visitsundarbon.blogspot.com/2018/04/blog-post_48.html#comment-form' title='0 Comments'/><link rel='edit' type='application/atom+xml' href='http://www.blogger.com/feeds/8872312683140648806/posts/default/32663419637383091'/><link rel='self' type='application/atom+xml' href='http://www.blogger.com/feeds/8872312683140648806/posts/default/32663419637383091'/><link rel='alternate' type='text/html' href='http://visitsundarbon.blogspot.com/2018/04/blog-post_48.html' title='অজানা তথ্যের ভাণ্ডার সুন্দরবন নাকি মধুর বন'/><author><name>RAKOM</name><uri>http://www.blogger.com/profile/02904944596596026686</uri><email>noreply@blogger.com</email><gd:image rel='http://schemas.google.com/g/2005#thumbnail' width='16' height='16' src='https://img1.blogblog.com/img/b16-rounded.gif'/></author><thr:total>0</thr:total></entry><entry><id>tag:blogger.com,1999:blog-8872312683140648806.post-6656463037626044444</id><published>2018-04-29T23:28:00.004+06:00</published><updated>2018-04-29T23:28:53.020+06:00</updated><category scheme="http://www.blogger.com/atom/ns#" term="Sundarbon"/><category scheme="http://www.blogger.com/atom/ns#" term="ভ্রমন কাহীনি"/><title type='text'>সুন্দরবনের গভীর অরণ্যে এক দিন</title><content type='html'><div dir="ltr" style="text-align: left;" trbidi="on">
<h3 style="background-color: white; color: #29303b; font-family: Georgia, &quot;Lucida Sans Unicode&quot;, lucida, Verdana, sans-serif; font-size: 1.3em; font-weight: 400; letter-spacing: 1px; margin: 0px; padding: 0px; text-align: justify;">
আগে শুনতাম মানুষের মুখে। বন্ধু প্রিয়জন কিংবা আত্মীয়স্বজনের কাছে। ভাবতাম স্মৃতির আঙ্গিনার এ পাশে থেকে ও পাশ ছুটে বেড়াতাম। দু’চোখ ভরা স্বপ্নে বিভোর হতাম। কত না সুন্দর! সুন্দর সেই সবুজ বনটি, কত না মনোরমে সাজানো কে জানি, কী আছে তাতে? কেন মানুষ তার প্রশংসায় উল্লসিত? কেন দৌড়ঝাঁপ চলছে তাকে সপ্তাযেêর একটি বানাতে? হাজারো প্রশ্ন এসে জমা হতো হূদয়-কোণে।</h3>
<h3 style="background-color: white; color: #29303b; font-family: Georgia, &quot;Lucida Sans Unicode&quot;, lucida, Verdana, sans-serif; font-size: 1.3em; font-weight: 400; letter-spacing: 1px; margin: 0px; padding: 0px; text-align: justify;">
অদূর আকাশের শূন্যতায় একটি ছবি আঁকতাম। কখন সময় হবে? কখন ছুটে যাবো ওই সবুজ বনের ধারে? অধীর আকাঙ্ক্ষার প্রহর কেন বারবার নাড়া দিচ্ছিল। আর কত দেরি? অবশেষে অপেক্ষা শেষ হলো। প্রিয়জন ছুটে যাচ্ছে ওই গভীর অরণ্যে? গভীর সে বন, মাঝে মধ্যে আঁকাবাঁকা পথ। বাঘের গজêন, বানরের লাফালাফি, হরিণের দৌড়ঝাঁপ, সারি সারি বৃক্ষরাজি, নানা ধরনের ঝোপ এ যেন অন্য রকম এক আনন্দ! সত্যি, বণêনাহীন সুন্দরের মালা পরে সেজে আছে গভীর অরণ্যের সুন্দরবন।</h3>
<h3 style="background-color: white; color: #29303b; font-family: Georgia, &quot;Lucida Sans Unicode&quot;, lucida, Verdana, sans-serif; font-size: 1.3em; font-weight: 400; letter-spacing: 1px; margin: 0px; padding: 0px; text-align: justify;">
২৮ ফেব্রুয়ারি উল্লসিত প্রিয়জনরা ট্রেন ছাড়ার আধঘণ্টা আগেই ক্যান্টনমেন্ট স্টেশনে পৌঁছে যায়। সবার চোখেমুখে এক অন্য রকম আনন্দের আভা ফুটে আছে। হাসিমাখা রহস্যবাক্যে আমাদের ছুটে চলাকে আরো আনন্দময়ী করে তোলে।</h3>
<h3 style="background-color: white; color: #29303b; font-family: Georgia, &quot;Lucida Sans Unicode&quot;, lucida, Verdana, sans-serif; font-size: 1.3em; font-weight: 400; letter-spacing: 1px; margin: 0px; padding: 0px; text-align: justify;">
স্টেশনে নয়া দিগন্ত দাউদকান্দি প্রতিনিধি হানিফ ভাইয়ের সাথে দেখা। তিনি হেলান দিয়ে বসে আছেন আর পান চিবুচ্ছেন। তার আশপাশে আরো কয়েকজন। কেউ ব্যাগ নিয়ে টানাটানি করছে। কেউ খুঁজছে বি.সকে। কারণ কত নম্বর বগিতে টিকিট তা তিনি ছাড়া কেউ জানে না। তা ছাড়া অনেক প্রিয়জন এর আগে কখনো ট্রেনেই ভ্রমণ করেনি তাদের আগ্রহ আরো বেশি।</h3>
<h3 style="background-color: white; color: #29303b; font-family: Georgia, &quot;Lucida Sans Unicode&quot;, lucida, Verdana, sans-serif; font-size: 1.3em; font-weight: 400; letter-spacing: 1px; margin: 0px; padding: 0px; text-align: justify;">
স্টেশনের এক পাশে বি.সকে দেখা গেল। তিনি বেশ উদাস। সকালে তার নানী মারা গেছেন। তাকে দাফন করে সোজা স্টেশনে এসেছেন তিনি।</h3>
<h3 style="background-color: white; color: #29303b; font-family: Georgia, &quot;Lucida Sans Unicode&quot;, lucida, Verdana, sans-serif; font-size: 1.3em; font-weight: 400; letter-spacing: 1px; margin: 0px; padding: 0px; text-align: justify;">
থপাস করে কিসের আওয়াজ হলো? বুঝলাম বিগম্যান প্রিয়জন জাহাঙ্গীর প্লাটফমেê হাঁটাহাঁটি করছেন। তার পেছনে সুমন-নাঈমসহ আরো অনেক প্রিয়জন দাঁড়িয়ে। প্রিয়জন সুমন বললেন, আনন্দ উৎসবের ব্যান্ডপাটিê নেই এটা কেমন কথা। অন্তত একটা ঢোল থাকলেও চলত। কথাটা শুনে সবাই হেসে ওঠে। এবার হাসির রোল পড়ল দ্বিগুণ। এরই মাঝে এসে পৌঁছে গেল প্রিয়জন ইলিয়াস। তিনি সবার জন্য সিঙ্গাড়া আর ডিম এনেছেন। কিন্তু এত সব আয়োজনের কী দরকার তা পরিষ্কারভাবে বোঝা গেল না।</h3>
<h3 style="background-color: white; color: #29303b; font-family: Georgia, &quot;Lucida Sans Unicode&quot;, lucida, Verdana, sans-serif; font-size: 1.3em; font-weight: 400; letter-spacing: 1px; margin: 0px; padding: 0px; text-align: justify;">
ট্রেন ছাড়ার আগে ছোটখাটো একটা আড্ডা বসল প্লাটফমেê। সেখানেই বি.স ইলিয়াসের হাতে তুলে দিলেন প্রিয়জনের পক্ষ থেকে ফতুয়া উপহার। ইলিয়াস এতেও খুশি হতে পারল না। কারণ এই আনন্দ আয়োজনে তিনি আমাদের সাথে যেতে পারছেন না। মৃতুøর কোল থেকে ফিরে আসা এই মানুষটি প্রিয়জনদের এক নজর দেখতে তাদের সামান্য একটু আপ্যায়নে নিজেকে অল্প তৃপ্তে ধন্য করতে বহু কষ্ট করে স্টেশনে ছুটে এলেন। ইলিয়াস ভাইয়ের এমন আন্তরিকতা আমাদের যাত্রাকে আরো আনন্দময়ী করে তুলেছে। তবে সন্ধ্যার পর থেকেই স্টেশনে কারন্টে ছিল না। কেমন জানি একটা ভুতুড়ে অবস্থা হয়ে আছে। অন্ধকার। তবে অদ্ভুত আকাশের উদিত চাঁদমামার হাসিতে আমরা একটু স্বস্তি পাচ্ছিলাম।</h3>
<h3 style="background-color: white; color: #29303b; font-family: Georgia, &quot;Lucida Sans Unicode&quot;, lucida, Verdana, sans-serif; font-size: 1.3em; font-weight: 400; letter-spacing: 1px; margin: 0px; padding: 0px; text-align: justify;">
ট্রেন এলে সবাই দ্রুত দৌড়ে ছুটেছে আলোকিত ট্রেনে নিজ আসনটি বেছে নিতে। আমরা প্রিয়জনরা সবাই এক সাথে দাঁড়িয়ে। জানা গেল আমাদের সিট ‘ঙ’ নম্বর বগিতে। ‘ঙ’ নম্বর বগি খুঁজতে সবাই ব্যস্ত। কিন্তু একি! ‘ঙ’ গেল কোথায়। আদশêলিপি তিনবার পড়ি, তিনবাপরই ‘ঘ’-এর পর ‘ঙ’ আসে। কোনোবারই ‘চ’ খুঁজে পাইনি। কিন্তু এখানে দেখি উল্টো সিস্টেম। ‘ঘ’-এর পরে ‘চ’ তারপর ‘ঙ’।</h3>
<h3 style="background-color: white; color: #29303b; font-family: Georgia, &quot;Lucida Sans Unicode&quot;, lucida, Verdana, sans-serif; font-size: 1.3em; font-weight: 400; letter-spacing: 1px; margin: 0px; padding: 0px; text-align: justify;">
ট্রেনে ওঠার পরই বুঝলাম আজ রাত কেউ ঘুমাবে না। তারপর চাঁদমামা যেভাবে হাসছে তাতে কারে ঘুম আসার কথা না। তার পরও শামিম আহমেদ, আরিফুল ইসলাম, নুসরাত জাহান, সাদিয়া, কফিল উদ্দীন, আবদুল মান্নান, নাজমা আত্ত্নার, মেহেদী হাসান, শরিফুল ইসলাম, জসিমউদ্দীন, মামুন মিয়া, কামরুল হাসান, কবি ফজলুল হক, আবদুল বাতেন, কারিমা আত্ত্নার, রফিকুল ইসলাম, লালবাগের শফিকুল ইসলাম আয়েশ করে বসে পড়ল সিটে। বোঝাই যাচ্ছে ট্রেন ছাড়ার সাথে সাথে তারা নিদ্রাপুরিতে যেতে চায়। কিন্তু তার আগেই সিট নিয়ে নানান ঝামেলা শুরু হলো। ট্রেনে সিটবিহীন যাত্রীর সংখ্যা অনেক। তাদেরই একজন এসে বসেছে প্রিয়জনের সিটে। তাকে কিছুতেই তুলে দেয়া যাচ্ছে না। তবে সিট নিয়ে যত সমস্যাই হোক ট্রেন ছাড়ল সময়মতো। বেশ অবাকই হলাম। ভাবতেই ভালো লাগে, দেশ এগিয়ে যাচ্ছে।</h3>
<h3 style="background-color: white; color: #29303b; font-family: Georgia, &quot;Lucida Sans Unicode&quot;, lucida, Verdana, sans-serif; font-size: 1.3em; font-weight: 400; letter-spacing: 1px; margin: 0px; padding: 0px; text-align: justify;">
দাউদকান্দি প্রিয়জনের মোঃ হানিফ খান, মোস্তাফিজুর রহমান, কাজী হেলাল, মোঃ রুহুল আমিন, শরীফুজ্জামান জসিম, মোঃ হাছান খান, মাহবুবা ইসলাম বেছে বেছে ভালো সিট নিয়েছেন এমন অভিযোগ পেলাম। ট্রেনের মাঝ বরাবর ব্যানার ঝুলিয়ে দেয়া হলো। সেই বগিতে উঠে তিনিই কিছুক্ষণ অবাক হয়ে তাকিয়ে থাকেন। এমন কি টিকিট চেকার এসেও কিছুক্ষণ তাকিয়ে রইলেন। এত চিল্লাপাল্লা করছে সবাই তার পরও সবাই যেন মজাই পাচ্ছে। কেউ বিরত্ত্ন না।</h3>
<h3 style="background-color: white; color: #29303b; font-family: Georgia, &quot;Lucida Sans Unicode&quot;, lucida, Verdana, sans-serif; font-size: 1.3em; font-weight: 400; letter-spacing: 1px; margin: 0px; padding: 0px; text-align: justify;">
রাতে সবাই এক সময় ঘুমিয়ে পড়ল। এমন সময় কোত্থেকে এক মহিলা এসে হাউকাউ শুরু করে দিলো। বিরত্ত্ন প্রিয়জনদের অনেকেই ছুটে গেল। কিন্তু কোনো ভ্রূক্ষেপ নেই মহিলার। আসলে কমনসেন্স না থাকলে যা হয়। গভীর রাতে ট্রেন যখন বঙ্গবন্ধু সেতু আর হাডিêঞ্জ ব্রিজ পার হচ্ছিল তখন সবাই ভিড় করল জানালায়। তীব্র শীতের বাতাসও তাদের দমিয়ে রাখতে পারেনি।</h3>
<h3 style="background-color: white; color: #29303b; font-family: Georgia, &quot;Lucida Sans Unicode&quot;, lucida, Verdana, sans-serif; font-size: 1.3em; font-weight: 400; letter-spacing: 1px; margin: 0px; padding: 0px; text-align: justify;">
খুলনা পৌঁছলাম ভোর ৪টায়। আনন্দ যেন দ্বিগুণ বেড়ে গেল। সকালের খাবার কখন খাবো সেই চিন্তা কারো নেই। কখন খুলনা প্রিয়জন বাস নিয়ে আসবে এটাই যেন শেষ কথা। তবে খুলনার মুন্না যে বাস নিয়ে এলো তাকে ঠিক বাস বলা ঠিক না। টেম্পো বলা যায়।</h3>
<h3 style="background-color: white; color: #29303b; font-family: Georgia, &quot;Lucida Sans Unicode&quot;, lucida, Verdana, sans-serif; font-size: 1.3em; font-weight: 400; letter-spacing: 1px; margin: 0px; padding: 0px; text-align: justify;">
সকালের নাশতার পর মুন্নার আনা পৃথিবীর সবচেয়ে ছোট বাসটায় চড়ে আমরা পৌঁছলাম মংলায়। রাস্তায় বারবার মুন্না বলছিল, রূপসা নদীর তীরে নাকি তার শ্বশুরবাড়ি। এই শুনে বি.স বললেন, এই দুনিয়ায় তিনজনের কেবল বউ আছে, একটা হলে নাঈম, আর বাকি দু’জন হলো জসিম ভাই আর মুন্না। সুন্দরবনে আমরা পৌঁছলাম বেলা ২টায়। দুটো বড় বড় ট্রলারে চড়েই গেলাম। তারপর প্রিয়জন আরিফ যে ট্রলারে উঠে সেটাই এক দিকে কাত হয়ে যায়। প্রিয়জন নজরুল ইসলাম তো ভয়েই বললেন, ভাই দয়া করে তুমি মাঝখানে বসো। নইলে সুন্দরবন আর পৌঁছতে হবে না।</h3>
<h3 style="background-color: white; color: #29303b; font-family: Georgia, &quot;Lucida Sans Unicode&quot;, lucida, Verdana, sans-serif; font-size: 1.3em; font-weight: 400; letter-spacing: 1px; margin: 0px; padding: 0px; text-align: justify;">
সুন্দরবন পৌঁছেই সবাই ছুটতে শুরু করল। কাউকে ধরে রাখাই মুশকিল। তারপর বি.স সবাইকে নিয়ে ফটোসেশন সেরে নিলেন। দল বেঁধে সবাইকে দেখতে বললেন। কিন্তু কে শোনে কার কথা! কেউ একাই ছুটে চলল। কেউ গাছে উঠে বাঘ দেখার চেষ্টা করল। কেউ হেতালগাছের সাথে হেলান দিয়ে তাল হারিয়ে ছবি তুলল। এই তালহারা কয়েক প্রিয়জন একটা মৌচাকে ঢিল ছুড়তেই যত বিপত্তি। ভ্যাগ্যিস এ যাত্রা বেঁচেছে তারা।</h3>
<h3 style="background-color: white; color: #29303b; font-family: Georgia, &quot;Lucida Sans Unicode&quot;, lucida, Verdana, sans-serif; font-size: 1.3em; font-weight: 400; letter-spacing: 1px; margin: 0px; padding: 0px; text-align: justify;">
সুন্দরবনের মধ্যে হেঁটেচলা একটু কষ্টকর। কারণ পুরো সুন্দরবনের মাটিই শাঁসমূলে ভরা। কয়েকজন অবশ্য এই শাঁসমূল কি তাই বোঝেনি। বলল, এত ছোট ছোট গাছ কেন? ঘাস থাকলে হাঁটতে সুবিধা হতো।</h3>
<h3 style="background-color: white; color: #29303b; font-family: Georgia, &quot;Lucida Sans Unicode&quot;, lucida, Verdana, sans-serif; font-size: 1.3em; font-weight: 400; letter-spacing: 1px; margin: 0px; padding: 0px; text-align: justify;">
কয়েক প্রিয়জন নামল গাছ শনাত্ত্ন করতে। সুন্দরী গাছ কোনটা এ নিয়ে তুমুল বিতকê শুরু হলো। একজন গোলপাতা গাছ দেখিয়ে বলল, ওটাই সুন্দরী গাছ।</h3>
<h3 style="background-color: white; color: #29303b; font-family: Georgia, &quot;Lucida Sans Unicode&quot;, lucida, Verdana, sans-serif; font-size: 1.3em; font-weight: 400; letter-spacing: 1px; margin: 0px; padding: 0px; text-align: justify;">
বনের কিছুটা ভেতরে আমরা পেলাম হেতালগাছের ঝোপ। সবুজ সুন্দর এই দৃশ্যে সবার দৃষ্টি আটকে গেল। এখানেই বি.স টপ্পা খেলার আয়োজন করলেন। যে জিতবে সেই পাবে ফতুয়া পুরস্কার। খুলনা প্রিয়জনের হুমায়ুন কবীর ও লিনা এবং ঢাকা প্রিয়জনের কামরুজ্জামান পেল পুরস্কার। এ ছাড়া পুরস্কার জিতে নেয় শিশু প্রিয়জন মেহজাবিন বিনতে সুমাইয়া।</h3>
<h3 style="background-color: white; color: #29303b; font-family: Georgia, &quot;Lucida Sans Unicode&quot;, lucida, Verdana, sans-serif; font-size: 1.3em; font-weight: 400; letter-spacing: 1px; margin: 0px; padding: 0px; text-align: justify;">
আমরা ফিরে এলাম সন্ধ্যায়। আসার পথে পশুর নদীর মনোরম দৃশ্য উপভোগ করলাম। এরই মধ্যে কয়েকজন দেখে এলো মংলা বন্দর। রাতে ফিরে এলাম এস এস ফাউন্ডেশনের অফিসে। সেখানে বসল আলোচনার আসর। বি.স এস এস ফাউন্ডেশনের পরিচালকের হাতে উপহারস্বরূপ তুলে দিলেন প্রিয়জন গিফট বক্স। এ ছাড়া গল্প নিয়ে আয়োজন করা হলো কুইজ প্রতিযোগিতা। এতে পুরস্কার জিতে নেন ফিহির হোসাইন ও মোঃ সাইফুল ইসলাম। পুরস্কারগুলোর সৌজন্যে ছিল নারায়ণগঞ্জের ফ্যাশন হাউজ নকশা ও ই-লিংকসের সম্মানিত ব্রোঞ্জ ম্যানেজার মাওলানা শরীফুজ্জামান জসীম।</h3>
<h3 style="background-color: white; color: #29303b; font-family: Georgia, &quot;Lucida Sans Unicode&quot;, lucida, Verdana, sans-serif; font-size: 1.3em; font-weight: 400; letter-spacing: 1px; margin: 0px; padding: 0px; text-align: justify;">
ট্রেনের টিকিটপ্রাপ্তিতে সহযোগিতা করেন বাংলাদেশ রেলওয়ের ঢাকা স্টেশন ম্যানেজার এম এ জিন্নাহ। প্রিয়জনের পক্ষ থেকে তাকে অনেক ধন্যবাদ।</h3>
<div>
<br /></div>
<div>
<h2 style="background-color: white; color: #29303b; font-family: Georgia, &quot;Lucida Sans Unicode&quot;, lucida, Verdana, sans-serif; font-weight: 400; letter-spacing: 1px; text-align: center;">
লিখেছেনঃ ফিহির হোসাইন</h2>
</div>
<div>
<br /></div>
<div>
<br /></div>
</div>
</content><link rel='replies' type='application/atom+xml' href='http://visitsundarbon.blogspot.com/feeds/6656463037626044444/comments/default' title='Post Comments'/><link rel='replies' type='text/html' href='http://visitsundarbon.blogspot.com/2018/04/blog-post_98.html#comment-form' title='0 Comments'/><link rel='edit' type='application/atom+xml' href='http://www.blogger.com/feeds/8872312683140648806/posts/default/6656463037626044444'/><link rel='self' type='application/atom+xml' href='http://www.blogger.com/feeds/8872312683140648806/posts/default/6656463037626044444'/><link rel='alternate' type='text/html' href='http://visitsundarbon.blogspot.com/2018/04/blog-post_98.html' title='সুন্দরবনের গভীর অরণ্যে এক দিন'/><author><name>RAKOM</name><uri>http://www.blogger.com/profile/02904944596596026686</uri><email>noreply@blogger.com</email><gd:image rel='http://schemas.google.com/g/2005#thumbnail' width='16' height='16' src='https://img1.blogblog.com/img/b16-rounded.gif'/></author><thr:total>0</thr:total></entry><entry><id>tag:blogger.com,1999:blog-8872312683140648806.post-2768138075090441410</id><published>2018-04-29T23:26:00.003+06:00</published><updated>2018-04-29T23:26:54.484+06:00</updated><category scheme="http://www.blogger.com/atom/ns#" term="Sundarbon"/><category scheme="http://www.blogger.com/atom/ns#" term="ভ্রমন কাহীনি"/><title type='text'>সুন্দরবনে জলযাত্রা</title><content type='html'><div dir="ltr" style="text-align: left;" trbidi="on">
<h3 style="background-color: white; color: #29303b; font-family: Georgia, &quot;Lucida Sans Unicode&quot;, lucida, Verdana, sans-serif; font-size: 1.3em; font-weight: 400; letter-spacing: 1px; margin: 0px; padding: 0px; text-align: justify;">
সুন্দরবন ভ্রমণের সময় এটা নয়। কিন্তু আমাদের উদ্যোক্তা মোস্তফা ভাই খুব বিপ্লবী কিসিমের মানুষ। অন্তত সুন্দরবনের ক্ষেত্রে। তিনি বললেন, সুন্দরবনে যাওয়ার আবার সময়-অসময় কি?</h3>
<h3 style="background-color: white; color: #29303b; font-family: Georgia, &quot;Lucida Sans Unicode&quot;, lucida, Verdana, sans-serif; font-size: 1.3em; font-weight: 400; letter-spacing: 1px; margin: 0px; padding: 0px; text-align: justify;">
একাই দৌড়ঝাঁপ করে দিন পনেরোর মধ্যে তিনি সুন্দরবন যাওয়ার সব আয়োজন শেষ করে ফেললেন।</h3>
<h3 style="background-color: white; color: #29303b; font-family: Georgia, &quot;Lucida Sans Unicode&quot;, lucida, Verdana, sans-serif; font-size: 1.3em; font-weight: 400; letter-spacing: 1px; margin: 0px; padding: 0px; text-align: justify;">
বিশ জনের দলটা রওনা হয়ে গেলো সুন্দরবনের দিকে। মাঝারি মাপের একটা জাহাজে। আমাদের অধিকাংশের ধারণা ছিল সদরঘাট অথবা বুড়িগঙ্গার কোনো এক জায়গা থেকে আমরা উঠবো। কিন্তু শেষ দিকে জানা গেলো আমাদের সবাইকে উঠতে হবে ডেমরা ঘাট থেকে। আমাদের ট্যুরের পুরো দায়িত্ব ’দি গাইড ট্যুরস লিঃ’ নামের একটি প্রতিষ্ঠানের ঘাড়ে।</h3>
<h3 style="background-color: white; color: #29303b; font-family: Georgia, &quot;Lucida Sans Unicode&quot;, lucida, Verdana, sans-serif; font-size: 1.3em; font-weight: 400; letter-spacing: 1px; margin: 0px; padding: 0px; text-align: justify;">
নির্দিষ্ট দিন দুপুরে আমরা একত্রিত হলাম হোটেল শেরাটনের গাইড ট্যুর অফিসে। সেখানে তাদের গাড়ি করে আমাদের নিয়ে যাওয়া হলো ডেমরা ঘাটে। গাইড ট্যুরের জাহাজটা ঠিক ডেমরা ঘাটে থাকে না। থাকে একটু দূরে। অবশেষে স্পিডবোটে করে আমাদের তোলা হলো জাহাজে।</h3>
<h3 style="background-color: white; color: #29303b; font-family: Georgia, &quot;Lucida Sans Unicode&quot;, lucida, Verdana, sans-serif; font-size: 1.3em; font-weight: 400; letter-spacing: 1px; margin: 0px; padding: 0px; text-align: justify;">
&nbsp;</h3>
<h3 style="background-color: white; color: #29303b; font-family: Georgia, &quot;Lucida Sans Unicode&quot;, lucida, Verdana, sans-serif; font-size: 1.3em; font-weight: 400; letter-spacing: 1px; margin: 0px; padding: 0px; text-align: justify;">
তখন প্রায় শেষ বিকাল। আমাদের জাহাজ রওনা দিলো সুন্দরবনের উদ্দেশে। ভ্রমণে পুরুষদের তুলনায় নারীদের উৎসাহ বোধহয় বেশি থাকে। দলের নারী সদস্যরা সবাই জাহাজের রেলিং ধরে উপভোগ করতে লাগলো বাতাস ও নৌযাত্রা। পুরুষরা এদিক সেদিক ঘোরাঘুরি করে জাহাজের অন্যতম আকর্ষণ তাস খেলার দিকে মোড় নিলো। কেবিনে কেবিনে চলছে কার্ডস খেলা। সময়ের সাথে সাথে এক সময় প্রিয়ার কালো চোখও ঘোলাটে হয়ে যায়। নারী সদস্যরাই বা আর কতোক্ষণ উপভোগ করবে বাতাস কিংবা প্রাকৃতিক সৌন্দর্য। তাছাড়া রাতের বেলা প্রাকৃতিক দৃশ্য উপভোগ করতে চাওয়াটা বুদ্ধিমানের পরিচয়ও নয়। তাই রাত বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে তারাও ভিড় বাড়াতে থাকে তাসের আসরের আশপাশে, দুএকজন কার্ডস খেলা জানেও। কেউ আহলাদ করে বলে ‘শিখিয়ে দেন, তাহলেই পারবো’।</h3>
<h3 style="background-color: white; color: #29303b; font-family: Georgia, &quot;Lucida Sans Unicode&quot;, lucida, Verdana, sans-serif; font-size: 1.3em; font-weight: 400; letter-spacing: 1px; margin: 0px; padding: 0px; text-align: justify;">
কেবল খেলতে জানলেই তো চলবে না, দক্ষ খেলুড়ে হতে হবে। বাধ্য হয়ে মেয়েদের হাতে এক সেট কার্ড তুলে দিয়ে বলা হলো- যাওগা, তোমরা তোমাদের মতো করে খেলো।</h3>
<h3 style="background-color: white; color: #29303b; font-family: Georgia, &quot;Lucida Sans Unicode&quot;, lucida, Verdana, sans-serif; font-size: 1.3em; font-weight: 400; letter-spacing: 1px; margin: 0px; padding: 0px; text-align: justify;">
আমরা সবাই কেবিনে খেলায় ব্যস্ত। জাহাজ যে থেমে আছে বুঝতেই পারিনি। পরে জানা গেলো, সারারাত তারা জাহাজ চালায় না। রাত গভীর হওয়ার আগেই তারা জাহাজ নোঙর করে ঘুমিয়ে পড়ে। কাকভোরে আবারো রওনা দেয়। রাত পর্যন্ত একটানা চলতে থাকে। নৌপথে কিছু কিছু পয়েন্ট আছে যেখানে রাতে জাহাজ নোঙর করা হয়। পুলিশ ফাঁড়ি এবং লোকালয়ের আশেপাশে। প্রতিরাতে একাধিক জাহাজ এই পয়েন্টগুলোতে নোঙর করে দম নেয়। আমাদের জাহাজ প্রথম নোঙর করে চাঁদপুরের কাছাকাছি কোনো এলাকায়। ভোরে আবার চলতে শুরু করে।</h3>
<h3 style="background-color: white; color: #29303b; font-family: Georgia, &quot;Lucida Sans Unicode&quot;, lucida, Verdana, sans-serif; font-size: 1.3em; font-weight: 400; letter-spacing: 1px; margin: 0px; padding: 0px; text-align: justify;">
সারাদিন জাহাজ চলে বিকালের দিকে পৌঁছে গেলো খুলনার কাছাকাছি। সিগারেট এবং চায়ের জন্য চিনি কিনতে হবে। জাহাজ নোঙর করলো দূরে গ্রাম্য হাটের মতো একটা বাজার দেখা যাচ্ছে সেখানে। কার কি লাগবে সেই তালিকা নিয়ে। স্পিডবোটে করে আমাদের কয়েকজন রওনা হলো বাজারে। ভ্রমণ দলের একমাত্র সাদা চামড়া বিদেশী হ্যারি বললো সে খুব ভালো সাঁতার জানে। আমরা মুখ টিপে হাসি- ব্যাটা তোমার দেশে তো নদীই নাই, ভালো সাঁতার জানবে কিভাবে? আমাদের নারী সদস্যরা হ্যারিকে উসকে দিলো- হ্যারি তুমি নিশ্চয়ই ভালো ডাইভও দিতে জানো। হ্যারি বলে- নিশ্চয়ই! তাহলে তুমি এই দোতলা থেকে দাও না একটা ডাইভ। আমরা দেখি। হ্যারি সামান্য দোনোমনো করলে মেয়েরা বোঝালো, ওই যে দেখো আমাদের স্পিডবোট এখনো বাজারে পৌঁছায়নি। বাজারে যাবে, সবার জন্য কেনাকাটা করবে। তারপর ফিরবে। ততোক্ষণে তুমি সাঁতার দিয়ে কাপড় পাল্টে আবারও মি. হ্যারি হয়ে যেতে পারবে। হ্যারির চেহারায় দোটানা ভাব। এতো স্রোত সামলাতে পারবে তো! কিন্তু মেয়েদের প্রস্তাবে রাজি না হলে পৌরুষ হারানোর ভয়। আপনমনে বিড়বিড় করতে করতে হ্যারি তার টি-শার্টটি খুলে ফেলে। পরনে শুধুই শর্টস। দোতলার রেলিং পেরিয়ে জাহাজের প্রান্তে দাঁড়ালো হ্যারি। ডাইভ দিলো। সেটা কোনো ডাইভ নয়। মাথা নিচু করে পানিতে পড়া। কিন্তু শেষ পর্যন্ত মাথাটা তার নিচু থাকলো না। বুক, পেট, মাথা, পা সহ এক সঙ্গে থপ্ পানিতে পড়লো হ্যারি। ডুবে গেলো পানিতে। পনেরো-বিশ সেকেন্ড পার হয়ে যায়, হ্যারিকে দেখা যায় না। খুবই টেনশনে পড়ে গেলাম। ডাইভ দিতে গিয়ে নিশ্চয়ই পানিতে আঘাত পেয়েছে। জাহাজের ক্রুদের বলবো কিনা- এমন সময় হ্যারি ভেসে উঠলো হাসিমুখে। মেয়েদের কালোমুখগুলো উজ্জ্বল হতে থাকলো। আমি কেবিনে গেলাম। একটু বিশ্রাম নেয়া দরকার। শুধু খেলা আর আড্ডাবাজির ওপর আছি। মিনিট পাঁচেক পরেই দরজায় নক। তোজো ভাই, দ্রুত আসেন হ্যারিকে পাওয়া যাচ্ছে না। পাওয়া যাচ্ছে না মানে? ওকে সাঁতরিয়ে জাহাজের দিকে আসতে দেখলাম। স্রোতের কারণে আসতে পারেনি। ওই যে দেখেন, স্রোত ওকে টেনে নিয়ে যাচ্ছে। চেষ্টা করেও হ্যারিকে দেখতে পেলাম না। সবার হৈ-চৈ শুনে ক্রুরা এসে তিন কয়েল রশির সঙ্গে টিউব বেঁধে ছেড়ে দিলো। টিউব এগিয়ে যাচ্ছে হ্যারির দিকে, হ্যারি পিছিয়ে যাচ্ছে স্রোতের টানে। আমরা কিছু দেখছি না কিন্তু যারা আগে থেকে হ্যারিকে দেখেছে তারা বলছে- ও-ই যে হ্যারি। স্রোতের মধ্যের বিন্দুটা।</h3>
<h3 style="background-color: white; color: #29303b; font-family: Georgia, &quot;Lucida Sans Unicode&quot;, lucida, Verdana, sans-serif; font-size: 1.3em; font-weight: 400; letter-spacing: 1px; margin: 0px; padding: 0px; text-align: justify;">
স্পিডবোটটাও নেই। গেছে বাজারে। থাকলে নিমেষে হ্যারিকে উদ্ধার করা যেতো। আমাদের যখন দমব অবস্থা, ঠিক তখন একটা যাত্রবাহী ট্রলার আসছিল হ্যারির দিকে। হ্যারিকে দেখে ট্রলার তার কাছে গেলো, তাকে টেনে তুললো, আমরা দেখছি। জাহাজে নিয়ে এলো হ্যারিকে। ট্রলারের যাত্রীরা একেকজন একক কথা বলছিলো। ওরা যতোক্ষণ রইলো আমরা সবাই সমানে তাদের ধন্যবাদ জানাতে লাগলাম। এমন সময় দলনেতা মোস্তফা ভাই স্পিডবোট নিয়ে এলেন কি হয়েছে? এখানে এতো ভিড় কিসের?</h3>
<h3 style="background-color: white; color: #29303b; font-family: Georgia, &quot;Lucida Sans Unicode&quot;, lucida, Verdana, sans-serif; font-size: 1.3em; font-weight: 400; letter-spacing: 1px; margin: 0px; padding: 0px; text-align: justify;">
আমাদের জাহাজ রওনা দিল। রাত দশটার দিকে আমরা পৌঁছলাম সুন্দরবনের প্রান্তে। শরণখোলা ফরেস্ট রেঞ্জ এলাকায়। জাহাজ নোঙর করা হলো। আমাদের সেখানে অনুমতি নিতে হলো সুন্দরবনে যাওয়ার। শোনা গেলো ইদানীং সেখানে ডাকাতের উৎপাত ঘটে। আর ডাকাত না থাকলেও আছে বাঘের ভয়। ফলে দু’জন গানম্যান ভাড়া করা হলো। একজনের শরীর এতোই পেশি বহুল যে তাকেই ডাকাত মনে হয়। তার হাতে বন্দুকটা খুবই বেমানান লাগছিল। খেলনা খেলনা মনে হচ্ছিল। বন্দুকের ভয়ে নয়, পেশির ভয়েই বাঘের আসার কথা নয় তার আশেপাশে। পরদিন খুব সকালে জাহাজ ছাড়লো। আমাদের লক্ষ্য কটকা অভয়ারণ্য। ঘন্টা চারেকের মধ্যে পৌঁছে যাওয়ার কথা কটকায়।</h3>
<h3 style="background-color: white; color: #29303b; font-family: Georgia, &quot;Lucida Sans Unicode&quot;, lucida, Verdana, sans-serif; font-size: 1.3em; font-weight: 400; letter-spacing: 1px; margin: 0px; padding: 0px; text-align: justify;">
দুদিক ঘন বন। সেই বন চিরে বয়ে গেছে নদী। সেই নদী চিরে ছুটে যাচ্ছে আমাদের জাহাজ। আমাদের দলে মিশ্র প্রতিক্রিয়া দেখা গেলো। কেউ বলছে এতোক্ষণ ধরে বনের মধ্য দিয়ে ছুটছি একটা ইঁদুরও দেখলাম না। কারো মন খারাপ, সে ভেবেছিল এখানকার পানি হবে খুবই স্বচ্ছ। কিন্তু পানি ভয়াবহ ঘোলা। কেউ ভেবেছিল বন মানে টারজানের বন; যেখানে কলা-কাঁঠাল জাতীয় বন্য ফলমূল থাকবে, থাকবে ফুল। তার আশাভঙ্গ হয়েছে। এ তো শুধুই জঙ্গল! কেউ কেউ সুন্দরবনের ‘সুন্দরী’ গাছ দেখার জন্য উদগ্রীব। অথচ কেউই বলতে পারছে না কোনটা সুন্দরী গাছ। একেকজন এককটাকে বলছে। কেবল নদীর ধারে গোলপাতাটাকে শনাক্ত করা গেলো। কি আর করা, সব উৎসাহ গোলপাতাকে ঘিরেই শুরু হয়ে গেলো। এ ওকে বলতে লাগলো, এই যে নদীর ধারে দেখছিস না লম্বা লম্বা পাতা ওগুলোর নাম গোলপাতা। হ্যাঁ, হ্যাঁ আমি জানি। কিন্তু তুই বলতো, কেওড়া গাছ কোনটা? কেওড়া গাছ না চিনতে পারার কারণে সে হয়তো উল্টো বলে বসছে- আরে গাধা সুন্দরবনে এসে কেউ বেওড়া গাছ খোঁজে নাকি? সুন্দরবন বিখ্যাত সুন্দরী গাছের জন্য। বলতো, সুন্দরী গাছ কোনটা?</h3>
<h3 style="background-color: white; color: #29303b; font-family: Georgia, &quot;Lucida Sans Unicode&quot;, lucida, Verdana, sans-serif; font-size: 1.3em; font-weight: 400; letter-spacing: 1px; margin: 0px; padding: 0px; text-align: justify;">
এর মধ্যে আমাদের ডাক পড়লো সবার। উদ্দেশ্য- সংক্ষিপ্ত বক্তব্য শোনানো। আমাদের গাইড শোনাচ্ছেন। সুন্দরবন এলেই সুন্দরবন দেখা যায় না। এখানে নিজের মনটাকে বনের সঙ্গে একাত্ম করতে হয়। তা না হলে বনের ভাষা বোঝা যায়! আপনারা কেউ সিগারেটের টুকরা, চকলেট-চুইংগামের খোসা নদীতে ফেলবেন না। পরিবেশ দূষিত হয়। কেউ উচ্চস্বরে কথা বলবেন না। প্রাণীদের ডিসটার্ব করা হয়। ইত্যাদি, ইত্যাদি।</h3>
<h3 style="background-color: white; color: #29303b; font-family: Georgia, &quot;Lucida Sans Unicode&quot;, lucida, Verdana, sans-serif; font-size: 1.3em; font-weight: 400; letter-spacing: 1px; margin: 0px; padding: 0px; text-align: justify;">
এরই মধ্যে আমাদের জাহাজ কটকা অভয়ারণ্য এলাকায় নোঙর করলো। অধিকাংশের মধ্যে দেখা গেলো একই সঙ্গে বিপরীত প্রতিক্রিয়া। বনে ঢোকার আগে কারো কোনো ভয়-ডর দেখা যায়নি। কিন্তু বনে ঢোকার পর অধিকাংশের মধ্যে চাপা বাঘের ভয় দেখা গেলো। কিন্তু পাশাপাশি সবাই বাঘ দেখতেও চায়।</h3>
<h3 style="background-color: white; color: #29303b; font-family: Georgia, &quot;Lucida Sans Unicode&quot;, lucida, Verdana, sans-serif; font-size: 1.3em; font-weight: 400; letter-spacing: 1px; margin: 0px; padding: 0px; text-align: justify;">
খুব চুপচাপ এবং এক ধরনের ভাবগম্ভীর পরিবেশের ভেতর দিয়ে আমরা রওনা হলাম কটকা পর্যবেক্ষণ টাওয়ারের দিকে। গাইড বাচ্চু ভাইয়ের মতে, ভাগ্য ভালো থাকলে এই টাওয়ার থেকে বাঘ দেখা সম্ভব।</h3>
<h3 style="background-color: white; color: #29303b; font-family: Georgia, &quot;Lucida Sans Unicode&quot;, lucida, Verdana, sans-serif; font-size: 1.3em; font-weight: 400; letter-spacing: 1px; margin: 0px; padding: 0px; text-align: justify;">
দলের অনেকে বিশেষত মেয়েরা বাঘের ভয়ে ভীত। কিন্তু খামাখা বাঘের ভয় পেয়ে অসুস্থ হওয়ার তেমন মানে নাই। কারণ, বাঘ মাত্রই মানুষ খায়, আমাদের মধ্যে প্রচলিত এই ধারণা ভিত্তিহীন।</h3>
<h3 style="background-color: white; color: #29303b; font-family: Georgia, &quot;Lucida Sans Unicode&quot;, lucida, Verdana, sans-serif; font-size: 1.3em; font-weight: 400; letter-spacing: 1px; margin: 0px; padding: 0px; text-align: justify;">
বিশেষ কিছু পরিস্থিতিতে বাঘ মানুষ খেকো হয়। এই ধরনের বাঘকে বলে ‘ম্যান-ইটার’ বা ‘ম্যানিটার’। খুব বাস্তব ধরনের তিনটা কারণে সাধারণ বাঘ ‘ম্যানিটার’ হয়।</h3>
<h3 style="background-color: white; color: #29303b; font-family: Georgia, &quot;Lucida Sans Unicode&quot;, lucida, Verdana, sans-serif; font-size: 1.3em; font-weight: 400; letter-spacing: 1px; margin: 0px; padding: 0px; text-align: justify;">
এক. যে বাঘটা বনের যে অঞ্চলে থাকে সেই অঞ্চলে যদি তার খাদ্য স্বল্পতা থাকে।</h3>
<h3 style="background-color: white; color: #29303b; font-family: Georgia, &quot;Lucida Sans Unicode&quot;, lucida, Verdana, sans-serif; font-size: 1.3em; font-weight: 400; letter-spacing: 1px; margin: 0px; padding: 0px; text-align: justify;">
দুই. যদি বাঘটার বয়স বেশি হয় এবং বার্ধক্যজনিত কারণে ক্ষিপ্র প্রাণী হরিণ-বানর এসব ধরার শারীরিক ক্ষমতা না থাকে।</h3>
<h3 style="background-color: white; color: #29303b; font-family: Georgia, &quot;Lucida Sans Unicode&quot;, lucida, Verdana, sans-serif; font-size: 1.3em; font-weight: 400; letter-spacing: 1px; margin: 0px; padding: 0px; text-align: justify;">
তিন. যদি বাঘটা আহত হয়ে থাকে।</h3>
<h3 style="background-color: white; color: #29303b; font-family: Georgia, &quot;Lucida Sans Unicode&quot;, lucida, Verdana, sans-serif; font-size: 1.3em; font-weight: 400; letter-spacing: 1px; margin: 0px; padding: 0px; text-align: justify;">
আমাদের গাইড আমাদের আশ্বস্ত করলেন, এই অঞ্চলে ম্যানিটার বাঘ নাই।</h3>
<h3 style="background-color: white; color: #29303b; font-family: Georgia, &quot;Lucida Sans Unicode&quot;, lucida, Verdana, sans-serif; font-size: 1.3em; font-weight: 400; letter-spacing: 1px; margin: 0px; padding: 0px; text-align: justify;">
উঁচু পর্যবেক্ষণ টাওয়ারে উঠে অনেক দূর পর্যন্ত দেখা যায়। পাশেই বঙ্গোপসাগর। টানা গর্জন সমুদ্রের। আমাদের অভ্যস্ত জীবনের সম্পূর্ণ উল্টো পরিবেশ। এই পৃথিবী, এই বিশাল প্রকৃতি; সৃষ্টি সম্পর্কে অন্যভাবে ভাবতে শেখায়।</h3>
<h3 style="background-color: white; color: #29303b; font-family: Georgia, &quot;Lucida Sans Unicode&quot;, lucida, Verdana, sans-serif; font-size: 1.3em; font-weight: 400; letter-spacing: 1px; margin: 0px; padding: 0px; text-align: justify;">
অনেকক্ষণ টাওয়ারে বসেও বাঘের দেখা মেলে না। আমরা বনের ভিতর ঢুকে যাই। অদ্ভূত নিস্তব্ধতা। বন পেরিয়ে পৌঁছে যাই সাগরপাড়ে। বঙ্গোপসাগরের ঢেউ আছড়ে পড়ছে সুন্দরবনের পায়ে। সুন্দরবনকে হাত দিয়ে ছুঁয়ে আমরা ফিরে আসি জাহাজে। তখন ভাটা শুরু হয়েছে। দ্রুত পানি কমে যাচ্ছে। সেখানে নেমে আসছে হরিণের দল। পানি খাচ্ছে, ঘুরে বেড়াচ্ছে। একেবারেই নিরাপদ তারা। মানুষ নিজেদের জন্য না পারুক, পশু-পাখিদের জন্য যে অভয়ারণ্য তৈরি করতে পেরেছে এও কি কম! কি সুন্দর আমরা গাছপালা-পশু পাখি দেখতে গিয়েছি এতোদূর, ওরা কি কখনো আমাদের দেখতে আসবে?</h3>
<h3 style="background-color: white; color: #29303b; font-family: Georgia, &quot;Lucida Sans Unicode&quot;, lucida, Verdana, sans-serif; font-size: 1.3em; font-weight: 400; letter-spacing: 1px; margin: 0px; padding: 0px; text-align: justify;">
সুন্দরবনে প্যাকেজ ট্যুর</h3>
<h3 style="background-color: white; color: #29303b; font-family: Georgia, &quot;Lucida Sans Unicode&quot;, lucida, Verdana, sans-serif; font-size: 1.3em; font-weight: 400; letter-spacing: 1px; margin: 0px; padding: 0px; text-align: justify;">
অনেকেই বলেন মনোহরণ সুন্দরবন, এর দেখার শেষ নেই। এই মনোহরণ বন দেখার রহস্যময় হাতছানিতে পৃথিবীর দূর-দূরান্ত থেকে ট্যুরিস্টরা আসেন। অথচ এদেশের মানুষেরই সুন্দরবন দেখা হয়ে ওঠে না। চাইলেই কিন্তু আপনি বা আপনারা সুন্দরবন দেখে আসতে পারেন, তার জন্য দরকার একটু সময় খুঁজে বেরিয়ে পড়া। এদেশে এখন সুন্দরবন বেড়ানোর ব্যবস্থা নিয়ে ভ্রমণ বিলাসীদের জন্য বেশ কয়েকটি সংস্থা নানাধরনের সুযোগ-সুবিধা নিয়ে অপেক্ষা করছে। আপনার থাকা, খাওয়া থেকে শুরু করে নানাধরনের প্রয়োজন মেটাতে তারা সদাতৎপর।</h3>
<div>
<br /></div>
<div>
<br /></div>
<div>
<h2 class="page-title" style="background-color: white; color: #333333; font-family: Georgia, Arial, serif; font-size: 1.6em; font-weight: 400; letter-spacing: 1px; margin: 0px; text-align: center;">
লিখেছেনঃ আলি ফিদা</h2>
</div>
</div>
</content><link rel='replies' type='application/atom+xml' href='http://visitsundarbon.blogspot.com/feeds/2768138075090441410/comments/default' title='Post Comments'/><link rel='replies' type='text/html' href='http://visitsundarbon.blogspot.com/2018/04/blog-post_76.html#comment-form' title='0 Comments'/><link rel='edit' type='application/atom+xml' href='http://www.blogger.com/feeds/8872312683140648806/posts/default/2768138075090441410'/><link rel='self' type='application/atom+xml' href='http://www.blogger.com/feeds/8872312683140648806/posts/default/2768138075090441410'/><link rel='alternate' type='text/html' href='http://visitsundarbon.blogspot.com/2018/04/blog-post_76.html' title='সুন্দরবনে জলযাত্রা'/><author><name>RAKOM</name><uri>http://www.blogger.com/profile/02904944596596026686</uri><email>noreply@blogger.com</email><gd:image rel='http://schemas.google.com/g/2005#thumbnail' width='16' height='16' src='https://img1.blogblog.com/img/b16-rounded.gif'/></author><thr:total>0</thr:total></entry><entry><id>tag:blogger.com,1999:blog-8872312683140648806.post-3251396259175153610</id><published>2018-04-29T23:25:00.000+06:00</published><updated>2018-04-29T23:25:12.822+06:00</updated><category scheme="http://www.blogger.com/atom/ns#" term="Sundarbon"/><category scheme="http://www.blogger.com/atom/ns#" term="ভ্রমন কাহীনি"/><title type='text'>ঘুরে এলাম সুন্দরবন</title><content type='html'><div dir="ltr" style="text-align: left;" trbidi="on">
<h3 style="background-color: white; color: #29303b; font-family: Georgia, &quot;Lucida Sans Unicode&quot;, lucida, Verdana, sans-serif; font-size: 1.3em; font-weight: 400; letter-spacing: 1px; margin: 0px; padding: 0px; text-align: justify;">
খুলনা ঘাট থেকে লঞ্চ ছাড়তেই মিনিট দশেকের জন্য আলী ভাই হাওয়া। খানিক বাদেই তাঁকে পেলাম লঞ্চের বারান্দায় একদম ভিন্ন পোশাকে, শিকারির পোশাক, যেন জিম করবেট। শুধু মাথার ওয়েস্ট ইন্ডিজ ক্রিকেট দলের লোগো লাগানো মেরুন রঙের টুপিটাই যা একটু বেখাপ্পা। দূর থেকে জঙ্গল দেখতে তার কাছে বায়নোকুলারটা চাইতেই আমাকে সে কী ভর্ৎসনা! ‘বুঝলা, বন্দুক ছাড়া যেমন যুদ্ধে যাওয়া ঠিক না, তেমনি বায়নোকুলার ছাড়া জঙ্গলে যাওয়া ঠিক না। কী যে কর না! আমাকে দেখো, পায়ের বুট থেকে শুরু করে চোখে সানগ্লাস, ক্যামেরা, বায়নোকুলার, টুপি-কী নাই?’</h3>
<h3 style="background-color: white; color: #29303b; font-family: Georgia, &quot;Lucida Sans Unicode&quot;, lucida, Verdana, sans-serif; font-size: 1.3em; font-weight: 400; letter-spacing: 1px; margin: 0px; padding: 0px; text-align: justify;">
রাতে এক কেবিনে জায়গা হলো দুজনের। ‘মিলন, তোমার কাছে কি এক্সট্রা লুঙ্গি আছে? আমি আবার রাতে লুঙ্গি ছাড়া ঘুমাতে পারি না।’ মনে হলো জিজ্ঞেস করি, আলী ভাই, এত কিছু আনলেন, অথচ যেইটা ছাড়া ঘুমাইতে পারেন না, সেই জিনিসই আনলেন না? সাহস পেলাম না সে কথা বলতে। সুন্দরবন দেখতে এসে আলী ভাইকে খেপানো ঠিক হবে না। আমার কাছে নেই জেনে কয়েক সেকেন্ড কী যেন ভাবলেন, তারপর বিছানার চাদরটাকেই কোমরে জড়িয়ে নিতে নিতে বলে চলেছেন, ‘বুঝলা, লুঙ্গির মতো আরামের আর কিছু হয় না।’ বুঝেছি বলেই দোতলা বিছানায় চোখ বুজে ফেললাম তাড়াতাড়ি।</h3>
<h3 style="background-color: white; color: #29303b; font-family: Georgia, &quot;Lucida Sans Unicode&quot;, lucida, Verdana, sans-serif; font-size: 1.3em; font-weight: 400; letter-spacing: 1px; margin: 0px; padding: 0px; text-align: justify;">
আলী ভাইয়ের মতো পর্যটকেরও যদি এমন ভুল হয়, তবে আমরা আর কী দোষ করলাম! আমাদেরও হরহামেশা এমনটা হয়। সব জিনিসই সঙ্গে নিলাম, কেবল প্রয়োজনেরটা ছাড়া। আবার অনেকে প্রয়োজনেরটা তো সঙ্গে নেয়ই, অপ্রয়োজনীয় জিনিসপত্রে ব্যাগ ভরে। আমার কথাই বলি, জীবনে প্রথম ভারতে গিয়েছিলাম তিন জোড়া জুতা নিয়ে। এর মধ্যে এক জোড়া হাই হিল সু। সে কী কষ্ট! শেষে সহযাত্রী বন্ধুকে কেডসের চেয়ে জুতাতেই বেশি ্নার্ট লাগে-এই তত্ত্ব গিলিয়ে তার কেডস দিয়ে সেবার ১৫ দিন পার করে দিলাম।</h3>
<h3 style="background-color: white; color: #29303b; font-family: Georgia, &quot;Lucida Sans Unicode&quot;, lucida, Verdana, sans-serif; font-size: 1.3em; font-weight: 400; letter-spacing: 1px; margin: 0px; padding: 0px; text-align: justify;">
যাদের এমন বন্ধুভাগ্য আছে তাদের কথা বাদ। বাকিরা কোথাও বেড়াতে যাওয়ার আগে বসে যায় পরিকল্পনায়। কবে যাচ্ছে, কোথায় যাচ্ছে, আর থাকবেই বা কত দিন। যাচ্ছি বলে বেরিয়ে পড়া লোকের এতসব না ভাবলেও চলবে। তবে যারা সপরিবারে বেড়াতে যাবে, তাদের জন্য পরিকল্পনাই বেশ জরুরি। প্রথমেই আসুন যাত্রার দিনক্ষণ ঠিক করি। আমাদের দেশে পর্যটন মৌসুমটা মোটামুটি চার মাসের অর্থাৎ নভেম্বর থেকে ফেব্রুয়ারি। এর আগে-পরে এক মাস করে ধরে টেনেটুনে ছয় মাস।</h3>
<h3 style="background-color: white; color: #29303b; font-family: Georgia, &quot;Lucida Sans Unicode&quot;, lucida, Verdana, sans-serif; font-size: 1.3em; font-weight: 400; letter-spacing: 1px; margin: 0px; padding: 0px; text-align: justify;">
এর মধ্যে দুই ঈদ আর ডিসেম্বর মাসটা বেশ জমজমাট। ডিসেম্বর মাসে অধিকাংশ স্কুলেই ফাইনাল পরীক্ষা শেষ হয়ে যায় বলে বাচ্চাদের নিয়ে বেরিয়ে পড়ার জন্য ডিসেম্বরই সবচেয়ে ভালো। তবে এর আগে-পরে নিজেদের আর বাচ্চাদের ছুটি মিলিয়ে একটা দিন ঠিক করে ফেলুন।</h3>
<h3 style="background-color: white; color: #29303b; font-family: Georgia, &quot;Lucida Sans Unicode&quot;, lucida, Verdana, sans-serif; font-size: 1.3em; font-weight: 400; letter-spacing: 1px; margin: 0px; padding: 0px; text-align: justify;">
এরপর আসুন, ঠিক করি কোথায় যাবেন। স্থান নির্বাচনের আগে পরিবারের সবার সঙ্গে আলাপ করে নিন। নয়তো বিপদটা আসবে অন্য দিক দিয়ে। যেমন, আপনার স্ত্রী-সন্তান খানিকটা নিরিবিলি এলাকায় বেড়াতে ভালোবাসে। অথচ আপনি তাদের নিয়ে গেলেন পিক সিজনে কক্সবাজারে। খাবার হোটেলে লাইন, সৈকত আর শহরজুড়ে মানুষজনের গিজগিজে ভিড়। ব্যস, আর যায় কোথায়! বেড়াতে এসে স্ত্রী-সন্তানের গোমড়া মুখ দেখতে কি আর ভালো লাগবে? আবার অন্য দিকটাও আছে। ধরুন, পরিবারের সদস্যরা একটু হইচই, মানুষজনের মধ্যে থাকতে ভালোবাসে, অথচ আপনি নিয়ে গেলেন বান্দরবান বা সেন্ট মার্টিন দ্বীপে।</h3>
<h3 style="background-color: white; color: #29303b; font-family: Georgia, &quot;Lucida Sans Unicode&quot;, lucida, Verdana, sans-serif; font-size: 1.3em; font-weight: 400; letter-spacing: 1px; margin: 0px; padding: 0px; text-align: justify;">
একবার বন্ধুদের নিয়ে বান্দরবান ঘুরে সেন্ট মার্টিন গেলাম। এক বন্ধু তো ঘোষণা দিয়ে দিল যে আমার সঙ্গে আর বেড়াতে আসবে না। আমি নাকি বান্দরবানে দেখিয়েছি শুধু পাহাড় আর পাহাড়, সেন্ট মার্টিনে দেখাচ্ছি কেবল পানি আর পানি। এত পানি দেখার কী আছে? সেই গল্পটার মতো, পাহাড় বেড়িয়ে আসা এক লোককে তার বন্ধু জিজ্ঞেস করল, ‘দোস্ত, প্রকৃতি কেমন দেখলা?’ উত্তর, ‘চারদিকে খালি পাহাড় আর পাহাড়, প্রকৃতি দেখুম কেমনে?’ বুঝুন অবস্থা।</h3>
<h3 style="background-color: white; color: #29303b; font-family: Georgia, &quot;Lucida Sans Unicode&quot;, lucida, Verdana, sans-serif; font-size: 1.3em; font-weight: 400; letter-spacing: 1px; margin: 0px; padding: 0px; text-align: justify;">
বেড়ানোর জায়গা ঠিক হয়ে গেল। এবার বসুন বাজেট নিয়ে, মানে টাকা-পয়সার হিসাব নিয়ে। কোথায় যাবেন, কতজন যাবেন, কেমন হোটেলে থাকবেন-খুঁটিনাটি সবকিছুই মাথায় রাখতে হবে। মনে রাখবেন, বেড়াতে গিয়ে এক গ্লাস বিশুদ্ধ পানি খেতেও গাঁটের পয়সা গুনতে হবে। একেকবার বেড়িয়ে এসে ঘরে খেতে বসলেই মনের মধ্যে হিসাব চলে আসে। ভাত ২০ টাকা। মাংস ৭০ টাকা, ডাল ১০ টাকা ইত্যাদি। ডুবো ডালে ভাত খাওয়ার বিলাসিতাটা এখন ঘরেই করি। সে যা-ই হোক, বেড়ানোটা যেহেতু খরচের ব্যাপার, একটা কাজ করা যেতে পারে। পরিবারের সবাই মিলে একটা বেড়ানোর ব্যাংক করতে পারেন। প্রতিজন সদস্য প্রতিদিন টাকা জমাবেন। ভাবুন, কেবল আপনিই যদি প্রতিদিন ১০ টাকা করে জমান, তবে বছর শেষে আপনার জমার পরিমাণ হবে কম করে হলেও তিন হাজার ৬০০ টাকা। আর এই টাকা দিয়ে বাংলাদেশের যেকোনো স্থানে চার-পাঁচ দিন বেড়িয়ে আসতে পারবেন তার গ্যারান্টি দিচ্ছি। স্কুলপড়ুয়া সন্তানদেরও উদ্বুদ্ধ করুন এ কাজে। দেখবেন, কেমন উৎসাহ নিয়ে নেমে পড়ে। আর নিজের টাকায় ঘুরে বেড়ানোর মজাই আলাদা। অনেকে দল বেঁধে বেড়াতে ভালোবাসে। এতে সুবিধা যেমন আছে, তেমনি অসুবিধাও আছে। সুবিধা হলো, এতে বেড়ানোর খরচ বেশ খানিকটা কমে যায়। শেয়ার করে থাকতে পারলে হোটেল খরচ বাঁচানো যায়। গাড়ি ভাড়া আর খাবার খরচ তো আছেই। আর দলের সবাই যদি মোটামুটি সমমনা না হয়, তবেই বিপত্তি।</h3>
<h3 style="background-color: white; color: #29303b; font-family: Georgia, &quot;Lucida Sans Unicode&quot;, lucida, Verdana, sans-serif; font-size: 1.3em; font-weight: 400; letter-spacing: 1px; margin: 0px; padding: 0px; text-align: justify;">
সেই সুন্দরবন ভ্রমণেরই এক সন্ধ্যায় লঞ্চের টিভি রুমে রয়েল বেঙ্গল টাইগারের ওপর ডিসকভারি চ্যানেলের একটা প্রোগ্রাম দেখছিলাম। পাশে বসা সহযাত্রী কানে কানে বললেন, ‘সুন্দরবনের বাঘগুলো মেরে ফেলা উচিত। দেখেন না, কেমন ধরে ধরে হরিণ মেরে শেষ করে দিচ্ছে?’ বাকি তিন দিন লোকটাকে এড়িয়ে চলেছিলাম। তাই সঙ্গী নির্বাচনে কৌশলী হোন।</h3>
<h3 style="background-color: white; color: #29303b; font-family: Georgia, &quot;Lucida Sans Unicode&quot;, lucida, Verdana, sans-serif; font-size: 1.3em; font-weight: 400; letter-spacing: 1px; margin: 0px; padding: 0px; text-align: justify;">
মোশতাক আহমেদ, টিপু সুলতান আর আফজাল হোসেন-এই তিনজন কাজ করেন এক বেসরকারি ব্যাংকে। মাসখানেকের পরিকল্পনা শেষে তিন পরিবারের মোট ১৩ জনের দল নিয়ে পৌঁছালেন কলকাতায়, রোজার ঈদের পরপরই। বিপত্তি বাধল তার পর। একে দুর্গাপূজা, তার ওপর ১৩ জনের বিশাল দল। হোটেলে রুম পাওয়া গেলেও কিছুতেই জোগাড় করতে পারলেন না দিল্লি যাওয়ার ট্রেনের টিকিট। এক ট্রেনে এক কম্পার্টমেন্টে এতগুলো টিকিট অতিরিক্ত টাকা দিয়ে পেলেন না। প্লেনের টিকিট কাটতে গিয়েও একই ব্যাপার। খাবার হোটেলে ১৩টি খালি চেয়ার পাওয়া, বেড়াতে গিয়ে তিনটি খালি ট্যাক্সি, নিক্কো পার্কের ১৩টি টিকিট-সব মিলিয়ে ১৩ সংখ্যাটি খুব একটা সুখকর ছিল না দলটির কাছে। শেষে দিল্লি, জয়পুর, আগ্রা বেড়ানোর পরিকল্পনা বাদ দিয়ে কলকাতার নিউমার্কেট, গড়িয়াহাটে শপিং করে ফিরে আসেন তাঁরা। তাই দল বেঁধে গেলেও তা চার-পাঁচের মধ্যে থাকলেই ভালো। তবে কোনো ট্যুরিজম প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে প্যাকেজ ট্যুরে গেলে ভিন্ন কথা।</h3>
<h3 style="background-color: white; color: #29303b; font-family: Georgia, &quot;Lucida Sans Unicode&quot;, lucida, Verdana, sans-serif; font-size: 1.3em; font-weight: 400; letter-spacing: 1px; margin: 0px; padding: 0px; text-align: justify;">
চলুন, শুরু করে দিই বেড়ানোর আয়োজন পরিবারের সবাইকে নিয়ে। দেশে বেড়ে উঠুক পারিবারিক ভ্রমণের সংস্কৃতি। আর যদি হঠাৎ করেই চলে আসে কোথাও বেড়ানোর সুযোগ, হাতছাড়া করবেন না মোটেও। আরে এতকিছু ভেবে কি আর ঘুরতে যাওয়া যায়? ‘যাচ্ছি’ বলে বেড়িয়ে পড়ুন তো, গোল্লায় যাক উপদেশমালা।</h3>
<div>
<br /></div>
<div>
<br /></div>
<h2 style="background-color: white; color: #29303b; font-family: Georgia, &quot;Lucida Sans Unicode&quot;, lucida, Verdana, sans-serif; font-weight: 400; letter-spacing: 1px; text-align: center;">
<span style="color: navy;"><strong>লিখেছেনঃ ফখরুল আবেদীন মিলন</strong></span></h2>
</div>
</content><link rel='replies' type='application/atom+xml' href='http://visitsundarbon.blogspot.com/feeds/3251396259175153610/comments/default' title='Post Comments'/><link rel='replies' type='text/html' href='http://visitsundarbon.blogspot.com/2018/04/blog-post_74.html#comment-form' title='0 Comments'/><link rel='edit' type='application/atom+xml' href='http://www.blogger.com/feeds/8872312683140648806/posts/default/3251396259175153610'/><link rel='self' type='application/atom+xml' href='http://www.blogger.com/feeds/8872312683140648806/posts/default/3251396259175153610'/><link rel='alternate' type='text/html' href='http://visitsundarbon.blogspot.com/2018/04/blog-post_74.html' title='ঘুরে এলাম সুন্দরবন'/><author><name>RAKOM</name><uri>http://www.blogger.com/profile/02904944596596026686</uri><email>noreply@blogger.com</email><gd:image rel='http://schemas.google.com/g/2005#thumbnail' width='16' height='16' src='https://img1.blogblog.com/img/b16-rounded.gif'/></author><thr:total>0</thr:total></entry><entry><id>tag:blogger.com,1999:blog-8872312683140648806.post-2259957543737313572</id><published>2018-04-29T23:23:00.003+06:00</published><updated>2018-04-29T23:23:43.387+06:00</updated><category scheme="http://www.blogger.com/atom/ns#" term="Sundarbon"/><category scheme="http://www.blogger.com/atom/ns#" term="ভ্রমন কাহীনি"/><title type='text'>সুন্দরবন ভ্রমন অভিজ্ঞতা</title><content type='html'><div dir="ltr" style="text-align: left;" trbidi="on">
<h3 style="background-color: white; color: #29303b; font-family: Georgia, &quot;Lucida Sans Unicode&quot;, lucida, Verdana, sans-serif; font-size: 1.3em; font-weight: 400; letter-spacing: 1px; margin: 0px; padding: 0px; text-align: justify;">
১লা ডিসেম্বর সোমবার বিকেল ৬টায় আন্তর্জাতিক ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয় চট্টগ্রাম এর ক্যামপাস্ থেকে আমরা ৫০ জন ছাত্র শতাব্দী পরিবহনের গাড়ীতে রওনা দিলাম মংলা বন্দরের উদ্দেশে। চট্টগ্রাম হতে ঢাকা হয়ে মাওয়া ফেরীঘাট পার হয়ে দীর্ঘ ১৫ঘন্টা লাগলো মংলা বন্দরে পৌছাতে।<br />মাওয়া ফেরীঘাট পার হতেই লাগলো দীর্ঘ ৪ঘন্টা। পদ্মা নদীর এপার থেকে ওপারে নেওয়ার ফেরীতে অবশ্য ৪ঘন্টা সময় কাটাতে তেমন কষ্ট হয়নি।<br />কারণ একেতো সুন্দরবন যাওয়ার উত্তেজনা,তার উপর বিশাল ৫তলা ফেরী। আর পদ্মার সৌন্দর্য্যতো আছেই।<br />ফেরী যখন পদ্মা নদীর মাঝামাঝি তখন কেবল ধীরে ধীরে ভোরের আলো ফুটছিল।সে এক অসাধারণ দৃশ্য।২রা ডিসেম্বর ৯টায় আমরা মংলা বন্দরে পৌছালাম।ওখান থেকেই মূলত আমাদের মূল ভ্রমন শুরু।<br />তবে মংলা বন্দরের দূরাবস্থা দেখে খারাপ লাগলো খুব।আগে থেকেই ঠিক করে রাখা রেডসান-১ লঞ্চ এ করে আমরা রওনা দিলাম সুন্দরবন এর দিকে।<br />ঢাংমারী ফরেষ্ট ষ্টেশন থেকে সুন্দরবন ঢুকার মুখেই নিতে হলো প্রয়োজনীয় অনুমতি এবং সুন্দরবন ঘোরার জন্য গানম্যান।<br />তারপর আমরা রওনা দিলাম ভৌগলিক ভাবে গুরুত্বপূর্ণ হিরইন পয়েন এর দিকে।মংলা বন্দর থেকে হিরইন পয়েন এ যেতে লাগলো প্রায় ৫ঘন্টা।<br />এই ৫ঘন্টা পশুর নদীর দু পাশের সুন্দরবনের দৃশ্য ও সবাই মিলে গল্প করে কাটালাম।মাঝে দুপুরের খাওয়াটা ও শেষ করে নিলাম লঞ্চ এর ডাইনিং এ।<br />৪টার দিকে আমরা হিরইন পয়েন এ পৌছালাম।<div style="line-height: 1.5em; margin-bottom: 1em; padding: 0px;">
</div>
<div style="line-height: 1.5em; margin-bottom: 1em; padding: 0px;">
চট্টগ্রাম থেকে সুন্দরবনের হিরইন পয়েন দীর্ঘ ২০-২১ ঘন্টার ভ্রমন ।<br />দীর্ঘ এই ভ্রমন শেষে লঞ্চ যখন হিরইন পয়েন ঘাটে ভিড়লো তখন দিনের আলো প্রায় শেষের পথে।নিরাপত্তা জনিত কারণে কাউকে লঞ্চ থেকে নামার অনুমতি দিলেন না শিক্ষকরা। দু পাশে সুন্দরবন আর আমরা নদীর মাঝে,সূর্যের পড়ন্ত আলোয় চারদিকে এক মায়াবী পরিবেশ।<br />সবাই তখন নিশ্চুপ বসে বসে কেবল উপভোগ করছে প্রকৃতি।</div>
<div style="line-height: 1.5em; margin-bottom: 1em; padding: 0px;">
সূর্যের আলো পশ্চিম আকাশে মিলিয়ে যাওয়ার সাথে সাথেই লঞ্চের বৈদ্যতিক আলো জলে উঠলো আর সাথে সাথেই<br />সবাই ছুঠলো যার যার নির্ধারিত কেবিন এ।কারণ আর কিছুই নই,সবাই মোবাইল চার্জ দিয়ে নিচ্ছিলো।<br />যদি ও হিরইন পয়েন এ আসার অনেক আগে থেকেই কোন মোবাইলেই নেটওয়ার্ক পাওয়া যাচ্ছিলোনা।</div>
<div style="line-height: 1.5em; margin-bottom: 1em; padding: 0px;">
রাতের আধারে বাইরের কিছুই যেহেতু স্পষ্ট নয়,তাই ঐ দিন লঞ্চের ভিতরে সবাই গানবাজনা আর গল্প করেই কাটিয়ে দিলাম।<br />স্যারেরাও আমাদের সাথে অংশ নিলেন।রাত ৯টার দিকে আমরা রাতের খাবার খেয়ে সবাইকে তাড়াতাড়ি ঘুমানোর সুযোগ করে দিলাম যাতে পরদিন সূর্যদোয় মিস্ না হয়।তাছাড়া সবাই দীর্ঘ ভ্রমনজনিত ক্লান্তও ছিল।</div>
<div style="line-height: 1.5em; margin-bottom: 1em; padding: 0px;">
৩রা ডিসেম্বর বুধবার, ভোর ৪.৩০ এ ঘুম ভাঙ্গলো।উঠেই কেবিন থেকে বের হয়ে দেখি সবাই প্রায় উঠে গেছে।<br />আশেপাশে তাকিয়ে দেখি চারপাশ কুয়াশার চাদরে ঢাকা।তারপর মুখহাত ধুয়ে সবাই যখন তৈরী হয়ে এলো ততোক্ষণে সূর্য পূব আকাশে উকিঁ দেয়া শুরু করছে।</div>
<div style="line-height: 1.5em; margin-bottom: 1em; padding: 0px;">
লঞ্চের সাথে থাকা ইন্জ্ঞিন চালিত নৌকায় করে আমরা ৫০ জন রওনা দিলাম ভোর রাতের সুন্দরবন দেখার উদ্দেশ্যে।<br />দুই পাশে ঘন বন,গোলপাতা,সুন্দরী সহ আরও অনেক নাম না জানা গাছগাছালি দেখতে দেখতে এগুচ্ছে আমাদের নৌকা।দুই তীরে এবং গাছের ডালে অলস বসে আছে বিভিন্ন জাতের বক ও নাম না জানা পাখিরা।নানান রঙের,নানান সৌন্দর্যের মাছরাঙাগুলোই কেবল ব্যস্ত সময় পার করছিল মাছ শিকার করে।<br />নদীর দুই পাড়ে স্থানীয় জেলেরা ব্যস্ত ছিল তাদের লাগানো জাল থেকে মাছ ছড়ানোতে।আমরা সবাই তখন ব্যস্ত প্রকৃতির এই অপার সৌন্দর্য্য অবলোকন করায়।<br />এমন সময় হঠাৎ হামিদ স্যার এর চিৎকারে আমরা অবাক হয়!<br />ব্যাপার কি?<br />আর কিছুই না,গাছের ফাঁকে সুন্দরবনের এক মায়াবী হরিণ।আমরা সবাই অবাক চোখে হরিণটাকে দেখছি,ঠিক তেমনি হরিণটিও অবাক হয়ে আমাদের দেখছে!<br />তারপর আবার চিৎকার…<br />আরও হরিণ…<br />অসাধারণ সেই অনুভূতি।<br />আমাদের নেওয়া ডিজিটাল ক্যামরাগুলোর তথ্য ভান্ডার দ্রুত সমৃদ্ধ হচ্ছিল হরিণ,পাখি এবং নাম না জানা অচেনা সব গাছের ছবি তুলে ও ভিড়িও করে।<br />এইভাবে কখন যে সূর্য পূব আকাশে সম্পূর্ণ উঠে গেছে খেয়ালি করেনি কেউ।</div>
<div style="line-height: 1.5em; margin-bottom: 1em; padding: 0px;">
এরপর আমরা ইন্জ্ঞিন নৌকায় গেলাম হিরইন পয়েন এর জেঠিতে।উদ্দেশ্য হিরইন পয়েন ঘুরে দেখা।হিরইন পয়েন এ ঢোকার মুখেই ছিল বিশ্ব ঐতিয্য ফলক।আগে-পিছে ২জন নিরাপত্তা রক্ষী নিয়ে আমাদের পুরো দলটাই প্রথমবারের মত সুন্দরবনের ভিতরে প্রবেশ করলো।<br />অবশ্য হিরইন পয়েন এ আমরা তেমন কোন প্রাণীই দেখিনি।তবে গানম্যান যখন আমাদের ডেকে বাঘ মামার পায়ের ছাপ দেখালো তখন যে সবার মনে অজানা ভয় এসে ভর করলো তা সবার চোখেমুখেই ভেসে উঠলো।কিছুক্ষণ ঘোরাঘুরির পর আমরা উঠলাম হিরইন পয়েন এর পর্যবেক্ষণ টাওয়ার এ।<br />এই টাওয়ারটির বর্তমান অবস্থা খুবই নাজুক।৫ তলা বিশিষ্ট এই টাওয়ার এ ৫ জনের বেশী একসাথে ওঠা নিষেধ।<br />টাওয়ার এর উপর থেকে তেমন কিছু দেখাও যায়নি।</div>
<div style="line-height: 1.5em; margin-bottom: 1em; padding: 0px;">
হিরইন পয়েন দেখে লঞ্চ এ ফিরে এসেই সবাই সকালের নাস্তা শেষ করলো।তারপর আমাদের লঞ্চের ক্যাপ্টেন ঘোষণা দিলেন,আমরা হিরইন পয়েন থেকে লঞ্চ ছেড়ে দুবলার চরের উদ্দেশ্যে রওনা করছি।এভাবেই শেষ হলো আমাদের হিরইন পয়েন এর অভিযান।</div>
<div style="line-height: 1.5em; margin-bottom: 1em; padding: 0px;">
লঞ্চ এখন দুবলার চরের পথে…</div>
<div style="line-height: 1.5em; margin-bottom: 1em; padding: 0px;">
বাতাসে শুটকির গন্ধ পেয়েই বুঝলাম আমরা দুবলার চরে পৌছে গেছি।দুবলার চরে পৌছাঁলাম তখন সকাল ১০.৩০।<br />সবাই নামলাম।স্যারেরা সময় বেধে দিলেন আধা ঘন্টা।কারণ আমাদের পরের গন্তব্য কটকায় পৌছাতে হবে দ্রুত।</div>
<div style="line-height: 1.5em; margin-bottom: 1em; padding: 0px;">
দুবলার চরে নেমেই ছুটে গেলাম শুটকি পরিদর্শনে। নানা জাতের নানা ধরনের শুটকি শুকানো হচ্ছে।সবচেয়ে ভালো লাগলো যখন জানলাম,ওখানে কাজ করা মানুষগুলো বেশীর ভাগই চট্টগ্রাম জেলার।নিজেদের জেলার মানুষ পেয়ে তারাও খুব খুশি, এই সুযোগ এ আমরাও কিছুটা কম দামে শুটকি পেয়ে গেলাম তাদের কাছে!অনেকেই শুটকি কিনলাম আমরা।ফাকেঁ ফাকেঁ ছবি তুলছিল সবাই।বেশ কিছু গ্রুপ ছবি তুললাম।আমার ক্যামেরাও থেমে ছিল না।<br />আরও কিছুক্ষণ এদিক সেদিক হেটেঁ সবাই লঞ্চ এ ফিরে এলাম।এরপর লঞ্চ আবার যাত্রা শুরু করলো কটকার উদ্দেশ্যে।</div>
<div style="line-height: 1.5em; margin-bottom: 1em; padding: 0px;">
আবার সেই লঞ্চের একঘেয়ে বটবট আওয়াজ।</div>
<div style="line-height: 1.5em; margin-bottom: 1em; padding: 0px;">
কিন্তু নদীর দু পাশের প্রকৃতি সেই একঘেয়েমি দূর করে দেয় নিমেষেই।তার সাথে ছাত্রদের গীটারের টুংটাং আওয়াজ ও দরাজ গলায় গাওয়া গান<br />ওরে..নীল দরিয়া…<br />আমায়… দে রে দে… ছাড়িয়…<br />সে এক দারুন অনুভূতি…</div>
<div style="line-height: 1.5em; margin-bottom: 1em; padding: 0px;">
এভাবে কখন যে সকাল গড়িয়ে দুপুর হলো খেয়ালই করিনি।হঠাৎ লঞ্চের হুইসেল এ সম্বিত ফিরে পেলাম সবাই।বুঝতে পারলাম কটকা চলে এসেছি আমরা।<br />তাড়াতাড়ি দুপুরের খাবার সেরে নিলাম সবাই।তারপর সবাই দ্রুত তৈরী হয়ে নিলাম কটকা ভ্রমনের জন্য।লঞ্চ ঘাটে ভিড়লে ধীরে ধীরে সবাই নেমে পড়লাম কটকার মূল ভূমিতে।শুরু হলো কটকা অভিযান…</div>
<div style="line-height: 1.5em; margin-bottom: 1em; padding: 0px;">
সুন্দরবনের সবচেয়ে রোমাঞ্চকর জায়গা কটকা….</div>
<div style="line-height: 1.5em; margin-bottom: 1em; padding: 0px;">
লঞ্চ থেকে কটকা ঘাটে নামার পূর্বেই বুঝতে পারলাম কেন কটকা এতো আকর্ষনীয় পর্যটন স্পট।নদীর দু পাশেই ঘন জঙ্গল,তার ফাঁকে ফাঁকে হঠাৎ দেখা যাচ্ছে বিভিন্ন প্রজাতির বানর,পাখি ও হরিণ।আমাদের আসার আওয়াজ পেয়ে তারা লুকাতে থাকে বনের গভীরে।</div>
<div style="line-height: 1.5em; margin-bottom: 1em; padding: 0px;">
সবাই নামলাম লঞ্চ থেকে।তারপর স্যারেরা আমাদের ৭টি গ্রুপে ভাগ করে দিলেন,প্রতি গ্রুপে একজন গ্রুপ লিডারও ঠিক করে দিলেন যাতে গ্রুপ লিডার সবার প্রতি নজর রাখতে পারে ।সুন্দরবনের অন্য সব জায়গা থেকে কটকায় অতিরিক্ত সাবধানতা অবলম্বন এর ব্যাপারে আমাদের আগেই বলে দেওয়া হয়েছিল।অতঃপর কটকা অভিযান শুরু…</div>
<div style="line-height: 1.5em; margin-bottom: 1em; padding: 0px;">
সবার সামনে নিরাপত্তা রক্ষী তারপর আমরা এবং সবশেষেও আর একজন নিরাপত্তা রক্ষী,এভাবেই আমরা শুরু করি কটকার অভ্যন্তরে যাত্রা।কটকায় ঢুকার মুখেই পর্যবেক্ষণ টাওয়ার।তাই ৭দলে ভাগ হয়ে আলাদা আলাদা ভাবে টাওয়ার এ উঠলাম।</div>
<div style="line-height: 1.5em; margin-bottom: 1em; padding: 0px;">
সে এক অসাধারণ দৃশ্য! চারপাশে সবুজ আর তার মধ্যে ঘুরে বেড়াচ্ছে হরিণের দল।আমরা যে হরিণের এত কাছে তা টাওয়ার এ উঠার আগ পর্যন্ত বুঝতেই পারিনি।ঐ মূহুর্তে সবাইকে প্রকৃতি যেন যাদু করে রেখেছিল তার সৌন্দর্য দিয়ে।</div>
<div style="line-height: 1.5em; margin-bottom: 1em; padding: 0px;">
পর্যবেক্ষণ টাওয়ার থেকে নেমে সবাই বনের গভীরে রওনা দিলাম।<br />কারও মুখে আওয়াজ নেই…<br />নিঃশব্দ…<br />যেন সবাই বাকহারা…<br />আসলে সবাই চুপ করেছিল হরিণের দল যাতে পালিয়ে না যায় সেজন্য।<br />হরিণগুলো দলবল সহ ঘুরছিল ।কিন্ত যখনই আমাদের অস্থিত্ব বুঝতে পেলো তখন পালিয়ে গেলো এদিক সেদিক…কিন্তু পালালে কি হবে আমাদের ক্যামেরাগুলোর শক্তিশালী লেন্স ঠিকই তাদের বন্দি করে ফেলেছে ! ততোক্ষণে আমাদের ছাত্রদের দলগুলো মিলেমিশে একাকার।যে যার মত উপভোগ করতে লাগলো এইসব দূর্লভ দৃশ্য।অবশ্য দল ভাঙ্গলেও আমরা সবাই একত্রে ছিলাম সবসময়।তাই স্যারেরাও তেমন বাধাঁ দিলেন না।</div>
<div style="line-height: 1.5em; margin-bottom: 1em; padding: 0px;">
এভাবে প্রকৃতি ও হরিণ দেখতে দেখতে কখন যে আমরা গভীর জঙ্গলে প্রবেশ করেছি বুঝতেই পারিনি। যখন খেয়াল করলাম দেখি দু পাশেই ঘন জঙ্গল। হাজারো গাছ।<br />একটু ভালোভাবে খেয়াল করতেই দেখলাম শত শত ভাঙ্গাঁ গাছ।<br />ঘূর্ণিঝড় সিডরের তান্ডব।<br />সিডর এর ভয়াবহ তান্ডব থেকে পুরো দেশকে রক্ষা করতে সুন্দরবন নিজেকে বিলিয়ে কীভাবে দেশকে রক্ষা করেছে তা নিজে না দেখলে বোঝা অবিশ্বাস্য…!<br />কিন্তু আশার কথা আবারও জেগে উঠেছে সুন্দরবন । নতুন নতুন গাছগাছালিতে ভরে উঠেছে পুরো সুন্দরবন।যেন এই শীতেই বসন্তের আগমন শোনাচ্ছে সুন্দরবন।সুন্দরবনের এই নতুন জাগরণ সুন্দরবনকে নিয়ে গেছে অন্য এক মাত্রায়।তাই এখনকার সুন্দরবন আগের চেয়ে আরও বেশী সুন্দর,আরও বেশী আকর্ষনীয়।</div>
<div style="line-height: 1.5em; margin-bottom: 1em; padding: 0px;">
আমরা এগিয়ে চলছি ঘন জঙ্গলের মধ্যখান দিয়ে….</div>
<div style="line-height: 1.5em; margin-bottom: 1em; padding: 0px;">
দুপাশে হাজারো গাছ,নানা প্রজাতির পাখির আওয়াজ এবং গাইডের মুখে বাঘের লোমহর্ষক ঘটনা শুনতে শুনতে আমরা এগুচ্ছি ঘন জঙ্গলের মাঝখান দিয়ে।<br />সবাই চুপচাপ,অজানা আতংক মনে, কখন আবার বাঘ মামার শিকার হতে হয় ! হঠাৎ শো শো গর্জন কানে এলো…বাঘ যেন ছুটে আসছে এইদিকে !!<br />তারপরেও সবাই এগিয়ে যায় সামনের দিকে।</div>
<div style="line-height: 1.5em; margin-bottom: 1em; padding: 0px;">
ধীরে ধীরে স্পষ্ট হয়ে উঠে গর্জন।হঠাৎ করেই পুরো দৃশ্যপঠ বদলে গেল!! সুন্দরবন তার রূপ যেন বদলে ফেললো নিমেষেই।আমাদের সামনে এখন বিশাল জলরাশি।সমুদ্রের ঢেউ আছড়ে পড়ছে সুন্দরবনের উপর।সে এক অন্যরকম সৌন্দর্য্য,ভাষায় প্রকাশ করার নয়।সাগর জীবনে অনেকবার দেখেছি কিন্তু এমন ভাবে আর কখনো আমার চোখে ধরা পড়েনি।সবাই সাগর দেখে যেন পাগল হয়ে গেল।এতক্ষণের একতাবদ্ধ দলটি ভেঙ্গে,সবাই ছোটাছুটি শুরু করলো।<br />কেউ গেল পানিতে,কেউ শামুক কুড়াতে,কেউবা গলা ছেড়ে গান ধরলো।</div>
<div style="line-height: 1.5em; margin-bottom: 1em; padding: 0px;">
সংবিৎ ফিরে পেলাম যখন গার্ড জানালো ২০০৪ এর এক মর্মান্তিক ঘটনা।<br />১১ জন ছাত্র-ছাত্রীর পানিতে মৃত্যুবরনের ঘটনা শুনে স্যাররা সবাইকে সাবধান করে দিলেন।</div>
<div style="line-height: 1.5em; margin-bottom: 1em; padding: 0px;">
এমন সময় দূর থেকে এক ছাত্রের চিৎকারে পরিবেশ আরও ভীতিকর হয়ে উঠে।কাছে গিয়ে দেখি তরতাজা বাঘের পায়ের ছাপ।একটা-দুটা নয় অনেকগুলো।<br />গার্ড এগিয়ে এসে এই ছাপ পর্যবেক্ষণ শেষে ঘোষণা করলো এই ছাপ অল্প কিছুক্ষণ আগের।কারণ সমুদ্রের পাড়ের প্রচুর বাতাসে বালিতে এই ছাপ আধা ঘন্টার বেশি থাকেনা।আরও বললো অন্তত দুইটি বাঘ এসেছিল।</div>
<div style="line-height: 1.5em; margin-bottom: 1em; padding: 0px;">
আমাদের অবস্থা হলো তখন দেখার মতো।সবাই যেন বাঘ মামার গন্ধ পাচ্ছিলো।<br />এই বুঝি বাঘ মামা এলো!</div>
<div style="line-height: 1.5em; margin-bottom: 1em; padding: 0px;">
কিছুক্ষণ পর গার্ডদের পীড়াপীড়ি ও শেষে স্যারদের নির্দেশে আমরা পূণরায় জঙ্গল পার হয়ে ফিরে এলাম লঞ্চে।শেষ হলো সুন্দরবনের সবচেয়ে আকর্ষণীয় অভিযান।আমরা তৈরী হতে থাকলাম পরের দিনের কারমজল অভিযানের জন্য….</div>
<div style="line-height: 1.5em; margin-bottom: 1em; padding: 0px;">
সকালে ঘুম ভাঙ্গলো লঞ্চের ভটভট আওয়াজে…<br />উঠেই দেখি লঞ্চ করামজলের উদ্দ্যেশে রওনা দিয়েছে ভোর রাতেই।লঞ্চের পিছনে গিয়ে দেখি কটকা এখনো দেখা যাচ্ছে।মনটা খারাপ হয়ে গেল,প্রিয় কটকা থেকে বিদায় নেওয়া হলোনা বলে।করামজল কটকা থেকে দীর্ঘ ৬-৭ ঘন্টার ভ্রমন</div>
<div style="line-height: 1.5em; margin-bottom: 1em; padding: 0px;">
এই দীর্ঘ সময় খুবই আনন্দে কাটালাম আমরা সবাই মিলে।ছোটখাট একটা অনুষ্ঠান হয়ে গেল লঞ্চের ছাদে,যাতে ছাত্র-শিক্ষক সবাই অংশগ্রহন করলো।<br />গান,কৌতুক,অভিনয় সবই ছিল…</div>
<div style="line-height: 1.5em; margin-bottom: 1em; padding: 0px;">
এভাবে কখন যে দিন কেটে গেল বুঝতেই পারলাম না।বিকেল নাগাদ আমরা করামজল পৌছালাম।</div>
<div style="line-height: 1.5em; margin-bottom: 1em; padding: 0px;">
করামজল আসলে একটা সাফারী পার্ক বলা চলে।এখানে ঢোকার মুখেই সুন্দরবনের একটা বিশাল মানচিত্র।পাশেই আছে বাঘ মামার কঙ্কাল, কুমিরের ডিম ইত্যাদি।<br />একটু সামনে এগুতেই দেখি হরিণ।হরিণগুলো সুন্দরবনের বন্য হরিণের মতো পালালোনা খাবারের লোভে।উম্মুক্ত বানরগুলো খুব মজা দিল সবাইকে।</div>
<div style="line-height: 1.5em; margin-bottom: 1em; padding: 0px;">
এরপর সবাই ঢুকলাম বনের গভীরে অবশ্য কটকার মতো নয় এখানে বন বিভাগের বানানো সুদৃশ্য পথে আমরা রওনা হলাম ভিতরে।<br />এখানে দেখার তেমন কিছু নাই, তবে গাছের গায়ে নাম লেখা থাকায় গাছগুলো চিনতে পারলাম সবাই।</div>
<div style="line-height: 1.5em; margin-bottom: 1em; padding: 0px;">
বন থেকে বের হয়ে গেলাম কুমিরের প্রজনন কেন্দ্র দেখতে।এখানে একটা পর্যবেক্ষণ টাওয়ার আছে যেখান থেকে পুরো করামজল দৃশ্যমান।</div>
<div style="line-height: 1.5em; margin-bottom: 1em; padding: 0px;">
অবশেষে সব দেখা শেষে সবাই ফিরে এলো লঞ্চেআসার সময় অবশ্য সবাই সুন্দরবনের মধু কিনতে ভুল করলোনা।</div>
<div style="line-height: 1.5em; margin-bottom: 1em; padding: 0px;">
অতঃপর শেষ হলো আমাদের সুন্দরবন ভ্রমন…</div>
<div style="line-height: 1.5em; margin-bottom: 1em; padding: 0px;">
গত ৫দিনের সুখ স্মৃতি নিয়ে সবাই রওনা হলাম নিজ গন্ত্যব্যে।</div>
<div style="line-height: 1.5em; margin-bottom: 1em; padding: 0px;">
<br /></div>
<div style="line-height: 1.5em; margin-bottom: 1em; padding: 0px;">
লিখেছেনঃ আবু তৈয়ব</div>
</h3>
</div>
</content><link rel='replies' type='application/atom+xml' href='http://visitsundarbon.blogspot.com/feeds/2259957543737313572/comments/default' title='Post Comments'/><link rel='replies' type='text/html' href='http://visitsundarbon.blogspot.com/2018/04/blog-post_86.html#comment-form' title='0 Comments'/><link rel='edit' type='application/atom+xml' href='http://www.blogger.com/feeds/8872312683140648806/posts/default/2259957543737313572'/><link rel='self' type='application/atom+xml' href='http://www.blogger.com/feeds/8872312683140648806/posts/default/2259957543737313572'/><link rel='alternate' type='text/html' href='http://visitsundarbon.blogspot.com/2018/04/blog-post_86.html' title='সুন্দরবন ভ্রমন অভিজ্ঞতা'/><author><name>RAKOM</name><uri>http://www.blogger.com/profile/02904944596596026686</uri><email>noreply@blogger.com</email><gd:image rel='http://schemas.google.com/g/2005#thumbnail' width='16' height='16' src='https://img1.blogblog.com/img/b16-rounded.gif'/></author><thr:total>0</thr:total></entry><entry><id>tag:blogger.com,1999:blog-8872312683140648806.post-1141587404035050864</id><published>2018-04-29T23:19:00.002+06:00</published><updated>2018-04-29T23:19:53.999+06:00</updated><category scheme="http://www.blogger.com/atom/ns#" term="Sundarbon"/><title type='text'>সুন্দরবনের ইতিহাস </title><content type='html'><div dir="ltr" style="text-align: left;" trbidi="on">
<h3 style="background-color: white; color: #29303b; font-family: Georgia, &quot;Lucida Sans Unicode&quot;, lucida, Verdana, sans-serif; font-size: 1.3em; font-weight: 400; letter-spacing: 1px; margin: 0px; padding: 0px; text-align: center;">
<span style="color: green;">নামকরণ</span></h3>
<h3 style="background-color: white; color: #29303b; font-family: Georgia, &quot;Lucida Sans Unicode&quot;, lucida, Verdana, sans-serif; font-size: 1.3em; font-weight: 400; letter-spacing: 1px; margin: 0px; padding: 0px; text-align: justify;">
বাংলায় “সুন্দরবন” -এর আক্ষরিক অর্থ “সুন্দর জঙ্গল” বা “সুন্দর বনভূমি”। সুন্দরী গাছ থেকে সুন্দর বনের নামকরণ হয়ে থাকতে পারে, যা সেখানে প্রচুর জন্মায়। অন্যান্য সম্ভাব্য ব্যাখ্যা এরকম হতে পারে যে এর নামকরণ হয়তো হয়েছে ‘সমুদ্র বন” বা “চন্দ্র-বান্ধে (বাঁধে)” (প্রাচীন আদিবাসী) থেকে। তবে সাধারণভাবে ধরে নেয়া হয় যে সুন্দরী গাছ থেকেই সুন্দরবনের নামকরণ হয়েছে।</h3>
<div>
<br /></div>
<div>
<h3 style="background-color: white; color: #29303b; font-family: Georgia, &quot;Lucida Sans Unicode&quot;, lucida, Verdana, sans-serif; font-size: 1.3em; font-weight: 400; letter-spacing: 1px; margin: 0px; padding: 0px; text-align: center;">
<span style="color: maroon;">ইতিহাস</span></h3>
<h3 style="background-color: white; color: #29303b; font-family: Georgia, &quot;Lucida Sans Unicode&quot;, lucida, Verdana, sans-serif; font-size: 1.3em; font-weight: 400; letter-spacing: 1px; margin: 0px; padding: 0px; text-align: justify;">
মুঘল আমলে (১২০৩-১৫৩৮) স্থানীয় এক রাজা পুরো সুন্দরবনের ইজারা নেন। ঐতিহাসিক আইনী পরিবর্তনগুলোয় কাঙ্খিত যেসব মৌলিক পরিবর্তন হয়েছে তার মধ্যে রয়েছে বিশ্বের প্রথম ম্যানগ্রোভ বন হিসেবে স্বীকৃতি পেয়ে বিজ্ঞানভিত্তিক তত্বাবধানের অধীনে আসা। ১৭৫৭ সালে ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানি কর্তৃক মুঘল সম্রাট দ্বিতীয় আলমগীর এর কাছ থেকে স্বত্বাধিকার পাওয়ার পরপরই সুন্দরবন এলাকার মানচিত্র তৈরী করা হয়। বনাঞ্চলটি সাংগঠনিক ব্যবস্থাপনার আওতায় আসে ১৮৬০ এর দিকে ভারতের তৎকালীন বাংলা প্রদেশে বন বিভাগ স্থাপনের পর থেকে।</h3>
<h3 style="background-color: white; color: #29303b; font-family: Georgia, &quot;Lucida Sans Unicode&quot;, lucida, Verdana, sans-serif; font-size: 1.3em; font-weight: 400; letter-spacing: 1px; margin: 0px; padding: 0px; text-align: justify;">
&nbsp;</h3>
<h3 style="background-color: white; color: #29303b; font-family: Georgia, &quot;Lucida Sans Unicode&quot;, lucida, Verdana, sans-serif; font-size: 1.3em; font-weight: 400; letter-spacing: 1px; margin: 0px; padding: 0px; text-align: justify;">
সুন্দরবনের উপর প্রথম বন ব্যবস্থাপনা বিভাগের আইনগত অধিকার প্রতিষ্ঠিত হয় ১৮৬৯ সালে। ১৯৬৫ সালের বন আইন (ধারা ৮) মোতাবেক, সুন্দরবনের একটি বড় অংশকে সংরক্ষিত বনভূমি হিসেবে ঘোষণা দেয়া হয় ১৮৭৫-৭৬ সালে। পরবর্তী বছরের মধ্যেই বাকি অংশও সংরক্ষিত বনভূমির স্বীকৃতি পায়। এর ফলে দূরবর্তী বেসামরিক জেলা প্রশাসনের কর্তৃত্ব থেকে তা চলে যায় বন বিভাগের নিয়ন্ত্রণে। পরবর্তীতে ১৮৭৯ সালে বন ব্যবস্থাপনার জন্য প্রশাসনিক একক হিসেবে বন বিভাগ প্রতিষ্ঠিত হয়, যার সদর দপ্তর ছিল খুলনায়। সুন্দরবনের জন্য ১৮৯৩-৯৮ সময়কালে প্রথম বন ব্যবস্থাপনা পরিকল্পনা প্রণিত হয়।</h3>
<h3 style="background-color: white; color: #29303b; font-family: Georgia, &quot;Lucida Sans Unicode&quot;, lucida, Verdana, sans-serif; font-size: 1.3em; font-weight: 400; letter-spacing: 1px; margin: 0px; padding: 0px; text-align: justify;">
&nbsp;</h3>
<h3 style="background-color: white; color: #29303b; font-family: Georgia, &quot;Lucida Sans Unicode&quot;, lucida, Verdana, sans-serif; font-size: 1.3em; font-weight: 400; letter-spacing: 1px; margin: 0px; padding: 0px; text-align: justify;">
১৯১১ সালে সুন্দরবনকে ট্র্যাক্ট আফ ওয়াস্ট ল্যান্ড হিসেবে আখ্যা দেয়া হয়, যা না তো কখনো জরিপ করা হয়েছে আর না তো কোনদিন শুমারীর আধীনে এসেছে। তখন হুগলী নদীর মোহনা থেকে মেঘনা নদীর মোহনা পর্যন্ত প্রায় ১৬৫ মাইল (২৬৬ কি.মি.) এলাকা জুড়ে এর সীমানা নির্ধারিত হয়। একই সাথে চব্বিশ পরগনা , খুলনা ও বাকেরগঞ্জ এই তিনটি জেলা অনুযায়ী এর আন্তঃসীমা নির্ধারণ করা হয়। জলাধারসহ পুরো এলাকার আয়তন হিসেব করা হয় ৬,৫২৬ বর্গমাইল (১৬,৯০২ কি.মি)। জলবহুল সুন্দর বন ছিল বাঘ ও অন্যান্য বন্য জন্তুতে পরিপূর্ণ। ফলে জরিপ করার প্রচেষ্টা খুব একটা সফল হতে পারেনি। সুন্দরবনের নামকরণ হয়েছে খুব সম্ভবত এর প্রধাণ বিশেষ গাছ সুন্দরীর (Heritiera fomes) নাম থেকেই। এ থেকে পাওয়া শক্ত কাঠ নৌকা, আসবাবপত্র সহ বিভিন্ন জিনিস তৈরীতে ব্যবহৃত হয়। সুন্দরবন সর্বত্রই নদী, খাল, ও খাঁড়ি দ্বারা বিভক্ত, যাদের মধ্যে কয়েকটি স্টিমার ও স্থানীয় নৌকা উভয়ের চলাচল উপযোগী নৌপথ হিসেবে ব্যবহৃত হত কলকাতা ও ব্রহ্মপুত্র অববাহিকার মধ্যে যোগাযোগের জন্য।</h3>
</div>
<div>
<br /></div>
<div>
<h3 style="background-color: white; color: #29303b; font-family: Georgia, &quot;Lucida Sans Unicode&quot;, lucida, Verdana, sans-serif; font-size: 1.3em; font-weight: 400; letter-spacing: 1px; margin: 0px; padding: 0px; text-align: center;">
<span style="color: magenta;">ভৌগলিক গঠন</span></h3>
<h3 style="background-color: white; color: #29303b; font-family: Georgia, &quot;Lucida Sans Unicode&quot;, lucida, Verdana, sans-serif; font-size: 1.3em; font-weight: 400; letter-spacing: 1px; margin: 0px; padding: 0px; text-align: justify;">
পুরো পৃথিবীর মধ্যে সর্ববৃহৎ তিনটি ম্যানগ্রোভ বনাঞ্চলের একটি হিসেবে গঙ্গা অববাহিকায় অবস্থিত সুন্দরবনের বাস্তুসংস্থান যথেস্ট জটিল। দুই প্রতিবেশি দেশ বাংলাদেশ এবং ভারত জুড়ে বিস্তৃত সুন্দরবনের বৃহত্তর অংশটি ( ৬২% ) বাংলাদেশের দক্ষিণ-পশ্চিম দিকে অবস্থিত। দক্ষিণে বঙ্গোপসাগর; পূর্বে বালেশ্বর নদী আর উত্তরে বেশি চাষ ঘনত্বের জমি বরাবর সীমানা। উঁচু এলাকায় নদীর প্রধাণ শাখাগুলো ছাড়া অন্যান্য জলধারাগুলো সর্বত্রই বেড়িবাঁধ ও নিচু জমি দ্বারা বহুলাংশে বাঁধাপ্রাপ্ত। প্রকৃতপক্ষে সুন্দরবনের আয়তন হওয়ার কথা ছিলো প্রায় ১৬,৭০০ বর্গ কি.মি. (২০০ বছর আগের হিসাবে)। কমতে কমতে এর বর্তমান আয়তন হয়েছে পূর্বের প্রায় এক-তৃতীয়াংশের সমান। বর্তমানে মোট ভূমির আয়তন ৪,১৪৩ বর্গ কি.মি. (বালুতট ৪২ বর্গ কি.মি. -এর আয়তনসহ) এবং নদী, খাঁড়ি ও খালসহ বাকি জলধারার আয়তন ১,৮৭৪ বর্গ কি.মি. । সুন্দরবনের নদীগুলো নোনা পানি ও মিঠা পানি মিলন স্থান। সুতরাং গঙ্গা থেকে আসা নদীর মিঠা পানির, বঙ্গপোসাগরের নোনা পানি হয়ে ওঠার মধ্যবর্তী স্থান হল এ এলাকাটি।</h3>
<h3 style="background-color: white; color: #29303b; font-family: Georgia, &quot;Lucida Sans Unicode&quot;, lucida, Verdana, sans-serif; font-size: 1.3em; font-weight: 400; letter-spacing: 1px; margin: 0px; padding: 0px; text-align: justify;">
&nbsp;</h3>
<h3 style="background-color: white; color: #29303b; font-family: Georgia, &quot;Lucida Sans Unicode&quot;, lucida, Verdana, sans-serif; font-size: 1.3em; font-weight: 400; letter-spacing: 1px; margin: 0px; padding: 0px; text-align: justify;">
হাজার বছর ধরে বঙ্গোপসাগর বরাবর আন্তঃস্রোতীয় প্রবাহের দরুন প্রাকৃতিকভাবে উপরিস্রোত থেকে পৃথক হওয়া পলি সঞ্চিত হয়ে গড়ে উঠেছে সুন্দরবন। এর ভৌগলিক গঠন ব-দ্বীপীয় যার উপরিতলে রয়েছে অসংখ্য জলধারা এবং জলতলে ছড়িয়ে আছে মাটির দেয়াল ও কাদা চর। এতে আরো রয়েছে সমুদ্র সমতলের গড় উচ্চতার চেয়ে উঁচুতে থাকা প্রান্তীয় তৃণভূমি, বালুতট এবং দ্বীপ, যেগুলো জুড়ে জালের মত জড়িয়ে আছে খাল, জলতলের মাটির দেয়াল, আদি ব-দ্বীপীয় কাদা ও সঞ্চিত পলি। সমুদ্রসমতল থেকে সুন্দরবনের উচ্চতা স্থানভেদে ০.৯ মিটার থেকে ২.১১ মিটার।</h3>
<h3 style="background-color: white; color: #29303b; font-family: Georgia, &quot;Lucida Sans Unicode&quot;, lucida, Verdana, sans-serif; font-size: 1.3em; font-weight: 400; letter-spacing: 1px; margin: 0px; padding: 0px; text-align: justify;">
&nbsp;</h3>
<h3 style="background-color: white; color: #29303b; font-family: Georgia, &quot;Lucida Sans Unicode&quot;, lucida, Verdana, sans-serif; font-size: 1.3em; font-weight: 400; letter-spacing: 1px; margin: 0px; padding: 0px; text-align: justify;">
জৈবিক উপাদানগুলো এখানে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে সামুদ্রিক বিষয়ের গঠন প্রক্রিয়া ও প্রাণী বৈচিত্রের ক্ষেত্রে। সৈকত, মোহনা, স্থায়ী ও ক্ষণস্থায়ী জলাভূমি, কাদা চর, খাঁড়ি, বালিয়াড়ি, মাটির স্তূপের মত বৈচিত্রময় অংশ গঠিত হয়েছে এখানে। ম্যানগ্রোভ উদ্ভিদ জগৎ নিজেই নতুন ভূমি গঠনে ভূমিকা রাখে। আবার আন্ত:স্রোতীয় উদ্ভিদ জগৎ গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে জলে অঙ্গসংস্থান প্রক্রিয়ায়। ম্যানগ্রোভ প্রাণীজগৎ এর উপস্থিতি আন্তঃস্রোতীয় কাদা চরে ব্যষ্টিক অঙ্গসংস্থানিক পরিবেশ তৈরী করে। এটি পলিকে ধরে রাখে বীজের জন্য আনুভূমিক উপশিলাস্তর সৃষ্টির জন্য। অনন্ত বালিয়াড়ির সংগঠন ও বিবর্তন প্রক্রিয়া নিয়ন্ত্রিত হয় প্রচুর পরিমাণে থাকা xerophytic ও halophytic গাছ দ্বারা। লতা-পাতা, ঘাস ও হোগলা বালিয়াড়ি ও অসংগঠিত পলিস্তরের গঠনকে স্থিতিশীল করে।</h3>
</div>
<div>
<br /></div>
<div>
<h3 style="background-color: white; color: #29303b; font-family: Georgia, &quot;Lucida Sans Unicode&quot;, lucida, Verdana, sans-serif; font-size: 1.3em; font-weight: 400; letter-spacing: 1px; margin: 0px; padding: 0px; text-align: center;">
<span style="color: green;">জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাব</span></h3>
<h3 style="background-color: white; color: #29303b; font-family: Georgia, &quot;Lucida Sans Unicode&quot;, lucida, Verdana, sans-serif; font-size: 1.3em; font-weight: 400; letter-spacing: 1px; margin: 0px; padding: 0px; text-align: center;">
<span style="color: green;">&nbsp;</span></h3>
<h3 style="background-color: white; color: #29303b; font-family: Georgia, &quot;Lucida Sans Unicode&quot;, lucida, Verdana, sans-serif; font-size: 1.3em; font-weight: 400; letter-spacing: 1px; margin: 0px; padding: 0px; text-align: justify;">
উপকূল বরাবর সুন্দরবনের গঠন প্রকৃতি বহুমাত্রিক উপাদানসমূহ দ্বারা প্রাভাবিত, যাদের মধ্যে রয়েছে স্রোতের গতি, ব্যষ্টিক ও সামষ্টিক স্রোত চক্র এবং সমুদ্র উপকূলবর্তী দীর্ঘ সমুদ্রতটের স্রোত। বিভিন্ন মৌসুমে সমুদ্রতটের স্রোত যথেস্ট পরিবর্তনশীল। এরা ঘূর্ণীঝড়ের কারণেও পরিবর্তিত হয়।</h3>
<h3 style="background-color: white; color: #29303b; font-family: Georgia, &quot;Lucida Sans Unicode&quot;, lucida, Verdana, sans-serif; font-size: 1.3em; font-weight: 400; letter-spacing: 1px; margin: 0px; padding: 0px; text-align: justify;">
&nbsp;</h3>
<h3 style="background-color: white; color: #29303b; font-family: Georgia, &quot;Lucida Sans Unicode&quot;, lucida, Verdana, sans-serif; font-size: 1.3em; font-weight: 400; letter-spacing: 1px; margin: 0px; padding: 0px; text-align: justify;">
এসবের মধ্য দিয়ে যে ক্ষয় ও সঞ্চয় হয়, যদিও এখনো সঠিকভাবে পরিমাপ করা সম্ভব হয়নি, তা ভূ-প্রকৃতির পরিবর্তনে মাত্রাগত পার্থক্য তৈরী করে। অবশ্য ম্যানগ্রোভ বনটি নিজেই এর পুরো ব্যবস্থার স্থিতিশীলতার ক্ষেত্রে যথেষ্ট ভূমিকা রাখে। প্রত্যেক মৌসুমী বৃষ্টিপাতের ঋতুতে বঙ্গীয় ব-দ্বীপের পুরোটিই পানিতে ডুবে যায় , যার অধিকাংশই ডুবে থাকে বছরের প্রায় অর্ধেক সময় জুড়ে। অববাহিকার নিম্নানঞ্চলের পলি প্রাথমিকভাবে আসে মৌসুমী বৃষ্টিপাতকালীন সময় সমুদ্রের চরিত্র এবং ঘূর্ণিঝড়ের মত ঘটনাগুলোর ফলে। অনাগত বছরগুলোতে গঙ্গা অববাহিকায় বসবাসকারীদের সবচেয়ে বড় যে সমস্যার মুখোমুখি হতে হবে তা হলো সমুদ্রের উচ্চতা বৃদ্ধি ।</h3>
<h3 style="background-color: white; color: #29303b; font-family: Georgia, &quot;Lucida Sans Unicode&quot;, lucida, Verdana, sans-serif; font-size: 1.3em; font-weight: 400; letter-spacing: 1px; margin: 0px; padding: 0px; text-align: justify;">
&nbsp;</h3>
<h3 style="background-color: white; color: #29303b; font-family: Georgia, &quot;Lucida Sans Unicode&quot;, lucida, Verdana, sans-serif; font-size: 1.3em; font-weight: 400; letter-spacing: 1px; margin: 0px; padding: 0px; text-align: justify;">
উঁচু অঞ্চলে সাদুপানির গতিপথ পরিবর্তনের কারণে ভারতীয় ম্যানগ্রোভ আর্দ্রভূমিগুলোর অনেকগুলোতে সাদুপানির প্রাবাহ ১৯ শতকের শেষের দিক থেকে উল্লেখযোগ্যভাবে কমে গিয়েছে। একই সাথে নিও-টেকটনিক গতির কারণে বেঙ্গল বেসিনও পূর্বের দিকে সামান্য ঢালু হয়ে গিয়েছে, যার ফলে সাদু পানির বৃহত্তর অংশ চলে আসছে বাংলাদেশ অংশের সুন্দরবনে। ফলশ্রতিতে বাংলাদেশ অংশের সুন্দরবনে লবণাক্ততার পরিমাণ ভারতীয় অংশের তুলনায় অনেক কম। ১৯৯০ সালের এক গবেষণা পত্রে বলা হয়েছে , “হিমালয়ের প্রাকৃতিক পরিবেশের অবনতি বা “গ্রিন হাউস” এর কারণে সমুদ্রের উচ্চতা বৃদ্ধি পেয়ে বাংলাদেশের বন্যা পরিস্থিতিকে আশঙ্কাজনক করে তুলেছে এমন কোন প্রমাণ পাওয়া যায়নি। যাদিও, ২০০৭ সালে -“ জলবায়ুর পরিবর্তন ও বিশ্ব ঐতিহ্যের পাঠ” শীর্ষক ইউনেস্কোর রিপোর্টে বলা হয়েছে যে মনুষ্যসৃষ্ট অন্যান্য কারণে সমুদ্রপৃষ্ঠের যে ৪৫ সে.মি. উচ্চতা বৃদ্ধি হয়েছে, তা সহ মনুষ্যসৃষ্ট আরও নানাবিধ কারণে সুন্দরবনের ৭৫ শতাংশ ধংস হয়ে যেতে পারে (জলবায়ু পরিবর্তনের উপর আলোচনায় প্রাকাশিত আন্তঃসরকার পরিষদের মত অনুযায়ী ২১ শতকের মধ্যেই)।</h3>
</div>
<div>
<br /></div>
<div>
<h3 style="background-color: white; color: #29303b; font-family: Georgia, &quot;Lucida Sans Unicode&quot;, lucida, Verdana, sans-serif; font-size: 1.3em; font-weight: 400; letter-spacing: 1px; margin: 0px; padding: 0px; text-align: center;">
<span style="color: blue;">সুন্দরবনের উদ্ভিদ জগৎ</span></h3>
<div style="background-color: white; color: #29303b; font-family: Georgia, Verdana, Arial, serif; font-size: 12px; line-height: 1.5em; margin-bottom: 1em; padding: 0px; text-align: justify;">
<br /></div>
<h3 style="background-color: white; color: #29303b; font-family: Georgia, &quot;Lucida Sans Unicode&quot;, lucida, Verdana, sans-serif; font-size: 1.3em; font-weight: 400; letter-spacing: 1px; margin: 0px; padding: 0px; text-align: justify;">
সুন্দরবনের প্রধান বনজ বৈচিত্রের মধ্যে রয়েছে প্রচুর পরিমাণে সুন্দরী (Heritiera fomes), গেওয়া (Excoecaria agallocha), গরান (Ceriops decandra) এবং কেওড়া (Sonneratia apetala) । ১৯০৩ সালে প্রকাশিত প্রেইন এর হিসেব মতে সর্বমোট ২৪৫টি শ্রেণী এবং ৩৩৪টি প্রজাতির উদ্ভিদ রয়েছে সেখানে। প্রেইন এর প্রতিবেদনের পর সেখানে বিভিন্ন ম্যানগ্রোভ প্রজাতি ও তাদের শ্রেণীকরণের এর উল্লেখযোগ্য পরিবর্তন হয়ে গিয়েছে। বনজ প্রকৃতিতে খুব কমই আনুসন্ধান করা হয়েছে এসব পরিবর্তনের হিসেব রাখার জন্য । পৃথিবীর অন্যান্য অঞ্চলের বেশির ভাগ ম্যানগ্রোভে Rhizophoraceae, Avicenneaceae বা Laganculariaceae শ্রেণীর গাছের প্রাধাণ্য থাকলেও বাংলাদেশের ম্যানগ্রোভে প্রাধাণ্য Sterculiaceae এবং Euphorbiaceae শ্রেণীর গাছের।</h3>
<h3 style="background-color: white; color: #29303b; font-family: Georgia, &quot;Lucida Sans Unicode&quot;, lucida, Verdana, sans-serif; font-size: 1.3em; font-weight: 400; letter-spacing: 1px; margin: 0px; padding: 0px; text-align: justify;">
&nbsp;</h3>
<h3 style="background-color: white; color: #29303b; font-family: Georgia, &quot;Lucida Sans Unicode&quot;, lucida, Verdana, sans-serif; font-size: 1.3em; font-weight: 400; letter-spacing: 1px; margin: 0px; padding: 0px; text-align: justify;">
ব-দ্বীপিয় নয় এমন অন্যান্য উপকূলীয় ম্যানগ্রোভ বনভূমি এবং উচ্চভূমির বনাঞ্চলের তুলনায় বাংলাদেশের ম্যানগ্রোভ বনভূমিতে উদ্ভিদ জীবনপ্রবাহের ব্যাপক পার্থক্য রয়েছে। পূর্ববর্তীটির তুলনায় Rhizophoraceae এর গুরুত্ব কম। উদ্ভিদ জীবনচক্রের ভিন্নতা ব্যাখ্যা করা হয়েছে উত্তর-পূর্বে বিশুদ্ধ পানি ও নিম্ন লবণাক্ততার প্রভাব এবং পানি নিষ্কাশন ও পলি সঞ্চয়ের ভিত্তিতে।</h3>
<h3 style="background-color: white; color: #29303b; font-family: Georgia, &quot;Lucida Sans Unicode&quot;, lucida, Verdana, sans-serif; font-size: 1.3em; font-weight: 400; letter-spacing: 1px; margin: 0px; padding: 0px; text-align: justify;">
&nbsp;</h3>
<h3 style="background-color: white; color: #29303b; font-family: Georgia, &quot;Lucida Sans Unicode&quot;, lucida, Verdana, sans-serif; font-size: 1.3em; font-weight: 400; letter-spacing: 1px; margin: 0px; padding: 0px; text-align: justify;">
সুন্দরবনকে শ্রেণীবদ্ধ করা হয়েছে একটি আর্দ্র গ্রীষ্মমন্ডলীয় বনভূমি হিসেবে যা গড়ে উঠেছে সুগঠিত সৈকতে কেওড়া (Sonneratia apetala) ও অন্যান্য সামুদ্র উপকূলবর্তী বৃক্ষ প্রধাণ বনাঞ্চলে। ঐতিহাসিকভাবে সুন্দরবনে প্রধাণ তিন প্রকারের উদ্ভিদ রয়েছে যাদের চিহ্ণিত করা হয়েছে পানিতে লবণাক্ততার মাত্রা, সাদু পানি প্রবাহের মাত্রা ও ভূপ্রকৃতির মাত্রার সাথে সম্পর্কের গভীরতার উপর ভিত্তি করে।</h3>
<h3 style="background-color: white; color: #29303b; font-family: Georgia, &quot;Lucida Sans Unicode&quot;, lucida, Verdana, sans-serif; font-size: 1.3em; font-weight: 400; letter-spacing: 1px; margin: 0px; padding: 0px; text-align: justify;">
&nbsp;</h3>
<h3 style="background-color: white; color: #29303b; font-family: Georgia, &quot;Lucida Sans Unicode&quot;, lucida, Verdana, sans-serif; font-size: 1.3em; font-weight: 400; letter-spacing: 1px; margin: 0px; padding: 0px; text-align: justify;">
অঞ্চল জুড়ে সুন্দরী ও গেওয়া এর প্রাধাণ্যের পাশাপাশি বিক্ষিপ্তভাবে রয়েছে ধুন্দল (Xylocarpus granatum) এবং কেওড়া (Sonneratia apetala)। ঘাস ও গুল্মের মধ্যে Poresia coaractata, Myriostachya wightiana, শন (Imperata cylindrical)], নল খাগড়া (Phragmites karka), গোলপাতা (Nypa fruticans) রয়েছে সুবিন্যস্তভাবে। কেওড়া নতুন তৈরী হওয়া পলিভূমিকে নির্দেশ করে এবং এই প্রজাতিটি বন্যপ্রাণীর জন্য জরুরী , বিশেষ করে চিত্রা হরিণের (Axis axis) জন্য । বনভূমির পাশাপাশি সুন্দরবনের বিশাল এলাকা জুড়ে রয়েছে নোনতা ও মিঠা পানির জলাধার, আন্তঃস্রোতীয় পলিভূমি, , বালুচর, বালিয়াড়ি, বেলেমাটিতে উন্মুক্ত তৃণভূমি এবং গাছ ও গুল্মের এলাকা।</h3>
<h3 style="background-color: white; color: #29303b; font-family: Georgia, &quot;Lucida Sans Unicode&quot;, lucida, Verdana, sans-serif; font-size: 1.3em; font-weight: 400; letter-spacing: 1px; margin: 0px; padding: 0px; text-align: justify;">
&nbsp;</h3>
<h3 style="background-color: white; color: #29303b; font-family: Georgia, &quot;Lucida Sans Unicode&quot;, lucida, Verdana, sans-serif; font-size: 1.3em; font-weight: 400; letter-spacing: 1px; margin: 0px; padding: 0px; text-align: justify;">
পরম্পরা বলতে সাধারণত বোঝানো হয় বিভিন্ন প্রজাতির গাছ দ্বারা কোন একটি এলাকার অনুক্রমিক অধিগ্রহণ[৯]। কোন একটা জমে উঠতে থাকা কাদা চরে, আদি প্রাজাতি ক্রমে বাইরে থেকে আসা নতুন প্রজাতি দ্বারা ধাপে ধাপে প্রতিস্থাপিত হতে থাকে। সর্বশেষে ঐ আবহাওয়ায় উপযুক্ত, এমন বিভিন্ন প্রাজাতির গাছের এক স্থানীয় শ্রেণী তৈরী হয[১০]। ট্রুপের মতে অনুক্রমিকতা সধারণত শুরু হয় নতুন পলি থেকে তৈরী হওয়া ভূমিতেref&gt;Troup, R.S. 1921. The Silviculture of Indian Trees. Clarendon Press, Oxford. 1195 p.&lt;/ref&gt;। নতুন গড়ে ওঠা এই ভূমিতে প্রথম পত্তন হয় গেওয়ার এবং এর সাথে Avicennia এবং গোল পাতা। পলি জমতে জমতে ভূমি যখন উঁচু হতে থাকে তখন সেখানে আসে অন্যান্য প্রজাতির গাছ। সবচেয়ে পরিচিত হলেও দেরীতে আসা প্রজাতিগুলোর মধ্যে একটি হল গেওয়া (Excoecaria agallocha) । উচ্চতা বৃদ্ধির সাথে সাথে মাঝে মাঝে স্রোতে ভেসে যাওয়া ভূমিটিতে এরপর আসা শুরু করে সুন্দরী (Heritiera fomes)।</h3>
</div>
<div>
<br /></div>
<div>
<h3 style="background-color: white; color: #29303b; font-family: Georgia, &quot;Lucida Sans Unicode&quot;, lucida, Verdana, sans-serif; font-size: 1.3em; font-weight: 400; letter-spacing: 1px; margin: 0px; padding: 0px; text-align: center;">
<span style="color: navy;">সুন্দরবনের প্রাণী জগৎ</span></h3>
<h3 style="background-color: white; color: #29303b; font-family: Georgia, &quot;Lucida Sans Unicode&quot;, lucida, Verdana, sans-serif; font-size: 1.3em; font-weight: 400; letter-spacing: 1px; margin: 0px; padding: 0px; text-align: center;">
<span style="color: navy;">&nbsp;</span></h3>
<h3 style="background-color: white; color: #29303b; font-family: Georgia, &quot;Lucida Sans Unicode&quot;, lucida, Verdana, sans-serif; font-size: 1.3em; font-weight: 400; letter-spacing: 1px; margin: 0px; padding: 0px; text-align: justify;">
সুন্দরবনে ব্যাপক প্রাণী বৈচিত্র বিদ্যমান। প্রাণী বৈচিত্র সংরক্ষণ ব্যবস্থাপনা সুন্দরবনের কিছু কিছু এলাকায় শিকার নিষিদ্ধ করার মধ্যেই সীমাবদ্ধ অভয়ারণ্যের মত, যেখানে শর্তহীনভাবে বনজ সম্পদ সংগ্রহ করা যায়না এবং বন্য প্রাণীর জীবনে সামান্যই ব্যাঘাত ঘটে। যদিও এটা স্পষ্ট যে সাম্প্রতিক সময়ে বাংলাদেশের প্রানী সম্পদ হ্রাস পেয়েছে[৩] এবং সুন্দরবনও এর বাইরে নয় । তারপরও সুন্দরবন বেশ অনেকগুলি প্রাণী প্রাজাতি ও তাদের সাথে সম্পর্কিত অন্যান্য প্রজাতিদের টিকিয়ে রেখেছে। এদের মধ্যে বাঘ ও শুশুককে প্রাধাণ্য দিয়ে পরিকল্পনা করা হচ্ছে প্রানী বৈচিত্র সংরক্ষণ ব্যবস্থাপনা ও পর্যটন উন্নয়নের। ঝুঁকিপূর্ণ অবস্থায় সম্পূর্ণ বিপরীত পরিবেশে থাকা এ দুইটির অবস্থা এবং সংরক্ষণ ব্যবস্থাপনা সামগ্রিক প্রাণী বৈচিত্র এবং সংরক্ষণ ব্যবস্থাপনার শক্তিশালী সূচক। ২০০৪ সালের হিসেব মতে সুন্দরবন ৫০০ রয়েল বেঙ্গল টাইগারের আবাসস্থল যা পৃথিবীতে বাঘের একক বৃহত্তম অংশ[১১]।</h3>
<h3 style="background-color: white; color: #29303b; font-family: Georgia, &quot;Lucida Sans Unicode&quot;, lucida, Verdana, sans-serif; font-size: 1.3em; font-weight: 400; letter-spacing: 1px; margin: 0px; padding: 0px; text-align: justify;">
&nbsp;</h3>
<h3 style="background-color: white; color: #29303b; font-family: Georgia, &quot;Lucida Sans Unicode&quot;, lucida, Verdana, sans-serif; font-size: 1.3em; font-weight: 400; letter-spacing: 1px; margin: 0px; padding: 0px; text-align: justify;">
সুন্দরবনে নীল ঘাড় ওয়ালা মাছরাঙারও দেখা মিলে।সুন্দরবনের বাস্তুসংস্থান মৌলিক প্রকৃতির এবং যা বন্য প্রাণীর বিশাল আবসস্থল। বন্য প্রাণীর সংখ্যা এবং এর লালনক্ষেত্রের উপর মানুষের সম্পদ সংগ্রহ ও বন ব্যবস্থাপনার প্রভাব অনেক। কচ্ছপ (River terrapin – Betagur baska, Indian flap-shelled turtle – Lissemys punctata এবং Peacock soft-shelled turtle – Trionyx hurum), গিরগিটি Yellow monitor – Varanus flavescens ও Water monitor – Varanus salvator), অজগর (Python molurus) এবং রয়েল বেঙ্গল টাইগার (Panthera tigris tigris) সুন্দরবনের স্থানীয় প্রজাতিগুলোর মধ্যে অন্যতম।</h3>
<h3 style="background-color: white; color: #29303b; font-family: Georgia, &quot;Lucida Sans Unicode&quot;, lucida, Verdana, sans-serif; font-size: 1.3em; font-weight: 400; letter-spacing: 1px; margin: 0px; padding: 0px; text-align: justify;">
&nbsp;</h3>
<h3 style="background-color: white; color: #29303b; font-family: Georgia, &quot;Lucida Sans Unicode&quot;, lucida, Verdana, sans-serif; font-size: 1.3em; font-weight: 400; letter-spacing: 1px; margin: 0px; padding: 0px; text-align: justify;">
সুন্দরবনের একটি কুমির।এদের মধ্যে কিছু প্রজাতি সংরক্ষিত, বিশেষ করে বাংলাদেশ বন্যপ্রানী সংরক্ষণ আইন, ১৯৭৩ (P.O. 23 of 1973) দ্বারা। বিভিন্ন প্রজাতির হরিণ (Hog deer – Axis procinus ও Swamp deer – Cervus duvauceli), মহিষ (Bubalis bubalis), গন্ডার(Javan rhinoceros – Rhiniceros sondaicus ও Single horned rhinoceros – Rhinoceros unicornis) এবং কুমিরের (Mugger crocodile – Crocodylus palustris) এর মত কিছু কিছু প্রজাতি সুন্দরবনে বিরল হয়ে উঠেছে ২১ শতকের শুরু থেকে[১২]।</h3>
<h3 style="background-color: white; color: #29303b; font-family: Georgia, &quot;Lucida Sans Unicode&quot;, lucida, Verdana, sans-serif; font-size: 1.3em; font-weight: 400; letter-spacing: 1px; margin: 0px; padding: 0px; text-align: justify;">
&nbsp;</h3>
<h3 style="background-color: white; color: #29303b; font-family: Georgia, &quot;Lucida Sans Unicode&quot;, lucida, Verdana, sans-serif; font-size: 1.3em; font-weight: 400; letter-spacing: 1px; margin: 0px; padding: 0px; text-align: justify;">
সাম্প্রতিক গবেষণায় দেখা গিয়েছে যে বিচিত্র জীব বৈচিত্রের আধার বাংলাদেশের সুন্দরবন বাণিজ্যিক দিক থেকে গুরুত্বপূর্ণ ১২০ প্রজাতির মাছ, ২৭০ প্রাজাতির পাখি, ৪২ প্রজাতির স্তন্যপায়ী, ৩৫ সরীসৃপ এবং ৮ টি উভচর প্রাজাতির আবাসস্থল। এ থেকে বোঝা যায় যে বাংলাদেশের সুন্দরবনে বিভিন্ন প্রজাতির একটি বড় অংশ বিদ্যমান ( যেমন – ৩০ শতাংশ সরীসৃপ, ৩৭ শতাংশ পাখি ও ৩৭ শতাংশ স্তন্যপায়ী) এবং এদের একটি বড় অংশ দেশের অন্যান্য অংশে বিরল[১৩] Of these wildlife, Sarker has noted that two amphibians, 14 reptiles, 25 aves and five mammals are presently endangered.[১২]। সরকারের মতে এই প্রানী বৈচিত্রের মধ্যে ২ প্রজাতির উভচর, ১৪ প্রজাতির সরীসৃপ, ২৫ প্রজাতির পাখি এবং ৫ প্রজাতির স্তনপায়ী বর্তমানে হুমকির মুখে। পাখি বিষয়ক পর্যবেক্ষণ, পাঠ ও গবেষণার ক্ষেত্রে পাখিবিজ্ঞানীদের জন্য সুন্দরবন এক স্বর্গ।</h3>
</div>
<div>
<br /></div>
<div>
<h3 style="background-color: white; color: #29303b; font-family: Georgia, &quot;Lucida Sans Unicode&quot;, lucida, Verdana, sans-serif; font-size: 1.3em; font-weight: 400; letter-spacing: 1px; margin: 0px; padding: 0px; text-align: center;">
<span style="color: blue;">মানুষ খেকো বাঘ</span></h3>
<h3 style="background-color: white; color: #29303b; font-family: Georgia, &quot;Lucida Sans Unicode&quot;, lucida, Verdana, sans-serif; font-size: 1.3em; font-weight: 400; letter-spacing: 1px; margin: 0px; padding: 0px; text-align: center;">
<span style="color: blue;">&nbsp;</span></h3>
<h3 style="background-color: white; color: #29303b; font-family: Georgia, &quot;Lucida Sans Unicode&quot;, lucida, Verdana, sans-serif; font-size: 1.3em; font-weight: 400; letter-spacing: 1px; margin: 0px; padding: 0px; text-align: justify;">
২০০৪ সালের হিসেব মতে, সুন্দরবন প্রায় ৫০০ রয়েল বেঙ্গল টাইগার বাঘের আবাসস্থল যা বাঘের একক বৃহত্তম অংশ[১৫]। এসব বাঘ উল্ল্যেখযোগ্য সংখ্যক মানুষ, গড়ে প্রতি বছরে প্রায় ১০০ থেকে ২৫০ জন, মেরে ফেলার কারণে ব্যপকভাবে পরিচিত। মানুষের বাসস্থানের সীমানার কাছাকাছি থাকা একমাত্র বাঘ নয় এরা। বাঘের অভায়ারণ্যে চারপাশ ঘেরা বান্ধবগড়ে , মানুষের উপর এমন আক্রমন বিরল। নিরাপত্তার জন্য বিভিন্ন ব্যবস্থা নেয়ায় ভারতীয় অংশের সুন্দরবনে বাঘের আক্রমণে একটিও মৃত্যুর খবর পাওয়া যায়নি।</h3>
<h3 style="background-color: white; color: #29303b; font-family: Georgia, &quot;Lucida Sans Unicode&quot;, lucida, Verdana, sans-serif; font-size: 1.3em; font-weight: 400; letter-spacing: 1px; margin: 0px; padding: 0px; text-align: justify;">
&nbsp;</h3>
<h3 style="background-color: white; color: #29303b; font-family: Georgia, &quot;Lucida Sans Unicode&quot;, lucida, Verdana, sans-serif; font-size: 1.3em; font-weight: 400; letter-spacing: 1px; margin: 0px; padding: 0px; text-align: justify;">
একটি রয়েল বেঙ্গল টাইগারস্থানীয় লোকজন ও সরকারীভাবে দ্বায়িত্বপ্রাপ্তরা বাঘের আক্রমণ ঠেকানোর জন্য বিভিন্ন নিরাপত্তামূলক ব্যবস্থা নিয়ে থাকেন। স্থানীয় জেলেরা বনদেবী বনবিবির প্রার্থণা ও ধর্মীয় আচার-অনুষ্ঠান পালন করে যাত্রা শুরুর আগে। বাঘের দেবতার (Dakshin Ray) প্রার্থণা করাও স্থানীয় জনগোষ্ঠীর কাছে জরুরি সুন্দরবনে নিরাপদ বিচরণের জন্য। বাঘ যেহেতু সবসময় পেছন থেকে আক্রমণ করে সেহেতু জেলে এবং কাঠুরেরা মাথার পেছনে মুখোশ পরে। এ ব্যবস্থা স্বল্প সময়ের জন্য কাজ করলেও পরে বাঘ এ কৌশল বুঝে ফেলে এবং আবারও আক্রমণ হতে থাকে।সরকারী কর্মকর্তারা আমেরিকান ফুটবল খেলোয়াড়দের প্যাডের মত শক্ত প্যাড পরেন যা গলার পেছনের অংশ ঢেকে রাখে। এ ব্যবস্থা করা হয় শিরদাঁড়ায় বাঘের কামড় প্রতিরোধ করার জন্য যা তাদের পছন্দের আক্রমণ কৌশল।</h3>
<h3 style="background-color: white; color: #29303b; font-family: Georgia, &quot;Lucida Sans Unicode&quot;, lucida, Verdana, sans-serif; font-size: 1.3em; font-weight: 400; letter-spacing: 1px; margin: 0px; padding: 0px; text-align: justify;">
&nbsp;</h3>
<h3 style="background-color: white; color: #29303b; font-family: Georgia, &quot;Lucida Sans Unicode&quot;, lucida, Verdana, sans-serif; font-size: 1.3em; font-weight: 400; letter-spacing: 1px; margin: 0px; padding: 0px; text-align: justify;">
এসব বাঘ কেন মানুষকে আক্রমণ করে তার কিছু অনুমিত কারণ এরকমঃ</h3>
<h3 style="background-color: white; color: #29303b; font-family: Georgia, &quot;Lucida Sans Unicode&quot;, lucida, Verdana, sans-serif; font-size: 1.3em; font-weight: 400; letter-spacing: 1px; margin: 0px; padding: 0px; text-align: justify;">
* যেহেতু সুন্দরবন সমুদ্র উপকূলবর্তী এলাকায় অবস্থিত সেহেতু তুলনামূলকভাবে এখানকার পানি নোনতা।এখানকার অন্যান্য প্রাণীদের মধ্যে বাঘই মিঠাপানি খায়। কেউ কেউ মনে করে পেয়পানির এই লবণাক্ততার কারণে বাঘ সার্বক্ষণ অস্বস্তিকর অবস্থায় থাকে যা তাদের ব্যপকভাবে আগ্রাসী করে তোলে। কৃত্তিম মিঠাপানির হ্রদ তৈরী করে দিয়েও এর কোন সমাধান হয়নি।</h3>
<h3 style="background-color: white; color: #29303b; font-family: Georgia, &quot;Lucida Sans Unicode&quot;, lucida, Verdana, sans-serif; font-size: 1.3em; font-weight: 400; letter-spacing: 1px; margin: 0px; padding: 0px; text-align: justify;">
* উঁচু ঢেউ এর কারণে বাঘের গায়ের গন্ধ মুছে যায় যা প্রকৃতপক্ষে বাঘের বিচরণ এলাকার সীমানা চিহ্ণ হিসেবে কাজ করে। ফলে নিজের এলাকা রক্ষায় বাঘের জন্য উপায় একটাই , আর তা হল যা কিছু অনুপ্রবেশ করে তা বাঁধা দেয়া।</h3>
<h3 style="background-color: white; color: #29303b; font-family: Georgia, &quot;Lucida Sans Unicode&quot;, lucida, Verdana, sans-serif; font-size: 1.3em; font-weight: 400; letter-spacing: 1px; margin: 0px; padding: 0px; text-align: justify;">
* অন্য একটি সম্ভাবন এমন যে আবহাওয়ার কারণে এরা মানুষের মাংশে অভ্যস্ত হয়ে উঠেছে। বাংলাদেশ ও ভারতের এ অঞ্চলে জলোচ্ছ্বাসে হাজার হাজার মানুষ মারা যায়। আর স্রোতের টানে ভেসে যাওয়া এসব গলিত মৃতদেহ বাঘ খায়।</h3>
<h3 style="background-color: white; color: #29303b; font-family: Georgia, &quot;Lucida Sans Unicode&quot;, lucida, Verdana, sans-serif; font-size: 1.3em; font-weight: 400; letter-spacing: 1px; margin: 0px; padding: 0px; text-align: justify;">
* আর একটি সম্ভাবনা হল এরকম যে, নিয়মিত উঁচু নিচু স্রোতের কারণে marsh-like এবং পিচ্ছিল হয়ে ওঠা এলাকায় বাঘের পশু শিকার করার কঠিন হয়ে যায়। আবার নৌকায় চড়ে সুন্দরবন জুড়ে মাছ ও মধু সংগ্রহকারী মানুষ বাঘের সহজ শিকার হয়ে ওঠে। এরকমও বিশ্বাস করা হয় যে মানুষ যখন কাজ বন্ধ করে বসে থাকে তখন বাঘ তাকে পশু ভেবে আক্রমণ করে।</h3>
<h3 style="background-color: white; color: #29303b; font-family: Georgia, &quot;Lucida Sans Unicode&quot;, lucida, Verdana, sans-serif; font-size: 1.3em; font-weight: 400; letter-spacing: 1px; margin: 0px; padding: 0px; text-align: justify;">
* এছাড়াও মনে করা হয় যে আবাসস্থলের বিচ্ছিন্নতার কারণে এই অঞ্চলের বাঘ তাদের শিকার করার বৈশিষ্ট্য বদলে ফেলেছে যা ২০ শতক জুড়ে ঘটেছে। এশিয়ার বাকি অংশে বাঘের মানুষভীতি বাড়লেও সুন্দরবনের বাঘ মানুষকে শিকার বানানো বন্ধ করবেনা হয়তো।</h3>
</div>
<div>
<br /></div>
<div>
<h3 style="background-color: white; color: #29303b; font-family: Georgia, &quot;Lucida Sans Unicode&quot;, lucida, Verdana, sans-serif; font-size: 1.3em; font-weight: 400; letter-spacing: 1px; margin: 0px; padding: 0px; text-align: center;">
<span style="color: red;">অর্থনীতি</span></h3>
<div style="background-color: white; color: #29303b; font-family: Georgia, Verdana, Arial, serif; font-size: 12px; line-height: 1.5em; margin-bottom: 1em; padding: 0px; text-align: justify;">
<br /></div>
<h3 style="background-color: white; color: #29303b; font-family: Georgia, &quot;Lucida Sans Unicode&quot;, lucida, Verdana, sans-serif; font-size: 1.3em; font-weight: 400; letter-spacing: 1px; margin: 0px; padding: 0px; text-align: justify;">
সুন্দরবনের জনসংখ্যা ৪ মিলিয়নের বেশি কিন্তু এর বেশির ভাগই স্থায়ী জনসংখ্যা নয়।</h3>
<h3 style="background-color: white; color: #29303b; font-family: Georgia, &quot;Lucida Sans Unicode&quot;, lucida, Verdana, sans-serif; font-size: 1.3em; font-weight: 400; letter-spacing: 1px; margin: 0px; padding: 0px; text-align: justify;">
বাংলাদেশের দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের অর্থনীতিতে যেমন, ঠিক তেমন জাতীয় অর্থনীতিতেও সুন্দরবনের গুরুত্বপূর্ণ রয়েছে ভূমিকা । এটি দেশের বনজ সম্পদের একক বৃহত্তম উৎস। এই বন কাঠের উপর নির্ভরশীল শিল্পে কাঁচামাল জোগান দেয়। এছাড়াও কাঠ, জ্বালানী ও মন্ডের মত প্রাথাগত বনজ সম্পদের পাশাপাশি এ বন থেকে নিয়মিত ব্যপকভাবে আহরণ করা হয় ঘর ছাওয়ার পাতা, মধু, মৌচাকের মোম, মাছ, কাঁকড়া এবং শামুক-ঝিনুক। বৃক্ষপূর্ণ সুন্দরবনের এই ভূমি একই সাথে প্রয়োজনীয় আবাসস্থল, পুষ্টি উৎপাদক, পানি বিশুদ্ধকারক, পলি সঞ্চয়কারী, ঝড় প্রতিরোধক, উপকূল স্থিতিকারী, শক্তি সম্পদের আধার এবং পর্যটন কেন্দ্র।</h3>
<h3 style="background-color: white; color: #29303b; font-family: Georgia, &quot;Lucida Sans Unicode&quot;, lucida, Verdana, sans-serif; font-size: 1.3em; font-weight: 400; letter-spacing: 1px; margin: 0px; padding: 0px; text-align: justify;">
&nbsp;</h3>
<h3 style="background-color: white; color: #29303b; font-family: Georgia, &quot;Lucida Sans Unicode&quot;, lucida, Verdana, sans-serif; font-size: 1.3em; font-weight: 400; letter-spacing: 1px; margin: 0px; padding: 0px; text-align: justify;">
এই বন প্রচুর প্রতিরোধমূলক ও উৎপাদমূলক ভূমিকা পালন করে। বাংলাদেশের সংরক্ষিত বনাঞ্চলের ৫১ শতাংশ জুড়ে সুন্দরবনের, বন থেকে আসা মোট আয়ে অবদান প্রায় ৪১ শতাংশ এবং কাঠ ও জ্বালনী উৎপাদনে অবদান প্রায় ৪৫ শতাংশ ( বিশ্ব খাদ্য সংস্থা, ১৯৯৫ )। অনেকগুলি শিল্প ( যেমনঃ নিউজপ্রিন্ট, দেয়াশলাই, হার্ডবোর্ড, নৌকা, আসবাবপত্র) সুন্দরবন থেকে আহরিত কাঁচামালের উপর নির্ভরশীল। বিভিন্ন অকাঠজাত সম্পদ এবং বনায়ন কমপক্ষে আধা মিলিয়ন উপকূলবর্তী জনসংখার জন্য উল্ল্যেখযোগ্য পরিমাণে কর্মসংস্থান ও আয়ের সুযোগ সৃস্টি করেছে । উৎপাদনমূখী ভূমিকার পাশাপাশি সুন্দরবন, ঘূর্ণিঝড়প্রবণ বাংলাদেশের উপকূলবর্তী জনসংখ্যা ও তাদের সম্পদের প্রাকৃতিক নিরাপত্তাবলয় হিসেবে ভূমিকা রাখে।</h3>
<h3 style="background-color: white; color: #29303b; font-family: Georgia, &quot;Lucida Sans Unicode&quot;, lucida, Verdana, sans-serif; font-size: 1.3em; font-weight: 400; letter-spacing: 1px; margin: 0px; padding: 0px; text-align: justify;">
&nbsp;</h3>
<h3 style="background-color: white; color: #29303b; font-family: Georgia, &quot;Lucida Sans Unicode&quot;, lucida, Verdana, sans-serif; font-size: 1.3em; font-weight: 400; letter-spacing: 1px; margin: 0px; padding: 0px; text-align: justify;">
মানুষের বসবাস ও অর্থনৈতিক কাজে ব্যপক ব্যবহার হওয়া সত্ত্বেও এখনো সুন্দরবনের ৭০ শতাংশের কাছাকাছি পরিমাণ বনভূমি টিকে আছে, ১৯৮৫ সালে এমন মত জানায় যুক্তরাজ্যের ওভারসিজ ডেভেলপমেন্ট এডমিনিস্ট্রেশন (ও ডি এ) ।</h3>
<h3 style="background-color: white; color: #29303b; font-family: Georgia, &quot;Lucida Sans Unicode&quot;, lucida, Verdana, sans-serif; font-size: 1.3em; font-weight: 400; letter-spacing: 1px; margin: 0px; padding: 0px; text-align: justify;">
&nbsp;</h3>
<h3 style="background-color: white; color: #29303b; font-family: Georgia, &quot;Lucida Sans Unicode&quot;, lucida, Verdana, sans-serif; font-size: 1.3em; font-weight: 400; letter-spacing: 1px; margin: 0px; padding: 0px; text-align: justify;">
১৯৫৯ সাল থেকে ১৯৮৩ সালের মধ্যে বনজ সম্পদের স্থিতির পরিমান হ্রাস পেয়েছে প্রধাণত দুইটি ম্যানগ্রোভ প্রাজাতির ক্ষেত্রে – সুন্দরী (Heritiera fomes) এবং গেওয়া। এই হ্রাসের পরিমাণযথাক্রমে ৪০ শতাংশ ও ৪৫ শতাংশ (ফরেস্টাল ১৯৬০ এবং ও ডি এ ১৯৮৫)। তাছাড়া, মাছ ও কিছু অমেরুদন্ডী প্রাণী ব্যতীত অন্যান্য বন্যপশু শিকারের ব্যপারে সম্পূর্ণ নিষেধাজ্ঞা সত্ত্বেও সেখানে জীব বৈচিত্র হ্রাসের ইঙ্গিত পাওয়া যাচ্ছে ( এ শতকে উল্ল্যেখযোগ্য হল কমপক্ষে ৬ প্রজাতির স্তন্যপায়ী ও ১ প্রজাতির সরীসৃপ) এবং ফলশ্রুতিতে বাস্তুসংস্থানের মান হ্রাস পাচ্ছে (আই ইউ সি এন ১৯৯৪) ।</h3>
</div>
<div>
<br /></div>
<div>
<h3 style="background-color: white; color: #29303b; font-family: Georgia, &quot;Lucida Sans Unicode&quot;, lucida, Verdana, sans-serif; font-size: 1.3em; font-weight: 400; letter-spacing: 1px; margin: 0px; padding: 0px; text-align: center;">
<span style="color: purple;">বাংলাদেশের অভয়ারণ্য</span></h3>
<div style="background-color: white; color: #29303b; font-family: Georgia, Verdana, Arial, serif; font-size: 12px; line-height: 1.5em; margin-bottom: 1em; padding: 0px; text-align: center;">
<br /></div>
<h3 style="background-color: white; color: #29303b; font-family: Georgia, &quot;Lucida Sans Unicode&quot;, lucida, Verdana, sans-serif; font-size: 1.3em; font-weight: 400; letter-spacing: 1px; margin: 0px; padding: 0px; text-align: justify;">
বাংলাদেশ অংশের সুন্দরবনের আয়তন প্রায় ৪,১১০ বর্গ কি.মি. । এর মধ্যে নদী, খাল ও খাঁড়ি রয়েছে প্রায় ১,৭০০ বর্গ কি.মি. যাদের প্রশস্ততা কয়েক মিটার থেকে শুরু করে কয়েক কি.মি. পর্যন্ত। জালের মত পরস্পর যুক্ত নৌপথের কারণে সুন্দরবনের প্রায় সব জায়গাতেই সহজে নৌকায় করে যাওয়া যায়। সুন্দরবনের ব্যবস্থাপনার দায়িত্বে রয়েছে ২টি বনবিভাগ, ৪টি প্রশাসনিক রেঞ্জ – চাঁদপাই, শরণখোলা, খুলনা ও বুড়িগোয়ালিনি এবং ১৬টি বন স্টেশন। বনটি আবার ৫৫ কম্পার্টমেন্ট এবং ৯টি ব্লকে বিভক্ত[১]। ১৯৯৩ সালে নতুন করে খুলনা বন সার্কেল গঠন করা হয়েছে বন সংরক্ষণের জন্য এবং তাতে একটি সংরক্ষক পদ সৃষ্টি করা হয়েছে। বনবিভাগের প্রশাসনিক প্রধাণের পদটি খুলনাকেন্দ্রিক । প্রয়োজনীয় ব্যবস্থাপনা ও প্রশাসনিক সিদ্ধান্ত বাস্তবায়নের জন্য বিভাগীয় বন কর্মকর্তার অধীনে রয়েছে বহু সংখ্যক পেশাদার, অপেশাদের ও সহায়ক জনবল। ব্যবস্থাপনার কেন্দ্রীয় একক হল কম্পার্টমেন্ট। চারটি বন রেঞ্জের অধীনে থাকা ৫৫টি কম্পার্টমেন্ট স্পস্টতই নদী, খাল, খাঁড়ির মত প্রাকৃতিক বৈশিষ্ট অনুযায়ী বিভক্ত।</h3>
<h3 style="background-color: white; color: #29303b; font-family: Georgia, &quot;Lucida Sans Unicode&quot;, lucida, Verdana, sans-serif; font-size: 1.3em; font-weight: 400; letter-spacing: 1px; margin: 0px; padding: 0px; text-align: justify;">
&nbsp;</h3>
<h3 style="background-color: white; color: #29303b; font-family: Georgia, &quot;Lucida Sans Unicode&quot;, lucida, Verdana, sans-serif; font-size: 1.3em; font-weight: 400; letter-spacing: 1px; margin: 0px; padding: 0px; text-align: justify;">
বাংলাদেশে অভয়ারণ্য তিনটি প্রতিষ্ঠিত হয়েছে ১৯৭৭ সালে বাংলাদেশ বন্যপ্রাণী সংরক্ষণ আইন, ১৯৭৩ (P.O. 23 of 1973) দ্বারা। এগুলো হলোঃ</h3>
<h3 style="background-color: white; color: #29303b; font-family: Georgia, &quot;Lucida Sans Unicode&quot;, lucida, Verdana, sans-serif; font-size: 1.3em; font-weight: 400; letter-spacing: 1px; margin: 0px; padding: 0px; text-align: justify;">
&nbsp;</h3>
<h3 style="background-color: white; color: #29303b; font-family: Georgia, &quot;Lucida Sans Unicode&quot;, lucida, Verdana, sans-serif; font-size: 1.3em; font-weight: 400; letter-spacing: 1px; margin: 0px; padding: 0px; text-align: justify;">
১. পূর্বাঞ্চলীয় সুন্দরবন অভয়ারণ্যঃ আয়তন প্রায় ৩১,২২৭ হেক্টর। মিঠাপানি ও সুন্দরী গাছের (Heritiera fomes) প্রাধাণ্যের সাথে সাথে গেওয়া (Excoecaria agallocha), পশুর (Xylocarpus mekongensis) ও কেওড়া (Bruguiera gymnorrhiza) রয়েছে বন্যাপ্রবণ এলাকাটি জুড়ে। সিংড়া (Cynometra ramiflora) হয় অপেক্ষাকৃত শুষ্ক মাটিতে, আমুর (Amoora cucullata) হয় জলপ্রধাণ এলাকায়, গরান (Ceriops decandra) হয় নোনা এলাকায় এবং গোল পাতা (Nypa fruticans) জলধারা বরাবর হয়।</h3>
<h3 style="background-color: white; color: #29303b; font-family: Georgia, &quot;Lucida Sans Unicode&quot;, lucida, Verdana, sans-serif; font-size: 1.3em; font-weight: 400; letter-spacing: 1px; margin: 0px; padding: 0px; text-align: justify;">
&nbsp;</h3>
<h3 style="background-color: white; color: #29303b; font-family: Georgia, &quot;Lucida Sans Unicode&quot;, lucida, Verdana, sans-serif; font-size: 1.3em; font-weight: 400; letter-spacing: 1px; margin: 0px; padding: 0px; text-align: justify;">
২. দক্ষীণাঞ্চলীয় সুন্দরবন অভয়ারণ্যঃ বিস্তৃত ৩৬,৯৭০ হেক্টর এলাকা জুড়ে। এলাকাটিতে লবণাক্ততার বিশাল মৌসুমী তারতম্যের প্রমাণ রয়েছে। তুলনামূলকভাবে দীর্ঘকালীন লবণাক্ততাপ্রবণ এলাকাটির প্রধাণ বৃক্ষ প্রজাতির মধ্যে রয়েছে গেওয়া। এটি প্রায়ই সেসব স্থানে জন্মায় যেখানে সুন্দরী অত সফলভাবে বংশ বিস্তার করতে পারেনা।</h3>
<h3 style="background-color: white; color: #29303b; font-family: Georgia, &quot;Lucida Sans Unicode&quot;, lucida, Verdana, sans-serif; font-size: 1.3em; font-weight: 400; letter-spacing: 1px; margin: 0px; padding: 0px; text-align: justify;">
&nbsp;</h3>
<h3 style="background-color: white; color: #29303b; font-family: Georgia, &quot;Lucida Sans Unicode&quot;, lucida, Verdana, sans-serif; font-size: 1.3em; font-weight: 400; letter-spacing: 1px; margin: 0px; padding: 0px; text-align: justify;">
৩. পশ্চিমাঞ্চলীয় সুন্দরবন অভয়ারণ্যঃ ৭১,৫০২ হেক্টর এলাকা জুড়ে অবস্থিত। এ এলাকার তুলনামূলকভাবে শুষ্ক ভূমি ও নদীর তীরে গেওয়া, গরান ও হন্তাল জন্মে।</h3>
</div>
</div>
</content><link rel='replies' type='application/atom+xml' href='http://visitsundarbon.blogspot.com/feeds/1141587404035050864/comments/default' title='Post Comments'/><link rel='replies' type='text/html' href='http://visitsundarbon.blogspot.com/2018/04/blog-post_93.html#comment-form' title='0 Comments'/><link rel='edit' type='application/atom+xml' href='http://www.blogger.com/feeds/8872312683140648806/posts/default/1141587404035050864'/><link rel='self' type='application/atom+xml' href='http://www.blogger.com/feeds/8872312683140648806/posts/default/1141587404035050864'/><link rel='alternate' type='text/html' href='http://visitsundarbon.blogspot.com/2018/04/blog-post_93.html' title='সুন্দরবনের ইতিহাস '/><author><name>RAKOM</name><uri>http://www.blogger.com/profile/02904944596596026686</uri><email>noreply@blogger.com</email><gd:image rel='http://schemas.google.com/g/2005#thumbnail' width='16' height='16' src='https://img1.blogblog.com/img/b16-rounded.gif'/></author><thr:total>0</thr:total></entry><entry><id>tag:blogger.com,1999:blog-8872312683140648806.post-6112438313878244836</id><published>2018-04-29T23:04:00.002+06:00</published><updated>2018-04-29T23:04:39.710+06:00</updated><category scheme="http://www.blogger.com/atom/ns#" term="Feature"/><category scheme="http://www.blogger.com/atom/ns#" term="Sundarbon"/><title type='text'>সুন্দরবনঃ পৃথিবীর সর্ববৃহৎ ম্যানগ্রোভ ফরেস্ট সম্পর্কে কিছু তথ্য - ১৯</title><content type='html'><div dir="ltr" style="text-align: left;" trbidi="on">
<div class="" data-block="true" data-editor="68bgc" data-offset-key="7haq3-0-0" style="background-color: white; color: #1d2129; font-family: Helvetica, Arial, sans-serif; font-size: 14px; white-space: pre-wrap;">
<div class="_1mf _1mj" data-offset-key="7haq3-0-0" style="direction: ltr; font-family: inherit; position: relative;">
<span data-offset-key="7haq3-0-0" style="font-family: inherit;">সুন্দরবনের নল খাগড়া ঘাস ঃ নল খাগড়া সুন্দরবনের এক প্রকারের ঘাস। নদী ও খালের পাড়ে নল খাগড়া খুব ঘন ভাবে জন্মে। নতুন জেগে উঠা চরেও এ ঘাস প্রচুর পরিমানে জন্মে। গরাণ বনে নল খাগড়া জন্মে। তবে বাইন বনে খুব সামান্য দেখা যায়। নল খাগড়া অক্টোবর হতে নভেম্বর মাস পর্যন্ত বাওয়ালীরা সুন্দরবন হতে সংগ্রহ করে। নল খাগড়া দিয়ে ঝুড়ি, সাজি, এবং ধামা তৈরী করা হয়। একটি ডুলা তৈরী করতে প্রায় ২০ কেজি নল খাগড়া লাগে। সুন্দরবন হতে প্রচুর পরিমানে নল খাগড়া বাওয়ালীরা আহরণ করে। কয়রা, পাইকগাছা, আশাশুনিতে নল খাগড়া দিয়ে ঝুড়ি, সাজি ইত্যাদি তৈরীর জন্য বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান গড়ে উঠেছে। নল খাগড়া শুকাতে ৪-৫ দিন এবং প্রক্রিয়াজাত করতে ৭-১০ দিন সময় লাগে। নল খাগড়া দিয়ে একটা ডুলা তৈরী করতে ৪ দিন লাগবে।</span></div>
</div>
<div class="" data-block="true" data-editor="68bgc" data-offset-key="8ujru-0-0" style="background-color: white; color: #1d2129; font-family: Helvetica, Arial, sans-serif; font-size: 14px; white-space: pre-wrap;">
<div class="_1mf _1mj" data-offset-key="8ujru-0-0" style="direction: ltr; font-family: inherit; position: relative;">
<span data-offset-key="8ujru-0-0" style="font-family: inherit;"><br data-text="true" /></span></div>
</div>
<div class="" data-block="true" data-editor="68bgc" data-offset-key="2297j-0-0" style="background-color: white; color: #1d2129; font-family: Helvetica, Arial, sans-serif; font-size: 14px; white-space: pre-wrap;">
<div class="_1mf _1mj" data-offset-key="2297j-0-0" style="direction: ltr; font-family: inherit; position: relative;">
<span data-offset-key="2297j-0-0" style="font-family: inherit;">সুন্দরবনের উলু ঘাস ঃ উলু ঘাসকে স্থানীয় লোকেরা খেড় বলে। সুন্দরবন হতে প্রাপ্ত উলু ঘাসকে বাধাই খেড় বলে। এ বাধাই খের খুব মজবুত ও টেকসই। সুন্দরবনে উলু ঘাস পাওয়া যায় শুস্ক স্থানে এবং উচু স্থানে। উলু ঘাস যেখানে জন্মে সে স্থান জোয়ারের পানিতে ডুবে না। সুন্দরবনের যেখানে কোন সাকসেশন নেই সেখানে উলু ঘাস জন্মে। উলু ঘাস সাধারণতঃ র্২ – র্৩ লম্ব্ াহয়। শীতকালে উলু ঘাস সংগ্রহ করা হয়। এ সময় বাওয়ালীদের উলু ঘাসের পারমিট দেয়া হয়। ৩-৫ জন বাওয়ালী ১ মাসে এক নৌকা উলু ঘাস সংগ্রহ করে। রান্না ঘর, গরু ঘর, পানের বরজ, বাস গৃহ প্রভৃতির চাল তৈরীতে উলু ঘাস ব্যাপকভাবে ব্যবহৃত হয়। পানের বরজে উলু ঘাস বেশি করে ব্যবহৃত হয়। কারন এর টেকসই বেশি। এছাড়া সুন্দরবনের কচিখালী, কটকা ও নীলকমল বন্যপ্রাণী এলাকায় প্রচুর ছন উৎপন্ন হয়।</span></div>
</div>
<div class="" data-block="true" data-editor="68bgc" data-offset-key="ev3hg-0-0" style="background-color: white; color: #1d2129; font-family: Helvetica, Arial, sans-serif; font-size: 14px; white-space: pre-wrap;">
<div class="_1mf _1mj" data-offset-key="ev3hg-0-0" style="direction: ltr; font-family: inherit; position: relative;">
<span data-offset-key="ev3hg-0-0" style="font-family: inherit;"><br data-text="true" /></span></div>
</div>
<div class="" data-block="true" data-editor="68bgc" data-offset-key="bv00g-0-0" style="background-color: white; color: #1d2129; font-family: Helvetica, Arial, sans-serif; font-size: 14px; white-space: pre-wrap;">
<div class="_1mf _1mj" data-offset-key="bv00g-0-0" style="direction: ltr; font-family: inherit; position: relative;">
<span data-offset-key="bv00g-0-0" style="font-family: inherit;">সুন্দরবনের হেতাল গাছ ঃ হেতাল সুন্দরবনের একটি অকাষ্ট বনজ সম্পদ। হেতালের চাহিদা রয়েছে স্থানীয় লোকজনের কাছে। বাওয়ালীরা সারা বছর সুন্দরবন হতে হেতাল আহরণ করে থাকে। হেতালকে আবার কখনো সুন্দরবনের আগাছাও বলা হয়। হেতাল সাধারণত নদী বা খালের পাড়ে উচু জায়গায় জন্মে। সুন্দরবনের সর্বত্র হেতাল জন্মে। কোন কোন জায়গায় বিশাল এলাকা জুড়ে হেতাল বনের বেষ্টনী দেখা যায়। হেতালগুলো খেজুর গাছের মত দেখায় এবং ফলগুলোও দেখতে খেজুর ফলের মত। তবে আকারে খেজুর গাছ ও ফল হতে ছোট। হেতাল বন কণ্টকাকীর্ন। হেতাল বনে বাঘ থাকার সম্ভাবনা বেশী। হেতালের পারমিট সারা বছর দেয়া হয়। তবে প্রতি নৌকায় ২০০ মনের উর্দ্ধে কোন পারমিট দেয়া হয় না। ২০০ মন হেতাল ১৪ দিনে সংগ্রহ করতে ৩-৪ জন বাওয়ালী প্রয়োজন হয়। ১৪ দিনের মধ্যে ৪ দিন বনে যাওয়া আসা এবং ১০ দিন প্রকৃত পক্ষে হেতাল কাটায় অতিবাহিত হয়। প্রতি বছর হেতাল সংগ্রহের জন্য ৯০০-১০০০ পারমিট দেয়া হয়। বছরে গড়ে সুন্দরবন হতে ৭ হাজার মেট্রিক টন হেতাল সংগ্রহ করা হয়। র্৫ দৈর্ঘের হেতাল গাছ কাটা হয়। র্৬, র্৭, র্৮, র্৯ বিভিন্ন দৈর্ঘের হেতাল পাওয়া যায়। হেতাল বিভিন্ন কাজে ব্যবহৃত হয়। ঘরের রোয়া, আদল ও পাইর হিসেবে হেতাল ব্যবহৃত হয়। সাধারণত গ্রামীণ লোকেরা গরু ঘর, রান্না ঘর, চিংড়ি ঘেরের ঘর তৈরীতে হেতাল ব্যবহার করে। ১র্২ – ১র্৫ লম্বা হেতাল ঘরের খুটি হিসেবেও ব্যবহৃত হয়। হেতাল এর ব্যবহার দিন দিন বাড়ছে। বরিশাল ও খুলনা বিভাগে হেতাল প্রচুর পরিমানে বিক্রয় হয়।</span></div>
</div>
<div class="" data-block="true" data-editor="68bgc" data-offset-key="dlto8-0-0" style="background-color: white; color: #1d2129; font-family: Helvetica, Arial, sans-serif; font-size: 14px; white-space: pre-wrap;">
<div class="_1mf _1mj" data-offset-key="dlto8-0-0" style="direction: ltr; font-family: inherit; position: relative;">
<span data-offset-key="dlto8-0-0" style="font-family: inherit;"><br data-text="true" /></span></div>
</div>
<div class="" data-block="true" data-editor="68bgc" data-offset-key="f3bpm-0-0" style="background-color: white; color: #1d2129; font-family: Helvetica, Arial, sans-serif; font-size: 14px; white-space: pre-wrap;">
<div class="_1mf _1mj" data-offset-key="f3bpm-0-0" style="direction: ltr; font-family: inherit; position: relative;">
<span data-offset-key="f3bpm-0-0" style="font-family: inherit;">সুন্দরবনের ঘুর্নিঝড়, জলোচ্ছাস ও সিডর ঃ ঘুর্নিঝড় ও জলোচ্ছাসের আঘাতে প্রতিনিয়ত সুন্দরবনের ব্যাপক ক্ষতি হয়। বিগত ১৪০ বছরে সুন্দরবনে কমপক্ষে ৫০ বার ঘুর্নিঝড় ও জলোচ্ছাস হয়। এর ফলে সুন্দরবনের উদ্ভিদরাজি ও বন্যপ্রাণীর প্রভুত ক্ষতি হয়েছে। প্রতি ৩ (তিন) বছর অথবা ৫ (পাঁচ) বছরে একবার সুন্দরবনে ঘুর্নিঝড় হওয়ার প্রবনতা দেখা যায়। এ ব্যাপারে একটি ধারাবাহিক বর্ননা নিম্নে প্রদান করা হলো। ১৫৫৮ খৃষ্টাব্দে সম্রাট আকবরের রাজত্বকালে সুন্দরবনের উপর এক ভয়ংকর জলোচ্ছাস হয় যা পাঁচ ঘন্টা ব্যাপী স্থায়ী হয়। ১৬৮৮ খৃষ্টাব্দে সুন্দরবনের উপর দিয়ে ভীষণ ঝড় হয়। এতে সুন্দরবনের আশে পাশের প্রায় ৫০ হাজারেরও বেশী মানুষের মৃত্যু হয়। ১৭০৭ খৃষ্টাব্দে আরও একটি মারাত্বক ঝড়ে সুন্দরবনের ব্যাপক ক্ষতি হয়। সেই সময় সুন্দরবনের আশে পাশের অনেক মানুষ ঘরবাড়ী ত্যাগ করে উত্তর দিকে পলায়ন করে। ১৭৩৭ খৃষ্টাব্দে সুন্দরবনে একসাথে ঝড় এবং ভৃমিকম্প হয়। তাতে সুন্দরবন ছিন্ন বিছিন্ন হয়ে যায়। সুন্দরবনের বড় বড় গাছ পালার ব্যাপক ক্ষতি হয়। প্লাবনে নদীর পানি ৪০ ফুট পর্যন্ত উঠে বলে ধারণা করা হয়। ১৮৬২ খৃষ্টাব্দের ১০ই মে সুন্দরবন অঞ্চলে প্রবল ঝড় ও ঝটিকা হয়। এই ঝড় যশোর ও খুলনা পর্যন্ত বিতৃর্ণ ছিল। ১৮৬৯ খৃষ্টাব্দের মে মাসে সুন্দরবনের উপর দিয়ে যে ঝড় হয় তাতে সুন্দরবনের যথেষ্ট ক্ষতি হয়। ১৮৯৫ খৃষ্টাব্দে সুন্দরবনের উপর দিয়ে প্রচন্ড ঝড় বয়ে যায়। এই ঝড়ে বাগেরহাট ও সাতক্ষীরায় যথেষ্ট ক্ষতিসাধন করে। ১৯০৯ খৃষ্টাব্দের ১৭ই অক্টোবর সুন্দরবনের উপর দিয়ে এক মারাত্বক ঝড় বয়ে যায়। এই ঝড়ে বরিশাল ও খুলনা জেলায় ব্যাপক ক্ষতি হয়। ১৯১৯ খৃষ্টাব্দে ঝড়ে সুন্দরবনের অনেক ক্ষতি হয়। ১৯৬১ খৃষ্টাব্দের ৯ই মে উপকুলীয় অঞ্চলে ঝড়ে উপকুলের অপুরনীয় ক্ষতি হয়। ১৯৬৫ সালের ১১ মে আর একটি সুন্দরবনের আরও ব্যাপক ক্ষতি হয়। ১৭৩৭ খৃষ্টাব্দের ভুমিকম্পে সুন্দরবনের ভয়াবহ ক্ষতি হয়। ১৭৬২ খৃষ্টাব্দের ২রা এপ্রিল এক ভৃমিকম্পে বার্মা হতে কলিকাতা পর্যন্ত ক্ষতিগ্রস্থ হয়। এই ভুমিকম্পে সুন্দরবন এক প্রকার ডুবে গিয়েছিল। ১৮১০, ১৮২৯, ১৮৪২, ১৮৯৭, ১৮৫২, ১৮৮২ খৃষ্টাব্দের ভৃমিকম্পে সুন্দরবনের ব্যাপক ক্ষতি হয়। এছাড়া ১৯৬০ সালের ৯ই অক্টোবর, ১৯৬০ সালের ৩০শে অক্টোবর, ১৯৬১ সালের ৯ই মে, ১৯৯১ সালে ৩০ মে, ১৯৬৩ সালের ২৮ শে মে, ১৯৬৫ সালের ১১ই এপ্রিল, ১৯৬৫ সালের ১১ই মে, ১৯৬৫ সালের ৩১শে মে, ১৯৬৫ সালের ১৪ ডিসেম্বর, ১৯৬৬ সালের ১লা অক্টোবর, ১৯৬৭ সালের ১১ই অক্টোবর, ১৯৬৭ সালের ২৬ শে অক্টোবর, ১৯৬৮ সালের ১০ই মে, ১৯৬৯ সালে ১০ই এপ্রিল, ১৯৬৯ সালের ১৭ই এপ্রিল, ১৯৭০ সালের ৩রা মে, ১৯৭০ সালের ১০ই মে, ১৯৭০ সালের ২৩শে অক্টোবর, ১৯৭০ সালের ১২ই নভেম্বর, ১৯৮৫ সালের মে মাসে, ১৯৮৮ সালের ২৯শে নভেম্বর, ১৯৯১ সালের এপ্রিল মাসে, ১৯৯৫ সালের মে মাসে সুন্দরবনে ব্যাপক জলোচ্ছাস হয়।</span></div>
</div>
<div class="" data-block="true" data-editor="68bgc" data-offset-key="4sitp-0-0" style="background-color: white; color: #1d2129; font-family: Helvetica, Arial, sans-serif; font-size: 14px; white-space: pre-wrap;">
<div class="_1mf _1mj" data-offset-key="4sitp-0-0" style="direction: ltr; font-family: inherit; position: relative;">
<span data-offset-key="4sitp-0-0" style="font-family: inherit;"><br data-text="true" /></span></div>
</div>
<div class="" data-block="true" data-editor="68bgc" data-offset-key="a1oeh-0-0" style="background-color: white; color: #1d2129; font-family: Helvetica, Arial, sans-serif; font-size: 14px; white-space: pre-wrap;">
<div class="_1mf _1mj" data-offset-key="a1oeh-0-0" style="direction: ltr; font-family: inherit; position: relative;">
<span data-offset-key="a1oeh-0-0" style="font-family: inherit;">বাংলাদেশের উপকুলীয় অঞ্চলে যে ঝড় ও জলোচ্ছাস হয় তা সুন্দরবনেও আঘাত হানে। সুন্দরবন এর পার্শবর্তী খুলনা, বাগেরহাট, সাতক্ষীরা জেলার ১৬টি উপজেলার জানমালকে ঝড় ও জলোচ্ছাস থেকে রক্ষা করে আসছে। সুন্দরবন এই অঞ্চলের মাটি, মানুষ ও স্থাপনা সমুহকে রক্ষা করে আসছে। সুন্দরবন বুক আগলে ঝড় ও জলোচ্ছাসের তান্ডবকে সহ্য করছে। সর্বশেষ ২০০৭ সালের ১৫ই নভেম্বর প্রলয়ংকারী ঘুর্নিঝড় সিডরের আঘাতে সুন্দরবনের ব্যাপক ক্ষতি হয়। সিডরের আঘাতে শরনখোলা ও চাঁদপাই রেঞ্জের ১৮টি কম্পার্টমেন্টের ১,১০,০০০ হেক্টর বনভৃমি ক্ষতিগ্রস্থ হয়েছে। শরণখোলা রেঞ্জের অন্তর্গত সুন্দরবন পুর্ব বন্যপ্রানী অভয়ারন্য মারাত্বকভাবে ক্ষতিগ্রস্থ হয়েছে। সিডরের পর বিভিন্ন আন্তর্জাতিক ও স্থানীয় সংস্থা সিডরে ক্ষতিগ্রস্থ এলাকা পরিদর্শন করে। ইউএনডিপি এর হিসেবে সিডরে সুন্দরবনের ২১% , ইউনেসকো এর হিসেবে ৩০%, এসপারসো এর হিসেবে ১৯% এবং বন বিভাগের রিমস ইউনিটের হিসেবে ২২% এলাকা ক্ষতিগ্রস্থ হয়েছে।</span></div>
</div>
<div class="" data-block="true" data-editor="68bgc" data-offset-key="f4oen-0-0" style="background-color: white; color: #1d2129; font-family: Helvetica, Arial, sans-serif; font-size: 14px; white-space: pre-wrap;">
<div class="_1mf _1mj" data-offset-key="f4oen-0-0" style="direction: ltr; font-family: inherit; position: relative;">
<span data-offset-key="f4oen-0-0" style="font-family: inherit;"><br data-text="true" /></span></div>
</div>
<div class="" data-block="true" data-editor="68bgc" data-offset-key="j8if-0-0" style="background-color: white; color: #1d2129; font-family: Helvetica, Arial, sans-serif; font-size: 14px; white-space: pre-wrap;">
<div class="_1mf _1mj" data-offset-key="j8if-0-0" style="direction: ltr; font-family: inherit; position: relative;">
<span data-offset-key="j8if-0-0" style="font-family: inherit;">সুন্দরবনের এই ক্ষতি কাটিয়ে ওঠার জন্য বাংলাদেশ সরকার সুন্দরবন হতে মাছ ও মধু আহরণ করা ছাড়া অন্য সব সম্পদ আহরণ ২০০৭-০৮ সনের জন্য নিষিদ্ধ ঘোষনা করে। যাতে এই বন প্রাকৃতিক ভাবেই নিজেকে পুনরুজ্জীবিত করে পুর্বের অবস্থায় ফিরে যেতে পারে। সিডরের কারনে সুন্দরবনের পুর্বাংশ ১০ থেকে ১৫ ফুট উচু জলোচ্ছাসে নিমজ্জিত হওয়ায় ঐ অংশের গাছপালার অধিক ক্ষতি সাধিত হয়েছে। ঘুর্নিঝড় সিডরের আঘাতে নদীর মোহনা এলাকায় বিভিন্ন গাছপালা বিশেষতঃ কেওড়া ও গেওয়া মারাত্বকভাবে ক্ষতিগ্রস্থ হয়েছে। এছাড়া সুন্দরী গাছও ভেঙ্গে উপড়িয়ে পড়ে অনেক স্থানেই ক্ষতিগ্রস্থ হয়েছে। ঘুর্নিঝড়ের পর কোন কোন এলাকা দেখে মনে হয়েছিল যেন ঐ স্থানের গাছের সমস্ত পাতা আগুনে পুড়ে গেছে। অনেক স্থানেই নদীর তীরবর্তী গোলপাতার ঝাড় উপড়ে যায় এবং স্রোতে ভেসে যায়। স্যাটেলাইট ইমেজ বিশ্লেষন করে বন বিভাগের রিমস ইউনিট সিদ্ধান্তে আসে যে, সিডরের আঘাতে সমগ্র সুন্দরবনের ২.৪৭% এলাকা মারাত্বকভাবে ক্ষতিগ্রস্থ , ১৫.২৩% এলাকা আংশিকভাবে এবং ৪.৪৭% এলাকা স্মাান্য ক্ষতিগ্রস্থ হয়। বন্যপ্রাণী ও প্রকৃতি সংরক্ষন বিভাগ, খুলনা এর রিপোট অনুযায়ী সিডরের আঘাতে সুন্দরবনে ৪০টি হরিণ, ১টি বাঘ, বহু বানর, পাখি, সাপ মারা গেছে। এছ্ড়াা সুন্দরবনের অভ্যন্তরে মিষ্টি পানির পুকুরগুলো লোনা পানিতে প্লাবিত হয়ে যায়। এর ফলে খাবার পানির তীব্র সংকটে বন্যপ্রাণীর বেঁচে থাকা দুরহ হয়ে পড়ে। সুন্দরবনের অভ্যন্তরে কর্মরত বন বিভাগের কর্মকর্তা-কর্মচারীগন এবং জেলে-বাওয়ালীগনও তীব্রভাবে খাবার পানির সংকটে পড়েন। সিডরের পরপরই বন বিভাগ অন্যান্য সরকারী সংস্থার সহায়তায় পুকুরের পানি লবনাক্ততা মুক্ত করার ব্যবস্থা করে এ সংকট থেকে উত্তরণ ঘটানোর ব্যবস্থা গ্রহণ করে। সিডরের আঘাতে সুন্দরবনের রেঞ্জ, ষ্টেশন, টহল ফাঁড়ি ও রেষ্ট হাউসগুলোর বিভিন্ন অবকাঠামো কোন কোন স্থানে সম্প\x81র্ণভাবে কোন কোন স্থানে আংশিকভাবে বিধ্বস্ত হয়। ওয়ারলেস যোগাযোগ ব্যবস্থা সম্প\x81র্ণভাবে বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়ে।</span></div>
</div>
<div class="" data-block="true" data-editor="68bgc" data-offset-key="2no4h-0-0" style="background-color: white; color: #1d2129; font-family: Helvetica, Arial, sans-serif; font-size: 14px; white-space: pre-wrap;">
<div class="_1mf _1mj" data-offset-key="2no4h-0-0" style="direction: ltr; font-family: inherit; position: relative;">
<span data-offset-key="2no4h-0-0" style="font-family: inherit;"><br data-text="true" /></span></div>
</div>
<div class="" data-block="true" data-editor="68bgc" data-offset-key="7dh5o-0-0" style="background-color: white; color: #1d2129; font-family: Helvetica, Arial, sans-serif; font-size: 14px; white-space: pre-wrap;">
<div class="_1mf _1mj" data-offset-key="7dh5o-0-0" style="direction: ltr; font-family: inherit; position: relative;">
<span data-offset-key="7dh5o-0-0" style="font-family: inherit;">ধারাবাহিক ভাবে প্রকাশিত মোট ২০টি সংখ্যায় সুন্দরবনের ধারণা ও সম্পদের বিশালতা নিয়ে আলোচনা করা হয়েছে। সীমাবদ্ধতার কারনে সকল বিষয়ে আলোচনা করা সম্ভব হয় নি। সুন্দরবন বিশাল। এই বিশালতা চোখে না দেখলে ধারণা করা সম্ভব নয়। বাংলাদেশের গর্ব এই সুন্দরবন। শুধু বাংলাদেশের গর্ব নয়, এই সুন্দরবন বিশ্বের গর্ব। সুন্দরবনের মত দ্বিতীয়টি আর কোথাও নেই। পরিবেশ সংরক্ষনের স্বার্থে সুন্দরবনকে সংরক্ষন করতে হবে। শুধু পরিবেশ সংরক্ষণের জন্য নয়, ইতিহাসের ধারাবাহিকতা ও জীববৈচিত্র্য সংরক্ষনের স্বার্থে সুন্দরবনের সংরক্ষনের বিকল্প কিছু নেই। সুন্দরবন এখনও টিকে আছে, তাই হয়ত আমরা এর প্রয়োজন ও গুরুত্ব বুঝতে পারছি না। যদি এমন কোন পরিস্থিতি হয় সুন্দরবন বাংলাদেশে দক্ষিণ অঞ্চল হতে নিশ্চিন্ন, তখন হয়ত বোঝা যাবে সুন্দরবন বাংলাদেশের জন্য কত প্রয়োজন ছিল।</span></div>
</div>
<div class="" data-block="true" data-editor="68bgc" data-offset-key="9ivq7-0-0" style="background-color: white; color: #1d2129; font-family: Helvetica, Arial, sans-serif; font-size: 14px; white-space: pre-wrap;">
<div class="_1mf _1mj" data-offset-key="9ivq7-0-0" style="direction: ltr; font-family: inherit; position: relative;">
<span data-offset-key="9ivq7-0-0" style="font-family: inherit;"><br data-text="true" /></span></div>
</div>
<div class="" data-block="true" data-editor="68bgc" data-offset-key="4vfr0-0-0" style="background-color: white; color: #1d2129; font-family: Helvetica, Arial, sans-serif; font-size: 14px; white-space: pre-wrap;">
<div class="_1mf _1mj" data-offset-key="4vfr0-0-0" style="direction: ltr; font-family: inherit; position: relative;">
<span data-offset-key="4vfr0-0-0" style="font-family: inherit;">এই সুন্দরবন নিয়ে ষড়যন্ত্রের শেষ নেই। দেশী বিদেশী সকল ধরনের ষড়যন্ত্রকারীরা বাংলাদেশের সুন্দরবন নিয়ে ষড়যন্ত্রে লিপ্ত। এই সকল ষড়যন্ত্রের বিরুদ্ধে আমাদের সোচ্চার হতে হবে। বৃহত্তর সুন্দরবনের ষাট শতাংশ বাংলাদেশের অংশ এবং চল্লিশ শতাংশ ভারতের পশ্চিমবঙ্গ রাজ্যের অংশ। পশ্চিমবঙ্গের যে অংশে এ সুন্দরবন সে অংশের সুন্দরবনের অবস্থা বাংলাদেশের চেয়ে অনেক খারাপ। পশ্চিমবঙ্গের অংশের সুন্দরবন অনেক আগেই তার সংরক্ষিত চেহারা হারিয়েছে। পশ্চিমবঙ্গের সুন্দরবন এর অনেক অংশ জবর দখলদারদের কবলে। এই ধরনের চিত্র বাংলাদেশে নেই। গত পঞ্চাশ বছরে বাংলাদেশের সুন্দরবনের কোন অংশ জবর দখল হয় নাই। বাংলাদেশের সুন্দরবন পাকিস্তান আমল হতে সীমিত অর্থ দ্বারা পরিচালিত হতো। জনবলও ছিল প্রয়োজনের তুলনায় সীমিত। তখন সুন্দরবন হতে প্রচুর পরিমানের বনজ দ্রব্য আহরিত হতো। সুন্দরবনে যে সকল কর্মকর্তা কর্মচারী কাজ করতো তারা বন সংরক্ষনের পাশাপাশি বনজদ্রব্য আহরনের সাথে যুক্ত ছিল। বনজদ্রব্য আহরনে বেশ কিছু বাড়তি সুবিধা বন কর্মচারী কর্মকর্তারা পেত। এই সকল সুযোগ সুবিধা পাওয়ায় তারা শত কষ্টের মধ্যে সুন্দরবনে থেকে কাজ করতো। সুন্দরবন সংরক্ষনে ও প্রশাসনিক কাজ-কর্ম চালাতে যে অর্থের প্রয়োজন হতো সে অর্থ সরকারী ভাবে বরাদ্দ না করলেও তেমন কোন সমস্যা হতো না। কর্মচারী কর্মকর্তারা যে সকল সুযোগ সুবিধা পেত তা থেকে বন সংরক্ষনের প্রশাসনিক কাজে প্রয়োজনীয়া অর্থ জোগান দেয়া হতো। এটি এক ধরনের অন্যায়।</span></div>
</div>
<div class="" data-block="true" data-editor="68bgc" data-offset-key="b7rlf-0-0" style="background-color: white; color: #1d2129; font-family: Helvetica, Arial, sans-serif; font-size: 14px; white-space: pre-wrap;">
<div class="_1mf _1mj" data-offset-key="b7rlf-0-0" style="direction: ltr; font-family: inherit; position: relative;">
<span data-offset-key="b7rlf-0-0" style="font-family: inherit;"><br data-text="true" /></span></div>
</div>
<div class="" data-block="true" data-editor="68bgc" data-offset-key="64cat-0-0" style="background-color: white; color: #1d2129; font-family: Helvetica, Arial, sans-serif; font-size: 14px; white-space: pre-wrap;">
<div class="_1mf _1mj" data-offset-key="64cat-0-0" style="direction: ltr; font-family: inherit; position: relative;">
<span data-offset-key="64cat-0-0" style="font-family: inherit;">বাংলাদেশ হওয়ার পরও এ ধারা অব্যাহত থাকে। এর কারনে সুন্দরবন সংরক্ষন ও উন্নয়নে যে পরিমান অর্থের প্রয়োজন যে পরিমান অর্থের বরাদ্দ ছিল না। বর্তমানে সুন্দরবন হতে বনজদ্রব্য আহরণ কমে গেছে। বাড়তি তেমন কোন সুযোগ সবিধা নেই। সমস্যা বৃদ্ধি পেয়েছে। সৃতরাং সুন্দরবন সংরক্ষণে বিষয়টি চিন্তা করা অত্যন্ত জরুরী। বনাভ্যন্তরে অবস্থিত যে কোন ক্যাম্পে জনবল প্রেরনের পুর্বেই সেখানে নিম্নবর্নিত কর্মসূচী বাস্তবায়ন করা প্রয়োজন। যেমনঃ পানিয় জলের জন্য গভীর নলকুপের ব্যবস্থা করা, পর্যাপ্ত আলোর জন্য সৌর শক্তি এবং জেনারেটর এর ব্যবস্থা করা, ক্যাম্প এলাকায় যাতে জোয়ার ভাটার পানি প্রবেশ করতে না পারে সেজন্য প্রয়োজনীয় বাধ নির্মাণ করা, বন্য প্রাণীর আক্রমন হতে আত্বরক্ষার জন্য বাধের ওপর অত্যন্ত মজবুত লোহার বেড়া স্থাপন করা ,মিষ্টি পানির পুকুর খনন করা, কর্মকর্তা কর্মচারীদের অবস্থানের জন্য পাকা ইমারত নির্মান করা। বন বিভাগ গ্রাম বাসীদের সাথে সম্পর্ক উন্নয়নের স্বার্থে বিভিন্ন কর্মসূচী বাস্তবায়নের পদক্ষেপ গ্রহণ করা প্রয়োজন। যেমনঃ সেচ সুবিধা বৃদ্ধির জন্য খাল খনন করা, মিষ্টি পানি সরবরাহের জন্য পুকুর খনন করা, রাস্তা ঘাট নির্মান করা, সৌর শক্তির সাহায্যে গ্রামের রাস্তায় আলোর ব্যবস্থা করা। গ্রামবাসীর চিকিৎসার জন্য নিয়মিত মেডিকেল টিম এর ব্যবস্থা করা, সুন্দরবন সংলগ্ন গ্রামের সুরক্ষার জন্য বাধ নির্মান করা, গ্রামীন জনগোষ্টির পেশায় প্রশিক্ষন প্রদানের ব্যবস্থা করা,সুন্দরবনের উন্নয়ন ও সংরক্ষনে অনেক মানুষ অনেক বুদ্ধি ও পরামর্শ দিতে পারে এবং দিয়েও থাকে। কিন্তু বাস্তবে তারা কেউ সাহায্য নিয়ে এগিয়ে আসে না। বিশেষ করে শীত মৌসুমে প্রচুর ভি,আই,পি সুন্দরবন পরিদর্শনে আসেন। তারা সুন্দরবনে অবন্থান করেন তখন তারা বিভিন্ন ধরনের পরামর্শ ও আশ্বাস দেন। কিন্তু ফিরে যেয়ে সব ভুলে যায়। সুন্দরবন থেকে মাছ, মধু, শুটকি নেয় সকলেই। সকলেই এর রূপ ও সৌন্দর্য উপভোগ করে। সুন্দরবন তার রূপ সৌন্দর্য ও সামগ্রী সকলকেই বিলিয়ে দেয়। কিন্তু সে কি পায়? এ প্রশ্নের সমাধান খোজা জরুরী।</span></div>
</div>
<div class="" data-block="true" data-editor="68bgc" data-offset-key="bbr84-0-0" style="background-color: white; color: #1d2129; font-family: Helvetica, Arial, sans-serif; font-size: 14px; white-space: pre-wrap;">
<div class="_1mf _1mj" data-offset-key="bbr84-0-0" style="direction: ltr; font-family: inherit; position: relative;">
<span data-offset-key="bbr84-0-0" style="font-family: inherit;"><br data-text="true" /></span></div>
</div>
<div class="" data-block="true" data-editor="68bgc" data-offset-key="6edkm-0-0" style="background-color: white; font-family: Helvetica, Arial, sans-serif; font-size: 14px; white-space: pre-wrap;">
<div class="_1mf _1mj" data-offset-key="6edkm-0-0" style="color: #1d2129; direction: ltr; font-family: inherit; position: relative;">
<span data-offset-key="6edkm-0-0" style="font-family: inherit;">একটি কথা আমাদের বিশেষভাবে স্মরণ রাখা দরকার যে সুন্দরবন সংরক্ষনের সাথে আমাদের জাতীয় নিরাপত্তার প্রশ্নটি জড়িত। সুন্দরবন জীবন্ত বিশাল সম্পদের ভান্ডার। এই বিশাল ভান্ডারকে কাজে লাগাতে হবে। শুধুমাত্র সুন্দরবনে ইকোট্যুরিজ্যমের ব্যবস্থা করে আয় করা যায় শত শত কোটি টাকা। পরিকল্পনা অনুযায়ী বনজদ্রব্য আহরণ ও ইকোট্যুরিজমের খাত হতে পারে বিশাল অংকের টাকা যা শুধুমাত্র সুন্দরবন উন্নয়নের কাজে আসবেনা বাংলাদেশের অর্থনীতিতে বিরাট সহ্য়াক ভৃমিকা পালন করবে। সবচেয়ে বড় কথা সুন্দরবন সংরক্ষণে সুন্দরবন সংলগ্নবাসীদের দরদ থাকতে হবে। তাদের দরদ এবং মায়া থাকলে সুন্দরবনের মধ্যে কাঠচোর, সন্ত্রাসীদের রাজত্ব সহজে হতে পারে না। সুন্দরবন নিয়ে চিন্তা ভাবনা করার এখনই সময়। বর্তমানে এক ক্রান্তিকালের মধ্যে দিয়ে সুন্দরবনের কাজ কর্ম চলছে। যদি সুন্দরবনের সঠিক সংরক্ষন ও উন্নয়ন না হয় তবে এমন দিন আসবে যখন সুন্দরবন তার রূপ সৌন্দর্য হারাবে এবং এর কারনে বাংলাদেশে নেমে আসবে অর্থনৈতিক ও পরিবেশগত বিপর্যয়। </span></div>
<h3 style="font-family: inherit; position: relative; text-align: center;">
<span data-offset-key="6edkm-0-0" style="font-family: inherit;"><span style="color: red;">সমাপ্ত।</span></span></h3>
</div>
</div>
</content><link rel='replies' type='application/atom+xml' href='http://visitsundarbon.blogspot.com/feeds/6112438313878244836/comments/default' title='Post Comments'/><link rel='replies' type='text/html' href='http://visitsundarbon.blogspot.com/2018/04/blog-post_19.html#comment-form' title='0 Comments'/><link rel='edit' type='application/atom+xml' href='http://www.blogger.com/feeds/8872312683140648806/posts/default/6112438313878244836'/><link rel='self' type='application/atom+xml' href='http://www.blogger.com/feeds/8872312683140648806/posts/default/6112438313878244836'/><link rel='alternate' type='text/html' href='http://visitsundarbon.blogspot.com/2018/04/blog-post_19.html' title='সুন্দরবনঃ পৃথিবীর সর্ববৃহৎ ম্যানগ্রোভ ফরেস্ট সম্পর্কে কিছু তথ্য - ১৯'/><author><name>RAKOM</name><uri>http://www.blogger.com/profile/02904944596596026686</uri><email>noreply@blogger.com</email><gd:image rel='http://schemas.google.com/g/2005#thumbnail' width='16' height='16' src='https://img1.blogblog.com/img/b16-rounded.gif'/></author><thr:total>0</thr:total></entry><entry><id>tag:blogger.com,1999:blog-8872312683140648806.post-6258216484783320461</id><published>2018-04-29T23:03:00.000+06:00</published><updated>2018-04-29T23:03:02.142+06:00</updated><category scheme="http://www.blogger.com/atom/ns#" term="Feature"/><category scheme="http://www.blogger.com/atom/ns#" term="Sundarbon"/><title type='text'>সুন্দরবনঃ পৃথিবীর সর্ববৃহৎ ম্যানগ্রোভ ফরেস্ট সম্পর্কে কিছু তথ্য - ১৮</title><content type='html'><div dir="ltr" style="text-align: left;" trbidi="on">
<div class="" data-block="true" data-editor="68bgc" data-offset-key="7haq3-0-0" style="background-color: white; color: #1d2129; font-family: Helvetica, Arial, sans-serif; font-size: 14px; white-space: pre-wrap;">
<div class="_1mf _1mj" data-offset-key="7haq3-0-0" style="direction: ltr; font-family: inherit; position: relative;">
<br /></div>
</div>
<div class="" data-block="true" data-editor="68bgc" data-offset-key="ch6un-0-0" style="background-color: white; font-family: Helvetica, Arial, sans-serif; font-size: 14px; white-space: pre-wrap;">
<div class="_1mf _1mj" data-offset-key="ch6un-0-0" style="direction: ltr; font-family: inherit; position: relative;">
<span data-offset-key="ch6un-0-0" style="font-family: inherit;"><b><span style="color: #20124d;">সুন্দরবনের বাইন গাছ :</span></b></span></div>
</div>
<div class="" data-block="true" data-editor="68bgc" data-offset-key="er54c-0-0" style="background-color: white; color: #1d2129; font-family: Helvetica, Arial, sans-serif; font-size: 14px; white-space: pre-wrap;">
<div class="_1mf _1mj" data-offset-key="er54c-0-0" style="direction: ltr; font-family: inherit; position: relative;">
<span data-offset-key="er54c-0-0" style="font-family: inherit;"><br data-text="true" /></span></div>
</div>
<div class="" data-block="true" data-editor="68bgc" data-offset-key="97our-0-0" style="background-color: white; color: #1d2129; font-family: Helvetica, Arial, sans-serif; font-size: 14px; white-space: pre-wrap;">
<div class="_1mf _1mj" data-offset-key="97our-0-0" style="direction: ltr; font-family: inherit; position: relative;">
<span data-offset-key="97our-0-0" style="font-family: inherit;">বাইন সুন্দরবনের একটি অতি পরিচিত গাছ। এটি একটি চির সবুজ বৃক্ষ। সাধারণতঃ বাইন গাছ ১৩ মিঃ – ২০ মিঃ উচু এবং ৪-৫ মিঃ বেড় হয়ে থাকে। সুন্দরবনের নদী ও খালের পাড়ে বাইন গাছ জন্মিতে দেখা যায়। বাইন গাছ সুন্দরবনের একটি সুউচ্চ বৃক্ষ। ডাল পালা সমেত এ গাছটিকে প্রকান্ড বড় দেখায়। বাইন গাছ একক ভাবে জন্মে থাকে। তবে কোন সময় কেওড়া ও গোলপাতার সাথে জন্মিতে দেখা যায়। বাইন বনের সৌন্দর্য্য ভ্রমনকারীদের আকৃষ্ট করে। বাইন গাছের স্বাস মূল আছে। মার্চ-জুন মাসে বাইন গাছে ফুল ফুটে। তখন অসংখ্য মৌমাছি বাইনের ফুল হতে মধু সংগ্রহ করে। বাইনের মধুকে বাইন মধু বলে। জুলাই আগষ্ট মাসে ফল পাকে। বাইনের বীজ পানিতে ভাসে এবং সে জন্য বাইন বীজ জোয়ার-ভাটার সময় বনের অভ্যন্তরে প্রবেশ করে অংকুরিত হয়। বাইন গাছ শক্তিশালী আলো ডিমান্ডার। সাধারণতঃ এটি একটি নতুন লোনা মাটিতে অগ্রজ প্রজাতি। নতুন মাটি হলেই খাল বা নদীর ধারে বা চরে বাইন জন্মে থাকে। প্রতি বছর বাইন গাছের ২.৮৪ হতে ৬.৩৬ মিঃমিঃ ডায়ামিটার বৃদ্ধি পায়। বাইন গাছ জ্বালানী হিসেবে ব্যবহৃত হয়। বিভিন্ন ধরনের বাইন গাছ আছে। যেমন মরিচা বাইন, সাদা বাইন ইত্যাদি।</span></div>
</div>
<div class="" data-block="true" data-editor="68bgc" data-offset-key="53v3c-0-0" style="background-color: white; color: #1d2129; font-family: Helvetica, Arial, sans-serif; font-size: 14px; white-space: pre-wrap;">
<div class="_1mf _1mj" data-offset-key="53v3c-0-0" style="direction: ltr; font-family: inherit; position: relative;">
<span data-offset-key="53v3c-0-0" style="font-family: inherit;"><br data-text="true" /></span></div>
</div>
<div class="" data-block="true" data-editor="68bgc" data-offset-key="97evt-0-0" style="background-color: white; font-family: Helvetica, Arial, sans-serif; font-size: 14px; white-space: pre-wrap;">
<div class="_1mf _1mj" data-offset-key="97evt-0-0" style="direction: ltr; font-family: inherit; position: relative;">
<span data-offset-key="97evt-0-0" style="font-family: inherit;"><b><span style="color: #20124d;">সুন্দরবনের কাকড়া গাছ :</span></b></span></div>
</div>
<div class="" data-block="true" data-editor="68bgc" data-offset-key="cd6ip-0-0" style="background-color: white; color: #1d2129; font-family: Helvetica, Arial, sans-serif; font-size: 14px; white-space: pre-wrap;">
<div class="_1mf _1mj" data-offset-key="cd6ip-0-0" style="direction: ltr; font-family: inherit; position: relative;">
<span data-offset-key="cd6ip-0-0" style="font-family: inherit;"><br data-text="true" /></span></div>
</div>
<div class="" data-block="true" data-editor="68bgc" data-offset-key="e98hj-0-0" style="background-color: white; color: #1d2129; font-family: Helvetica, Arial, sans-serif; font-size: 14px; white-space: pre-wrap;">
<div class="_1mf _1mj" data-offset-key="e98hj-0-0" style="direction: ltr; font-family: inherit; position: relative;">
<span data-offset-key="e98hj-0-0" style="font-family: inherit;">কাকড়া সুন্দরবনের একটি সুন্দর দৃশ্যমান বৃক্ষ। যেখানে কাকড়া বন আছে সে বন দেখলে অপুর্ব প্রাকৃতিক সৌন্দর্যে মন ভরে যায়। কাকড়া গাছ ডালপালা ছাতিম গাছের মত তবে সংখ্যায় নগন্য। কান্ড সোজা সুপারি গাছের মত দেখায় একটু পর পর চক্রাকারে কিছু ডালপালা আছে। মাথায় এক গুচ্ছ ডালপাতা আছে। দেখরে মনে হয় যেন গাছের মাথায় একটি সবুজ ছাতা বসে আছে। কালাবগীর কাছের কাকড়া বন ও করমজলের কাছে কাকড়া বাগান দেখলে অপরূপ সৌন্দর্যে ভ্রমনকারীরা বিমোহিত হয়ে যায়। কাকড়া একটি চির সবৃজ বৃক্ষ। এ বৃক্ষ ৩০ মিঃ পর্যন্ত লম্বা হয়ে থাকে। কাকড়া গাছের বাকল ধুসর হতে বাদামী রং এর হয়। এ গাছের বেটে বায়বীয় প্রোপ মূল আছে। জুলাই-আগষ্ট মাসে কাকড়া গাছে ফুল আসে এবং আগষ্ট-সেপ্টেম্বর মাসে ভ্রুন গাছ হতে ঝড়ে পড়ে। ফল গাছে থাকতে বীজ অংকুরিত হয়। কাকড়া আলো ভালবাসে। তবে বাল জীবনে বেশি হাল্কা আলো পছন্দ করে। কাকড়া চারার বৃদ্ধি প্রায় ৩-৪ বছর কম হয়। তারপর বৃদ্ধি খুব দ্র“ত হয়। কাকড়া গাছের কাঠ লালচে বাদামী ও অত্যন্ত শক্ত। এ কাঠ বিম, খুটি, বৈদ্যুতিক খুটি, চিরাই কাঠ ও জ্বালানী কাঠ হিসে্ে ব্যবহৃত হয়। কাকড়া গাছের বাকল হতে টেনিন তৈরী হয়।</span></div>
</div>
<div class="" data-block="true" data-editor="68bgc" data-offset-key="1kvq8-0-0" style="background-color: white; font-family: Helvetica, Arial, sans-serif; font-size: 14px; white-space: pre-wrap;">
<div class="_1mf _1mj" data-offset-key="1kvq8-0-0" style="direction: ltr; font-family: inherit; position: relative;">
<span data-offset-key="1kvq8-0-0" style="font-family: inherit;"><span style="color: #20124d;"><b><br data-text="true" /></b></span></span></div>
</div>
<div class="" data-block="true" data-editor="68bgc" data-offset-key="e9klf-0-0" style="background-color: white; font-family: Helvetica, Arial, sans-serif; font-size: 14px; white-space: pre-wrap;">
<div class="_1mf _1mj" data-offset-key="e9klf-0-0" style="direction: ltr; font-family: inherit; position: relative;">
<span data-offset-key="e9klf-0-0" style="font-family: inherit;"><span style="color: #20124d;"><b>সুন্দরবনের পশুর গাছ :</b></span></span></div>
</div>
<div class="" data-block="true" data-editor="68bgc" data-offset-key="3lqdh-0-0" style="background-color: white; color: #1d2129; font-family: Helvetica, Arial, sans-serif; font-size: 14px; white-space: pre-wrap;">
<div class="_1mf _1mj" data-offset-key="3lqdh-0-0" style="direction: ltr; font-family: inherit; position: relative;">
<span data-offset-key="3lqdh-0-0" style="font-family: inherit;"><br data-text="true" /></span></div>
</div>
<div class="" data-block="true" data-editor="68bgc" data-offset-key="51qna-0-0" style="background-color: white; color: #1d2129; font-family: Helvetica, Arial, sans-serif; font-size: 14px; white-space: pre-wrap;">
<div class="_1mf _1mj" data-offset-key="51qna-0-0" style="direction: ltr; font-family: inherit; position: relative;">
<span data-offset-key="51qna-0-0" style="font-family: inherit;">পশুর সুন্দরবনের একমাত্র আসবাবপত্র তৈরীর বৃক্ষ। সুন্দরবনের সর্বত্র পশুর গাছ আছে। পশুর একক ভাবে খুব কম জন্মে। সাধারণতঃ সুন্দরীম গেওয়া ও বাইন গাছের সাথে পশুর জন্মে থাকে। পশুর একটি পত্র ঝরা প্রকান্ড বৃক্ষ। মার্চ-এপ্রিল মাসে পাতা ঝরে যায়। পশুর গাছের স্বাসমূল আছে। গাছে যথেষ্ট ডালপালা থাকে। পাতাগুলো গাঢ় সবুজ। পশুর গাছের স্বাসমুল সাধারণতঃ ৩০-৩৫ সেমি লম্বা হয় এবং দেখতে ডেগারের মত। মে-জুন মাসে গাছে ফুল আসে। জুন-জুলাই মাসে ফল পাকে এবং বীজ মাটিতে পড়ে। জোয়ারের পানিতে বীজ এক স্থান হতে অন্য স্থানে যায়। পশুর বদ্ধ জলাশয় ও আলো পছন্দকারী বৃক্ষ। ইহা যে কোন লবনাক্ততা পছন্দ করে। বীজ হতে প্রাকৃতিক ভাবে গাছ জন্মায়। সাতক্ষীরা ও খুলনা রেঞ্জে বেশি পরিমানে পশুর গাছ দেখা যায়।</span></div>
</div>
<div class="" data-block="true" data-editor="68bgc" data-offset-key="3gmmo-0-0" style="background-color: white; color: #1d2129; font-family: Helvetica, Arial, sans-serif; font-size: 14px; white-space: pre-wrap;">
<div class="_1mf _1mj" data-offset-key="3gmmo-0-0" style="direction: ltr; font-family: inherit; position: relative;">
<span data-offset-key="3gmmo-0-0" style="font-family: inherit;"><br data-text="true" /></span></div>
</div>
<div class="" data-block="true" data-editor="68bgc" data-offset-key="a3enp-0-0" style="background-color: white; font-family: Helvetica, Arial, sans-serif; font-size: 14px; white-space: pre-wrap;">
<div class="_1mf _1mj" data-offset-key="a3enp-0-0" style="direction: ltr; font-family: inherit; position: relative;">
<span data-offset-key="a3enp-0-0" style="font-family: inherit;"><b><span style="color: #20124d;">সুন্দরবনের কেওড়া গাছ :</span></b></span></div>
</div>
<div class="" data-block="true" data-editor="68bgc" data-offset-key="14jbt-0-0" style="background-color: white; color: #1d2129; font-family: Helvetica, Arial, sans-serif; font-size: 14px; white-space: pre-wrap;">
<div class="_1mf _1mj" data-offset-key="14jbt-0-0" style="direction: ltr; font-family: inherit; position: relative;">
<span data-offset-key="14jbt-0-0" style="font-family: inherit;"><br data-text="true" /></span></div>
</div>
<div class="" data-block="true" data-editor="68bgc" data-offset-key="h82i-0-0" style="background-color: white; color: #1d2129; font-family: Helvetica, Arial, sans-serif; font-size: 14px; white-space: pre-wrap;">
<div class="_1mf _1mj" data-offset-key="h82i-0-0" style="direction: ltr; font-family: inherit; position: relative;">
<span data-offset-key="h82i-0-0" style="font-family: inherit;">কেওড়া সুন্দরবনের আকর্ষণীয় গাছ। নতুন জেগে উঠা চরে সর্বপ্রথম কেওড়া গাছ জন্মায়। চির সবুজ এ বৃক্ষের পাতা চিত্রা হরিেেনর অতি প্রিয় খাদ্য। যেখানে কেওড়া গাছ বেশি সেখানে হরিণও বাস করে বেশী। কেওড়া একক ভাবে জন্মে থাকে। কেওড়া বাগানের দৃশ্য খুবই নয়নাভিরাম। কটকা, কচিখালী, নীলকমল, তিনকোণা দ্বীপ, মান্দারবাড়ীয়ার কেওড়া বন সত্যিই সুন্দর। এ বন ভ্রমনকারীদের মনে আনন্দের খোরাক যোগায়। দুর হতে অবলোকন করলে কেওড়া বনের গাছগুলোকে সমউচ্চতায় এত ঘন ও সবুজ দেখায় যা ভুলবার নয়। কেওড়া বনকে কেওড়া শুটিও বলা হয়। নীলকমলে কেওড়া শুটিতে বন্যপ্রাণী পর্যবেক্ষনের জন্য একটি টাওয়ার আছে। কেওড়া একটি দ্রুত বর্ধনশীল চির সবুজ বৃক্ষ। এটি একটি সুন্দরবনের সুউচ্চ বৃক্ষ। এ বৃক্ষ ৩০ মিঃ পর্যন্ত লম্বা হয় এবং বুক সমান উচ্চতায় বেড় ১.৫ মিঃ পর্যন্ত হয়। কেওড়া কোন কোন সময় গেওয়া, গরাণ বা সুন্দরী গাছের সাথে মিশ্র ভাবে জন্মে থাকে। কেওড়া গাছের কান্ড সোজা ও লম্বা হয়। ডালগুলো নীচের দিকে ঝুলে থাকে। গাছের বাকল গাঢ় বাদামী। শ্বাস মূল ৬০-১৫০ মিমি লম্বা হয়। সুন্দরবনের সর্বত্র কেওড়া গাছ দেখা যায়। জুলাই মাসে ফুল হয় এবং সেপ্টেম্বর মাসে ফল পাকে। কেওড়া ফল খেতে টক লাগে। কেওড়া পাতা ও ফল হরিনের প্রিয় খাদ্য। বনের খুব আনন্দ করে কেওড়া ফল খায়। কেওড়া আলো পছন্দকারী বৃক্ষ। গাছ হতে বীজ পানিতে পড়ে ভেসে এক স্থান হতে অন্য স্থানে যায়। সুন্দরবনে কেওড়া বন প্রাকৃতিক ভাবে বীজ হতে গড়ে উঠে। বড় বৃক্ষের ছায়ার নিচে কেওড়া গাছ জন্মে না। কেওড়া কাঠ টেকসই নয়। তাই এ কাঠ শুধু জ্বালানী কাঠ হিসেবে ব্যবহৃত হয়। সুন্দরবনের কেওড়া কাঠ লট আকারে বিক্রয় নিষিদ্ধ। বাছাই পদ্ধতিতে সরকারী ভাবে কেওড়া কাঠ আহরণ করা হয়। বুক সমান উচ্চতায় ১২ ইঞ্চি ডায়মিটার বা তদউর্দ্ধ গাছ কর্তন করা হয়। মৃত ও মরা গাছও আহরণ করা হয়। কেওড়া গাছ মরে গেলে সে জায়গায় গেওয়া গাছ পরবতীতৈ জন্মে থাকে। উল্লেখ্য যে, পশুর কাঠ লাল এবং টেকসই হয়। উন্নতমানের আসবাবপত্র যেমন খাট, পালংক, সোফা, টেবিল প্রভৃতি পশুর কাঠ দিয়ে তৈরী করা হয়। পশুর কাঠকে সুন্দরবনের সেগুন বা মেহগনি কাঠ বলা হয়।</span></div>
</div>
<div class="" data-block="true" data-editor="68bgc" data-offset-key="4bki5-0-0" style="background-color: white; color: #1d2129; font-family: Helvetica, Arial, sans-serif; font-size: 14px; white-space: pre-wrap;">
<div class="_1mf _1mj" data-offset-key="4bki5-0-0" style="direction: ltr; font-family: inherit; position: relative;">
<span data-offset-key="4bki5-0-0" style="font-family: inherit;"><br data-text="true" /></span></div>
</div>
<div class="" data-block="true" data-editor="68bgc" data-offset-key="8ld62-0-0" style="background-color: white; font-family: Helvetica, Arial, sans-serif; font-size: 14px; white-space: pre-wrap;">
<div class="_1mf _1mj" data-offset-key="8ld62-0-0" style="direction: ltr; font-family: inherit; position: relative;">
<span data-offset-key="8ld62-0-0" style="font-family: inherit;"><b><span style="color: #20124d;">সুন্দরবনের গরাণ গাছ :</span></b></span></div>
</div>
<div class="" data-block="true" data-editor="68bgc" data-offset-key="s2jo-0-0" style="background-color: white; color: #1d2129; font-family: Helvetica, Arial, sans-serif; font-size: 14px; white-space: pre-wrap;">
<div class="_1mf _1mj" data-offset-key="s2jo-0-0" style="direction: ltr; font-family: inherit; position: relative;">
<span data-offset-key="s2jo-0-0" style="font-family: inherit;"><br data-text="true" /></span></div>
</div>
<div class="" data-block="true" data-editor="68bgc" data-offset-key="5lb62-0-0" style="background-color: white; color: #1d2129; font-family: Helvetica, Arial, sans-serif; font-size: 14px; white-space: pre-wrap;">
<div class="_1mf _1mj" data-offset-key="5lb62-0-0" style="direction: ltr; font-family: inherit; position: relative;">
<span data-offset-key="5lb62-0-0" style="font-family: inherit;">গরাণ সুন্দরবনের বিখ্যাত জ্বালানী কাঠ। প্রতি বছর লক্ষ লক্ষ মন গরান জ্বালানী কাঠ সুন্দরবন হতে আহরণ করা হয়। দু’ ধরনের গরাণ সুন্দরবনে আছ। যথা- বাছাই গরাণ ও খাদি গরাণ। একটি গরাণ ঝাড়ে বেশ কটি গরাণ গাছ থাকে। একটি গরাণ গাছ ৫ ফুট বা তদউর্ধ লম্বা হলে এবং গোড়ার ডায়ামিটার ১ ইঞ্চি হলে তাকে বাছাই গরাণ বলে। অপরদিকে জ্ব্লাানী কাঠ উপযোগী খাদি গরাণ কাটা হয়। অতি উত্তম বৃদ্ধি প্রাপ্ত গরাণ গাছ ১র্৪-১র্৬ লম্বা হয়। লবণাক্ত এলাকায় গরাণ বেশি জন্মে। তাই সাতক্ষীরা রেঞ্জের সর্বত্র, খুলনা রেঞ্জের পশ্চিমাংশে এবং সমুদ্র উপকুলবর্তী এলাকায় বেশি গরাণ পাওয়া যায়। সুন্দরবনের উত্তর ও পুর্বাংশে মিঠা পানির অঞ্চল বিধায় গরাণ কম জন্মে। বাছাই ও খাদি গরাণ ছাড়াও আরেক ধরনের গরাণ আছে তাকে মাঠ গরাণ বলে। গরাণের ফুল আসে মার্চ-এপ্রিল মাসে এবং ফল পাকে মে-জুন মাসে। গরানের ফুল হতে মৌমাছিরা মধু সংগ্রহ করে এবং একে গরাণের মধু বলে। মান ও গুনের দিক দিয়ে গরাণের মধু চতুর্থ। গরাণ গাছে বেশি ডালপালা থাকলেও ডালপালাগুলো চিকন হলে সে গরাণকে ঝামটি গরাণ বলে। সুন্দরবনের যে অঞ্চলে গরাণ বেশি পাওয়া যায় সে অঞ্চলে মাটির উর্বরতা শক্তি কম বুঝতে হবে।</span></div>
</div>
<div class="" data-block="true" data-editor="68bgc" data-offset-key="23oir-0-0" style="background-color: white; color: #1d2129; font-family: Helvetica, Arial, sans-serif; font-size: 14px; white-space: pre-wrap;">
<div class="_1mf _1mj" data-offset-key="23oir-0-0" style="direction: ltr; font-family: inherit; position: relative;">
<span data-offset-key="23oir-0-0" style="font-family: inherit;"><br data-text="true" /></span></div>
</div>
<div class="" data-block="true" data-editor="68bgc" data-offset-key="a3orr-0-0" style="background-color: white; font-family: Helvetica, Arial, sans-serif; font-size: 14px; white-space: pre-wrap;">
<div class="_1mf _1mj" data-offset-key="a3orr-0-0" style="direction: ltr; font-family: inherit; position: relative;">
<span data-offset-key="a3orr-0-0" style="font-family: inherit;"><span style="color: #20124d;"><b>সুন্দরবনের ঝানা (গর্জন) গাছ :</b></span></span></div>
</div>
<div class="" data-block="true" data-editor="68bgc" data-offset-key="47la9-0-0" style="background-color: white; color: #1d2129; font-family: Helvetica, Arial, sans-serif; font-size: 14px; white-space: pre-wrap;">
<div class="_1mf _1mj" data-offset-key="47la9-0-0" style="direction: ltr; font-family: inherit; position: relative;">
<span data-offset-key="47la9-0-0" style="font-family: inherit;"><br data-text="true" /></span></div>
</div>
<div class="" data-block="true" data-editor="68bgc" data-offset-key="46r5j-0-0" style="background-color: white; color: #1d2129; font-family: Helvetica, Arial, sans-serif; font-size: 14px; white-space: pre-wrap;">
<div class="_1mf _1mj" data-offset-key="46r5j-0-0" style="direction: ltr; font-family: inherit; position: relative;">
<span data-offset-key="46r5j-0-0" style="font-family: inherit;">ঝানা সুন্দরবনের সৌন্ধর্য্য বর্ধনকারী গাছ। ঝানার অপর নাম গর্জন। সুমদ্রের নিকটবর্তী বনাঞ্চলে গর্জন গাছ বেশি দেখা যায়। ঝানা খাল বা নদীর পাড়ে বেশি জন্মে। অনেক মূল গাছকে মাটির সাথে আটকিয়ে রাখে। খালের অথবা নদীর পাড়ে ঝানা বা গর্জন গাছের সারি দেখলে সত্যই অপুুর্ব লাগে। পাতা প্রাথমিক অবস্থায় বাইন পাতার মত দেখা যায়। পুর্বে ঝানা বেপরোয়া ভাবে জ্বালানীর জন্য কাটার ফলে এ গাছের প্রাপ্তি বর্তমানে সীমিত হয়েছে।</span></div>
</div>
<div class="" data-block="true" data-editor="68bgc" data-offset-key="ephsq-0-0" style="background-color: white; color: #1d2129; font-family: Helvetica, Arial, sans-serif; font-size: 14px; white-space: pre-wrap;">
<div class="_1mf _1mj" data-offset-key="ephsq-0-0" style="direction: ltr; font-family: inherit; position: relative;">
<span data-offset-key="ephsq-0-0" style="font-family: inherit;"><br data-text="true" /></span></div>
</div>
<div class="" data-block="true" data-editor="68bgc" data-offset-key="b2460-0-0" style="background-color: white; color: #1d2129; font-family: Helvetica, Arial, sans-serif; font-size: 14px; white-space: pre-wrap;">
<div class="_1mf _1mj" data-offset-key="b2460-0-0" style="direction: ltr; font-family: inherit; position: relative;">
<span data-offset-key="b2460-0-0" style="font-family: inherit;">সুন্দরবনের সিংড়া গাছ :</span></div>
</div>
<div class="" data-block="true" data-editor="68bgc" data-offset-key="7feml-0-0" style="background-color: white; color: #1d2129; font-family: Helvetica, Arial, sans-serif; font-size: 14px; white-space: pre-wrap;">
<div class="_1mf _1mj" data-offset-key="7feml-0-0" style="direction: ltr; font-family: inherit; position: relative;">
<span data-offset-key="7feml-0-0" style="font-family: inherit;"><br data-text="true" /></span></div>
</div>
<div class="" data-block="true" data-editor="68bgc" data-offset-key="9s9vg-0-0" style="background-color: white; color: #1d2129; font-family: Helvetica, Arial, sans-serif; font-size: 14px; white-space: pre-wrap;">
<div class="_1mf _1mj" data-offset-key="9s9vg-0-0" style="direction: ltr; font-family: inherit; position: relative;">
<span data-offset-key="9s9vg-0-0" style="font-family: inherit;">সিংড়া সুন্দরবনের জ্বালানী গাছের মধ্যে অন্যতম। বনের অন্য গাছের নীচে প্রচুর পরিমানে জন্মায়। অধিক হারে কাটার ফলে সিংড়া প্রাপ্তি কমছে।</span></div>
</div>
<div class="" data-block="true" data-editor="68bgc" data-offset-key="4c6jk-0-0" style="background-color: white; color: #1d2129; font-family: Helvetica, Arial, sans-serif; font-size: 14px; white-space: pre-wrap;">
<div class="_1mf _1mj" data-offset-key="4c6jk-0-0" style="direction: ltr; font-family: inherit; position: relative;">
<span data-offset-key="4c6jk-0-0" style="font-family: inherit;"><br data-text="true" /></span></div>
</div>
<div class="" data-block="true" data-editor="68bgc" data-offset-key="qmd5-0-0" style="background-color: white; font-family: Helvetica, Arial, sans-serif; font-size: 14px; white-space: pre-wrap;">
<div class="_1mf _1mj" data-offset-key="qmd5-0-0" style="direction: ltr; font-family: inherit; position: relative;">
<span data-offset-key="qmd5-0-0" style="font-family: inherit;"><b><span style="color: #20124d;">সুন্দরবনের গোলপাতা গাছ :</span></b></span></div>
</div>
<div class="" data-block="true" data-editor="68bgc" data-offset-key="a1i40-0-0" style="background-color: white; color: #1d2129; font-family: Helvetica, Arial, sans-serif; font-size: 14px; white-space: pre-wrap;">
<div class="_1mf _1mj" data-offset-key="a1i40-0-0" style="direction: ltr; font-family: inherit; position: relative;">
<span data-offset-key="a1i40-0-0" style="font-family: inherit;"><br data-text="true" /></span></div>
</div>
<div class="" data-block="true" data-editor="68bgc" data-offset-key="5vsc1-0-0" style="background-color: white; color: #1d2129; font-family: Helvetica, Arial, sans-serif; font-size: 14px; white-space: pre-wrap;">
<div class="_1mf _1mj" data-offset-key="5vsc1-0-0" style="direction: ltr; font-family: inherit; position: relative;">
<span data-offset-key="5vsc1-0-0" style="font-family: inherit;">গোলপাতা সুন্দরবনের একটি অত্যন্ত সুপরিচিত গাছ। নাম গোলপাতা হলেও কিন্তু গাছের পাতা গোল নয়। আসলে গোলপাতা গাছের পাতা নারিকেল গাছের পাতার মত দেখায়। নদীর বা খালের পাড়ে অপুর্ব সুন্দর পরিবেশে গোলপাতা সারি সারি জন্মায়। গোলপাতা গাছের ফল গোল। তাই গোল ফল হতে গাছের নাম গোলপাতা হয়েছে। গোলপাতা অষ্ট্রেলিয়া, ভারত, বার্মা, থাইল্যান্ড, ফিলিপাইন, মালয়েশিয়া, শ্রীলংকা, পাপুয়া নিউগিনি ও বাংলাদেশের লোনা পানির বনে জন্মে থাকে। গোলপাতা গাছের কান্ড খুব ছোট, প্রায় ৭০ সেমি হবে। পাতা ৭ মিঃ লম্বা পর্যন্ত হয়। গোল গাছের ফুল আসে এপ্রিল-মে মাসে এবং ফল পাকে ডিসেম্বর-জানুয়ারী মাসে। জোয়ারের পানির সাথে ভেসে নদী বা খালের পাড়ে মাটিতে পড়ে গাছ হয়। তিন বছর বয়সে গোলপাতা গাছ ফুল ও ফল দিতে শুরু করে। ৫-৬ বছরে গাছ পরিপক্ক হয়। একটি সুস্থ ও সবল গাছ বছরে ৩-৫ টি পাতা দেয়। নতুন প্রতি গাছে ৭-৮ টি পাতা এবং পাতার গড় উচ্চতা ৫ ফুট হতে ৮ ফুট হয়। গোলপাতা ঘরের ছাউনী ও বেড়া তৈরীতে ব্যাপক হয়। গোলপাতার বৃন্ত জ্বালানী হিসেবেও ব্যবহৃত হয়। গোলপাতার পুপ মঞ্জরী কেটে রস থেকে এলকোহল তৈরী করা যায়।</span></div>
</div>
<div class="" data-block="true" data-editor="68bgc" data-offset-key="5a0qs-0-0" style="background-color: white; color: #1d2129; font-family: Helvetica, Arial, sans-serif; font-size: 14px; white-space: pre-wrap;">
<div class="_1mf _1mj" data-offset-key="5a0qs-0-0" style="direction: ltr; font-family: inherit; position: relative;">
<span data-offset-key="5a0qs-0-0" style="font-family: inherit;"><br data-text="true" /></span></div>
</div>
<div class="" data-block="true" data-editor="68bgc" data-offset-key="5bac4-0-0" style="background-color: white; font-family: Helvetica, Arial, sans-serif; font-size: 14px; white-space: pre-wrap;">
<div class="_1mf _1mj" data-offset-key="5bac4-0-0" style="direction: ltr; font-family: inherit; position: relative;">
<span data-offset-key="5bac4-0-0" style="font-family: inherit;"><span style="color: #20124d;"><b>সুন্দরবনের মালিয়া ঘাস :</b></span></span></div>
</div>
<div class="" data-block="true" data-editor="68bgc" data-offset-key="2eln1-0-0" style="background-color: white; color: #1d2129; font-family: Helvetica, Arial, sans-serif; font-size: 14px; white-space: pre-wrap;">
<div class="_1mf _1mj" data-offset-key="2eln1-0-0" style="direction: ltr; font-family: inherit; position: relative;">
<span data-offset-key="2eln1-0-0" style="font-family: inherit;"><br data-text="true" /></span></div>
</div>
<div class="" data-block="true" data-editor="68bgc" data-offset-key="bbh25-0-0" style="background-color: white; color: #1d2129; font-family: Helvetica, Arial, sans-serif; font-size: 14px; white-space: pre-wrap;">
<div class="_1mf _1mj" data-offset-key="bbh25-0-0" style="direction: ltr; font-family: inherit; position: relative;">
<span data-offset-key="bbh25-0-0" style="font-family: inherit;">মালিয়া ঘাস সুন্দরবনের একটি গুরুত্বপূর্ণ অকাষ্ট বনজ সম্পদ। এ ঘাস নদী ও খালের পাড়ে বেলে দোয়াশ মাটিতে দলবদ্ধভাবে জন্মে। সুন্দরবন ভ্রমনের সময় খালের পাড়ে গাঢ় সবুজ মালিয়া ঘাস গাছের বন দেখলে নতুন অভিজ্ঞতা হয়। ৩-৪ ফুট লম্বা এ ঘাস খুবই সতেজ ও প্রান্ত বন্ত দেখায়। সুন্দরবনের ভিতরে একটানা বৃক্ষের মাঝে এ মালিয়া ঘাসের উপস্থিতি সত্যিই পরিবেশকে মনমুগ্ধ করে তুলে। ভ্রমনকারীদের এক ঘেয়েমি হঠাৎ করে কমে যায়। এ ঘাস দেখতে হোগলা পাতার মত। কিন্তু আকারে ছোট। বাওয়ালীরা মালিয়া ঘাস মে মাস হতে শুরু করে অক্টোবর পর্যন্ত আহরণ করে। চাঁদপাই ও শরনখোলা রেঞ্জে বেশি মালিয়া ঘাস পাওয়া যায়। সাতক্ষীরা রেঞ্জে মালিয়া ঘাস তুলনা মূলক কম পাওয়া যায়। পাশ গ্রহন করে বাওয়ালীরা মালিয়া ঘাস সংগ্রহ করে। কাঁচি, দাও সহ অন্যান্য যন্ত্রপাতি ব্যবহার করে। মালিয়া ঘাস সংগ্রহের নৌকাগুলো সাধারণতঃ ২০০-৩০০ মনের হয়। এতে ৯-১২ জন বাওয়ালী থাকে। সাধারনতঃ বাওয়ালীরা প্রথমে যে সব এলাকায় মালিয়া ঘাস জন্মে সে সব এলাকায় ভ্রমন করে কত ঘাস পাওয়া যাবে তা অনুমান করে। পরবর্তীতে সে মোতাবেক পারমিট নেয়। মালিয়া ঘাস ছোট ছোট মাদুর তৈরীতে ব্যবহৃত হয়। একটি মাদুর ৪ ফুট লম্বা হয়। এ সব মাদুর খেতে বসতে ও প্রার্থনার কাজে ব্যবহৃত হয়। মহিলারা তাদের কাজের ফাকে ফাকে মালিয়া ঘাস দিয়ে মাদুর তৈরী করে। আশাশুনি, পাইকগাছা, কয়রা, চালনা, মোড়েলগঞ্জে এ মালিয়া ঘাস দিয়ে মাদুর তৈরী করা হয়। সাতক্ষীরা জেলায় বড়দল বাজার সর্ববৃহৎ মাদুর বিক্রয় কেন্দ্র। সুন্দরবন থেকে মালিয়া ঘাস কেটে আনার পর বাড়িতে রোদে ৪/৫ দিন শুকানো হয়। তারপর একটি মালিয়া ঘাস দু’ অংশে বিভক্ত করা হয়। ১০-১৫ কেজি এক বান্ডেল মালিয়া ঘাস শুকালে প্রায় ৪ কেজি হয়। মেয়েরা মাদুর তৈরী করে।</span></div>
</div>
<div class="" data-block="true" data-editor="68bgc" data-offset-key="3a8ml-0-0" style="background-color: white; color: #1d2129; font-family: Helvetica, Arial, sans-serif; font-size: 14px; white-space: pre-wrap;">
<div class="_1mf _1mj" data-offset-key="3a8ml-0-0" style="direction: ltr; font-family: inherit; position: relative;">
<span data-offset-key="3a8ml-0-0" style="font-family: inherit;"><br data-text="true" /></span></div>
</div>
<div class="" data-block="true" data-editor="68bgc" data-offset-key="5ebnm-0-0" style="background-color: white; color: #1d2129; font-family: Helvetica, Arial, sans-serif; font-size: 14px; white-space: pre-wrap;">
<div class="_1mf _1mj" data-offset-key="5ebnm-0-0" style="direction: ltr; font-family: inherit; position: relative;">
<span data-offset-key="5ebnm-0-0" style="font-family: inherit;">চলবে</span></div>
</div>
</div>
</content><link rel='replies' type='application/atom+xml' href='http://visitsundarbon.blogspot.com/feeds/6258216484783320461/comments/default' title='Post Comments'/><link rel='replies' type='text/html' href='http://visitsundarbon.blogspot.com/2018/04/blog-post_14.html#comment-form' title='0 Comments'/><link rel='edit' type='application/atom+xml' href='http://www.blogger.com/feeds/8872312683140648806/posts/default/6258216484783320461'/><link rel='self' type='application/atom+xml' href='http://www.blogger.com/feeds/8872312683140648806/posts/default/6258216484783320461'/><link rel='alternate' type='text/html' href='http://visitsundarbon.blogspot.com/2018/04/blog-post_14.html' title='সুন্দরবনঃ পৃথিবীর সর্ববৃহৎ ম্যানগ্রোভ ফরেস্ট সম্পর্কে কিছু তথ্য - ১৮'/><author><name>RAKOM</name><uri>http://www.blogger.com/profile/02904944596596026686</uri><email>noreply@blogger.com</email><gd:image rel='http://schemas.google.com/g/2005#thumbnail' width='16' height='16' src='https://img1.blogblog.com/img/b16-rounded.gif'/></author><thr:total>0</thr:total></entry><entry><id>tag:blogger.com,1999:blog-8872312683140648806.post-1376431349442450469</id><published>2018-04-29T23:00:00.000+06:00</published><updated>2018-04-29T23:00:22.129+06:00</updated><category scheme="http://www.blogger.com/atom/ns#" term="Feature"/><category scheme="http://www.blogger.com/atom/ns#" term="Sundarbon"/><title type='text'>সুন্দরবনঃ পৃথিবীর সর্ববৃহৎ ম্যানগ্রোভ ফরেস্ট সম্পর্কে কিছু তথ্য - ১৭</title><content type='html'><div dir="ltr" style="text-align: left;" trbidi="on">
<div class="" data-block="true" data-editor="68bgc" data-offset-key="7haq3-0-0" style="background-color: white; font-family: Helvetica, Arial, sans-serif; font-size: 14px; white-space: pre-wrap;">
<div class="_1mf _1mj" data-offset-key="7haq3-0-0" style="direction: ltr; font-family: inherit; position: relative;">
<span data-offset-key="7haq3-0-0" style="font-family: inherit;"><b><span style="color: #20124d;">সুন্দরবনের বৃক্ষরাজি</span></b></span></div>
</div>
<div class="" data-block="true" data-editor="68bgc" data-offset-key="1k7fs-0-0" style="background-color: white; color: #1d2129; font-family: Helvetica, Arial, sans-serif; font-size: 14px; white-space: pre-wrap;">
<div class="_1mf _1mj" data-offset-key="1k7fs-0-0" style="direction: ltr; font-family: inherit; position: relative;">
<span data-offset-key="1k7fs-0-0" style="font-family: inherit;"><br data-text="true" /></span></div>
</div>
<div class="" data-block="true" data-editor="68bgc" data-offset-key="thov-0-0" style="background-color: white; color: #1d2129; font-family: Helvetica, Arial, sans-serif; font-size: 14px; white-space: pre-wrap;">
<div class="_1mf _1mj" data-offset-key="thov-0-0" style="direction: ltr; font-family: inherit; position: relative;">
<span data-offset-key="thov-0-0" style="font-family: inherit;">সুন্দরবনের প্রধান বৃক্ষ হল সুন্দরী ও গেওয়া। সুন্দরবনের গাছপালা সমুদ্রের লোনা পানি ও উপরের মিঠা পানির সংমিশ্রনে গড়ে উঠেছে। সুন্দরবন বিভিন্ন উদ্ভিদ রাজিতে পরিপূর্ণ। সুন্দরবনকে লবন ভুমির বন বলা হয়। এ বন আর্দ্র বন। সুন্দরবনে মোট ৩৩৪ প্রজাতির গাছ গাছরা আছে। এ বনের প্রধান প্রধান গাছপালা হল- সুন্দরী, গেওয়া, গরাণ, গোলপাতা, কেওড়া, বাইন, পশুর, কাকড়া, সিংড়া, আমুর, ধুন্দুল। সবচেয়ে মজার কথা হল সুন্দরবনের যত পশ্চিম দিকে যাওয়া যায় গাছের উচ্চতা তত ছোট দেখায়। আর যত পুর্ব দিকে যাওয়া যায় গাছের উচ্চতা তত বড় দেখা যায়। তেমনি সুন্দরবনের দক্ষিন দিকের গাছ ছোট ও উত্তর দিকের গাছ বড় হয়। সুন্দরবনের পশ্চিম ও দক্ষিণ দিকের পানির লবণাক্ততা বেশি এবং পুর্ব ও উত্তর দিকে লবনাক্ততা কম। তাই সুন্দরবনের পশ্চিম অংশে সাতক্ষীরা রেঞ্জে গরাণ ও গেওয়া বণ বেশি। আর পুর্ব অংশে খুলনা, চাঁদপাই ও শরনখোলা রেঞ্জে সুন্দরী ও গেওয়া বেশি। সুন্দরবনের বিভিন্ন প্রজাতির গাছ স্তরে স্তরে দেখা যায়। নদীর পাড় হতে এসব গাছপালা অবলোকন করলে দেখা যায় প্রথমে নদীর পাড়ে গোলপাতা গড়ে উঠেছে। তারপর পর্যায়ক্রমে বনের ভিতর দিকে গেওয়া, বাইন ও সুন্দরী দেখা যায়। গেওয়া, বাইন ও সুন্দরী প্রাকৃতিক ভাবে সাজানো। এ অপরূপ দৃশ্য দেখলে মনে এক অনাবিল আনন্দের অনুভুতি জোগায়। এসব গাছপালা কোথাও একক ভাবে আবার কোথাও মিশ্রভাবে গড়ে উঠেছে। সুন্দরবনে সবচেয়ে বেশি গাছ আছে সুন্দরী। তারপর গেওয়া, গরাণ ও গোলপাতা। সুন্দরবনে গাছ লাগিয়ে বন তৈরী করা হয় না। গাছ হতে মাটিতে ফল পড়ে প্রাকৃতিক ভাবে বন সৃষ্টি হয়। এর ফলে সুন্দরবনে বন তৈরীতে কোন মূলধন ও পরিচর্যার দরকার হয় না। যুগ যুগ ধরে সুন্দরবন হতে গাছ কাটা হচ্ছে। আর এমনিতেই খালি জায়গায় গাছ জম্মাচ্ছে। সুন্দরবনের মাটির উর্বরতা সব জায়গায় সমান নয়। জায়গার উর্বরতা অনুযায়ী সুন্দরবনকে চার শ্রেণীতে ভাগ করা হয়েছে। সুন্দরী, গেওয়া, পশুর ইত্যাদি গাছ অতি ধীরে বৃদ্ধি প্রাপ্ত হয়। তাই সুন্দরী, গেওয়া ও পশুর গাছ কাটার উপযুক্ত সময় ১০৪ – ১৩৫ বছর।</span></div>
</div>
<div class="" data-block="true" data-editor="68bgc" data-offset-key="80n1p-0-0" style="background-color: white; color: #1d2129; font-family: Helvetica, Arial, sans-serif; font-size: 14px; white-space: pre-wrap;">
<div class="_1mf _1mj" data-offset-key="80n1p-0-0" style="direction: ltr; font-family: inherit; position: relative;">
<span data-offset-key="80n1p-0-0" style="font-family: inherit;"><br data-text="true" /></span></div>
</div>
<div class="" data-block="true" data-editor="68bgc" data-offset-key="ekjqr-0-0" style="background-color: white; font-family: Helvetica, Arial, sans-serif; font-size: 14px; white-space: pre-wrap;">
<div class="_1mf _1mj" data-offset-key="ekjqr-0-0" style="direction: ltr; font-family: inherit; position: relative;">
<span data-offset-key="ekjqr-0-0" style="font-family: inherit;"><span style="color: #20124d;"><b>সুন্দরী গাছ</b></span></span></div>
</div>
<div class="" data-block="true" data-editor="68bgc" data-offset-key="do8mp-0-0" style="background-color: white; color: #1d2129; font-family: Helvetica, Arial, sans-serif; font-size: 14px; white-space: pre-wrap;">
<div class="_1mf _1mj" data-offset-key="do8mp-0-0" style="direction: ltr; font-family: inherit; position: relative;">
<span data-offset-key="do8mp-0-0" style="font-family: inherit;"><br data-text="true" /></span></div>
</div>
<div class="" data-block="true" data-editor="68bgc" data-offset-key="52aoa-0-0" style="background-color: white; color: #1d2129; font-family: Helvetica, Arial, sans-serif; font-size: 14px; white-space: pre-wrap;">
<div class="_1mf _1mj" data-offset-key="52aoa-0-0" style="direction: ltr; font-family: inherit; position: relative;">
<span data-offset-key="52aoa-0-0" style="font-family: inherit;">যে বৃক্ষের নাম অনুসারে সুন্দরবনের নাম হয়েছে বলে ধারণা করা হয় সে সুন্দরী বৃক্ষ সুন্দরবনের প্রধান ও আকর্ষণীয় বৃক্ষ। সুন্দরী বৃক্ষের শারীরিক গঠন, উচ্চতা, বেড়, গায়ের রং, জীবনধারণ ও কাঠের ব্যবহার সব মিলিয়ে এটি একটি সুন্দরবনের যে প্রথান বৃক্ষ তা প্রমান করে। সুন্দরবনে পশুদের রাজা যেমন বিশ্বখ্যাত রয়েল বেঙ্গল টাইগার তেমনি গাছের রাজা সুন্দরী। বনের দিকে তাকালে সবুজ ও পিংগল বর্নের পাতা সহ সুউচ্চ যে গাছপালা দেখা যায় সেগুলো সুন্দরী বৃক্ষ। সুন্দরী বৃক্ষ বনের মধ্যে মাথা উচু করে দাড়িয়ে আছে। দেখলে খুব সুন্দর লাগে। একটি সুন্দরীবৃক্ষ সাধারণত ২০-২৫ মিটার লম্বা হয়। বেড় সাধারণত ৭/৮ ফুট হয়। সুন্দরী গাছ নদী বা খাল হতে বনের একটু ভিতরে জন্মে থাকে। সুন্দরী গাছ বেশির ভাগ বনে একক ভাবে জন্মে। আবার গেওয়া, বাইন, কাকড়া, পশুর সহ অন্যান্য গাছের সাথে মিশ্রিত ভাবে জন্মে। কখনও কখনও সুন্দরী বৃক্ষ নদী বা খালের পাড়ে দেখা যায়। সুন্দরবনে যত গাছ আছে তার মধ্যে সুন্দরী গাছই বেশি। সুন্দরবন ছাড়াও সুন্দরী গাছ বাংলাদেশের চকোরিয়া সুন্দরবন, বার্মা ও টেনাসেরিম এ জন্মে থাকে। সুন্দরবনের পুর্ব ও উত্তর মধ্য বনাঞ্চলে সুন্দরী গাছের বিপুল সমারোহ ও বৃদ্ধি বেশি। অপরদিকে দক্ষিণ ও পশ্চিম সুন্দরবনে অর্থাৎ সাতক্ষীরা ও খুলনা রেঞ্জের পশ্চিমাংশে সুন্দরী গাছের পরিমানও বুদ্ধি কম। সুন্দরী গাছের কান্ড বেশ লম্বা হয়। সুন্দরী চির সবুজ বৃক্ষ। বছরের কোন সময়ই এক বারে বৃক্ষের পাতা শূন্য হয় না। পাতা বেশ বড় ও গাঢ় সবুজ। সুন্দরী গাছের প্রধান বৈশিষ্ট হল এ গাছের গোড়ায় রাট্রেস থাকে এবং প্রচুর স্বাস মূল হয়। স্বাস মূলগুলো মাটি হতে ৩০-৪০ সেঃমিঃ উচু হয়। সুন্দরী গাছের ফল জুন-সেপ্টেম্বর মাসে হয়ে থাকে। প্রতি ফলে একটি বীজ থাকে। সুন্দরবনের পুর্ব অংশে ফল আগে পাকে এবং পশ্চিম অংশে ফল পরে পাকে। কাঁচা অবস্থায় ফল সবুজ রং ও পাকা অবস্থায় হলুদ রং এর হয়। ৮০-৯০ টি পাকা ফলে এক কেজি হয়। গড়ে প্রতি গাছে ৩০০০ টি ফল হয়। এক বছর বেশি করে ফল দেওয়ার পর পরবর্তী ২-৩ বছর কম ফল দেয় অথবা কোন ফল হয় না। সুন্দরী গাছ সুন্দরবনের নিচু জলমগ্ন জায়গায় বেশি জন্মায়। শুস্ক মৌসুমে যেখানে জোয়ারের পানি উঠে না সেখানে সুন্দরী গাছ সাধারণতঃ জন্মায় না। সুন্দরবনে সুন্দরী গাছ লাগিয়ে বন সৃষ্টি করা হয় না। প্রাকৃতিক ভাবে গাছ থেকে বীজ মাটিতে পড়ে সুন্দরী গাছ জন্মে বিশাল বনাঞ্চল সৃষ্টি হচ্ছে যুগ যুগ ধরে। জোয়ারের পানিতে সুন্দরী বীচি ভেসে ছোট ছোট খাল দিয়ে বনের এক স্থান থেকে অন্য স্থানে ঢুকে সুন্দরী গাছ জন্মায়। সুন্দরী গাছের গোড়া থেকে কপিচ ভাল হয় না। আজকাল সুন্দরবনের অভ্যন্তরে ফাঁকা জায়গায় সুন্দরী চারা দিয়ে বাগান করার চেষ্টা চলছে। পলিব্যাগে চারা করে অথবা বন থেকে চারা সংগ্রহ করে সুন্দরী গাছের বাগান করা যায়। তবে হরিণ বড় শক্র। চারা লাগালেই সময় সুযোগ পেলে হরিণ সব সুন্দরী চারা খেয়ে সাবাড় করে দেয়। সুন্দরী গাছের বৃদ্ধি খুবই কম হয়। প্রতি বছর বনাঞ্চলের উর্বর জায়গায় সুন্দরী গাছের বৃদ্ধি ১.৬ মিঃমিঃ ও খারাপ জায়গায় ৩ মিঃমিঃ হয়। বাংলাদেশের পার্বত্র চট্রগ্রাম, চট্রগ্রাম ও কক্সবাজারের বনাঞ্চলে যেমন বনের সমস্ত গাছ একেবারে কেটে নতুন করে বাগান করা হয়। কিন্তু সুন্দরবনে সব গাছ একেবারে কাটা হয় না। বড় বড় গাছ বেছে কাটা হয়। সুন্দরবনে যে ঘেরে একবার সুন্দরী গাছ কাটা হয় আবার ২০ বছর পর সে জায়গায় সুন্দরী গাছ কাটা হয়। সুন্দরীকাঠ বাংলাদেশের সর্বত্র বিভিন্ন কাজে ব্যবহৃত হয়। তবে খুলনা, বাগেরহাট, সাতক্ষীরা, বরিশাল, পিরোঝপুর, পটুয়াখালী জেলায় গৃহ নির্মাণ কাজে সুন্দরী বেশি ব্যবহৃত হয়। সুন্দরী খুব শক্ত ও মূল্যবান কাঠ। সহজে পানি বা অন্য কিছুতে নষ্ট হয় না। সুন্দরী সার কাঠ লালচে রং এর হয়। সুন্দরী কাঠ নৌকা, ঘর, ট্রাকের বডি, পুল ইত্যাদি তৈরীতে প্রচুর ব্যবহৃত হয়। সুন্দরী বলি দিয়ে বর্তমানে পাইলিং করা হচ্ছে। তা’ ছাড়া সুন্দরী বলি বৈদ্যুতিক খুটি হিসেবে পল্লী বিদ্যুতায়ন বোর্ডে ব্যবহৃত হচ্ছে। সুন্দরী কাঠ দিয়ে কাকড়া বানিয়ে জেলেরা এ্যাংকর হিসেবে ব্যবহার করার ফলে অনেক সুন্দরী গাছ অবৈধ ভাবে অকাতরে নষ্ট হচ্ছে। এর ফলে সুন্দরী গাছের পরিমান সুন্দরবনে দিন দিন লোপ পাচ্ছে।</span></div>
</div>
<div class="" data-block="true" data-editor="68bgc" data-offset-key="9emhp-0-0" style="background-color: white; color: #1d2129; font-family: Helvetica, Arial, sans-serif; font-size: 14px; white-space: pre-wrap;">
<div class="_1mf _1mj" data-offset-key="9emhp-0-0" style="direction: ltr; font-family: inherit; position: relative;">
<span data-offset-key="9emhp-0-0" style="font-family: inherit;"><br data-text="true" /></span></div>
</div>
<div class="" data-block="true" data-editor="68bgc" data-offset-key="877j9-0-0" style="background-color: white; font-family: Helvetica, Arial, sans-serif; font-size: 14px; white-space: pre-wrap;">
<div class="_1mf _1mj" data-offset-key="877j9-0-0" style="direction: ltr; font-family: inherit; position: relative;">
<span data-offset-key="877j9-0-0" style="font-family: inherit;"><b><span style="color: #20124d;">গেওয়া গাছ</span></b></span></div>
</div>
<div class="" data-block="true" data-editor="68bgc" data-offset-key="f9vms-0-0" style="background-color: white; color: #1d2129; font-family: Helvetica, Arial, sans-serif; font-size: 14px; white-space: pre-wrap;">
<div class="_1mf _1mj" data-offset-key="f9vms-0-0" style="direction: ltr; font-family: inherit; position: relative;">
<span data-offset-key="f9vms-0-0" style="font-family: inherit;"><br data-text="true" /></span></div>
</div>
<div class="" data-block="true" data-editor="68bgc" data-offset-key="a6b25-0-0" style="background-color: white; color: #1d2129; font-family: Helvetica, Arial, sans-serif; font-size: 14px; white-space: pre-wrap;">
<div class="_1mf _1mj" data-offset-key="a6b25-0-0" style="direction: ltr; font-family: inherit; position: relative;">
<span data-offset-key="a6b25-0-0" style="font-family: inherit;">সুন্দরবনে সুন্দরী বৃক্ষের পরেই গেওয়ার স্থান। গেওয়া সুন্দরবনের পত্র ঝরা বৃক্ষ। সুন্দরবন ছাড়াও গেওয়া বৃক্ষ পৃথিবীর অন্যান্য লোনা পানির বনে জন্মিতে দেখা যায়। যেমন ভারত, ম্যালেশিয়া, অষ্ট্রেলিয়া, শ্রীলংকা, সামুয়া প্রভৃতি দেশে। বাংলাদেশের উপকুল অঞ্চলে সুন্দরবন হতে চট্রগ্রাম পর্যন্ত গেওয়া জন্মে থাকে। গেওয়া সুন্দরবনে খালের পাড়ে একক ভাবে এবং অভ্যন্তরে মিশ্রভাবে জন্মে থাকে। গেওয়া গাছের সাথে অন্যান্য যে সব গাছ সহযোগী হিসেবে জন্মে সেগুলো হল সুন্দরী, কাকড়া ও পশুর গাছ। ভ্রমনের সময় নদীর পাড়ে যখন গেওয়া বন চোখে পড়ে তখন গেওয়ার অপুর্ব সমারোহে নয়ন জুড়িয়ে যায়। গেওয়া গাছ উচ্চতায় সুন্দরী গাছ হতে ছোট। সাধারণতঃ ১২-১৫ মিঃ উচু হয়। তবে ১৭ মিঃ উচ্চতায় গেওয়া গাছও সুন্দরবনে পাওয়া যায়। উর্বর স্থানে বুক সমান উচ্চতায় ২০-২৫ সেঃমিঃ বেড়ের গেওয়া গাছ পাওয়া যায়। গেওয়া গাছের স্বাস মূলগুলো সুন্দরী গাছের স্বাস মূল হতে অন্য রকম। সুন্দরী গাছের স্বাসমূল দেখতে পেগের মত চেপ্টা দেখায়। কিন্তু গেওয়া গাছের স্বাস মূল লম্ব্ াগোল আগা পয়েন্টেড (চিকন)। গেওয়া পত্র ঝরা বৃক্ষ। বছরে দু’ বার পাতা ঝরে। একবার এপ্রিল- মে মাসে পাতা ঝরে। আর একবার ঝড়ে সেপ্টেম্বর অক্টোবর মাসে পাতা ঝরে। জুন জুলাই মাসে গেওয়া ফুল ফুটে। তখন অসংখ্য মৌমাছি গেওয়া ফুল থেকে মধু সংগ্রহ করে। গেওয়া ফুল হতে সংগ্রহকৃত মধুকে গেওয়া মধু বলে। গেওয়া ফল আগষ্ট-সেপ্টেম্বর মাসে পাকে। গাছে ফল থাকতেই অংকুরিত হয়। নদীর স্রোতে বনের এক স্থান হতে অন্য স্থানে বীজ ছড়ায়ে গেওয়া বন সৃষ্টি হয়। গেওয়া গাছ সাধারণতঃ অন্য গাছের নিচে জন্মে। কিন্তু ফাঁকা জায়গায় গেওয়া বেশি জন্মিতে ভাল বাসে। গেওয়া গাছ কপিচ হতে জন্মিতে পারে। ১০-১৫ বছর বয়সের গাছ কাটলে গোড়া হতে ভাল কপিচ হয়। প্রতি বারে ১০ বছর বয়সের কপিচ গাছ গড়ে ১ ঘন ফুট কাঠ দেয়। বীজ হতে যে গেওয়া জন্মে তা থেকে কপিচ গেওয়া গাছের বৃদ্ধি বেশি। সুন্দরবনের পুর্ব অংশে গেওয়ার বৃদ্ধি ভাল। পশ্চিম অংশে অর্থাৎ সাতক্ষীরা রেঞ্জে গেওয়ার বৃদ্ধি স্থবির। গাছ ছোট ছোট। বাছাই পদ্ধতিতে সুন্দরবন হতে গেওয়া গাছ আহরণ করা হয়। বিশ বছর কর্তন চক্রে গাছ আহরণ করা হয়। গেওয়া গাছের কস বা রস অতি বিষাক্ত। গায়ে বা চোখে পড়লে ভীষন কষ্ট হয়। শরীরের যেখানে লাগে সেখানে ঘষতে ঘষতে ব্যথা হয়। অনেক সময় ঘা হয়ে যায়। নিউজপ্রিন্ট তৈরী ও ম্যাচ তৈরীতে গেওয়া গাছ বহুল পরিমানে ব্যবহৃত হয়। গেওয়া কাঠ দেখতে সাদা। আজকাল গেওয়া কাঠের ডিংগি নৌকা তৈরী হচ্ছে। গোলপাতা ও গরাণ আহরনের সময় নৌকার দু’পাশে গেওয়া গাছ ঝোল হিসেবে ব্যবহৃত হয়। তাছাড়া গেওয়া ডাবা ও কচা হিসেবেও বাওয়ালীরা ব্যবহার করে। গেওয়া জ্বালানী হিসেবে ব্যবহৃত হয়। </span></div>
<div class="_1mf _1mj" data-offset-key="a6b25-0-0" style="direction: ltr; font-family: inherit; position: relative;">
<span data-offset-key="a6b25-0-0" style="font-family: inherit;"><br /></span></div>
<div class="_1mf _1mj" data-offset-key="a6b25-0-0" style="direction: ltr; font-family: inherit; position: relative;">
<span data-offset-key="a6b25-0-0" style="font-family: inherit;"> চলবে।</span></div>
</div>
</div>
</content><link rel='replies' type='application/atom+xml' href='http://visitsundarbon.blogspot.com/feeds/1376431349442450469/comments/default' title='Post Comments'/><link rel='replies' type='text/html' href='http://visitsundarbon.blogspot.com/2018/04/blog-post_99.html#comment-form' title='0 Comments'/><link rel='edit' type='application/atom+xml' href='http://www.blogger.com/feeds/8872312683140648806/posts/default/1376431349442450469'/><link rel='self' type='application/atom+xml' href='http://www.blogger.com/feeds/8872312683140648806/posts/default/1376431349442450469'/><link rel='alternate' type='text/html' href='http://visitsundarbon.blogspot.com/2018/04/blog-post_99.html' title='সুন্দরবনঃ পৃথিবীর সর্ববৃহৎ ম্যানগ্রোভ ফরেস্ট সম্পর্কে কিছু তথ্য - ১৭'/><author><name>RAKOM</name><uri>http://www.blogger.com/profile/02904944596596026686</uri><email>noreply@blogger.com</email><gd:image rel='http://schemas.google.com/g/2005#thumbnail' width='16' height='16' src='https://img1.blogblog.com/img/b16-rounded.gif'/></author><thr:total>0</thr:total></entry><entry><id>tag:blogger.com,1999:blog-8872312683140648806.post-5362001550871901198</id><published>2018-04-29T22:57:00.003+06:00</published><updated>2018-04-29T22:57:59.046+06:00</updated><category scheme="http://www.blogger.com/atom/ns#" term="Feature"/><category scheme="http://www.blogger.com/atom/ns#" term="Sundarbon"/><title type='text'>সুন্দরবনঃ পৃথিবীর সর্ববৃহৎ ম্যানগ্রোভ ফরেস্ট সম্পর্কে কিছু তথ্য - ১৬</title><content type='html'><div dir="ltr" style="text-align: left;" trbidi="on">
<div class="" data-block="true" data-editor="68bgc" data-offset-key="7haq3-0-0" style="background-color: white; font-family: Helvetica, Arial, sans-serif; font-size: 14px; white-space: pre-wrap;">
<div class="_1mf _1mj" data-offset-key="7haq3-0-0" style="direction: ltr; font-family: inherit; position: relative;">
<span data-offset-key="7haq3-0-0" style="font-family: inherit;"><span style="color: #20124d;"><b>সুন্দরবনে বলেশ্বর নদীঃ</b></span><span style="color: #1d2129;"> বলেশ্বর সুন্দরবনের একটি বিখ্যাত নদী। এ নদী সুন্দরবনের পুর্ব সীমানা দিয়ে প্রবাহিত। বলেশ্বর নদীর পুর্বপাড় পর্যন্ত সুন্দরবন বিস্তৃত। বলেশ্বর নদী পদ্মা নদীর সাথে যোগসুত্র রয়েছে। কুষ্টিয়ার সন্নিকটে পদ্মা থেকে মধুমতি নদীর যাত্রা শুরু হয়। তখন তার নাম হয় গড়াই। গড়াই কুষ্টিয়ার মধ্য দিয়ে প্রবাহিত হয়ে যশোরে প্রবাহিত হয় এবং কুমারের সাথে মিলিত হয়। কুমারের শাখা বারাশিয়া দিয়ে প্রবাহিত হয়। বরাশিয়া থেকে একটি শাখা নদী বের হয়। তার নাম মধুমতি। মধুমতি নদী বাগেরহাট জেলার মোল্লারহাট থানা দিয়ে প্রবাহিত হয়ে কখনও কখনও চিত্রার সাথে মিশে কোন রকমে প্রাণ ধারণ করে পরে শৈলদাহ নাম করণ হয়ে কচুয়া থানা এলাকায় প্রবেশ করে। তখন তাকে বলেশ্বর বলা হয়। কচুয়ায় নিকট পশ্চিমদিক থেকে ভৈরব নদী মিলিত হয়। বাগেরহাট জেলার মোড়লগঞ্জ থানায় চিংড়িখালির নিচে বলেশ্বর পিরোজপুর জেলার প্রবেশ করে ইন্দুরকানি থানাকে জেলা থেকে বিচ্ছিন্ন করে দক্ষিনে অগ্রসর হয়। প্রথমে কচা, তারপর ঘসিয়াখালী, বিশখালী (পানগুহু) যুক্ত ধারার সাথে মিলিত হয়। এরপর কিছুদুর বলেশ্বর কচা নামে পরিচিত। পরে বলেশ্বর নদী বগী ষ্টেশনের কোল ঘেষে দক্ষিণ দিকে এগুতে থাকে। সুপতি ষ্টেশনের কাছে সুন্দরবনের ভিতর থেকে আসা ভোলা নদী বলেশ্বর নদীর সাথে মিলিত হয়। দক্ষিনে সমুদ্রের দিকে এগুতে থাকে সমুদ্রের কাছাকাছি বলেশ্বর নদী হরিনঘাটা নাম ধারণ করে সমুদ্রে পতিত হয়। এ সমুদ্র মোহনায় বলেশ্বর নদীর পাশ প্রায় ১১ মাইল। সুন্দরবনের বলেশ্বর নদী মৎস্য আহরণের একটি গুরুত্বপূর্ণ নদী। প্রতি বছর ইলিশের মৌসুমে বগী হতে কচিখালী পর্যন্ত জেলেদের কোলাহলে বলেশ্বর নদী মুখরিত হয়ে যায়। বর্ষায় এ নদী ভয়ংকর রুপ ধারণ করে। সে সময় অনেক চোরাই কাঠ ও বনজদ্রব্য নদী দিয়ে পাচার হয় বলে অনুমান করা হয়। ইলিশ মাছ ছাড়া বলেশ্বর নদী হতে পাংগাশ, ভেটকি, পাইস্যা, দাতিনা প্রভৃতি মাছ প্রচুর পরিমানে জেলেরা ধরে থাকে।</span></span></div>
</div>
<div class="" data-block="true" data-editor="68bgc" data-offset-key="54cc0-0-0" style="background-color: white; font-family: Helvetica, Arial, sans-serif; font-size: 14px; white-space: pre-wrap;">
<div class="_1mf _1mj" data-offset-key="54cc0-0-0" style="direction: ltr; font-family: inherit; position: relative;">
<span data-offset-key="54cc0-0-0" style="font-family: inherit;"><span style="color: #20124d;"><b><br data-text="true" /></b></span></span></div>
</div>
<div class="" data-block="true" data-editor="68bgc" data-offset-key="3aihg-0-0" style="background-color: white; font-family: Helvetica, Arial, sans-serif; font-size: 14px; white-space: pre-wrap;">
<div class="_1mf _1mj" data-offset-key="3aihg-0-0" style="direction: ltr; font-family: inherit; position: relative;">
<span data-offset-key="3aihg-0-0" style="font-family: inherit;"><span style="color: #20124d;"><b>সুন্দরবনের শিবসা নদীঃ</b></span><span style="color: #1d2129;"> শিবসা সুন্দরবনের একটি উল্লেখযোগ্য নদী। খুলনা রেঞ্জের মধ্যে দিয়ে প্রবাহিত এ খরস্রোতা নদী বর্ষায় প্রবল ও ভয়ংকর রূপ ধারণ করে। রাঢ়ুলির পুর্ব পার্শ্বে কপোতাক্ষ নদী হতে শিবসার জন্ম হয়। শিবসা খুলনা রেঞ্জের সদর দপ্তর নলিয়ান ও হড্ডার ক্যাম্পের মধ্যমর্তী এলাকা দিয়ে বিশাল জলরাশি নিয়ে। সুন্দরবনে প্রবেশ করে। শিবসা বর্ষায় এমন প্রলর্য়কারী রূপ ধারণ করে যার ফলে এ নদী দিয়ে লঞ্জ ট্রলার প্রভৃতি জলযান নিয়ে চলাফেরা, টহল দান বেশ দুস্কর হয়ে যায়।</span></span></div>
</div>
<div class="" data-block="true" data-editor="68bgc" data-offset-key="eue3g-0-0" style="background-color: white; color: #1d2129; font-family: Helvetica, Arial, sans-serif; font-size: 14px; white-space: pre-wrap;">
<div class="_1mf _1mj" data-offset-key="eue3g-0-0" style="direction: ltr; font-family: inherit; position: relative;">
<span data-offset-key="eue3g-0-0" style="font-family: inherit;"><br data-text="true" /></span></div>
</div>
<div class="" data-block="true" data-editor="68bgc" data-offset-key="egor1-0-0" style="background-color: white; font-family: Helvetica, Arial, sans-serif; font-size: 14px; white-space: pre-wrap;">
<div class="_1mf _1mj" data-offset-key="egor1-0-0" style="direction: ltr; font-family: inherit; position: relative;">
<span data-offset-key="egor1-0-0" style="font-family: inherit;"><span style="color: #20124d;"><b>সুন্দরবনের কপোতাক্ষ নদীঃ</b></span><span style="color: #1d2129;"> সুন্দরবনের নদীর মধ্যে কপোতাক্ষ আরেকটি উল্লেখযোগ্য নদী। সাতক্ষীরা রেঞ্জের বিখ্যাত কোবাদক ফরেষ্ট ষ্টেশন কপোতাক্ষ নদীর পুর্ব পাড়ে অবস্থিত। যশোরের চৌগাছার নিকট তাহিরপুর নামক স্থানে ভৈরব এর যে শাখা সোজা দক্ষিণ দিকে প্রবাহিত হয় তার নাম কপোতাক্ষ। কপোতাক্ষ নদী যশোরের ঝিকরগাছা, ত্রিমোহনী, মির্জানগর, সাগরদাড়ি অতিক্রম করে খুলনায় প্রবেশ করে। খুলনার অভ্যন্তরে পাটকেল ঘাটা, তালা, কপিলমুনি, আগরঘাটা পার হয়ে রাঢ়ুলির নিকট শিবসার সাথে মিলিত হয়। রাঢ়ুলিয়ার পশ্চিম দিকের প্রবল বাঁক থেকে কপোতাক্ষ খুলনা ও সাতক্ষীরা জেলার সীমন্ত চিহ্নিত করে দক্ষিণ দিকে অগ্রসর হয়। পথে পশ্চিমে দিক থেকে মরিচাপ ও পুর্ব দিক থেকে শিবসার শাখা কয়রা এসে কপোতাক্ষের সাথে মিলিত হয়ে কোবাদকের সামনে দিয়ে সুন্দরবনে প্রবেশ করে। তথায় পশ্চিম দিক হতে আগত খোলাপেটুয়া মিলিত হয়ে আড়পাংগাশিয়া নাম ধারণ করে সুন্দরবনের ভিতর দিয়ে অগ্রসর হয়। পরবর্তীতে বড়পাংগা, যামুদ সামুদ এবং মালঞ্চ নাম ধারণ করে সমুদ্রে পতিত হয়। কপোতাক্ষের পুর্বের সেই যৌবন বর্তমানে আর নেই। তবে বর্ষাকালে কোবাদকের সামনে প্রবল মর্তা বেড়ে যায়।</span></span></div>
</div>
<div class="" data-block="true" data-editor="68bgc" data-offset-key="1ibup-0-0" style="background-color: white; color: #1d2129; font-family: Helvetica, Arial, sans-serif; font-size: 14px; white-space: pre-wrap;">
<div class="_1mf _1mj" data-offset-key="1ibup-0-0" style="direction: ltr; font-family: inherit; position: relative;">
<span data-offset-key="1ibup-0-0" style="font-family: inherit;"><br data-text="true" /></span></div>
</div>
<div class="" data-block="true" data-editor="68bgc" data-offset-key="55mfo-0-0" style="background-color: white; font-family: Helvetica, Arial, sans-serif; font-size: 14px; white-space: pre-wrap;">
<div class="_1mf _1mj" data-offset-key="55mfo-0-0" style="direction: ltr; font-family: inherit; position: relative;">
<span data-offset-key="55mfo-0-0" style="font-family: inherit;"><b><span style="color: #351c75;">সুন্দরবনের খোলপেটুয়া নদীঃ</span></b><span style="color: #1d2129;"> খোলপেটুয়া সুন্দরবনের একটি উল্লেখযোগ্য নদী। সাতক্ষীরা রেঞ্জের সদর দপ্তর বুড়িগোয়ালীনী খোলপেটুয়া নদীর পশ্চিম তীরে অবস্থিত। বেত্রবতি বা বেতনা যশোর হতে কলারোয়ায় প্রবেশ করে। আশাশুনির নিকটে বেতনা মরিচাপের সাথে মিলিত হয়। মরিচাপ পশ্চিম সীমান্ত থেকে এসে সাতক্ষীরার ভিতর দিয়ে প্রবাহিত হয়। মিলিত জলধারার এক শাখা পুর্বদিকে প্রবাহিত হয়ে কপোতাক্ষে পড়েছে। অপরদিকে শোভনালী এসে আশাশুনির পাশে দক্ষিণ মুখী প্রবাহের সাথে মিলিত হয়ে দক্ষিণ দিকে অগ্রসর হয়। এ মিলিত প্রবাহের নাম খোলপেটুয়া। খোলপেটুয়া দক্ষিনে প্রবাহিত হয়ে পার্শামারীর কাছে কপোতাক্ষের সাথে মিলিত হয়। ডান দিকে শিয়ালীবাশতলী হয়ে প্রবাহিত যমুনার ধারা পরিপুষ্ট গলগাছিয়া পশ্চিম দিক থেকে এসে খোলপেটুয়ার দিকে মিশেছে। খোলপেটুয়া বর্ষাকালে ভয়ংকর রূপ ধারণ করে। এ সময় গোলপাতা ও গড়ানের নৌকা খোলপেটুয়া পাড়ি দিতে বেশ সাবধানতা অবলম্বন করতে হয়।</span></span></div>
</div>
<div class="" data-block="true" data-editor="68bgc" data-offset-key="f61gm-0-0" style="background-color: white; color: #1d2129; font-family: Helvetica, Arial, sans-serif; font-size: 14px; white-space: pre-wrap;">
<div class="_1mf _1mj" data-offset-key="f61gm-0-0" style="direction: ltr; font-family: inherit; position: relative;">
<span data-offset-key="f61gm-0-0" style="font-family: inherit;"><br data-text="true" /></span></div>
</div>
<div class="" data-block="true" data-editor="68bgc" data-offset-key="55d20-0-0" style="background-color: white; font-family: Helvetica, Arial, sans-serif; font-size: 14px; white-space: pre-wrap;">
<div class="_1mf _1mj" data-offset-key="55d20-0-0" style="direction: ltr; font-family: inherit; position: relative;">
<span data-offset-key="55d20-0-0" style="font-family: inherit;"><b><span style="color: #20124d;">সুন্দরবনের রাইমংগল নদীঃ</span></b><span style="color: #1d2129;"> রাইমংগল সুন্দরবনের একটি বিখ্যাত নদী। এর উৎস হল হুগলী নদী। পশ্চিমবংগ হতে প্রবাহিত হয়ে সীমান্তে কালিন্দির সাথে মিলিত হয়ে অগ্রসর হয়। পরে এক শাখা সুন্দরবনের ভিতর দিয়ে প্রবাহিত হয়ে যমুনার সাথে মিলিত হয়ে সমুদ্রে পড়ছে। আরেক শাখা সীমান্ত দিয়ে প্রবাহিত হয়ে হাড়িয়াভাঙ্গার সাথে মিলিত হয়ে সাগরে পড়েছে।</span></span></div>
</div>
<div class="" data-block="true" data-editor="68bgc" data-offset-key="dk1rh-0-0" style="background-color: white; color: #1d2129; font-family: Helvetica, Arial, sans-serif; font-size: 14px; white-space: pre-wrap;">
<div class="_1mf _1mj" data-offset-key="dk1rh-0-0" style="direction: ltr; font-family: inherit; position: relative;">
<span data-offset-key="dk1rh-0-0" style="font-family: inherit;"><br data-text="true" /></span></div>
</div>
<div class="" data-block="true" data-editor="68bgc" data-offset-key="de0v8-0-0" style="background-color: white; font-family: Helvetica, Arial, sans-serif; font-size: 14px; white-space: pre-wrap;">
<div class="_1mf _1mj" data-offset-key="de0v8-0-0" style="direction: ltr; font-family: inherit; position: relative;">
<span data-offset-key="de0v8-0-0" style="font-family: inherit;"><span style="color: #20124d;"><b>সুন্দরবনের হাড়িয়াভাঙ্গা নদীঃ</b></span><span style="color: #1d2129;"> হাড়িয়াভাঙ্গা সুন্দরবনের আরেকটি সীমান্ত নদী। এ নদী সুন্দরবনকে ভারতের সুন্দরবন হতে পৃথক করেছে। হাড়িয়াভাঙ্গা হুগলি নদীর একটা শাখা। এ নদী ভারতের পশ্চিমবংগ হতে প্রবাহিত হয়ে বাংলাদেশ ও ভারতের মধ্যে সীমানা নির্ধারণ করছে। অপর দিক হতে রাইমংগলের পশ্চিম শাখা এসে হাড়িভাঙ্গার সাথে মিলিত হয়েছে। রাইমংগলের পুর্ব শাখা ও হাড়িয়াভাংগার মধ্যবর্তী দ্বীপের নাম “ তালপট্রি দ্বীপ ”। এর দক্ষিনে নুতন দ্বীপ তালপট্রি অবস্থিত।</span></span></div>
</div>
<div class="" data-block="true" data-editor="68bgc" data-offset-key="93b9l-0-0" style="background-color: white; color: #1d2129; font-family: Helvetica, Arial, sans-serif; font-size: 14px; white-space: pre-wrap;">
<div class="_1mf _1mj" data-offset-key="93b9l-0-0" style="direction: ltr; font-family: inherit; position: relative;">
<span data-offset-key="93b9l-0-0" style="font-family: inherit;"><br data-text="true" /></span></div>
</div>
<div class="" data-block="true" data-editor="68bgc" data-offset-key="diufg-0-0" style="background-color: white; font-family: Helvetica, Arial, sans-serif; font-size: 14px; white-space: pre-wrap;">
<div class="_1mf _1mj" data-offset-key="diufg-0-0" style="direction: ltr; font-family: inherit; position: relative;">
<span data-offset-key="diufg-0-0" style="font-family: inherit;"><b><span style="color: #20124d;">সুন্দরবনের ভদ্রা নদীঃ </span></b><span style="color: #1d2129;">ভদ্রা নদী সুন্দরবনের একটি উল্লেখযোগ্য নদী। এ নদী খুলনা রেঞ্জে অবস্থিত। ভদ্রা সুন্দরবনের মৎস্য প্রজনন কেন্দ্র হিসেবে ব্যবহৃত হচ্ছে। ভদ্রার জন্ম যশোরের ত্রিমোহনীর নিকট কপোতাক্ষ হতে। সুন্দরবনে প্রবেশ পথে ভদ্রা দু’টি শাখায় বিভক্ত হয়। একটি শাখা প্রধান স্রোত নিয়ে সুন্দরবনের ভিতর দিয়ে পশুরে পতিত হয়। অপর শাখাটি ডানে বেকে গিয়ে শিবসায় পড়ে।</span></span></div>
</div>
<div class="" data-block="true" data-editor="68bgc" data-offset-key="2pjc9-0-0" style="background-color: white; color: #1d2129; font-family: Helvetica, Arial, sans-serif; font-size: 14px; white-space: pre-wrap;">
<div class="_1mf _1mj" data-offset-key="2pjc9-0-0" style="direction: ltr; font-family: inherit; position: relative;">
<span data-offset-key="2pjc9-0-0" style="font-family: inherit;"><br data-text="true" /></span></div>
</div>
<div class="" data-block="true" data-editor="68bgc" data-offset-key="efion-0-0" style="background-color: white; font-family: Helvetica, Arial, sans-serif; font-size: 14px; white-space: pre-wrap;">
<div class="_1mf _1mj" data-offset-key="efion-0-0" style="direction: ltr; font-family: inherit; position: relative;">
<span data-offset-key="efion-0-0" style="font-family: inherit;"><b><span style="color: #20124d;">সুন্দরবনের ভোলা নদীঃ</span></b><span style="color: #1d2129;"> এককালে প্রলয়ংকরী ভোলা নদী নিঃস্ব হতে চলেছে। অধুনা ফারাক্কা বাঁধের প্রতিক্রিয়ায় ভোলা নদী আরও মৃত প্রায়। সুন্দরবনের উত্তর সীমানা দিয়ে প্রবাহিত হয়ে শরণখোলা রেঞ্জ সদরের পাশ দিয়ে দক্ষিন পুর্ব দিকে অগ্রসর হয়। ভোলা নদীর উৎপত্তি গৌরম্ভায় পশুর থেকে। মোড়েলগঞ্জের নিকট সুন্দরবনে সীমান্ত এলাকায় প্রবেশ করে। তখন ভোলা নদী সুন্দরবনকে লোক বসতি এলাকা হতে বিচ্ছিন্ন করে ও আকারে বড় হতে থাকে। পশ্চিম দিক হতে খরমা খাল এসে ভ্লোার সাথে মিশে। ফলে পশুরের পানি খরমা হয়ে ভোলায় পড়ে। বর্তমানে এ ধারাটি বন্ধ হয়ে গেছে। শরণখোলা রেঞ্জ সদর অতিক্রম করে দুধমুখী বা পাথুরিয়া গাংগের সাথে মিলিত হয়ে সুপতির কাছে বলেশ্বরে পড়ে। আর সুপতি নদী সোজা দক্ষিনে প্রবাহিত হয়ে কচিখালীর নিকটে সমুদ্রে পড়ে। ভোলা সুন্দরবনের নদী। এর পানি লোনা।</span></span></div>
</div>
<div class="" data-block="true" data-editor="68bgc" data-offset-key="5cjnt-0-0" style="background-color: white; color: #1d2129; font-family: Helvetica, Arial, sans-serif; font-size: 14px; white-space: pre-wrap;">
<div class="_1mf _1mj" data-offset-key="5cjnt-0-0" style="direction: ltr; font-family: inherit; position: relative;">
<span data-offset-key="5cjnt-0-0" style="font-family: inherit;"><br data-text="true" /></span></div>
</div>
<div class="" data-block="true" data-editor="68bgc" data-offset-key="cjcrq-0-0" style="background-color: white; font-family: Helvetica, Arial, sans-serif; font-size: 14px; white-space: pre-wrap;">
<div class="_1mf _1mj" data-offset-key="cjcrq-0-0" style="direction: ltr; font-family: inherit; position: relative;">
<span data-offset-key="cjcrq-0-0" style="font-family: inherit;"><b><span style="color: #20124d;">সুন্দরবনে পানীয় জলের অভাবঃ </span></b><span style="color: #1d2129;">সমগ্র সুন্দরবন নদী ও খালে বিতৃর্ণ থাকলেও সুন্দরবনে পানীয় জলের খুব অভাব। পানির আর এক নাম জীবন। এই পানি যে কতটুকু মূল্যবান তা সুন্দরবনের কর্মচারী কর্মকর্তারা মর্মে মর্মে উপলব্ধি করতে পারে। পানির মধ্যে থেকেও তারা পানির জন্য হাহাকার করে। এক হিসেবে সুন্দরবন হচ্ছে পানির ক্ষেত্রে মরুভৃমি। সুন্দরবনের অভ্যন্তরে মিষ্টি পানির অত্যন্ত অভাব। সুন্দরবনের অভ্যন্তরে প্রায় এক হাজার বন কর্মী কর্মে নিয়োজিত। এ ছাড়া সুন্দরবনের বিভিন্ন উন্নয়নমূলক কাজ সহ অন্যান্য কাজে কয়েক হাজার লোক অবস্থান করে। এদের খাবার পানির জন্য বন বিভাগের দারস্থ হতে হয়। বহুদুর হতে মিষ্টি পানি এনে বনকর্মীরা ব্যবহার করে। এই মিষ্টি পানি অন্যান্য জনসাধারণ যারা সুন্দরবনে আসে তাদের দিতে হয়। প্রকৃতিগত কারণ ও জলযানের অভাবে অনেক সময় পানি সংগ্রহ করা কষ্টকর হয়ে উঠে। সুন্দরবনের পানি মূলত কিনেই পান করতে হয়। সরকারীভাবে পানি দেয়ার তেমন কোন ভাল ব্যবস্থা নেই। সরকারী ভাবে সীমিত সংখ্যক পুকুর খনন করা হয়েছে কিন্তু তাতে সকল সময় মিষ্টি পানি থাকে না। মাঝে মাঝে সরকারী ভাবে সামান্য কিছু পানি সরবরাহ করা হয় তবে তা প্রয়োজনের তুলনায় অতিনগন্ন। পানি সংগ্রহের জন্য অনেক কর্মচারী বাধ্য হয়ে নিয়ম বহির্ভুত কাজ করে জ্বালানী কাঠের বিনিময়ে খাবার পানি সংগ্রহ করে। এটি একটি কমন অনিয়ম। শুধুমাত্র পানীয় জলের অভাব নয়। চিকিৎসার ভীষণ সমস্যা সুন্দরবনে। অনেক কর্মচারী চিকিৎসার অভাবে মারা গিয়েছে। সুন্দরবনে প্রতিদিন গড়ে ৫ হ্জাার লোক অবস্থান করে। এদের ভাল চিকিৎসার কোন ব্যবস্থা নেই। এ সমস্যাটি সমাধান হওয়া দরকার। অথচ এ ব্যাপারে কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণ না হওয়ায় চিকিৎসা ছাড়া অমানবিক অবস্থার মধ্যে এদের সুন্দরবনের মধ্যে দিনাতিপাত করতে হয়। সুন্দরবনকে যদি যথাযথভাবে সংরক্ষন করার আন্তরিক ইচ্ছা পোষন করা হয় তা হলে পানীয়জল ও চিকিৎসার সমস্যা সমাধান করা খুবই জরুরী।</span></span></div>
<div class="_1mf _1mj" data-offset-key="cjcrq-0-0" style="color: #1d2129; direction: ltr; font-family: inherit; position: relative;">
<span data-offset-key="cjcrq-0-0" style="font-family: inherit;">.</span></div>
</div>
<div class="" data-block="true" data-editor="68bgc" data-offset-key="etkqn-0-0" style="background-color: white; color: #1d2129; font-family: Helvetica, Arial, sans-serif; font-size: 14px; white-space: pre-wrap;">
<div class="_1mf _1mj" data-offset-key="etkqn-0-0" style="direction: ltr; font-family: inherit; position: relative;">
<span data-offset-key="etkqn-0-0" style="font-family: inherit;">চলবে</span></div>
</div>
</div>
</content><link rel='replies' type='application/atom+xml' href='http://visitsundarbon.blogspot.com/feeds/5362001550871901198/comments/default' title='Post Comments'/><link rel='replies' type='text/html' href='http://visitsundarbon.blogspot.com/2018/04/blog-post_50.html#comment-form' title='0 Comments'/><link rel='edit' type='application/atom+xml' href='http://www.blogger.com/feeds/8872312683140648806/posts/default/5362001550871901198'/><link rel='self' type='application/atom+xml' href='http://www.blogger.com/feeds/8872312683140648806/posts/default/5362001550871901198'/><link rel='alternate' type='text/html' href='http://visitsundarbon.blogspot.com/2018/04/blog-post_50.html' title='সুন্দরবনঃ পৃথিবীর সর্ববৃহৎ ম্যানগ্রোভ ফরেস্ট সম্পর্কে কিছু তথ্য - ১৬'/><author><name>RAKOM</name><uri>http://www.blogger.com/profile/02904944596596026686</uri><email>noreply@blogger.com</email><gd:image rel='http://schemas.google.com/g/2005#thumbnail' width='16' height='16' src='https://img1.blogblog.com/img/b16-rounded.gif'/></author><thr:total>0</thr:total></entry><entry><id>tag:blogger.com,1999:blog-8872312683140648806.post-6073948537426454894</id><published>2018-04-29T22:53:00.000+06:00</published><updated>2018-04-29T22:53:04.229+06:00</updated><category scheme="http://www.blogger.com/atom/ns#" term="Feature"/><category scheme="http://www.blogger.com/atom/ns#" term="Sundarbon"/><title type='text'>সুন্দরবনঃ পৃথিবীর সর্ববৃহৎ ম্যানগ্রোভ ফরেস্ট সম্পর্কে কিছু তথ্য - ১৫</title><content type='html'><div dir="ltr" style="text-align: left;" trbidi="on">
<div class="" data-block="true" data-editor="68bgc" data-offset-key="7haq3-0-0" style="background-color: white; font-family: Helvetica, Arial, sans-serif; font-size: 14px; white-space: pre-wrap;">
<div class="_1mf _1mj" data-offset-key="7haq3-0-0" style="direction: ltr; font-family: inherit; position: relative;">
<span data-offset-key="7haq3-0-0" style="font-family: inherit;"><b><span style="color: #20124d;">সুন্দরবনের নদী নালাঃ</span></b><span style="color: #1d2129;"> সুন্দরবন অসংখ্য ছোট ছোট নদী নালা দ্বারা বেষ্টিত। এসব নদী,খাল ও ভারানী দ্বারা সুন্দরবনের কম্পার্টমেন্টগুলোকে একটি থেকে আরেকটিকে আলাদা করা হয়েছে। যখন একটি ছোট খাল দু’ টি নদীকে যুক্ত করে তাকে ভারানী বলে। সুন্দরবনে প্রবেশ করলে মনে হয় সুন্দরবনে শুধু পানি আর পানি। যত দক্ষিণ দিকে যাওয়া যায় ততই নদীর প্রস্থতা ও ভয়ংকরতা বাড়তে থাকে। সমগ্র সুন্দরবনের ৩০ ভাগ পানি। সুন্দরবনের মোট জল ভাগের পরিমান ১৭৫৬ বর্গ কিঃ মিঃ। বর্ষার সময় সুন্দরবনের কোন কোন বড় নদী ভয়ংকর হয়। এত বড় ঢেউ হয় তাতে যেমন তেমন লঞ্চ এসব নদী দিয়ে চলাচল করতে পারে না। সুন্দরবনের বিখ্যাত ও ভয়ংকর নদীর মধ্যে পশুর, শিবচা, আরপাংগাশিয়া, খোলপেটুয়া, মর্যাদ, যমুনা, মালঞ্চ ও বলেশ্বর উল্লেখযোগ্য। পশুর, মর্যাদ, বলেশ্বর, মালঞ্চ ও রাইমংগল নদী সমুদ্র মোহনায় প্রায় ৮-১০ কিঃ মিঃ প্রস্থ। এপার থেকে ওপার দেখা যায় না। বর্ষাকালে এসব নদী লঞ্চ, ট্রলার ও স্পীড বোট দিয়ে পাড়ি দেওয়া দুস্করঅ এক একটা ঢেউ পাহাড়ের মত মনে হয়। সুন্দরবনে আরো উল্লেখযোগ্য নদীর মধ্যে রয়েছে শেলা, মিরগামারী, ভোলা, সুপতি, বেতমোড়, হংসরাজ, ভদ্রা, বল, পাথরিয়া প্রভৃতি। এসব নদীতে কুমির বাস করে। তাছাড়া এসব নদী মাছ, কাঁকড়া, চিংড়ি মাছ, চিংড়ি মাছের পোনা প্রভৃতি মৎস্য সম্পদে ভরপুর। মোট নদ নদীর সংখ্যা এক হাজারের ও বেশী হবে।</span></span></div>
</div>
<div class="" data-block="true" data-editor="68bgc" data-offset-key="97qns-0-0" style="background-color: white; color: #1d2129; font-family: Helvetica, Arial, sans-serif; font-size: 14px; white-space: pre-wrap;">
<div class="_1mf _1mj" data-offset-key="97qns-0-0" style="direction: ltr; font-family: inherit; position: relative;">
<span data-offset-key="97qns-0-0" style="font-family: inherit;"><br data-text="true" /></span></div>
</div>
<div class="" data-block="true" data-editor="68bgc" data-offset-key="4lc51-0-0" style="background-color: white; font-family: Helvetica, Arial, sans-serif; font-size: 14px; white-space: pre-wrap;">
<div class="_1mf _1mj" data-offset-key="4lc51-0-0" style="direction: ltr; font-family: inherit; position: relative;">
<span data-offset-key="4lc51-0-0" style="font-family: inherit;"><span style="color: #20124d;"><b>জোয়ার ভাটাঃ</b></span><span style="color: #1d2129;"> জোয়ার ভাটা সুন্দরবনের একটা বৈশিষ্ট। বৃক্ষরাজির জীবনধারণ, পশু পাখির চলাফেরা, জেলে, মৌয়ালী ও বাওয়ালীদের কর্মতৎপরতা ও বন ব্যবস্থাপনা অনেকাংশে জোয়ার ভাটার উপর নির্ভরশীল। সুন্দরবনে প্রতিদিন দু’ বার জোয়ার হয় এবং দু’ বার ভাটা হয়। জোয়ারের সময় সমুদ্রের লোনাপানি সুন্দরবনের ভিতরে প্রবেশ করে বনাঞ্চল প্লাবিত করে। নদী নালা পানিতে পরিপূর্ণ হয়ে যায়। পানির সাথে সমুদ্র হতে সে সময় বিভিন্ন মাছ সুন্দরবনে নদ নদীতে আসে। ইলিশের মৌসুমে জোয়ারের সময় প্রচুর ইলিশ সুন্দরবনে প্রবেশ করে। জানুয়ারী হতে এপ্রিল মাসে জোয়ারের পানির সাথে ভেসে আসে কোটি কোটি চিংড়ি পোনা। জেলেদের জালপাতার হুড়াহুড়ি দেখলে মনে হয় এখনই জোয়ার হবে। যখন জেলেরা জাল গুটিয়ে ফেলতে শুরু করে তখন বুঝা যায় ভাটা হয়েছে। যখন ভাটা হয় তখন জেলেরা বিশ্রাম নেয় এবং জোয়ার এলে মাছ ধরার জন্য অপেক্ষা করতে থাকে। তেমনি ভ্রমনকারী, বনকর্মী ও মৎস্য পরিবহনকারীগন জোয়ার ভাটার সময় হিসেব করে চলাফেরা করে। অনেক সময় এ কারনে যাত্রা বিলম্ব হয়। যে দিকে পানির স্রোত যায় সেদিকে চললে সময় কম লাগে এবং অর্থ সাশ্রয় হয়। সাধারণত জোয়ারের সময় জোয়ারের দিকে এবং ভাটার সময় ভাটার দিকে অনুসরণ করে লঞ্চ চলাচল করে। নদ নদীর ঢেউয়ের প্রবনতা জোয়ার ভাটার উপর নির্ভরশীল। গ্রীষ্মকালে বাতাস দক্ষিণ দিক থেকে উত্তর দিকে প্রবাহিত হয়। সে সময় যথন ভাটা হয় তখন নদীতে বেশী ঢেউ হয়। কারণ গ্রীষ্মকালে ভাটার সময় পানি যায় দক্ষিণ দিকে আর বাতাস প্রবাহিত হয় উত্তর দিকে। তখন পানির স্রোত বাতাসে বাধাগ্রস্থ হয়ে ঢেউয়ের সৃষ্টি করে। শীতকালে বাতাস উত্তর দিক হদেক্ষিণ দিকে প্রবাহিত হয়। সে সময় জোয়ারের সময় নদীতে ঢেউ বেশী হয়। সে জন্য নাবিকরা বর্ষাকালে যখন জোয়ার থাকে তখন সুন্দরবনের ভয়ংকর নদীগুলো পাড়ি দেয়। কারণ এসময় পানি ও বাতাস একই দিকে প্রবাহিত হয়। ফলে ঢেউ কম থাকে। পুর্নিমা অমাবস্যার জোয়ারের সময় বেশি পানি সুন্দরবনে প্রবেশ করে এবং সে সময় বেশী মাছ পাওয়া যায়। একবার জোয়ার ভাটা হতে সময় লাগে ১২ ঘন্টা ২৫ মিনিট। সমুদ্র হতে সুন্দরবনের উত্তর অংশ পর্যন্ত জোয়ার হতে সময় লাগে ২ ঘন্টা ৫ মিনিট। বলেশ্বর, শিবসা, পশুর, রাইমংগল, যমুনা ও মালঞ্চ নদীর মোহনা দিয়ে প্রধানত সমুদ্রের পানি সুন্দরবনে প্রবেশ করে। তারপর অন্যান্য নদী, খাল ও ভারানী দিয়ে সুন্দরবনের অভ্যন্তরে বিস্তৃতি লাভ করে। জোয়ারের সময় সুন্দরবনের পানি স্বাভাবিক অবস্থার চেয়ে ৩ মিটার উচ্চতা বাড়ে। হিরণ পয়েন্টে পূর্ণ জোয়ার ও নলিয়ানে পূর্ণ জোয়ারের পার্থক্য হল ২.৫০ ঘন্টা। বিভিন্ন নদীর ম্হোনা দিয়ে সমুদ্র হতে সুন্দরবনে বিভিন্ন অংশে পানি প্রবেশের উপর ভিত্তি করে সুন্দরবনে নদীগুলোকে তিনটি সিরিজে ভাগ করা হয়েছে। যথা- (১) রাইমংগল, শিবসা সিরিজ, (২) পশুর ু শিবসা সিরিজ ও (৩) পশুর- বলেশ্বর সিরিজ।</span></span></div>
</div>
<div class="" data-block="true" data-editor="68bgc" data-offset-key="4q4nr-0-0" style="background-color: white; color: #1d2129; font-family: Helvetica, Arial, sans-serif; font-size: 14px; white-space: pre-wrap;">
<div class="_1mf _1mj" data-offset-key="4q4nr-0-0" style="direction: ltr; font-family: inherit; position: relative;">
<span data-offset-key="4q4nr-0-0" style="font-family: inherit;"><br data-text="true" /></span></div>
</div>
<div class="" data-block="true" data-editor="68bgc" data-offset-key="5odd7-0-0" style="background-color: white; font-family: Helvetica, Arial, sans-serif; font-size: 14px; white-space: pre-wrap;">
<div class="_1mf _1mj" data-offset-key="5odd7-0-0" style="direction: ltr; font-family: inherit; position: relative;">
<span data-offset-key="5odd7-0-0" style="font-family: inherit;"><b><span style="color: #073763;">রাইমংগল- শিবসা সিরিজঃ</span></b><span style="color: #1d2129;"> এ সিরিজে প্রধান প্রধান নদী ও খালের নাম হল রাইমংগল, যমুনা, মালঞ্চ, ফিরিগিং, আরপাংগাশিয়া, আড়াইবেকী, শিবসা, সোনাখাল, তালদ্বীপ ও কোবাদক। রাইমংগল নদী ভারত হতে বাংলাদেশে কৈখালীর নিকট যমুনাতে মিশেছে।</span></span></div>
</div>
<div class="" data-block="true" data-editor="68bgc" data-offset-key="deg8o-0-0" style="background-color: white; color: #1d2129; font-family: Helvetica, Arial, sans-serif; font-size: 14px; white-space: pre-wrap;">
<div class="_1mf _1mj" data-offset-key="deg8o-0-0" style="direction: ltr; font-family: inherit; position: relative;">
<span data-offset-key="deg8o-0-0" style="font-family: inherit;"><br data-text="true" /></span></div>
</div>
<div class="" data-block="true" data-editor="68bgc" data-offset-key="cf4r1-0-0" style="background-color: white; font-family: Helvetica, Arial, sans-serif; font-size: 14px; white-space: pre-wrap;">
<div class="_1mf _1mj" data-offset-key="cf4r1-0-0" style="direction: ltr; font-family: inherit; position: relative;">
<span data-offset-key="cf4r1-0-0" style="font-family: inherit;"><b><span style="color: #351c75;">পশুর- শিবসা সিরিজঃ</span></b><span style="color: #1d2129;"> এ সিরিজের অন্যতম নদী ও খাল হলো পশুর, শিবসা, মরা ভদ্রা, মানকি ও ভদ্রা নদী।</span></span></div>
</div>
<div class="" data-block="true" data-editor="68bgc" data-offset-key="124s4-0-0" style="background-color: white; color: #1d2129; font-family: Helvetica, Arial, sans-serif; font-size: 14px; white-space: pre-wrap;">
<div class="_1mf _1mj" data-offset-key="124s4-0-0" style="direction: ltr; font-family: inherit; position: relative;">
<span data-offset-key="124s4-0-0" style="font-family: inherit;"><br data-text="true" /></span></div>
</div>
<div class="" data-block="true" data-editor="68bgc" data-offset-key="cem-0-0" style="background-color: white; color: #1d2129; font-family: Helvetica, Arial, sans-serif; font-size: 14px; white-space: pre-wrap;">
<div class="_1mf _1mj" data-offset-key="cem-0-0" style="direction: ltr; font-family: inherit; position: relative;">
<span data-offset-key="cem-0-0" style="font-family: inherit;">পশুর- বলেশ্বর সিরিজঃ এ সিরিজে উল্লেখযোগ্য নদী ও খাল হল পশুর, বলেশ্বর, বড় শিয়ালা, মিরগামারী, শেলা, ভোলা, সুপতি, পাথরিয়া, বেতমোর ইত্যাদি। জোয়ার ভাটা সুন্দরবন পরিদর্শন ও কাজ কর্মে মুখ্য ভৃমিকা পালন করে। জোয়ারের সময় নৌকা, লঞ্চ, স্পীড বোট ও ট্রলার হতে বনে উঠা-নামা করতে সুবিধা বেশী। বনের কাঠ, লাকড়ী, নৌকায় ভর্তি করতে সুবিধা বেশি। এ সময় নদী বা খালের পানি বনের মেঝের কাছাকাছি থাকে। ফলে নৌযান বনের পাড়ে ভিড়ানো যায়। ভাটা হলে পানি নদী খালের তলায় এসে যায়। ফলে বনের পাড়ে নৌকা ভিড়ানো কষ্টকর। তখন বনে উঠতে গেলে এক হাটু কাঁদা পানি দিয়ে বনে ঢুকতে হয়। এমন কি অনেক সময় কোমর পর্যন্ত কাদা হয়। ভাটার সময় ছোট ছোট খাল শুকিয়ে যায়। তখন ইচ্ছা করলে গহীন বনে প্রবেশ করা যায় না।</span></div>
</div>
<div class="" data-block="true" data-editor="68bgc" data-offset-key="4rpp3-0-0" style="background-color: white; color: #1d2129; font-family: Helvetica, Arial, sans-serif; font-size: 14px; white-space: pre-wrap;">
<div class="_1mf _1mj" data-offset-key="4rpp3-0-0" style="direction: ltr; font-family: inherit; position: relative;">
<span data-offset-key="4rpp3-0-0" style="font-family: inherit;"><br data-text="true" /></span></div>
</div>
<div class="" data-block="true" data-editor="68bgc" data-offset-key="7p5o4-0-0" style="background-color: white; font-family: Helvetica, Arial, sans-serif; font-size: 14px; white-space: pre-wrap;">
<div class="_1mf _1mj" data-offset-key="7p5o4-0-0" style="direction: ltr; font-family: inherit; position: relative;">
<span data-offset-key="7p5o4-0-0" style="font-family: inherit;"><b><span style="color: #073763;">সুন্দরবনের পশুর নদীঃ</span></b><span style="color: #1d2129;"> বিখ্যাত যে সব নদী সুন্দরবন সংরক্ষন ও ব্যবস্থাপনায় গুরুত্বপূর্ণ ভৃমিক্ ারাখে পশুর নদী তাদের মধ্যে অন্যতম। পশুর সুন্দরবনের একটি অন্যতম বৃহত্তম নদী। বাংলাদেশের দ্বিতীয় সামুদ্রিক বন্দর “ মংলা ” পশুর নদীর তীরে অবস্থিতঅ পশুর বর্ষাকালে বেশ ভয়ংকর ধারণ করে। সে সময় ছোট ঝোট লঞ্চ পশুর নদী পাড়ি দিয়ে সুন্দরবনের অভ্যন্তরে যাওয়া বেশ মুশকিল। ফকিরহাট থানার বিলাঞ্চল হতে পশুরের জন্ম।এরপর চালনা বাজারের নিকট পশুর নদী রুপসা এবং পানখালীর সাথে মিশে দক্ষিণ দিকে প্রবাহিত হয়। মংলা বন্দরের নিকট এসে মংলা নদীর সাথে মিলিত হয়ে সুন্দরবনের ঢাংমারী ফরেষ্ট ষ্টেশনের পাশ দিয়ে সোজা দক্ষিণ দিকে প্রবাহিত হতে থাকে। তখন পশুরের পশ্চিম পাড়ে সুন্দরবন এবং পুর্বপাড়ে কৃষি জমি ও জনপদ থাকে। এ ভাবে চলতে চলতে চাঁদপাই রেঞ্জের নন্দবালার নিকট হতে পশুর গভীর সুন্দরবনে প্রবেশ করে। তখন এর দু’ পাড়েই সুন্দরবন এভাবে চলতে তিন কোনা আইল্যান্ডের পশ্চিমে শিবসা সাথে মিলিত হয়ে মর্যাদ বা কোংগা নামে সমুদ্রে পড়ে। পশুরের আরেকটি ধারা দুবলার পুর্বদিক দিয়ে প্রবাহিত হয়ে সমুদ্রে পড়েছে। একে মরা পশুরও বলে। এখানে উল্লেখ্য যে, পুর্বে ভৈরব ও পশুর নদীর সাথে কোন সংযোগ ছিল না। নড়াইল জেলার ধোন্দা গ্রামের রূপচাঁদ সাহা লবনের নৌকা যাতায়াতের জন্য ভৈরব নদী ও কাজিবাছা নদীকে সংযোগ করার জন্য একটি চিকন খাল কেটে দেন যা বর্তমানে রূপসা নদী নামে পরিচিত। প্রথমে এ খাল লাফ দিয়ে পার হওয়া যেত। পরবর্তীতে বাঁশের সাঁকোতে লোক জন পার হত। বর্তমানে রূপসা একটি গভীর, প্রশস্থ ও ভয়ংকর নদী। রূপচাঁদ সাহা ন্মা অনুসারে নদীর নাম হয় রূপসা।</span></span></div>
</div>
</div>
</content><link rel='replies' type='application/atom+xml' href='http://visitsundarbon.blogspot.com/feeds/6073948537426454894/comments/default' title='Post Comments'/><link rel='replies' type='text/html' href='http://visitsundarbon.blogspot.com/2018/04/blog-post_2.html#comment-form' title='0 Comments'/><link rel='edit' type='application/atom+xml' href='http://www.blogger.com/feeds/8872312683140648806/posts/default/6073948537426454894'/><link rel='self' type='application/atom+xml' href='http://www.blogger.com/feeds/8872312683140648806/posts/default/6073948537426454894'/><link rel='alternate' type='text/html' href='http://visitsundarbon.blogspot.com/2018/04/blog-post_2.html' title='সুন্দরবনঃ পৃথিবীর সর্ববৃহৎ ম্যানগ্রোভ ফরেস্ট সম্পর্কে কিছু তথ্য - ১৫'/><author><name>RAKOM</name><uri>http://www.blogger.com/profile/02904944596596026686</uri><email>noreply@blogger.com</email><gd:image rel='http://schemas.google.com/g/2005#thumbnail' width='16' height='16' src='https://img1.blogblog.com/img/b16-rounded.gif'/></author><thr:total>0</thr:total></entry><entry><id>tag:blogger.com,1999:blog-8872312683140648806.post-1105340185166451441</id><published>2018-04-29T22:48:00.000+06:00</published><updated>2018-04-29T22:48:16.671+06:00</updated><category scheme="http://www.blogger.com/atom/ns#" term="Feature"/><category scheme="http://www.blogger.com/atom/ns#" term="Sundarbon"/><title type='text'>সুন্দরবনঃ পৃথিবীর সর্ববৃহৎ ম্যানগ্রোভ ফরেস্ট সম্পর্কে কিছু তথ্য - ১৪</title><content type='html'><div dir="ltr" style="text-align: left;" trbidi="on">
<div class="" data-block="true" data-editor="68bgc" data-offset-key="7haq3-0-0" style="background-color: white; color: #1d2129; font-family: Helvetica, Arial, sans-serif; font-size: 14px; white-space: pre-wrap;">
<div class="_1mf _1mj" data-offset-key="7haq3-0-0" style="direction: ltr; font-family: inherit; position: relative;">
<span data-offset-key="7haq3-0-0" style="font-family: inherit;">সুন্দরবনের মৌমাছি ও মৌচাক : বৃক্ষ ও মাছের পাশাপাশি সুন্দরবন বাংলাদেশের মধ্যে মধু উৎপাদনে সর্বশ্রেষ্ঠ। সুন্দরবনের মধু গুনে ও মানে বেশ সুখ্যাতি আছে। বিশুদ্ধতাও সুন্দরবনের মধুর জুড়ি নাই। প্রতি বছর হাজার হাজার মন মধু ও মোম সুন্দরবন হতে উৎপাদন হয়। বাংলাদেশের দু’ ধরনের মৌমাছি আছে। এপিস সিরানা ও এপিস ডড়সেটা। এপিস সিরানা মৌ চাষের জন্য ব্যবহার করা হয়। আর এপিস ডগসেটা বন্য ও হিংস্র মৌমাছি। এরা গাছ গাছড়ায় বাসা বাঁধে ও এক স্থান হতে অন্য স্থানে চলে যায়। সুন্দরবনের মৌমাছির নাম হল এপিস ডড়সেটা। এ বন্য মৌমাছিরকে পোষ মানানো যায় না। মৌমাছি ফুলের মধু ও রেনু খেয়ে জীবন ধারণ করে। এপিস ডড়সেটা মৌমাছিকে জায়ান্ট মৌমাছিও বলে।</span></div>
</div>
<div class="" data-block="true" data-editor="68bgc" data-offset-key="bfecv-0-0" style="background-color: white; color: #1d2129; font-family: Helvetica, Arial, sans-serif; font-size: 14px; white-space: pre-wrap;">
<div class="_1mf _1mj" data-offset-key="bfecv-0-0" style="direction: ltr; font-family: inherit; position: relative;">
<span data-offset-key="bfecv-0-0" style="font-family: inherit;"><br data-text="true" /></span></div>
</div>
<div class="" data-block="true" data-editor="68bgc" data-offset-key="dgmeb-0-0" style="background-color: white; color: #1d2129; font-family: Helvetica, Arial, sans-serif; font-size: 14px; white-space: pre-wrap;">
<div class="_1mf _1mj" data-offset-key="dgmeb-0-0" style="direction: ltr; font-family: inherit; position: relative;">
<span data-offset-key="dgmeb-0-0" style="font-family: inherit;">শত শত লোক প্রতি বছর সুন্দরবন হতে যে মধু ও মোম সংগ্রহ করে তাদেরকে মৌয়ালী বলা হয়। সুন্দরবনে নানা ধরনের উদ্ভিদ আছে। প্রায় গাছেই ফুল ফুটে। কিন্তু সব গাছ হতে মৌমাছি মধু সংগ্রহ করে না। সুন্দরবনের যে সব গাছ হতে মৌমাছি মধু সংগ্রহ করে সেগুলো হল- খলসী, বাইন, সাদা বাইন, কাকড়া, গরান, গেওয়া, ঝানা(গর্জন), কেওড়া, ছইলা, পশুর, হারগাছা, শিংড়া। সুন্দরবনকে লবনাক্ততার উপর নির্ভর করে তিন ভাগে ভাগ করা হয়েছে। যথা- লবন পানির এলাকা, মধ্যম লবন পানির এলাকা ও মিঠা পানির এলাকা।</span></div>
</div>
<div class="" data-block="true" data-editor="68bgc" data-offset-key="8617s-0-0" style="background-color: white; color: #1d2129; font-family: Helvetica, Arial, sans-serif; font-size: 14px; white-space: pre-wrap;">
<div class="_1mf _1mj" data-offset-key="8617s-0-0" style="direction: ltr; font-family: inherit; position: relative;">
<span data-offset-key="8617s-0-0" style="font-family: inherit;"><br data-text="true" /></span></div>
</div>
<div class="" data-block="true" data-editor="68bgc" data-offset-key="5j24a-0-0" style="background-color: white; color: #1d2129; font-family: Helvetica, Arial, sans-serif; font-size: 14px; white-space: pre-wrap;">
<div class="_1mf _1mj" data-offset-key="5j24a-0-0" style="direction: ltr; font-family: inherit; position: relative;">
<span data-offset-key="5j24a-0-0" style="font-family: inherit;">সুন্দরবনের পশ্চিম অংশ হল লবণ পানির এলাকার অন্তর্ভূক্ত, শরণখোলা রেঞ্জ হল মিঠা পানির এলাকার অন্তর্ভূক্ত। সুন্দরবনে বেশী মধূ উৎপন্ন হয় লবন পানির অঞ্চল হতে। অর্থাৎ সুন্দরবরে যে চারটি রেঞ্জ আছে তম্মধ্যে সাতক্ষীরা রেঞ্জে বেশী মধু উৎপন্ন হয়। সংক্ষেপে বলা যায় সুন্দরবনের প্রায় ৯০ ভাগ মধু সাতক্ষীরা রেঞ্জের বনাঞ্চল হতে উৎপন্ন হয়। এর কারণ হল সাতক্ষীরা রেঞ্জের বনাঞ্চলে প্রচুর মধু উৎপাদনকারী গাছ যথা- খলসী, গরাণ, গেওয়া, কেওড়া প্রভুতি গাছ আছে। মৌমাছি যে সব গাছ হতে মধু সংগ্রহ করে তার উপর নির্ভর করে সুন্দরবনের মধূকে সাধারনত চার ভাগে ভাগ করা হয়। যথা খুলাসীর মধু, গরানের মধু, কেওড়ার মধু ও গেওয়ার মধু। তম্মধ্যে খলসীর মধু মানে ও গুনে সব চাইতে বেশী ভাল। তারপর যথাক্রমে গরাণ, কেওড়া ও গেওয়ার মধু। বছরের প্রথমে খলসীর মধু উৎপন্ন হয়। কারণ খলসী ফুলফুটে সবার আগে। মার্চ ও এপ্রিল মাসে খলসী গাছে প্রচুর ফুল থোকায় থোকায় ফুটে। খলসী গাছ নদীর চরে সারিবদ্ধভাবে গোলপাতার পাশে জম্মায়। খলসী গাছ ১৫-২০ ফুট লম্বা হয়। অনেক দুর থেকে মৌমাছি খলসী গাছের ফুল থেকে মধু সংগ্রহ করতে আসে।</span></div>
</div>
<div class="" data-block="true" data-editor="68bgc" data-offset-key="3pa4a-0-0" style="background-color: white; color: #1d2129; font-family: Helvetica, Arial, sans-serif; font-size: 14px; white-space: pre-wrap;">
<div class="_1mf _1mj" data-offset-key="3pa4a-0-0" style="direction: ltr; font-family: inherit; position: relative;">
<span data-offset-key="3pa4a-0-0" style="font-family: inherit;"><br data-text="true" /></span></div>
</div>
<div class="" data-block="true" data-editor="68bgc" data-offset-key="7nq04-0-0" style="background-color: white; color: #1d2129; font-family: Helvetica, Arial, sans-serif; font-size: 14px; white-space: pre-wrap;">
<div class="_1mf _1mj" data-offset-key="7nq04-0-0" style="direction: ltr; font-family: inherit; position: relative;">
<span data-offset-key="7nq04-0-0" style="font-family: inherit;">সুন্দরবনে সারা বছর মধু পাওয়া যায় না। বছরের চার মাস মধু সংগ্রহের কাজ চলে। এ সময় মৌয়ালীদের মধু সংগ্রহে বেশ ব্যস্ত থাকতে হয়। এপ্রিল মাসের ১লা তারিখে ফরেষ্ট ষ্টেশন হতে পাশ দেয়া হয়। ঐদিন প্রতি ষ্টেশনে মৌয়ালীদের নিয়ে একটি সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়। উক্ত সমাবেশে কিভাবে মধু সংগ্রহ করতে হবে এবং বনের ভিতর মৌমাছি ও বন্য প্রাণীর আক্রমন হতে কিভাবে রক্ষা পাওয়া যায় তা আলোচনা ও প্রশিক্ষণ দেওয়া হয়। তারপর এক রাউন্ড গুলি করে ফাকা আওয়াজ করা হয়। ফাঁকা আওয়াজের সাথে সাথে মৌয়ালীরা তাদের নৌকা নিয়ে ছোটে বনের ভিতর। প্রতিযোগিতা শুরু হয় আগে কে যাবে বনের ভিতর জায়গা দখলের জন্য। যে যেখানে পৌছে সেখান থেকেই মধু আহরণ করে সারা মৌসুম। সে জায়গায় অন্য মৌয়ালী মধু আহরণ করে না। এ প্রথা যুগ যুগ ধরে চলে আসছে। মৌয়ালীরাও এটা খুব শক্ত করে মনে প্রাণে অনুসরণ করে।</span></div>
</div>
<div class="" data-block="true" data-editor="68bgc" data-offset-key="47ku7-0-0" style="background-color: white; color: #1d2129; font-family: Helvetica, Arial, sans-serif; font-size: 14px; white-space: pre-wrap;">
<div class="_1mf _1mj" data-offset-key="47ku7-0-0" style="direction: ltr; font-family: inherit; position: relative;">
<span data-offset-key="47ku7-0-0" style="font-family: inherit;">বণ হতে মধূ সংগ্রহ করা বেশ কষ্টকর ও ভীষন ঝুকিপূর্ণ কাজ। মধু সংগ্রহের সময় মৌমাছি দ্বারা মৌয়ালীরা আক্রান্ত হতে পারে। সুন্দরবনে অসংখ্য বাঘ আছে। যেকোন সময়েই মৌয়ালীরা বাঘের সম্মুখীনও হতে পারে। তাই মৌয়ালীরা সব সময় দলবদ্ধভাবে মধু সংগ্রহ করে।</span></div>
</div>
<div class="" data-block="true" data-editor="68bgc" data-offset-key="e525e-0-0" style="background-color: white; color: #1d2129; font-family: Helvetica, Arial, sans-serif; font-size: 14px; white-space: pre-wrap;">
<div class="_1mf _1mj" data-offset-key="e525e-0-0" style="direction: ltr; font-family: inherit; position: relative;">
<span data-offset-key="e525e-0-0" style="font-family: inherit;"><br data-text="true" /></span></div>
</div>
<div class="" data-block="true" data-editor="68bgc" data-offset-key="9q761-0-0" style="background-color: white; color: #1d2129; font-family: Helvetica, Arial, sans-serif; font-size: 14px; white-space: pre-wrap;">
<div class="_1mf _1mj" data-offset-key="9q761-0-0" style="direction: ltr; font-family: inherit; position: relative;">
<span data-offset-key="9q761-0-0" style="font-family: inherit;">এক এক দলে ৭ জন মৌয়ালী থাকে। মধু সংগ্রহের সময় প্রতি বছর বেশ ক’জন মৌয়ালী বাঘের হাতে মারা যায়। মধু সংগ্রহ করতে গিয়ে মৌয়ালীরা বাঘের হাতে মারা যাচ্ছে শুনলে মনে খুব ব্যথা ও কষ্ট লাগে। ভাবতে অবাক লাগে যে, তারা জীবনকে বাজি রেখে সুন্দরবন হতে মধু সংগ্রহ করে। আমরা কি তাদের নিরাপত্তা দিতে পারি না ? তবে হ্যা মধু সংগ্রহের সময় চোখ ও কান খোলা রেখে মধূ সংগ্রহ করতে হবে।</span></div>
</div>
<div class="" data-block="true" data-editor="68bgc" data-offset-key="50q8l-0-0" style="background-color: white; color: #1d2129; font-family: Helvetica, Arial, sans-serif; font-size: 14px; white-space: pre-wrap;">
<div class="_1mf _1mj" data-offset-key="50q8l-0-0" style="direction: ltr; font-family: inherit; position: relative;">
<span data-offset-key="50q8l-0-0" style="font-family: inherit;"><br data-text="true" /></span></div>
</div>
<div class="" data-block="true" data-editor="68bgc" data-offset-key="hha8-0-0" style="background-color: white; color: #1d2129; font-family: Helvetica, Arial, sans-serif; font-size: 14px; white-space: pre-wrap;">
<div class="_1mf _1mj" data-offset-key="hha8-0-0" style="direction: ltr; font-family: inherit; position: relative;">
<span data-offset-key="hha8-0-0" style="font-family: inherit;">অবশ্য এসব কথা বাওয়ালীদের বনে প্রবেশ করার আগে বলে দেওয়া হয়। কিন্তু বনে প্রবেশ করে মৌমাছির বাসা খুজতে খুজতে মৌয়ালীরা যখন ব্যস্ত থাকে, কোন দিকে লক্ষ থাকে না ও দিশেহারা হয়ে যায় তখন তারা বাঘের কবলে পড়ে। মধু সংগ্রহের সময় মৌয়ালীরা প্রথমে মৌমাছির ব্সাা সনাক্ত করে। তারপর তারা মৌমাছির বাসায় ধুয়া দেয়। যখন ধুয়ার তীব্রতায় মৌমাছি টিকতে পারে না তখন মৌমাছিরা বাসা ছেড়ে চলে যায়। এরপর মৌয়ালীরা চাক হতে মধু ও মোম কেটে পাত্রে রাখে। অতঃপর মধু ও মোম পৃথক করে আলাদা পাত্রে রাখা হয়। মৌয়ালীরা সাধারণতঃ মটকায় মধু রাখে। মধু আহরণ কালীন চাকের যে অংশে মধু থাকে সে অংশ কেটে মধু সংগ্রহ করা হয়। শুধুমাত্র পরিপক্ক মৌচাক হতে মধু সংগ্রহ করতে হয়।</span></div>
</div>
<div class="" data-block="true" data-editor="68bgc" data-offset-key="55uun-0-0" style="background-color: white; color: #1d2129; font-family: Helvetica, Arial, sans-serif; font-size: 14px; white-space: pre-wrap;">
<div class="_1mf _1mj" data-offset-key="55uun-0-0" style="direction: ltr; font-family: inherit; position: relative;">
<span data-offset-key="55uun-0-0" style="font-family: inherit;"><br data-text="true" /></span></div>
</div>
<div class="" data-block="true" data-editor="68bgc" data-offset-key="jpdg-0-0" style="background-color: white; color: #1d2129; font-family: Helvetica, Arial, sans-serif; font-size: 14px; white-space: pre-wrap;">
<div class="_1mf _1mj" data-offset-key="jpdg-0-0" style="direction: ltr; font-family: inherit; position: relative;">
<span data-offset-key="jpdg-0-0" style="font-family: inherit;">সুন্দরবনের মৌমাছি গ্রামাঞ্চলের মৌমাছি হতে বড়। মৌমাছি সাধারণত মাটি হতে ৫-১৫ ফুট উচুতে মৌচাক তৈরী করে। মৌমাছির মধু সংগ্রহ বাড়ার সাথে সাথে মৌচাকের আকার বাড়ে। কোন কোন চাকে ২০-৩০ কেজি মধু পাওয়া যায়। মৌমাছিদের জীবন ধারণ আশ্চর্য্যরে বিষয়। মৌমাছি সমাজবদ্ধ জীব। এরা দলবদ্ধভাবে বাসা বেধে বাস করে। এত ক্ষুদ্র জীব অথচ এদের এত নিয়মকানুন এবয় এ সব নিয়ম কানুন প্রতিটি মৌমাছি অক্ষরে অক্ষরে পালন করে। একটি মৌমাছির দল একটি ব্সাা বাধে। প্রতি বাসায় বা মৌচাকে একজন রাণী মৌমাছি থাকে। রাণী মৌমাছির অধীনে একদল স্ত্রী মৌমাছিও একদল পুরুষ মৌমাছি থাকে স্ত্রী মোমাছি প্রজনন অক্ষম থাকে। এদেরকে শ্রমিক মৌমাছি বলে। পরিমানের দিক দিয়ে এক এক মৌচাকে কয়েক হাজার শ্রমিক মৌমাছি থাকতে পারে। পুরুষ মৌমাছি এক কলনীতে প্রায় কয়েক শত থাকে। পুরুষ মৌমাছিকে ড্রোন্স বলে। মৌচাকে তিন ধরনের কোষ থাকে। যথা শ্রমিক কোষ, ড্রোন্স কোষ ও রানী কোষ। শ্রমিক কোষ আকারে ছোট এবং ড্রোনস কোষ আকারে বড় হয়। বাসার মধখানে শ্রমিক কোষে মৌমাছির অপ্রাপ্ত বয়স্ক মৌমাছি লালন পালন করে। বাসার উপরের অংশে মধু সঞ্চয় করে। বাসার পার্শ্বে পরাগ ও নেকটার সঞ্চয় করে। ড্রোন কোষে মৌমাছি ড্রোন লালন পালন করে। রাণী কোষে রাণী মৌমাছিকে লালন পালন করা হয়। বিশেষ বংশ বৃদ্ধির নিমিত্তে নৃতন ঝাক বা দল গঠন করার জন্য রাণী কোষ তৈরী করা হয়।</span></div>
</div>
<div class="" data-block="true" data-editor="68bgc" data-offset-key="218f1-0-0" style="background-color: white; color: #1d2129; font-family: Helvetica, Arial, sans-serif; font-size: 14px; white-space: pre-wrap;">
<div class="_1mf _1mj" data-offset-key="218f1-0-0" style="direction: ltr; font-family: inherit; position: relative;">
<span data-offset-key="218f1-0-0" style="font-family: inherit;"><br data-text="true" /></span></div>
</div>
<div class="" data-block="true" data-editor="68bgc" data-offset-key="c3940-0-0" style="background-color: white; color: #1d2129; font-family: Helvetica, Arial, sans-serif; font-size: 14px; white-space: pre-wrap;">
<div class="_1mf _1mj" data-offset-key="c3940-0-0" style="direction: ltr; font-family: inherit; position: relative;">
<span data-offset-key="c3940-0-0" style="font-family: inherit;">সুন্দরবনের মধূ : ডিম হতে রানী মৌমাছি তৈরী হতে ১৬ দিন সময় লাগে। শুক কীট হতে পূর্ণাংগ রানী মৌমাছি হওয়া পর্যন্ত তাকে রয়েল জেলী খাওয়ানো হয়। শ্রমিক মৌমাছির হাইফোফিরিনজিয়াল গ্রন্থি হতে রয়েল জেলী নিঃসৃত হয়। রয়েল জেলী চর্বি ও পোটিনে সমৃদ্ধ। ৫ দিন বয়সের কুমারী রানী মিলনের জন্য আকাশে উড়তে থাকে। এক বা একাধিক উড়ার সময় কুমারী রাণী মৌমাছি প্রায় ৭টি ড্রোনের সাথে মিলিত হয়। রাণীর বীর্যধারে ড্রোনের বীর্য সারা জীবন সঞ্চিত থাকে। একটি রাণী ৫ বছর পর্যন্ত বাঁচে। তবে প্রথম দু’ বছর তার কাজের আগ্রহ ও তীব্রতা বেশি। একটি কলোনী বা মৌচাকে একটি রাণী মৌমাছি কয়েকশ’ হতে কয়েক হাজার ডিম পাড়ে। ডিম পাড়ার সংখ্যা কম বেশি নির্ভর করে রাণীকে ভাল খাওয়ানো ও ডিম পাড়ার জন্য চাকের ভিতর খালি কোষের প্রাপ্যতার উপর।</span></div>
</div>
<div class="" data-block="true" data-editor="68bgc" data-offset-key="d1547-0-0" style="background-color: white; color: #1d2129; font-family: Helvetica, Arial, sans-serif; font-size: 14px; white-space: pre-wrap;">
<div class="_1mf _1mj" data-offset-key="d1547-0-0" style="direction: ltr; font-family: inherit; position: relative;">
<span data-offset-key="d1547-0-0" style="font-family: inherit;"><br data-text="true" /></span></div>
</div>
<div class="" data-block="true" data-editor="68bgc" data-offset-key="8b6jj-0-0" style="background-color: white; color: #1d2129; font-family: Helvetica, Arial, sans-serif; font-size: 14px; white-space: pre-wrap;">
<div class="_1mf _1mj" data-offset-key="8b6jj-0-0" style="direction: ltr; font-family: inherit; position: relative;">
<span data-offset-key="8b6jj-0-0" style="font-family: inherit;">মৌমাছির বাসায় বা কলোনীতে সামাজিক শৃংখলা বজায় রাখার জন্য রাণী মৌমাছি ফেরোমোন নামক এক ধরনের পদার্থ তৈরী করে। একে কুইন সাবষ্ট্যান্স বা রাণী নির্যাস বলে। মৌচাকে রাণী নির্যাস ছড়িয়ে দেয়া মৌমাছিদের জীবনে একটি প্রয়োজনীয় উপাদান। রাণী নির্যাসের উপস্থিতির জন্য শ্রমিক মৌমাছিরা বুঝতে পারে রাণী মৌমাছি বাসায় আছে কি নেই। কনিষ্ঠ শ্রমিক মৌমাছিরা রাণী মৌমাছিকে খাবার পরিবেশন করে। শরীর ফুটো করে রাণী নির্যাস বের করে। অন্যরা মৌমাছির মধ্যে ছড়িয়ে দেয়। কনিষ্ঠ মিলিত রাণী বেশি পরিমাণে রাণী নির্যাস উৎপাদন করে বিধায় শ্রমিক মৌমাছির ডিম্বাশয়ে পূর্ণতা লাভ করতে পারে না। বয়স্ক রাণী মৌমাছি সামান্য পরিমাণে রাণী নির্যাস উৎপন্ন করে। এর ফলে শ্রমিক মৌমাছিদের ডিম্বাশয়ে পূর্ণতা লাভ করে। তখন এরা রাণী কুঠরী তৈরী করে থাকে। কোন কারনে যখন রাণী মৌমাছি বৃদ্ধ হয়ে যায় তখন পূর্ণ ডিম্বাশয় যুক্ত শ্রমিক মৌমাছি রাণীর স্থল দখল করে। এ প্রকার রাণীকে সুপারসিডর রাণী বলে। আবার যখন মৌচাকে শ্রমিকের সংখ্যা বেশী হয়ে যাবার ফলে জায়গার অভাব হয়, বিপুল সংখ্যক মৌমাছিদের মধ্যে একটি মাত্র রাণীর নির্যাস খুব নগন্য হয় এবং প্রচুর সেবিকা মৌমাছি একটি রানী মৌমাছিকে সেবা করে তাদের গ্রন্থির জেলী শেষ করতে পারে না তখন তারা নতুন রাণীর কোষ তৈরী করে। নতুন রাণী ফুটে বেরিয়ে আসার আগেই পুরান রাণী কিছু শ্রমিক মৌমাছি নিয়ে মৌচাক ত্যাগ করে এবং নতুন জায়গায় গিয়ে চাক তৈরী করে। নতুন রাণী মৌমাছির কাজ অব্যাহত রাখে।</span></div>
</div>
<div class="" data-block="true" data-editor="68bgc" data-offset-key="6dddg-0-0" style="background-color: white; color: #1d2129; font-family: Helvetica, Arial, sans-serif; font-size: 14px; white-space: pre-wrap;">
<div class="_1mf _1mj" data-offset-key="6dddg-0-0" style="direction: ltr; font-family: inherit; position: relative;">
<span data-offset-key="6dddg-0-0" style="font-family: inherit;"><br data-text="true" /></span></div>
</div>
<div class="" data-block="true" data-editor="68bgc" data-offset-key="f8h6a-0-0" style="background-color: white; color: #1d2129; font-family: Helvetica, Arial, sans-serif; font-size: 14px; white-space: pre-wrap;">
<div class="_1mf _1mj" data-offset-key="f8h6a-0-0" style="direction: ltr; font-family: inherit; position: relative;">
<span data-offset-key="f8h6a-0-0" style="font-family: inherit;">কোন কারণে রাণী হারিয়ে বা মৃত্যু হয়ে গেলে নতুন রাণী জন্ম হয়। এ প্রকার রাণীকে জরুরী রাণী মৌমাছি বলে। শ্রমিক মৌমাছিও নিষিক্ত ডিম হতে জন্ম নেয়। ডিম হতে পুর্ণাঙ্গ শ্রমিক মৌমাছি তৈরী হতে সময় লাগে ২১ দিন। শ্রমিক মৌমাছি কি ধরনের কাজ করবে তা নির্ভর করে তাদের শরীর বৃদ্ধি ও কাঠামোগত প্রস্তুতির উপর। আবহাওয়ার উদ্দিপক এবং কলোনীর চাহিদার উপর শ্রমিক মৌমাছির শরীর বৃদ্ধির ও বাহ্যিক গঠন প্রজনন ছাড়া সব ধরনের কাজ করার জন্য উপযুক্তভাবে তৈরী। এদের দেহে নেকটার সংগ্রহের জন্য জিহবা ও মধু থলি, পরাগ সংগ্রহের জন্য পরাগ থলি, রয়েল জেলি তৈরীর জন্য গ্রন্থি প্রস্তুতের জন্য এনজাইম, চাক তৈরীর জন্য মোম ও বাসা রক্ষার জন্য ভেনম আছে। শ্রমিক মৌমাছি গ্রীষ্মকালে চার সপ্তাহ এবং শীতকালে ছয় মাস পর্যন্ত বেঁচে থাকে। শ্রমিক মৌমাছি কখনো ঘর মৌমাছি এবং কখনো মাঠ মৌমাছি হিসাবে কাজ করে থাকে। কোষ হতে বের হওয়ার সাথে সাথে এরা নেকটার বা পাতলা মধুর সাথে পরাগ মিশ্রিত খাবার গ্রহণ করে। একদিন বয়সে শ্রমিক মৌমাছি চাকের কোষ পরিষ্কার পরিচ্ছন্ন করে। ৫ দিন পর্যন্ত এরা বয়োজ্যেষ্ঠ শুককীটদের মিশ্রিত খাবার এবং রাণী মৌমাছিকে রয়াল জেলী খাওয়ায়। ৫-৮ দিনের মধ্যে শ্রমিক মৌমাছি দিক নির্ণয়ক এবং পরিস্কার পরিচ্ছন্ন ফ্লাইটে যায়। প্রচুর পরিমানে মধু গ্রহনের ফলে ৮ দিন বয়সে শ্রমিক মৌমাছির বুকের নীচে চার জোর মোম গ্রন্থি তৈরী হয়। এসব গ্রন্থি হতে প্রচুর পরিমানে মোম নিঃসৃত হয় যা বাসা তৈরী ও কোষের মুখ বন্ধ করার কাজে লাগে। ১১ দিন বয়সে শ্রমিক মৌমাছির লালা গ্রন্থি তৈরী হয় যা দ্বারা এরা নেকটারকে মধুতে রূপান্তর করে। এরা মাঠ মৌমাছিদের নিকট হতে নেকটার গ্রহণ করে। এরপর নেকটারের সাথে এনজাইম ইনভাটেক মিশ্রিত করে নেকটারে রক্ষিত সুক্রোজকে ভেংগে ফ্রুকটোজ এবং গ্লুকোজে রূপান্তর করে। মধূ হতে অতিরিক্ত জলীয় অংশ বের করার জন্য শ্রমিক মৌমাছিরা তাদের প্রবোসিস দিয়ে চাকের ভেতরে পাখার মাধ্যমে প্রবাহিত গরম বাতাসের মধ্যে ধরে রাখে।</span></div>
</div>
<div class="" data-block="true" data-editor="68bgc" data-offset-key="2ttvg-0-0" style="background-color: white; color: #1d2129; font-family: Helvetica, Arial, sans-serif; font-size: 14px; white-space: pre-wrap;">
<div class="_1mf _1mj" data-offset-key="2ttvg-0-0" style="direction: ltr; font-family: inherit; position: relative;">
<span data-offset-key="2ttvg-0-0" style="font-family: inherit;"><br data-text="true" /></span></div>
</div>
<div class="" data-block="true" data-editor="68bgc" data-offset-key="6th5s-0-0" style="background-color: white; color: #1d2129; font-family: Helvetica, Arial, sans-serif; font-size: 14px; white-space: pre-wrap;">
<div class="_1mf _1mj" data-offset-key="6th5s-0-0" style="direction: ltr; font-family: inherit; position: relative;">
<span data-offset-key="6th5s-0-0" style="font-family: inherit;">১৪ দিন বয়সে শ্রমিক মৌমাছি আলো বাতাস চলাচলের মাধ্যমে চাকে তাপমাত্রা বজায় রাখতে সক্ষম হয়। ১৮ দিন বয়সে কলোনীতে অবস্থানরত মৌমাছিরা চাকের প্রহরার কাজের জন্য উপযুক্ত হয়। কারণ এ সময় তাদের পেটের শেষ প্রান্তে বিষাক্ত গ্রন্থি তৈরী হয়। সাধারণত ৩ সপ্তাহ বয়সে শ্রমিক মৌমাছি মধু সংগ্রহের জন্য মাঠে যাওয়া শুরু করে। প্রথমে শ্রমিক মৌমাছি যখন মাঠে যাওয়া শুরু করে তখনও এদের গায়ে লোম থাকে।</span></div>
</div>
<div class="" data-block="true" data-editor="68bgc" data-offset-key="3hruf-0-0" style="background-color: white; color: #1d2129; font-family: Helvetica, Arial, sans-serif; font-size: 14px; white-space: pre-wrap;">
<div class="_1mf _1mj" data-offset-key="3hruf-0-0" style="direction: ltr; font-family: inherit; position: relative;">
<span data-offset-key="3hruf-0-0" style="font-family: inherit;"><br data-text="true" /></span></div>
</div>
<div class="" data-block="true" data-editor="68bgc" data-offset-key="8diel-0-0" style="background-color: white; color: #1d2129; font-family: Helvetica, Arial, sans-serif; font-size: 14px; white-space: pre-wrap;">
<div class="_1mf _1mj" data-offset-key="8diel-0-0" style="direction: ltr; font-family: inherit; position: relative;">
<span data-offset-key="8diel-0-0" style="font-family: inherit;">তখন এরা শুধু পরাগ সংগ্রহ করে। যখন লোম পড়ে যায় তখন এরা মৌচাক বা কলোনীর চাহিদা অনুযায়ী নেকটার, পানি বা প্রপলিস সংগ্রহ করে। মাঠ মৌমাছির আয়ুস্কাল নির্ভর করে কাজের পরিধি ও কঠিনতার উপর। মুখ্য মধু প্রবাহের সময় শ্রমিক মৌমাছি ৩০ দিন বাঁচে। তার মধ্যে ২০ দিন মৌচাকের বিভিন্ন কাজ করে এবং ১০ দিন পরাগ ও নেকটার সংগ্রহ করে। পুরুষ মৌমাছি রাণীর অনিষিক্ত ডিম হতে জন্ম নেয়। ঝাক বাঁধার সময় শুরু হওয়ার পুর্বে অল্প সময়ের জন্য কলোনীতে পুরুষ মৌমাছি লালন পালন করা হয়। রাণী মৌমাছি বড় কোষে পুরুষ মৌমাছি হওয়ার জন্য ডিম পাড়ে। ডিম হতে পূর্ণ বয়স্ক মৌমাছি হদে ২৪ দিন সময় লাগে।</span></div>
</div>
<div class="" data-block="true" data-editor="68bgc" data-offset-key="6bu3n-0-0" style="background-color: white; color: #1d2129; font-family: Helvetica, Arial, sans-serif; font-size: 14px; white-space: pre-wrap;">
<div class="_1mf _1mj" data-offset-key="6bu3n-0-0" style="direction: ltr; font-family: inherit; position: relative;">
<span data-offset-key="6bu3n-0-0" style="font-family: inherit;"><br data-text="true" /></span></div>
</div>
<div class="" data-block="true" data-editor="68bgc" data-offset-key="bbq9h-0-0" style="background-color: white; color: #1d2129; font-family: Helvetica, Arial, sans-serif; font-size: 14px; white-space: pre-wrap;">
<div class="_1mf _1mj" data-offset-key="bbq9h-0-0" style="direction: ltr; font-family: inherit; position: relative;">
<span data-offset-key="bbq9h-0-0" style="font-family: inherit;">রাণী বিহীন কলোনীতে রাণীর নির্যাসের অভাবে শ্রমিক মৌমাছির ডিম্বাশয় পূর্ণতা লাভ করে। তখন তারা অনিষিক্ত ডিম পাড়ে। তাদের ডিম হতেই পুরুষ মৌমাছি জন্ম গ্রহণ করে। পুরুষ মৌমাছির কাজ হল রাণী মৌমাছির সাথে মিলিত হওয়া। ৬ দিন বয়সে পুরুষ মৌমাছি উড়তে আরম্ভ করে। ১২ দিন বয়সে তারা পূর্ণতা লাভ করে। এক জায়গায় পুরুষ মৌমাছিরা একটা নির্দিষ্ট এলাকা পর্যন্ত উড়ে বেড়ায়। সে এলাকাকে পুরুষ মৌমাছির সমাবেশের জায়গা বলে। এ জায়গায় কুমারী রাণী মৌমাছি উড়ে বেড়ায়। সফলভাবে মিলনের জন্য অনেক পুরুষ মৌমাছি মারা যায়।</span></div>
</div>
<div class="" data-block="true" data-editor="68bgc" data-offset-key="16d6k-0-0" style="background-color: white; color: #1d2129; font-family: Helvetica, Arial, sans-serif; font-size: 14px; white-space: pre-wrap;">
<div class="_1mf _1mj" data-offset-key="16d6k-0-0" style="direction: ltr; font-family: inherit; position: relative;">
<span data-offset-key="16d6k-0-0" style="font-family: inherit;"><br data-text="true" /></span></div>
</div>
<div class="" data-block="true" data-editor="68bgc" data-offset-key="avd5v-0-0" style="background-color: white; color: #1d2129; font-family: Helvetica, Arial, sans-serif; font-size: 14px; white-space: pre-wrap;">
<div class="_1mf _1mj" data-offset-key="avd5v-0-0" style="direction: ltr; font-family: inherit; position: relative;">
<span data-offset-key="avd5v-0-0" style="font-family: inherit;">মধু প্রবাহের শেষ ভাগে মৌচাকে পুরুষ মৌমাছি লালন পালন বন্ধ হয়ে যায়। যারা থেকে যায় তাদেরকে শ্রমিক মৌমাছিরা মৌচাক থেকে বের করে দেয়। এক হাজার পুরুষ মৌমাছি তাদের আয়ুস্কালে খাদ্য হিসেবে ৭ কেজি মধু গ্রহণ করে থাকে।</span></div>
</div>
</div>
</content><link rel='replies' type='application/atom+xml' href='http://visitsundarbon.blogspot.com/feeds/1105340185166451441/comments/default' title='Post Comments'/><link rel='replies' type='text/html' href='http://visitsundarbon.blogspot.com/2018/04/blog-post_89.html#comment-form' title='0 Comments'/><link rel='edit' type='application/atom+xml' href='http://www.blogger.com/feeds/8872312683140648806/posts/default/1105340185166451441'/><link rel='self' type='application/atom+xml' href='http://www.blogger.com/feeds/8872312683140648806/posts/default/1105340185166451441'/><link rel='alternate' type='text/html' href='http://visitsundarbon.blogspot.com/2018/04/blog-post_89.html' title='সুন্দরবনঃ পৃথিবীর সর্ববৃহৎ ম্যানগ্রোভ ফরেস্ট সম্পর্কে কিছু তথ্য - ১৪'/><author><name>RAKOM</name><uri>http://www.blogger.com/profile/02904944596596026686</uri><email>noreply@blogger.com</email><gd:image rel='http://schemas.google.com/g/2005#thumbnail' width='16' height='16' src='https://img1.blogblog.com/img/b16-rounded.gif'/></author><thr:total>0</thr:total></entry><entry><id>tag:blogger.com,1999:blog-8872312683140648806.post-8779557689369730044</id><published>2018-04-29T22:46:00.000+06:00</published><updated>2018-04-29T22:46:13.121+06:00</updated><category scheme="http://www.blogger.com/atom/ns#" term="Feature"/><category scheme="http://www.blogger.com/atom/ns#" term="Sundarbon"/><title type='text'>সুন্দরবনঃ পৃথিবীর সর্ববৃহৎ ম্যানগ্রোভ ফরেস্ট সম্পর্কে কিছু তথ্য - ১৩</title><content type='html'><div dir="ltr" style="text-align: left;" trbidi="on">
<div class="" data-block="true" data-editor="68bgc" data-offset-key="7haq3-0-0" style="background-color: white; color: #1d2129; font-family: Helvetica, Arial, sans-serif; font-size: 14px; white-space: pre-wrap;">
<div class="_1mf _1mj" data-offset-key="7haq3-0-0" style="direction: ltr; font-family: inherit; position: relative;">
<span data-offset-key="7haq3-0-0" style="font-family: inherit;">মৌসুমী মাছ ধরার সময় সুন্দরবন হতে প্রচুর শুটকি মাছ তৈরী করা হয়। মৌসুমী মৎস্য সুন্দরবনের দুবলা, কচিখালী, নীলকমল ও মান্দারবাড়িয়া জেলে পল্লী হতে নদীর মোহনা এবং সুন্দরবন সংলগ্ন সমুদ্র হতে আহরণ করা হয়। প্রতি বছর অক্টোবর মাস হতে ফেব্র“য়ারী মাস পর্যন্ত মৌসুমী মৎস্য আহরণ করা হয়। অবশ্য মৌসুমী মৎস্য আহরনের বেশির ভাগ মাছই সমুদ্র হতে ধরা হয়। মাছ ধরার পর বেশির ভাগ মাছই রোদে শুকিয়ে শুটকি করা হয়। কিছু মাছ বা সাদা মাছ কাঁচা বিক্রি করা হয়। বাংলাদেশে বিভিন্ন স্থানে শুটকি মাছ তৈরী করা হয়। যথা- কক্সবাজার জেলার কুতুবদিয়া, মহেশখালী ও গোবর কাটা, পটুয়াখালীর সোনারচর, বেলাগাছিয়া ও মহিপুর এবং চট্রগ্রামের সন্দ¡ীপে প্রচুর শুটকি মাছ করা হয়। তম্মধ্যে সুন্দরবন বাংলাদেশের অন্যতম শুটকী মাছ প্রক্রিয়াজাত এলাকা।</span></div>
</div>
<div class="" data-block="true" data-editor="68bgc" data-offset-key="d90lm-0-0" style="background-color: white; color: #1d2129; font-family: Helvetica, Arial, sans-serif; font-size: 14px; white-space: pre-wrap;">
<div class="_1mf _1mj" data-offset-key="d90lm-0-0" style="direction: ltr; font-family: inherit; position: relative;">
<span data-offset-key="d90lm-0-0" style="font-family: inherit;"><br data-text="true" /></span></div>
</div>
<div class="" data-block="true" data-editor="68bgc" data-offset-key="e42bh-0-0" style="background-color: white; color: #1d2129; font-family: Helvetica, Arial, sans-serif; font-size: 14px; white-space: pre-wrap;">
<div class="_1mf _1mj" data-offset-key="e42bh-0-0" style="direction: ltr; font-family: inherit; position: relative;">
<span data-offset-key="e42bh-0-0" style="font-family: inherit;">সুন্দরবনে যে সব মাছ হতে শুটকি করা হয় সে গুলো সুরি, লইট্যা, পোমা, ফাইস্যা, ডাকচান্দা, ছোট চিংড়ি, পালকা, ছোট পোমা, বৈরগী মাছ, রুপচান্দা, মেদ, শাপলাপাতা, মধু (কামোট), রামসুস ইত্যাদি। দুবলা সুন্দরবনের একটি গুরুত্বপূর্ণ মৎস্য আহরণ কেন্দ্র। যুগ যুগ ধরে জেলেরা এখানে মাছ ধরে শুটকি তৈরী করে। উনবিংশ শতাব্দির শেষ দিক হতে দুবলাতে শুটকি মাছ তৈরীর কথা জানা যায়। দুবলা সুন্দরবনের পুর্ব-দক্ষিণ অংশে বঙ্গোপসাগরের পাড়ে অবস্থিত। কম্পার্টমেন্ট ৮ ও ৪৫ দুবলার অন্তর্গত। বিভিন্ন চরে মৌসুমে অস্থায়ী ঘর বেঁধে জেলেরা মৎস্য আহরণ ও প্রক্রিয়াজাত করে। দুবলার অধীন ১৩টি মৎস্য আহরণের চর আছে। সে গুলো হল অফিস কিল্লা, মাঝের কিল্লা, মেহের আলী, আলোরকোল, কবর খালী, ছোট আমবাড়িয়া, বড় আমবাড়িয়া, মানিক খালী, নারিকেল বাড়িয়া, শেলার চর, কটকার চর ও কোকিলমনি।</span></div>
</div>
<div class="" data-block="true" data-editor="68bgc" data-offset-key="eieut-0-0" style="background-color: white; color: #1d2129; font-family: Helvetica, Arial, sans-serif; font-size: 14px; white-space: pre-wrap;">
<div class="_1mf _1mj" data-offset-key="eieut-0-0" style="direction: ltr; font-family: inherit; position: relative;">
<span data-offset-key="eieut-0-0" style="font-family: inherit;"><br data-text="true" /></span></div>
</div>
<div class="" data-block="true" data-editor="68bgc" data-offset-key="4hrgj-0-0" style="background-color: white; color: #1d2129; font-family: Helvetica, Arial, sans-serif; font-size: 14px; white-space: pre-wrap;">
<div class="_1mf _1mj" data-offset-key="4hrgj-0-0" style="direction: ltr; font-family: inherit; position: relative;">
<span data-offset-key="4hrgj-0-0" style="font-family: inherit;">বর্তমানে সারা দুবলায় মাছ ধরা হলেও জেলেপল্লী বসে শীত মৌসুমে। অর্থাৎ কার্তিক হতে মাঘ মাস পর্যন্ত এ সময় বহদ্দারের অধীনে মৌসুমী মাছ ধরা হয়। বহদ্দার হল একদল জেলের মালিক। চট্রগ্রাম হতে আগত বহদ্দারদের চট্রগ্রাম বহদ্দার বা মৎস্য ব্যবসায়ী বলা হয়। আর খুলনা, বাগেরহাট, পিরোজপুর, সাতক্ষীরা প্রভৃতি স্থান হতে আগত জেলে মালিকদের স্থানীয় বহদ্দার বলে। চট্রগ্রামের বহদ্দাররা মাত্র ৩টি স্থান যথা অফিস কিল্লা, মাঝের কিল্লা ও মেহের আলীতে অস্থায়ী ঘরবাড়ী তৈরী করে মাছ ধরে ও প্রক্রিয়াজাত করে। মৌসুমী জেলে পল্লীগুলোতে মাছ শুকানো দৃশ্য খুবই অপুর্ব। এ সব জেলে পল্লীতে অস্থায়ী ঘরে ভরে যায়। লোকে লোকারণ্য হয়ে যায়। জেলেদের কোলাহলে গহীণ অরন্যের নিস্তব্ধতা কয়েক মাস হারিয়ে যায়। বন্যপ্রাণীরা চোখের আড়ালে থাকে দিনের বেলা। রাতে জেলে পল্লীর চরে অবাধে বিচরণ করে। দিনের বেলা অসংখ্য পায়ের দাগ দেখা যায় হরিনের। মাঝে মধ্যে বাঘও আসে। সব সময় জেলেদের বাঘের ভয়ে রাত কাটাতে হয়। দেশী বিদেশী পর্যটক আসে জেলে পল্লী পরিদর্শনে। মাছ ধরার ও শুটকি তৈরী করার কলা কৌশল শুনে ও দেখে সবই মুগ্ধ হয়ে যায়। সঞ্চয় করে নতুন নতুন অভিজ্ঞতা। সাথে করে নিয়ে যায় বিভিন্ন ধরনের শুটকি মাছ তাদের প্রিয়জনদের উপহার দিতে। কি অপুর্ব অভিজ্ঞতা। নিজে চোখে না দেখলে বুঝা বেশ কঠিন। এ সব জেলে পল্লীগুলোতে অস্থায়ী দোকান পাট বসে। এ সব দোকানে চাউল, ডাল, তরিতরকারী সহ নিত্য প্রয়োজনীয় জিনিস পত্র পাওয়া যায়। জিলাপী ও চায়ের দোকান গড়ে উঠে জেলে পল্লীতে।</span></div>
</div>
<div class="" data-block="true" data-editor="68bgc" data-offset-key="1lb07-0-0" style="background-color: white; color: #1d2129; font-family: Helvetica, Arial, sans-serif; font-size: 14px; white-space: pre-wrap;">
<div class="_1mf _1mj" data-offset-key="1lb07-0-0" style="direction: ltr; font-family: inherit; position: relative;">
<span data-offset-key="1lb07-0-0" style="font-family: inherit;"><br data-text="true" /></span></div>
</div>
<div class="" data-block="true" data-editor="68bgc" data-offset-key="fmugr-0-0" style="background-color: white; color: #1d2129; font-family: Helvetica, Arial, sans-serif; font-size: 14px; white-space: pre-wrap;">
<div class="_1mf _1mj" data-offset-key="fmugr-0-0" style="direction: ltr; font-family: inherit; position: relative;">
<span data-offset-key="fmugr-0-0" style="font-family: inherit;">সবচেয়ে বেশী আকর্ষণীয় হল দুবলার চর জেলে পল্লী। জেলেদের রসদ সরবরাহের জন্য ভাসমান দোকানও থাকে কিছু। নৌকায় করে এরা জেলেরা যেখানে থাকে সেখানে যায়। ভাসমান দোকানদারদের কাছে চাউল, ডাল, বিড়ি, সিগারেট, বিস্কুট সহ নিত্য প্রয়োজনীয় জিনিস পত্র থাকে। শুটকি মাছ তৈরীর দিক দিয়ে দুবলা হচ্ছে সবচেয়ে বড় কেন্দ্র। দুবলার পরেই নীলকমলের স্থান। নীলকমল নদীর নাম অনুসারেই কেন্দ্রের নাম হয়েছে নীলকমল। নীলকমল মৎস্য আহরণ কেন্দ্রের অধীনে ৯টি মৎস্য আহরণের চর বা স্থান আছে। এগুলো হল মরাচান্দাবুনিয়া, চান্দাবুনিয়া, বন্দেরচর, গলাকাটা চর, মরা খাল, কলাতলার চর, বালির গাং, কালির চর ও সিগন্যাল টাওয়ার। এর মধ্যে বালির গাং সবচেয়ে বড়। সেখানে শুটকি মাছ শুকানোর দৃশ্য ছাড়া চিংড়ি গ্রেডিং করার পদ্ধতি ও সুন্দরবনের অভ্যন্তর নদীর মোহনায় মাছ ধরার দৃশ্যাবলী অবলোকন করার অপুর্ব সুযোগ আছে। এখান থেকেই বিখ্যাত পুটনী আইল্যান্ড ও মান্দারবাড়িয়া অভয়ারণ্য ও মৎস্য আহরণ কেন্দ্র দেখা যায়।</span></div>
</div>
<div class="" data-block="true" data-editor="68bgc" data-offset-key="7mjl7-0-0" style="background-color: white; color: #1d2129; font-family: Helvetica, Arial, sans-serif; font-size: 14px; white-space: pre-wrap;">
<div class="_1mf _1mj" data-offset-key="7mjl7-0-0" style="direction: ltr; font-family: inherit; position: relative;">
<span data-offset-key="7mjl7-0-0" style="font-family: inherit;"><br data-text="true" /></span></div>
</div>
<div class="" data-block="true" data-editor="68bgc" data-offset-key="7hcgl-0-0" style="background-color: white; color: #1d2129; font-family: Helvetica, Arial, sans-serif; font-size: 14px; white-space: pre-wrap;">
<div class="_1mf _1mj" data-offset-key="7hcgl-0-0" style="direction: ltr; font-family: inherit; position: relative;">
<span data-offset-key="7hcgl-0-0" style="font-family: inherit;">জেলেরা যে অস্থায়ী ঘরবাড়ী তৈরী করে তাকে ডিপু বলে। ডিপুতে দু’ ধরনের ঘর থাকে। কিছু ঘর বসবাস করার জন্য এবং কিছু ঘর থাকে শুটকি মাছ রাখার জন্য। মাছ ধরে ডিপুতে আনার পর মাছ বাছাই করা হয়। আবর্জনা বেছে ফেলে দেয়া হয়। পচা থাকলে আলাদা করে বর্জ হিসেবে শুকানো হয়। ভাল মাছগুলোকে প্রজাতি হিসেবে গ্রেডিং করা হয়। তারপর মাচাং, পাটি এবং আড়া তৈরী করে রোদে শুকানো হয়। এ সময় মাছের পচা গন্ধে এলাকা মুখরিত হয়ে যায়। হঠাৎ করে গেলে সেখানে চলাফেরা করতে ভীষন অসুবিধা হয়। জেলেরা থাকতে থাকতে অভ্যাস হয়ে যাওয়ায় তাদের কাছে পরিবেশটা স্বাভাবিক মনে হয়। বনের গাছপালা কেটে জেলেরা ঘরবাড়ি, মাচাং, আড়া প্রভৃতি তৈরী করে। বিভিন্ন প্রজাতির মাছ শুকাতে বিভিন্ন রকম সময় লাগে। যেমন- ফাতরা/পোয়া ৩-৪ দিন, সুরি ৭-৮ দিন, লইট্যা ৩-৪ দিন, চিংড়ি ২ দিন, পলকা ১০-১৫ দিন, শাপলা পাতা ৭-৮ দিন, কমোট ৬-৭ দিন, রপচান্দা ৫-৬ দিন, লান্ডা ১৫ দিন। এর মধ্যে শাপলা পাতা ও কমোট কেটে টুকরা টুকরা করে শুকানো হয়।</span></div>
</div>
<div class="" data-block="true" data-editor="68bgc" data-offset-key="29d-0-0" style="background-color: white; color: #1d2129; font-family: Helvetica, Arial, sans-serif; font-size: 14px; white-space: pre-wrap;">
<div class="_1mf _1mj" data-offset-key="29d-0-0" style="direction: ltr; font-family: inherit; position: relative;">
<span data-offset-key="29d-0-0" style="font-family: inherit;"><br data-text="true" /></span></div>
</div>
<div class="" data-block="true" data-editor="68bgc" data-offset-key="e59hp-0-0" style="background-color: white; color: #1d2129; font-family: Helvetica, Arial, sans-serif; font-size: 14px; white-space: pre-wrap;">
<div class="_1mf _1mj" data-offset-key="e59hp-0-0" style="direction: ltr; font-family: inherit; position: relative;">
<span data-offset-key="e59hp-0-0" style="font-family: inherit;">জেলে পল্লীতে ডায়রিয়া সহ বিভিন্ন অসুখ দেখা দেয়। প্রতি বছর ডায়রিয়ায় বেশ কিছু জেলে মারা যায়। তাই জেলেদের চিকিৎসার জন্য দুবলার অস্থায়ী চিকিৎসা কেন্দ্র সরকারীভাবে ভোলা হয়। উক্ত কেন্দ্র বাগেরহাট সিভিল সার্জনের অধীনে থেকে একটি ৩-৪ জন বিশিষ্ট মেডিকেল টিম জেলেদের চিকিৎসা করে এবং প্রয়োজন অনুসারে ঔষধ সরবরাহ করে। জেলে পল্লীগুলোতে রোগ বালাই কম হওয়ার জন্য বন বিভাগ কর্তৃক কতগুলো নীতি অনুসরণ করার জন্য জেলেদের বলা হয়। যথা- কোন মৎস্য ব্যবসায়ী / চিকিৎসা সহকারী ও পর্যাপ্ত ওষধ ব্যবস্থা না করে দুবলা চরে বা সুন্দরবনে মাছের ব্যবসা করতে পারবে না।, জেলে পল্লী এলাকায় ঝুলন্ত পায়খানা নির্মান করা যাবে না, স্বাস্থ্য বিভাগের নির্দেশিত স্বল্প মূল্যের পায়খানা তৈরী করতে হবে, মাছের বর্জ মাটিতে পুতে রাখতে হবে এবং সরকার অনুমোদিত বিলিচিং পাউডার বা অন্য ঔষধ প্রয়োগ করে দুর্গন্ধ বিনাশের ব্যবস্থা নিতে হবে, মাছ বাছাইয়ের পর দিন মজুরদের হাত ভালভাবে সাবান দিয়ে ধোয়ার ব্যবস্থা করতে হবে। ডিপু বা জেলে ঘরের পাশের নর্দমা জন স্বাস্থ্য দপ্তর কর্তৃক অনুমোদিত বিলিচিং পাউডার নিয়মিত দিতে হবে যাতে মাছি দ্বারা ডায়রিয়া ছড়াতে না পারে। শর্ত অমান্যকারীদের পারমিট বাতিল করা হবে।</span></div>
<div class="_1mf _1mj" data-offset-key="e59hp-0-0" style="direction: ltr; font-family: inherit; position: relative;">
<span data-offset-key="e59hp-0-0" style="font-family: inherit;">.</span></div>
</div>
<div class="" data-block="true" data-editor="68bgc" data-offset-key="a7nkn-0-0" style="background-color: white; color: #1d2129; font-family: Helvetica, Arial, sans-serif; font-size: 14px; white-space: pre-wrap;">
<div class="_1mf _1mj" data-offset-key="a7nkn-0-0" style="direction: ltr; font-family: inherit; position: relative;">
<span data-offset-key="a7nkn-0-0" style="font-family: inherit;">চলবে</span></div>
</div>
</div>
</content><link rel='replies' type='application/atom+xml' href='http://visitsundarbon.blogspot.com/feeds/8779557689369730044/comments/default' title='Post Comments'/><link rel='replies' type='text/html' href='http://visitsundarbon.blogspot.com/2018/04/blog-post_27.html#comment-form' title='0 Comments'/><link rel='edit' type='application/atom+xml' href='http://www.blogger.com/feeds/8872312683140648806/posts/default/8779557689369730044'/><link rel='self' type='application/atom+xml' href='http://www.blogger.com/feeds/8872312683140648806/posts/default/8779557689369730044'/><link rel='alternate' type='text/html' href='http://visitsundarbon.blogspot.com/2018/04/blog-post_27.html' title='সুন্দরবনঃ পৃথিবীর সর্ববৃহৎ ম্যানগ্রোভ ফরেস্ট সম্পর্কে কিছু তথ্য - ১৩'/><author><name>RAKOM</name><uri>http://www.blogger.com/profile/02904944596596026686</uri><email>noreply@blogger.com</email><gd:image rel='http://schemas.google.com/g/2005#thumbnail' width='16' height='16' src='https://img1.blogblog.com/img/b16-rounded.gif'/></author><thr:total>0</thr:total></entry><entry><id>tag:blogger.com,1999:blog-8872312683140648806.post-5164518947161140471</id><published>2018-04-29T22:44:00.002+06:00</published><updated>2018-04-29T22:44:15.569+06:00</updated><category scheme="http://www.blogger.com/atom/ns#" term="Feature"/><category scheme="http://www.blogger.com/atom/ns#" term="Sundarbon"/><title type='text'>সুন্দরবনঃ পৃথিবীর সর্ববৃহৎ ম্যানগ্রোভ ফরেস্ট সম্পর্কে কিছু তথ্য - ১২</title><content type='html'><div dir="ltr" style="text-align: left;" trbidi="on">
<div class="" data-block="true" data-editor="68bgc" data-offset-key="7haq3-0-0" style="background-color: white; color: #1d2129; font-family: Helvetica, Arial, sans-serif; font-size: 14px; white-space: pre-wrap;">
<div class="_1mf _1mj" data-offset-key="7haq3-0-0" style="direction: ltr; font-family: inherit; position: relative;">
<span data-offset-key="7haq3-0-0" style="font-family: inherit;">সুন্দরবন থেকে ভেটকি, কাইন মাগুর, ইলিশ, চিংড়ি মাছ ও কাকড়া আহরণ : সুন্দরবনের অভ্যন্তরে নৌকা থেকে যে সব জেলে মাছ ধরে তারা শুধু মাছই ধরে, তারা বাজারে এসে মাছ বিক্রি করে না। এক শ্রেণীর লোক আছে যারা জেলেদের নিকট হতে মাছ কিনে শহরে এনে বিক্রয় করে। তাদের মৎস্য ব্যবসায়ী বলে। মৎস্য ব্যবসা করতে হলে সুন্দরবন বন বিভাগের মৎস্য লাইসেন্স করতে হয়। মৎস্য লাইসেন্স না থাকলে সুন্দরবন হতে মাছ পরিবহন করা যায় না। অনেক জেলে ভেটকি, কাইন মাগুর প্রভৃতি মাছ বরশি দিয়ে ধরে। এ সব বরশি কে দড়ি বরশি বলে। একটি দড়ি বরশি ৩-৪ শত হাত লম্বা হয়। লম্বা সুতার দড়ির মধ্যে ২ হাত অন্তর অন্তর ২-৩ হাত লম্বা সুতার বরশি বেধে ঝুলানো থাকে। কামোট মাছ কেটে রোদে আধা শুকিয়ে খন্ড খন্ড করে কেটে আদার হিসেবে ব্যবহার করা হয়। ১০-১২ কেজি ওজনের ভেটকি মাছ সুন্দরবনে পাওয়া যায়। এ সব জেলেদের নৌকা ১০০-১৫০ মন ধরে এমন আকারের হয়। নৌকার এক অংশে বরফ থাকে। মাছ ধরার সাথে সাথে তারা মাছ বরফে দিয়ে রাখে। ইলিশ ও চিংড়ি মাছ ছাড়া যে সব মাছ সুন্দরবনে ধরা হয় এদের সাদা মাছ বলে। প্রতি বছর বিপুল পরিমান সাদা মাছ সুন্দরবনে ধরা পড়ে।</span></div>
</div>
<div class="" data-block="true" data-editor="68bgc" data-offset-key="7qi32-0-0" style="background-color: white; color: #1d2129; font-family: Helvetica, Arial, sans-serif; font-size: 14px; white-space: pre-wrap;">
<div class="_1mf _1mj" data-offset-key="7qi32-0-0" style="direction: ltr; font-family: inherit; position: relative;">
<span data-offset-key="7qi32-0-0" style="font-family: inherit;"><br data-text="true" /></span></div>
</div>
<div class="" data-block="true" data-editor="68bgc" data-offset-key="2ogf8-0-0" style="background-color: white; font-family: Helvetica, Arial, sans-serif; font-size: 14px; white-space: pre-wrap;">
<div class="_1mf _1mj" data-offset-key="2ogf8-0-0" style="direction: ltr; font-family: inherit; position: relative;">
<span data-offset-key="2ogf8-0-0" style="font-family: inherit;"><span style="color: #20124d;"><b>ইলিশ মাছ ধরা :</b></span><span style="color: #1d2129;"> ইলিশ সুন্দরবনের একটি আকর্ষণীয় মাছ। এ মাছের চাহিদা দিন দিন বাড়ছে। কয়েক হাজার জেলে প্রতি বছর সুন্দরবনে ইলিশ মাছ ধরে। ইলিশ মাছ ধরার মৌসুম শুরু হয় জুলাই মাস থেকে এবং শেষ হয় অক্টোবর মাসে। সমগ্র সুন্দরবনে ইলিশ মাছ পাওয়া যায় না। শুধু বলেশ্বর, পশুর, ভোলা ও সুপতি নদীতে ইলিশ মাছ পাওয়া যায়। শরনখোলা রেঞ্জের বগী, সুপতি, কচিখালী, দুবলা জেলে পল্লী টহল ফাঁড়ি এবং চাঁদপাই রেঞ্জের ঢাংমারী ও চাদপাই হতে ইলিশ মাছের পাশ দেয়া হয়। সবচেয়ে বেশি ইলিশ মাছ ধরা পড়ে সুপতি ও কচিখালী এলাকায়। দুবলা ও কচিখালীর জেলেরা বঙ্গোপসাগর হতেও ইলিশ আহরণ করে। সুন্দরবনের ইলিশ মাছ মানে ও গুনে বেশ উন্নত। খেতে বেশ মজা লাগে। বনে বেড়াতে গেলে জেলেদের নিকট হতে তাজা ইলিশ মাছ কিনতে পাওয়া যায়। জেলেরা বেশ উদার। অনুরোধ করলেই তারা বড় বড় ইলিশ দেয়। সুন্দরবনে বড় বড় ট্রলার দিয়ে জেলেরা ইলিশ মাছ ধরে। একটি ইলিশ মাছের জাল ৩০০-৪০০ মিটার লম্বা হয়। ঝড় বাদলকে উপেক্ষা করে জেলেরা সুন্দরবন ও তদসংলগ্ন সমুদ্র হতে ইলিশ মাছ আহরণ করে। ইলিশ মাছ ধরে জেলেরা বরফ দিয়ে রাখে। সব জেলেদের কাছে বরফ থাকে না। ছোট ছোট জেলেরা ইলিশ মাছ ধরার পর তাদের থেকে ইলিশ মাছ ব্যবসায়ীরা কিনে বরফে দিয়ে রাখে। তারপর তারা খুলনা, বাগেরহাট, পিরোজপুর প্রভৃতি স্থানে ইলিশ মাছ বিক্রয় করে। ভরা মৌসুমে সুন্দরবনে ইলিশ মাছের দাম কম থাকে। প্রতি বছর হাজার হাজার মন ইলিশ মাছ সুন্দরবন হতে ধরা হয়। দেশের চাহিদা মিটিয়ে এ সব মাছ বিদেশে রপ্তানী করে অনেক বৈদেশিক মুদ্রা আসে। প্রতি জেলেকে প্রতিদিন কমছে কম ৩ কেজি ইলিশ মাছের রাজস্ব জমা দিতে হবেই। ৯ ইঞ্চির নিচে ইলিশ মাছ ধরা নিষেধ।</span></span></div>
</div>
<div class="" data-block="true" data-editor="68bgc" data-offset-key="f6f4g-0-0" style="background-color: white; color: #1d2129; font-family: Helvetica, Arial, sans-serif; font-size: 14px; white-space: pre-wrap;">
<div class="_1mf _1mj" data-offset-key="f6f4g-0-0" style="direction: ltr; font-family: inherit; position: relative;">
<span data-offset-key="f6f4g-0-0" style="font-family: inherit;"><br data-text="true" /></span></div>
</div>
<div class="" data-block="true" data-editor="68bgc" data-offset-key="3124p-0-0" style="background-color: white; font-family: Helvetica, Arial, sans-serif; font-size: 14px; white-space: pre-wrap;">
<div class="_1mf _1mj" data-offset-key="3124p-0-0" style="direction: ltr; font-family: inherit; position: relative;">
<span data-offset-key="3124p-0-0" style="font-family: inherit;"><span style="color: #20124d;"><b>চিংড়ি মাছ ধরা :</b></span><span style="color: #1d2129;"> অক্টোবর হতে ফেব্র“য়ারী পর্যন্ত সুন্দরবন হতে প্রচুর পরিমানে গুড়া চিংড়ি আহরণ করা হয়। ছোট ছোট ছিদ্র যুক্ত জাল দিয়ে গুড়া চিংড়ি ধরা হয়। নীলকমল, দুবলা, কচিখালী, টিয়ার চর হতে গুড়া চিংড়ি ধরা হয়। গুড়া চিংড়ি ধরার পর জেলেরা এর আকার অনুযায়ী চার ভাগে ভাগ করে যথা- চাকা চিংড়ি, চালি চিংড়ি, টাইগার চিংড়ি, মটকা চিংড়ি। চাকা চিংড়ির দাম বেশি। এ চিংড়ি খেতে খুব সুস্বাদু। বেসন দিয়ে চাকা চিংড়ি ভেজে খাওয়া খুবই সুস্বাদু।</span></span></div>
</div>
<div class="" data-block="true" data-editor="68bgc" data-offset-key="eg0tg-0-0" style="background-color: white; color: #1d2129; font-family: Helvetica, Arial, sans-serif; font-size: 14px; white-space: pre-wrap;">
<div class="_1mf _1mj" data-offset-key="eg0tg-0-0" style="direction: ltr; font-family: inherit; position: relative;">
<span data-offset-key="eg0tg-0-0" style="font-family: inherit;"><br data-text="true" /></span></div>
</div>
<div class="" data-block="true" data-editor="68bgc" data-offset-key="1ghs8-0-0" style="background-color: white; font-family: Helvetica, Arial, sans-serif; font-size: 14px; white-space: pre-wrap;">
<div class="_1mf _1mj" data-offset-key="1ghs8-0-0" style="direction: ltr; font-family: inherit; position: relative;">
<span data-offset-key="1ghs8-0-0" style="font-family: inherit;"><span style="color: #20124d;"><b>কাঁকড়া ধরা :</b></span><span style="color: #1d2129;"> কাঁকড়া সুন্দরবনের একটি গুরুত্বপুর্ন মৎস্য সম্পদ। কাঁকড়া ধরার জেলেরা শুধু কাকড়া ধরে। পিরোজপুর, সাতক্ষীরা, বাগেরহাট হতে জেলেরা এসে সুন্দরবনে কাঁকড়া ধরে। দড়ি বরশি দিয়ে কাকড়া ধরা হয়। এধরনের একটি দড়ি বরশি ৩-৪ শ হাত লম্বা হয়। কুইচ্চা কেটে রোদে আধা শুকায়ে আদার হিসেবে ব্যবহার করা হয়। নীলকমল, সুপতি, কচিখালী, দুবলা এলাকার নদী-নালা ও শিবসা, হংসরাজ, খোলপেটুয়া, কপোতাক্ষ প্রভৃতি নদী-নদী হতে কাকড়া ধরা হয়। সুন্দরবনে অক্টোবর হতে ফেব্র“য়ারী মাসে শীত মৌসুমে কাঁকড়া ধরা হয়। সুন্দরবন হতে বছরে পাঁচ মাস কাকড়া আহরণ করা হয়। ভরা গুন কাকড়া ধরার উপযুক্ত সময়। নদীর ভাংগন কুল অথবা নদী বা খালের মোহনায় কাকড়া বেশি পাওয়া যায়। সকাল ৮টা হতে বিকেল ৪টা পর্যন্ত কাকড়া ধরার উপযুক্ত সময়। দড়ি বরশি পাতার ৩০ মিনিট থেকে ১ ঘন্টা পর বরশি তোলা হয়। জাল এমন ভাবে পাতা হয় যাতে মাটির তলদেশ স্পর্শ করে। হাত দিয়ে জাল টেনে তোলা হয়। যে ক্ষরশিতে কাকড়া থাকে তা ৯ ইঞ্চি পানির নীচে থাকতে বগী জালে করে নৌকায় রাখা হয়। দড়ি বরশি টেনে টেনে নৌকায় রাখা হয়। পুরা বরশি টানার পর আবার বরশি পাতা শুরু হয়। যে মাথায় শেষ হয়েছে সে মাথা হতে পুন: জাল পাতা শুরু করতে হবে এবং অনুরূপভাবে কাকড়া আহরণ করা হয়। প্রতি জেলে গড়ে প্রতি দিন ২৫-৩০ টি কাকড়া ধরতে পারে। প্রতি গোনে একজন জেলে ৩০ কেজি ধরতে পারে। কাকড়া ধরার পর নৌকায় লবনাক্ত পানিতে রাখা হয়। নৌকায় জেলেরা ৭ দিন পর্যন্ত কাকড়া রাখে। কাকড়া ধরার পর কাকড়া কে বিভিন্ন গ্রেডে সাজানো হয় এবং গ্রেড অনুযায়ী বিক্রয় করা হয়। গ্রেডিং করার সময় প্রথমে কাকড়াকে পুরুষ ও মহিলা হিসেবে ভাগ করা হয়। তারপর পুরুষ কাকড়াকে তিন গ্রেডে এবং মহিলা কাকড়াকেও তিন গ্রেডে সাজানো হয়। পুরুষ কাকড়া গ্রেড- ১ : যেসব কাকড়ার ওজন ৩০০ গ্রাম বা তদুউর্দ্ধে, গ্রেড-২ : যে সব কাকড়ার জন ২৫০ গ্রাম, গ্রেড-৩ : যে সব কাকড়ার ওজন ২০০ গ্রাম। মহিলা কাকড়া গ্রেড- ১ : যেসব কাকড়া ডিমওয়ালা এবং ওজন ১৮০ গ্রাম বা তদুউর্দ্ধে, গ্রেড-২ : যে সব কাকড়ার ডিম নেই কিন্তু ওজন ১৮০ গ্রাম, গ্রেড-৩ : যে সব কাকড়ার ডিম নেই কিন্তু ওজন ১৫০ গ্রাম।</span></span></div>
<div class="_1mf _1mj" data-offset-key="1ghs8-0-0" style="color: #1d2129; direction: ltr; font-family: inherit; position: relative;">
<span data-offset-key="1ghs8-0-0" style="font-family: inherit;">.</span></div>
</div>
<div class="" data-block="true" data-editor="68bgc" data-offset-key="7l803-0-0" style="background-color: white; color: #1d2129; font-family: Helvetica, Arial, sans-serif; font-size: 14px; white-space: pre-wrap;">
<div class="_1mf _1mj" data-offset-key="7l803-0-0" style="direction: ltr; font-family: inherit; position: relative;">
<span data-offset-key="7l803-0-0" style="font-family: inherit;">– চলবে</span></div>
</div>
</div>
</content><link rel='replies' type='application/atom+xml' href='http://visitsundarbon.blogspot.com/feeds/5164518947161140471/comments/default' title='Post Comments'/><link rel='replies' type='text/html' href='http://visitsundarbon.blogspot.com/2018/04/blog-post_5.html#comment-form' title='0 Comments'/><link rel='edit' type='application/atom+xml' href='http://www.blogger.com/feeds/8872312683140648806/posts/default/5164518947161140471'/><link rel='self' type='application/atom+xml' href='http://www.blogger.com/feeds/8872312683140648806/posts/default/5164518947161140471'/><link rel='alternate' type='text/html' href='http://visitsundarbon.blogspot.com/2018/04/blog-post_5.html' title='সুন্দরবনঃ পৃথিবীর সর্ববৃহৎ ম্যানগ্রোভ ফরেস্ট সম্পর্কে কিছু তথ্য - ১২'/><author><name>RAKOM</name><uri>http://www.blogger.com/profile/02904944596596026686</uri><email>noreply@blogger.com</email><gd:image rel='http://schemas.google.com/g/2005#thumbnail' width='16' height='16' src='https://img1.blogblog.com/img/b16-rounded.gif'/></author><thr:total>0</thr:total></entry><entry><id>tag:blogger.com,1999:blog-8872312683140648806.post-3531242175557958303</id><published>2018-04-29T22:36:00.004+06:00</published><updated>2018-04-29T22:36:57.586+06:00</updated><category scheme="http://www.blogger.com/atom/ns#" term="Feature"/><category scheme="http://www.blogger.com/atom/ns#" term="Sundarbon"/><title type='text'>সুন্দরবনঃ পৃথিবীর সর্ববৃহৎ ম্যানগ্রোভ ফরেস্ট সম্পর্কে কিছু তথ্য - ১১</title><content type='html'><div dir="ltr" style="text-align: left;" trbidi="on">
<b><span style="color: #20124d;">সারা বছর মাছ ধরাঃ </span></b>সুন্দরবনে সারা বছর জেলেরা মাছ ধরে। তারা প্রথমে ষ্টেশন অফিষ হতে বিএলসি (বোট লাইসেন্স সার্টিফিকেট) করে। বিএলসি করতে ফটো, নৌকা ও চেয়ারম্যান বা মেম্বারের পরিচয় পত্র লাগে। নৌকা যত বড় হবে বিএলসি করতে তত বেশী টাকা লাগে। তবে সুন্দরবনে সারা বছর যে সব জেলেরা মাছ ধরে তাদের নৌকা গুলো বেশী বড় হয় না। বেশির ভাগ নৌকাই ২৫ থেকে ১৫০ মনের হয়। প্রতি ২৫ মনের জন্য বিএলসি করার সময় নির্ধারিত ফিস জমা দিতে হয়। বিএলসি করার সময় যার নামে বিএলসি হবে ঐ ব্যক্তিকে নৌকা ও সব কাগজপত্র নিয়ে ষ্টেশন অফিসে যেতে হয়। ষ্টেশন অফিসার নৌকা ও সংশ্লিষ্ট কাগজপত্র দেখে সন্তুষ্ট হলে বিএলসি ইস্যু করেন।<br />
<br />
বিএলসি করার পর জেলেরা ষ্টেশন হতে মাছের পাশ করে। প্রতিটি পাশ ৭(সাত) দিনের জন্য ইস্যু করা হয়। জেলেরা ইচ্ছা করলে ১৫ দিনের জন্য পাশ করতে পারেন। পাশ করার সময় প্রতি পাশে সহযোগী জেলে ২-৩ জন থাকে। প্রত্যেক জেলেকেই পাশ করার সময় সপ্তাহ বা আংশিক সপ্তাহের জন্য বনের অবস্থান কর অগ্রিম জমা দিতে হয়। মাছ ধরার পর যে ষ্টেশন হতে পাশ করা হয়েছে সেখানে পাশ জমা দিতে হয় এবং যে পরিমান মাছ ধরা হয় সে পরিমান মাছের রাজস্ব জমা দিয়ে সিটি (সার্টিফিকেট অব ট্রান্সফার) সংগ্রহ করতে হয়। তবে মাছ কম পেলেও প্রতিজন প্রতিদিন তিন সের হিসেবে মাছের রাজস্ব জমা দিতে হয়। তন্মধ্যে ১০% চিংড়ি মাছের রাজস্ব জমা দিতে হয়।<br />
<br />
সুন্দরবনে মাছ ধরতে জেলেরা বাড়ি থেকে চাউল, ডাল, তরিতরকারী নিয়ে যায়। নৌকায় থাকার জন্য তাদের প্রয়োজনীয় বালিশ ও কাথা থাকে। পাক করার জন্য সামান্য সরঞ্জামাদি থাকে। বন থেকে শুকনা জ্বালানী সংগ্রহ করে তারা ভাত রান্না করে খায়। নদী থেকে যে মাছ পায় তা থেকে কিছু তারা পাক করে খায়। জেলেদের খাওয়া দাওয়া খুবই সাধারণ। ভাত আর একটা মাছের তরকারী হলেই যথেষ্ট। নৌকার মধ্যে জেলের জীবন ধারণ বেশ বেশ কষ্টসাধ্য। নৌকায় একটা ছোট ছৈ থাকে। ঝড়-বাদল সহ্য করে তারা এ স্বল্প পরিসরে থাকে। এক দিকে বাঘ ও কুমিরের ভয় অন্য দিকে ডাকাতের ভয়। অনেক সময় পায়খানা করতে বনে গেলে বাঘে ধরে নিয়ে যায়। জেলেরা নদীতে গোসল করে। এ সময় কুমিরের ভয় থাকে।<br />
<br />
জেলেরা সারা বছর ধরলেও তারা ভরা এবং মরা গোনের উপর নির্ভর করে সুন্দরবনে মাছ ধরতে যায়। মাসে দু’ বার ভরা গোন হয় এবং দু’ বার মরা গোন হয়। প্রতি পুর্নিমায় একবার ভরা গোন ও একবার মরা গোন হয়। তেমনি প্রতি অমাবশ্যায় একবার ভরা গোনও একবার মরা গোন হয়। ভরা গোন সপ্তমী থেকে শুরু করে একাদশী পর্যন্ত থাকে। আর মরা গোন দ্বাদশী থেকে শুর করে ষষ্ঠী পর্যন্ত থাকে। ভরা গোনে সমুদ্র হতে বেশী পরিমানে লোনা পানি সুন্দরবনে ঢুকে। এ সময় বনের ভিতর পানি ঢুকে। ভরা গোনে জোয়ারের গতি অনেক বেশি থাকে। তখন সমুদ্র হতে অনেক মাছ এ পানির সাথে সুন্দরবনে ঢুকে। তাই ভরা গোনে জেলেরা অনেক মাছ পায়। সুন্দরবন পরিদর্শনের সময় বনের অভ্যন্তরে বেশি জেলে মাছ ধরা অবস্থায় দেখা গেলে বুঝতে হবে যে ভরা গোন চলছে। যদি জেলে কম দেখা যায় অথবা জেলেরা বাড়িতে চলে যাচ্ছে এরূপ অবস্থা পাওয়া যায় তখন বুঝতে হবে যে গোন শেষ। সামনে মারা গোন আসছে।<br />
<br />
সুন্দরবনের ভিতরে জেলেরা দলবদ্ধ হয়ে মাছ ধরে। যেখানে জেলে দেখা যাবে সেখানে কমছে কম ১৫-২০ টি নৌকায় মাছ ধরা অবস্থায় পাওয়া যাবে। দিনের বেলা যে যেখানেই মাছ ধরুক না কেন রাতের বেলা জেলেরা কোন বন অফিসের কাছে নোংগর করে থাকে। ডাকাতদের হাত হতে রক্ষা পাওয়ার জন্য তারা এরূপ করে। সুন্দরবনে বিভিন্ন ধরনের জেলে আছে। যেমন ভেটকি, খান মাগুর ইত্যাদি মাছ ধরার জেলে, চিংড়ি মাছ ধরার জেলে, ইলিশ মাছ ধরার জেলে, কাঁকড়া ধরার জেলে, চিংড়ি পোনা ধরার জেলে, টেংরা, ফাইস্যা প্রভৃতি মাছ ধরার জেলে। যে জেলে যে মাছ ধরে সে জেলে অন্য মাছ ধরে না। তারা এক ধরনের মাছ ধরতে ধরতে সেই মাছ ধরার কৌশল আয়ত্ব করে ফেলে। তারপর তারা জানে বনের কোথায় কোথায় তারা যে মাছ ধরে সে মাছ পাওয়া যায়। এক ধরনের মাছ সুন্দরবনের সক খালে পাওয়া যায় না। বিশেষ জায়গায় বিশেষ বিশেষ ধরনের মাছ পাওয়া যায়। সে মোতাবেক জেলেরা সেখানে গিয়ে মাছ ধরে।<br />
<br />
মাছ ধরার বিভিন্ন পদ্ধতির উপর নির্ভর করে সুন্দরবনের জেলেদের বিভিন্ন নাম করণ করা হয়। যেমন আটন জেলে, দাড়িয়া জেলে, সাভার জেলে ইত্যাদি। সুন্দরবনে মাছ ধরার জন্য বিভিন্ন ধরনের জাল ও বরশি ব্যবহার করা হয়। পাশ করার সময় যে জাল বা বরশি দিয়ে মাছ ধরা হবে তার নাম পাশে পাশে লেখা থাকে। পাশে উল্লেখিত জালের নাম দেখেই বুঝা&nbsp; যায় জেলের নিকট কোন ধরনের মাছ আছে। যে সব জাল দিয়ে সুন্দরবনে মাছ ধরা হয় সে গুলো হলো- ১) বরশী, ২) দড়ি বরশী, ৩) চরপাটা, ৪) দাড়ির জাল, ৫) বেড় জাল, ৬) ছান্দি জাল, ৭) বিন্দি জাল, ৮) আটন জাল, ৯) ঝাকি ঝাল, ১০) কোমর জাল, ১১) সাভার জাল, ১২) পাতা জাল বা নেট জাল, ১৩) টানা জাল (রকেট জাল)।<br />
.<br />
-চলবে</div>
</content><link rel='replies' type='application/atom+xml' href='http://visitsundarbon.blogspot.com/feeds/3531242175557958303/comments/default' title='Post Comments'/><link rel='replies' type='text/html' href='http://visitsundarbon.blogspot.com/2018/04/blog-post_29.html#comment-form' title='0 Comments'/><link rel='edit' type='application/atom+xml' href='http://www.blogger.com/feeds/8872312683140648806/posts/default/3531242175557958303'/><link rel='self' type='application/atom+xml' href='http://www.blogger.com/feeds/8872312683140648806/posts/default/3531242175557958303'/><link rel='alternate' type='text/html' href='http://visitsundarbon.blogspot.com/2018/04/blog-post_29.html' title='সুন্দরবনঃ পৃথিবীর সর্ববৃহৎ ম্যানগ্রোভ ফরেস্ট সম্পর্কে কিছু তথ্য - ১১'/><author><name>RAKOM</name><uri>http://www.blogger.com/profile/02904944596596026686</uri><email>noreply@blogger.com</email><gd:image rel='http://schemas.google.com/g/2005#thumbnail' width='16' height='16' src='https://img1.blogblog.com/img/b16-rounded.gif'/></author><thr:total>0</thr:total></entry><entry><id>tag:blogger.com,1999:blog-8872312683140648806.post-249525311489585468</id><published>2018-04-25T13:06:00.003+06:00</published><updated>2018-04-25T13:06:50.535+06:00</updated><category scheme="http://www.blogger.com/atom/ns#" term="Feature"/><category scheme="http://www.blogger.com/atom/ns#" term="Sundarbon"/><title type='text'>সুন্দরবনঃ পৃথিবীর সর্ববৃহৎ ম্যানগ্রোভ ফরেস্ট সম্পর্কে কিছু তথ্য - ১০</title><content type='html'><div dir="ltr" style="text-align: left;" trbidi="on">
<div class="" data-block="true" data-editor="eev7q" data-offset-key="djocj-0-0" style="background-color: white; font-family: Helvetica, Arial, sans-serif; font-size: 14px; white-space: pre-wrap;">
<div class="_1mf _1mj" data-offset-key="djocj-0-0" style="direction: ltr; font-family: inherit; position: relative;">
<span data-offset-key="djocj-0-0" style="font-family: inherit;"><b><span style="color: #0b5394;">উদবিড়াল : </span></b><span style="color: #1d2129;">সুন্দরবনে উদ বিড়াল প্রচুর পরিমানে বাস করে। এর প্রধান কারণ হল সুন্দরবনে মাছের প্রাচুর্যতা। উদ বিড়ালের প্রধান কারণ হল মাছ। উদবিড়াল পানি ও ডাংগায় বাস করে। এরা ম্ছা, কাঁকড়া, ব্যাঙ, চিংড়ি প্রভৃতি খেয়ে জীবনধারণ করে। সন্দরবনে এক শ্রেনীর জেলে আছে যারা উদবিড়াল দিয়ে মাছ ধরে। এসব জেলেদের উদ জেলে বলে। উদ বিড়াল দিয়ে মাছ ধরার দৃশ্য খুবই সুন্দর। উদ বিড়াল জেলেরা বন হতে ধরে প্রথমে প্রশিক্ষন দেয় কিভাবে মাছ ধরতে হবে। তারপর এদের কাজে লাগায়। জেলেরা জাল পেতে উদ বিড়ালের গলায় লম্বা রশি বেধে পানিতে নামিয়ে দেয়। উদবিড়াল পানিতে মাছ তাড়িয়ে জালে সমবেত করে। আর জেলেরা জাল তুলে, প্রচুর মাছ পাছ। অবশ্য উদ বিড়াল মাছ তাড়ানোর সময় নিজেও কিছু মাছ তার মনিব জেলের অগোচরে খেয়ে ফেলে।</span></span></div>
</div>
<div class="" data-block="true" data-editor="eev7q" data-offset-key="42ev6-0-0" style="background-color: white; color: #1d2129; font-family: Helvetica, Arial, sans-serif; font-size: 14px; white-space: pre-wrap;">
<div class="_1mf _1mj" data-offset-key="42ev6-0-0" style="direction: ltr; font-family: inherit; position: relative;">
<span data-offset-key="42ev6-0-0" style="font-family: inherit;"><br data-text="true" /></span></div>
</div>
<div class="" data-block="true" data-editor="eev7q" data-offset-key="bkl2b-0-0" style="background-color: white; font-family: Helvetica, Arial, sans-serif; font-size: 14px; white-space: pre-wrap;">
<div class="_1mf _1mj" data-offset-key="bkl2b-0-0" style="direction: ltr; font-family: inherit; position: relative;">
<span data-offset-key="bkl2b-0-0" style="font-family: inherit;"><span style="color: #0b5394;"><b>পাখি :</b></span><span style="color: #1d2129;"> বিচিত্র ধরনের ও রং বেরংগের পাখি সুন্দরবনে বাস করে। সুন্দরবনে প্রায় ১৮৬ প্রজাতির পাখি পাওয়া যায়। অপরদিকে বাংলাদেশের লোনা পানির বনে ২৬০ ধরনের পাখি দেখা যায়। সুন্দরবনে উল্লেখযোগ্য পাখির মধ্যে রয়েছে মদন টেক, মাছরাঙ্গা, চিল, বক, সারস প্রভৃতি। সুন্দরবনে যে সব পাখি বাস করে এদের মধ্যে বেশীর ভাগই মৎস্য ভোজী পাখি। এর কারণ হল সুন্দরবনে কোন শস্য ক্ষেত নেই। পাখির খাওয়া উপযোগী কোন ফল গাছ নেই। সুন্দরবনে আছে শুধু মাছ আর মাছ। সেজন্যে সুন্দরবনে মৎস্য ভোজী পাখির আবাস স্থল গড়ে উঠেছে। বিশাল সুন্দরবনে হাজার হাজার পাখি বসবাস করে। পাখির কলকাকলিতে ক্ষনিকের তরে গভীর বনের নির্জনতা ভেংগে যায়। দলে দলে পাখি উড়ে বনের এক স্থান হতে অন্যস্থানে গমন করে। মাছ রাঙ্গা, বক, মদন টেক মাছ ধরার আশায় এক পা তুলে ্একাগ্র চিত্তে পানির দিকে চেয়ে থাকে মৎস্য ভক্ষনের আশায়। এ দৃশ্য বনের সর্বত্র দেখা গেলেও বেশী দেখা যায় কচিখালী ও নীলকমল অভয়ারন্যের নদীর পাড়ে। স্থায়ী পাখি ছাড়াও বিচিত্র ধরনের মৌসুমী পাখি সুন্দরবনে আসে। শীত মৌসুমে এ সব পাখি আসে হাজার হাজার মাইল পাড়ি দিয়ে অষ্ট্রেলিয়া, সাইবেরিয়া প্রভৃতি দেশ হতে সুন্দরবনে। শীতকালটা এরা কাটিয়ে দেয় সুন্দরবনের দুবলা, নীলকমল, মান্দারবাড়িয়া, কচিখালী প্রভৃতি চরে। এদের অবাধ বিচরণ ও কোলাহলে এ সব নির্জন স্থান মুখরিত হয়ে উঠে। কোন কোন মৌসুমী পাখি সুন্দরবনে যাত্রা বিরতিও করে। প্রায় আশি প্রজাতির মৌসুমী পাখি সুন্দরবনে আসে। শীতকালে দুবলা, নীলকমল, মান্দারবাড়িয়া ও কচিখালীতে মৌসুমী মাছ ধরার ধুম চলে। তৈরী হয় টন কে টন শুটকি মাছ। আর দেশী-বিদেশী পাখি মাছের লোভে এ সব চরাঞ্চলে ভ্রমন করে দল বেধে। পাখির দল মাছের লোভে এত মত্ত হয় যে পর্যটক বা জেলেরা এদের কাছে গেলেও এরা কোন ভয় পায়না। মনের অনাবিল আনন্দে মাছ খায় ওরা। মাঝে মধ্যে ঝাঁকে ঝাঁকে পাখি শুটকি মাছ শুকানো অবস্থায় চড়াও হয়। এক নিমিষে অনেক মাছ নিয়ে পাখিরা পালায়ন করে। তাই জেলেদের মাছ শুকানোর সময় পাখি তাড়ানোতে সর্বদা ব্যস্ত থাকতে হয়। পর্যটকদের সুন্দরবনে ভ্রমনের সময় একটা বড় আকর্ষন হল বিচিত্র ধরনের পাখি পর্যবেক্ষন করা। সুন্দরবনে এমন কতগুলো পাখি আছে যে গুলো বাংলাদেশের অন্য এলাকায় বিরল।বর্তমানে আমরা সুন্দরবনের যে পাখি দেখি এর মধ্যে ২৫ ভাগ মৌসুমী পাখি। পাখি সংরক্ষন ও উন্নয়নের জন্য সুন্দরবনে দু’টি পাখি অভয়ারন্য রয়েছে। যথা- চুনকুড়ি খাল পাখি অভয়ারন্য এবং জিউধারা পাখি অভয়ারন্য। চুনকুড়ি খাল পাখি অভয়ারণ্য সুন্দরবনের উত্তর পশ্চিম সীমান্তে সাতক্ষীরা রেঞ্জের কদমতলা ষ্টেশনের নিকট ৪৭ নং কম্পার্টমেন্টে অবস্থিত। চুনকুড়ি পাখি অভয়ারন্যটি বেশ পুরাতন। স্বাধীনতা উত্তর চুনকুড়ি পাখি অভয়ারণ্য হতে গাছ কাটার ফলে পাখির বাসা, ডিম ও পাখি ছানার প্রভুত ক্ষতি হয়। এর ফলে উক্ত পাখি অভয়ারণ্য হতে অনেক পাখি অন্যত্র চলে যায়।</span></span></div>
</div>
<div class="" data-block="true" data-editor="eev7q" data-offset-key="9ei3t-0-0" style="background-color: white; color: #1d2129; font-family: Helvetica, Arial, sans-serif; font-size: 14px; white-space: pre-wrap;">
<div class="_1mf _1mj" data-offset-key="9ei3t-0-0" style="direction: ltr; font-family: inherit; position: relative;">
<span data-offset-key="9ei3t-0-0" style="font-family: inherit;"><br data-text="true" /></span></div>
</div>
<div class="" data-block="true" data-editor="eev7q" data-offset-key="1ecja-0-0" style="background-color: white; font-family: Helvetica, Arial, sans-serif; font-size: 14px; white-space: pre-wrap;">
<div class="_1mf _1mj" data-offset-key="1ecja-0-0" style="direction: ltr; font-family: inherit; position: relative;">
<span data-offset-key="1ecja-0-0" style="font-family: inherit;"><b><span style="color: #0b5394;">বন মোরগ :</span></b><span style="color: #1d2129;"> বন মোরগ সুন্দরবনে প্রচুর পরিমানে দেখা যায়। বন মোরগের কুক কুরু কু ডাকে বনের নির্জনতা ক্ষনিকের তরে হারিয়ে যায়। বন মোরগ সুন্দরবনের সর্বত্র ব্যাপকভাবে বাস করে। বন মোরগের অবাধ বিচরণ নীলকমল বন্যপ্রাণী অভয়ারন্যে পর্যবেক্ষন করা যায়। সকালে অথবা বিকেলে বন মোরগ দল বেঁধে নীলকমল নদীর পাড়ে খাদ্যের অনে¦ষনে ঘুরা ফেরা করে। এক এক দলে ৭-৮ টি বন মোরগ দেখা যায়। অধিকাংশ বন মোরগের গায়ের রং লাল। পেছনের পাখায় লাল কালছে ভাব পরিলক্ষিত হয়। নীলকমল অভয়ারন্য কেন্দ্রে একটি পুকুর আছে। অনেক সময় বন মোরগ দল বেঁধে পানি পান রত অবস্থায় সেখানে দেখা যায়। এ দৃশ্য অবলকনে মনে বেশ আনন্দ অনুভুত হয়। কটকা এবং কচিখালীতে বন্যপ্রাণী অভয়ারন্যে কেন্দ্রের আশেপাশে বন মোরগের অবাধ বিচরণ পর্যবেক্ষন করা যায়।</span></span></div>
</div>
<div class="" data-block="true" data-editor="eev7q" data-offset-key="d6bcu-0-0" style="background-color: white; color: #1d2129; font-family: Helvetica, Arial, sans-serif; font-size: 14px; white-space: pre-wrap;">
<div class="_1mf _1mj" data-offset-key="d6bcu-0-0" style="direction: ltr; font-family: inherit; position: relative;">
<span data-offset-key="d6bcu-0-0" style="font-family: inherit;"><br data-text="true" /></span></div>
</div>
<div class="" data-block="true" data-editor="eev7q" data-offset-key="4s8ks-0-0" style="background-color: white; font-family: Helvetica, Arial, sans-serif; font-size: 14px; white-space: pre-wrap;">
<div class="_1mf _1mj" data-offset-key="4s8ks-0-0" style="direction: ltr; font-family: inherit; position: relative;">
<span data-offset-key="4s8ks-0-0" style="font-family: inherit;"><b><span style="color: #0b5394;">শুষক :</span></b><span style="color: #1d2129;"> সুন্দরবনের ডাংগায় যেমন আছে বিভিন্ন ধরনের বন্যপ্রানী তেমনি পানিতে বাস করে পৃথিবীর বিরল জলজ বন্যপ্রাণী যথা- শুষক, ডলফিন, হাংগর, কুমির, সাপ, গুইসাপ প্রভৃতি। এর মধ্যে শুষক প্রচুর পরিমানে সুন্দরবনের নদী-নালায় সর্বত্র দেখা যায়। হাজার হাজার শুষক সুন্দরবনের নদী ও খালে বাস করে। সুন্দরবনে পথ চলার সময় এদের বিচরণ ও অবস্থান সহজে অনুমান করা যায়। পানিতে লক্ষ করলে দেখা যায় যে, একটি মাছ যেন পানির উপর লাফ দিয়ে আবার পানিতে মিশে গেল। এ দৃশ্য সর্বত্র দেখা যায়। এটা আসলে সাধারণ মাছ নয়। এগুলো হল শুষকের কাজ।</span></span></div>
</div>
<div class="" data-block="true" data-editor="eev7q" data-offset-key="b04nr-0-0" style="background-color: white; color: #1d2129; font-family: Helvetica, Arial, sans-serif; font-size: 14px; white-space: pre-wrap;">
<div class="_1mf _1mj" data-offset-key="b04nr-0-0" style="direction: ltr; font-family: inherit; position: relative;">
<span data-offset-key="b04nr-0-0" style="font-family: inherit;"><br data-text="true" /></span></div>
</div>
<div class="" data-block="true" data-editor="eev7q" data-offset-key="7ejrs-0-0" style="background-color: white; font-family: Helvetica, Arial, sans-serif; font-size: 14px; white-space: pre-wrap;">
<div class="_1mf _1mj" data-offset-key="7ejrs-0-0" style="direction: ltr; font-family: inherit; position: relative;">
<span data-offset-key="7ejrs-0-0" style="font-family: inherit;"><span style="color: #0b5394;"><b>হাংগর </b></span><span style="color: #1d2129;">: সুন্দরবনে প্রচুর পরিমানে হাংগর বাস করত। কালের বিবর্তনে অধুনা সুন্দরবনে হাংগর নেই বললেই চলে। হাংগর খুব দুধর্ষ জলজ স্তন্যপায়ী প্রাণী। সময় ও সুযোগ পেলে এরা কুমিরকেও আক্রমন করে। সুন্দরবনে ভ্রমনের সময় হাংগরের উপস্থিতি অবলোকন এক বিরণ ঘটনা।</span></span></div>
</div>
<div class="" data-block="true" data-editor="eev7q" data-offset-key="e15jr-0-0" style="background-color: white; color: #1d2129; font-family: Helvetica, Arial, sans-serif; font-size: 14px; white-space: pre-wrap;">
<div class="_1mf _1mj" data-offset-key="e15jr-0-0" style="direction: ltr; font-family: inherit; position: relative;">
<span data-offset-key="e15jr-0-0" style="font-family: inherit;"><br data-text="true" /></span></div>
</div>
<div class="" data-block="true" data-editor="eev7q" data-offset-key="4im4o-0-0" style="background-color: white; font-family: Helvetica, Arial, sans-serif; font-size: 14px; white-space: pre-wrap;">
<div class="_1mf _1mj" data-offset-key="4im4o-0-0" style="direction: ltr; font-family: inherit; position: relative;">
<span data-offset-key="4im4o-0-0" style="font-family: inherit;"><span style="color: #0b5394;">সুন্দরবনের মাছ :</span><span style="color: #1d2129;"> সুন্দরবনে বৃক্ষের পাশাপাশি মৎস্য সম্পদে পরিপূর্ণ। বন্য প্রানী, মৎস্য ও বন এ তিন নিয়ে সুন্দরবন। বিভিন্ন প্রকারের অজস্য মাছ রয়েছে সুন্দরবনে। এক কথায় সুন্দরবন মৎস্য সম্পদে সমৃদ্ধশালী। বাংলাদেশে বিভিন্ন মৎস্য আহরণ এলাকা রয়েছে। এর মধ্যে সুন্দরবন অন্যতম। হাজার হাজার জেলে সুন্দরবন এবং তদসংলগ্ন বঙ্গোপসাগর হতে মাছ ধরে জীবিকা নির্বাহ করছে। সুন্দরবনে মাছের সৃখ্যাতি আছে দেশ জুড়ে। শুধু কি তাই। সুন্দরবনের মাছের সুখ্যাতি বিদেশেও আছে। সুন্দরবনের চিংড়ি, ইলিশ, কাঁকড়া প্রভুতি মাছ দেশের চাহিদা মিটিয়ে প্রচুর পরিমানে বিদেশে রপ্তানী করে প্রচুর বৈদেশিক মুদ্রা আয় হচ্ছে। প্রতি বছর প্রায় ৩(তিন) লক্ষ জেলে সুন্দরবনে মাছ ধরে। সুন্দরবনে বিভিন্ন ধরনের মাছ আছে। এর মধ্যে উল্লেখযোগ্য মাছ হল ইলিশ, ভেটকি, পাংগাশ, গলদা চিংড়ি, সেলুন, রিঠা, পোয়া, খান মাগুর, দাতিনা, ছুড়ি, লইট্যা, ফাইস্যা, রেখা, বোচা, ট্যাংরা, বাটা, ইত্যাদি। বাংলাদেশে মোট ৪৭৪ প্রজাতির মাছ আছে। তস্মধ্যে সুন্দরবনে ১২০ প্রজাতির মাছ আছে। প্রতি বছর সুন্দরবন হদে গড়ে ৭ হাজার মেট্রিক টন মাছ আহরণ করা হয় যা বৃহত্তর খুলনায় ৩৫% আহরিত মাছের সমান। সুন্দরবনের মাছ আয়োডিন যুক্ত এবং খেতেও বেশ সুস্বাদু। সমুদ্রের লোনা পানি ও উপর থেকে আসা মিঠা পানির সংমিশ্রিত পানিতে গড়ে উঠা এসব মাছের বৈশিষ্ট ও গুনাবলী অন্যান্য মাছ থেকে পৃথক। সুন্দরবনের মাছ বলিষ্ট হয় বেশ। মাছের প্রাচুর্য হেতু সারা বছর জেলেরা সুন্দরবনে মাছ ধরে থাকে। আবার বিশেষ মৌসুমেও সুন্দরবনে মাছ ধরার প্রবনতা লক্ষ্য করা যায়। তাই সুন্দরবনের মৎস্য আহরনকে প্রধানতঃ ২ ভাগে ভাগ করা যায়। যথা- (১) সারা বছর মাছ ধরা, (২) মৌসুমী মাছ ধরা।</span></span></div>
<div class="_1mf _1mj" data-offset-key="4im4o-0-0" style="color: #1d2129; direction: ltr; font-family: inherit; position: relative;">
<span data-offset-key="4im4o-0-0" style="font-family: inherit;">.</span></div>
</div>
<div class="" data-block="true" data-editor="eev7q" data-offset-key="3i2ig-0-0" style="background-color: white; font-family: Helvetica, Arial, sans-serif; font-size: 14px; white-space: pre-wrap;">
<div class="_1mf _1mj" data-offset-key="3i2ig-0-0" style="direction: ltr; font-family: inherit; position: relative;">
<span data-offset-key="3i2ig-0-0" style="font-family: inherit;"><b><span style="color: red;">-চলবে</span></b></span></div>
</div>
</div>
</content><link rel='replies' type='application/atom+xml' href='http://visitsundarbon.blogspot.com/feeds/249525311489585468/comments/default' title='Post Comments'/><link rel='replies' type='text/html' href='http://visitsundarbon.blogspot.com/2018/04/blog-post_71.html#comment-form' title='0 Comments'/><link rel='edit' type='application/atom+xml' href='http://www.blogger.com/feeds/8872312683140648806/posts/default/249525311489585468'/><link rel='self' type='application/atom+xml' href='http://www.blogger.com/feeds/8872312683140648806/posts/default/249525311489585468'/><link rel='alternate' type='text/html' href='http://visitsundarbon.blogspot.com/2018/04/blog-post_71.html' title='সুন্দরবনঃ পৃথিবীর সর্ববৃহৎ ম্যানগ্রোভ ফরেস্ট সম্পর্কে কিছু তথ্য - ১০'/><author><name>RAKOM</name><uri>http://www.blogger.com/profile/02904944596596026686</uri><email>noreply@blogger.com</email><gd:image rel='http://schemas.google.com/g/2005#thumbnail' width='16' height='16' src='https://img1.blogblog.com/img/b16-rounded.gif'/></author><thr:total>0</thr:total></entry><entry><id>tag:blogger.com,1999:blog-8872312683140648806.post-6767193122310543063</id><published>2018-04-25T13:03:00.002+06:00</published><updated>2018-04-25T13:03:20.394+06:00</updated><category scheme="http://www.blogger.com/atom/ns#" term="Feature"/><category scheme="http://www.blogger.com/atom/ns#" term="Sundarbon"/><title type='text'>সুন্দরবনঃ পৃথিবীর সর্ববৃহৎ ম্যানগ্রোভ ফরেস্ট সম্পর্কে কিছু তথ্য - ০৯</title><content type='html'><div dir="ltr" style="text-align: left;" trbidi="on">
<div class="" data-block="true" data-editor="eev7q" data-offset-key="djocj-0-0" style="background-color: white; font-family: Helvetica, Arial, sans-serif; font-size: 14px; white-space: pre-wrap;">
<div class="_1mf _1mj" data-offset-key="djocj-0-0" style="direction: ltr; font-family: inherit; position: relative;">
<span data-offset-key="djocj-0-0" style="font-family: inherit;"><span style="color: #0b5394;"><b>বানর :</b></span><span style="color: #1d2129;"> সুন্দরবনের কথা ভাবলে যেমন রয়েল বেঙ্গল টাইগার ও হরিণের কথা মনে পড়ে তেমনি বানরের কথাও মনে পড়ে। সুন্দরবনে বানর হরিনের বন্ধু। হরিণ যেখানে আছে সেখানে বানরও আছে বুঝতে হবে। সুন্দরবনের প্রায় সর্বত্রই বানর বসবাস করে। প্রায় ৪০ হাজার বানর সুন্দরবনে আছে। এরা সুন্দরবনে ভুষি জঙ্গলে থাকতে বেশী পছন্দ করে। ১০-৩০ টি বা তদউর্দ্ধে বানর হরিণের সাথে দল বেঁধে থাকতে দেখা যায়। সুন্দরবনের বসবাসকারী বানরের প্রধান খাদী হলো কেওড়া, কচি গোলপাতা, ঘাস, কাকড়া, মাছ প্রভৃতি। নদীর ধারের কাদাযুক্ত বন এলাকা এবং কেওড়া বৃক্ষ বানরের অতি গুরুত্বপূর্ণ খাদ্য এলাকা। বানর দুষ্ট প্রকৃতির। বানরের চঞ্চলতা, তার ক্ষিপ্রতা, মেধা সহ সব ধরনের আচরণ পর্যটকদের খুব সহজেই মুগ্ধ করে। সুন্দরবনের বানরগুলো আকারে খুব বেশী বড় হয় না। সুন্দরবনের প্রায় সর্বত্রই এই বানরগুলো দেখা যায়। বিশেষ করে ভাটার সময় নদী বা খালের পাড়ে খাবারের সন্ধানে এলে এদের বেশী দেখা যায়। এছাড়াও গাছের ডালে ডালে এদের বিচরণ লক্ষ করা যায়। পুরুষ বা মর্দা বানর একটি মহিলা বানরের চেয়ে দু’ তিন কেজি বেশী ওজনের হয়। একটি বানর গড়ে ৭-৮ কেজি হয়। বানরের লেজের কাছ থেকে পুরু পেছনটা সিদুরের মত লাল। প্রতি দলে একজন দলপতি আছে। বানরের দলের দলপতি তার দল খুব সুশৃংখল রাখে। এতে কখনো কখনো শাসন করতে হয়। প্রয়োজনে মারধরও করে। সারা বছর বানরের প্রজনন সময়। বানরের জীবনে পানি খুবই প্রয়োজন। প্রতিদিন বানর ১-২ কেজি পানি খায়। সকালে অথবা বিকেলে নদী থেকে এদের পানি খেতে দেখা যায়। বাচ্চা দেয়ার পর বাচ্চা মায়ের সাথে খাকে। তিন মাসের মত বয়স হলে এরা মায়ের কাছাকাছি থেকে খাদ্য গ্রহণ ও খেলাধুলা করে। দুপুরে এরা ঘুমাতে ভালবাসে। সব সময় এরা হরিণের সাথে সাথে থাকে। গাছের পাতা ছিড়ে মাটিতে ফেলে আর হরিণ খায়। বিপদ আপদে সংকেত দিলে হরিণ ভয়ে পলায়ন করে।</span></span></div>
</div>
<div class="" data-block="true" data-editor="eev7q" data-offset-key="cn3d2-0-0" style="background-color: white; color: #1d2129; font-family: Helvetica, Arial, sans-serif; font-size: 14px; white-space: pre-wrap;">
<div class="_1mf _1mj" data-offset-key="cn3d2-0-0" style="direction: ltr; font-family: inherit; position: relative;">
<span data-offset-key="cn3d2-0-0" style="font-family: inherit;"><br data-text="true" /></span></div>
</div>
<div class="" data-block="true" data-editor="eev7q" data-offset-key="viuv-0-0" style="background-color: white; font-family: Helvetica, Arial, sans-serif; font-size: 14px; white-space: pre-wrap;">
<div class="_1mf _1mj" data-offset-key="viuv-0-0" style="direction: ltr; font-family: inherit; position: relative;">
<span data-offset-key="viuv-0-0" style="font-family: inherit;"><b><span style="color: #0b5394;">কচ্ছপ :</span></b><span style="color: #1d2129;">সুন্দরবনে পাঁচ প্রজাতির কচ্ছপ আছে। যথা- অলিভ রিডলি, সবুজ, লোকারহেড, হক্সবিল এবং লেদারব্যাগ। এর মধ্যে বেশী পাওয়া সবুজ কচ্ছপ। কচ্ছপ সুন্দরবনের সর্ব দক্ষিনে সমুদ্র উপকুলে পাওয়া যায়। সাধারণতঃ মান্দারবাড়িয়া, পুতনি চর, পক্ষীর চর এলাকায় শীতকালে এদের বিচরণ করতে দেখা যায়। চর এলাকায় ডিম পাড়তে আসা এ সমস্ত কচ্ছপের দেখা পেলে পর্যটকরা ভীষন আনন্দ পায়।</span></span></div>
</div>
<div class="" data-block="true" data-editor="eev7q" data-offset-key="5mc7q-0-0" style="background-color: white; color: #1d2129; font-family: Helvetica, Arial, sans-serif; font-size: 14px; white-space: pre-wrap;">
<div class="_1mf _1mj" data-offset-key="5mc7q-0-0" style="direction: ltr; font-family: inherit; position: relative;">
<span data-offset-key="5mc7q-0-0" style="font-family: inherit;"><br data-text="true" /></span></div>
</div>
<div class="" data-block="true" data-editor="eev7q" data-offset-key="a5vg0-0-0" style="background-color: white; color: #1d2129; font-family: Helvetica, Arial, sans-serif; font-size: 14px; white-space: pre-wrap;">
<div class="_1mf _1mj" data-offset-key="a5vg0-0-0" style="direction: ltr; font-family: inherit; position: relative;">
<span data-offset-key="a5vg0-0-0" style="font-family: inherit;">গাপ : সুন্দরবনের গভীর অরণ্যে বিভিন্ন ধরনের সাপ বাস করে। অনেক সাপ আছে বিষধর। আবার অনেক সাপ আছে বিষধর নয়। এদের সচরাচর পানি ও ডাংগায় বিচরণ করতে দেখা যায়। সুন্দরবনের উল্লেখযোগ্য সাপের মধ্যে অজগর, জলবোরা, কোবরা, গোখরা, সুন্দরী সাপ প্রধান। সুন্দরবনে সর্বত্র সাপ বাস করে। তবে বন্য প্রাণী অভয়ারণ্যে বেশী সাপ দেখা যায়। চিল সুন্দরবনের সাপ ধরে খায়। অজগর সুন্দরবনের সবচেয়ে বড় সাপ। একটা অজগর সাপ সাধারণতঃ ১০-২০ ফুট লম্বা হয় এবং ওজন ২-৩ মন হয়ে থাকে। অজগর বেশ মোটাসোটা হয়। অজগর মসৃন আঁশে মোড়া বেশ চকচকে। সমস্ত শরীর কালো-সাদা। পিঠের মূল রং হাল্কা হলুদ, ক্রিম ধুসর বা বাদামী হয়। অজগর বেশ অলস। এরা খুব ধীর গতিতে চলে। অজগর নদীর কিনারা এবং বৃহৎ জলাশয় বেশী পছন্দ করে। অজগর এত অলস যে খাবারের সন্ধানে ঘুরাফেরা করার ধৈর্য্য পর্যন্ত এদের নেই। অজগর গাছে চড়তে পারদর্শী। গাছে চড়ে এরা লেজ গাছের ডালে পেচিয়ে দুলতে থাকে। খাবার সামনে দিয়ে গেলে প্রথমে এরা কামড় দিয়ে ধরে ফেলে। তারপর প্রাণীটিকে এক দু’ প্যাচ দেয়। এতে শিকার শ্বাসরুদ্ধ হয়ে মারা যায়। আবার খাবারের সন্ধানে অজগর বনের মধ্য দিয়ে চলাচল রাস্তার ধারে, কোন ডোবা-নালার পাড়ে বা গর্তের ধারে ওৎ পেতে থাকে। শিকার গেলে ধরে খায়। অজগরের প্রধান প্রধান খাদ্য হলো ইদুর, হরিণ শাবক, শুকর, বানর, পাখি প্রভৃতি। অজগর শীতের পর ডিম দেয়। একটি স্ত্রী অজগর সর্বাধিক ১১০টি ডিম দেয়। ছোট গর্ত করে, গাছের গহ্বরে বা নির্জন গুগায় অজগর ডিম পাড়ে। ডিম ফুটতে সময় লাগে ৬০-৮০ দিন। ডিমে তা দেয়ার পুরো সময় মা অজগর উপবাস থাকে। ডিম ফুটে বাচ্চা বেরুলে প্রায় ২-৫ ফুট লম্বা হয়। সাপের কোন হাত পা নেই। তারা সারপেনটাইন মুভমেন্ট বা লোকমুশান বা সাপাগতি পদ্ধতিতে চলাফেরা করে। এরা এস এর মত চলে। সাপের মাথার দিকে একটি এস এর মত ভাজ আছে। সে ভাজ লেজ পর্যন্ত চলে যায়। প্রতিটি ভাজের সাথে মাটির অমসৃণতা বাধা পায়। ফলে সাপের পেশি সংকোচন জনিত কারণে যে শক্তি সৃষ্টি হয় তা ব্যবহার করে সাপ চলাফেরা করে। সাপের চামড়া খুবই দামী।</span></div>
</div>
<div class="" data-block="true" data-editor="eev7q" data-offset-key="6omm1-0-0" style="background-color: white; color: #1d2129; font-family: Helvetica, Arial, sans-serif; font-size: 14px; white-space: pre-wrap;">
<div class="_1mf _1mj" data-offset-key="6omm1-0-0" style="direction: ltr; font-family: inherit; position: relative;">
<span data-offset-key="6omm1-0-0" style="font-family: inherit;"><br data-text="true" /></span></div>
</div>
<div class="" data-block="true" data-editor="eev7q" data-offset-key="d01ss-0-0" style="background-color: white; font-family: Helvetica, Arial, sans-serif; font-size: 14px; white-space: pre-wrap;">
<div class="_1mf _1mj" data-offset-key="d01ss-0-0" style="direction: ltr; font-family: inherit; position: relative;">
<span data-offset-key="d01ss-0-0" style="font-family: inherit;"><span style="color: #0b5394;"><b>গুইসাপ </b></span><span style="color: #1d2129;">: গুইসাপ এক ধরনের সরীসৃপ জাতীয় প্রাণী। সুন্দরবনে প্রচুর পরিমানে গুইসাপ বাস করে। গুইকে সাপ বললেও আসলে এরা সাপ নয়। কারণ সাপের হাত পা নেই। কিন্তু গুইসাপের হাত পা আছে। সাপ লোকমুশান আ সাপাগতি পদ্ধতিতে চলাফেরা করে। আর গুই সাপ হাত পা দিয়ে চলাফেরা করে। সুন্দরবনে তিন ধরনের গুইসাপ আছে। যথা- ব্যয়গন মনিটর, হলুদ মনিটর ও র্যাকডি সাব রোজড মনিটর। নন্দবালা খাল জোংড়া খাল, কচিখালী, নীলকমল ও মান্দারবাড়িয়া বন্যপ্রাণী অভয়ারণ্যে বেশী গুই সাপ দেখা যায়। পানিতে যখন গুইসাপ সাতার কাটে তখন বেশ সুন্দর দেখায়। বাইন বা বড় পুরাতন গাছের কুঠরীতে গুইসাপ বেশী বাস করে এবং তথায় ডিম পাড়ে।</span></span></div>
</div>
<div class="" data-block="true" data-editor="eev7q" data-offset-key="2318o-0-0" style="background-color: white; color: #1d2129; font-family: Helvetica, Arial, sans-serif; font-size: 14px; white-space: pre-wrap;">
<div class="_1mf _1mj" data-offset-key="2318o-0-0" style="direction: ltr; font-family: inherit; position: relative;">
<span data-offset-key="2318o-0-0" style="font-family: inherit;"><br data-text="true" /></span></div>
</div>
<div class="" data-block="true" data-editor="eev7q" data-offset-key="1mcvv-0-0" style="background-color: white; font-family: Helvetica, Arial, sans-serif; font-size: 14px; white-space: pre-wrap;">
<div class="_1mf _1mj" data-offset-key="1mcvv-0-0" style="direction: ltr; font-family: inherit; position: relative;">
<span data-offset-key="1mcvv-0-0" style="font-family: inherit;"><b><span style="color: #0b5394;">শুকর :</span></b><span style="color: #1d2129;"> শুকর সুন্দরবনের একটি উল্লেখযোগ্য বন্যপ্রাণী। এরা সুন্দরবনের সর্বত্র বাস করে। সুন্দরবনের বাঘের প্রধান খাদ্য হল হরিণ। কিন্তু হরিণ না পেলে বাঘ বেশী পছন্দ করে শুকরকে। অনেক সময় হরিণ ও শুকর একত্রে বিচরণ করে থাকে। কচিখালী অভয়ারন্যে হরিণ ও শুকরকে একত্রে বিচরণ করতে দেখা যায়। বয়স্ক শুকরের গায়ের রং কাল। বাচ্চা অবস্থায় গায়ের রং ধুসরের উপর গাঢ় ডোরা কাটা থাকে। কয়েক মাসের মধ্যে গায়ের ডোরা বিলুপ্ত হয়ে যায়। যৌবনে গায়ের রং গাঢ়-ধুসর বর্নের হয়। শুকরকে সর্বভোগী প্রাণী বলা হয়। সুন্দরবনের শুকর গাছের মূল, কান্ড, বীজ, কাকড়া, শামুক, ঝিনুক, চিংড়ি মাছ, সামুদ্রিক কচ্ছপের ডিম, মৃত মাছ সহ অন্যান্য প্রাণী খেয়ে জীবন ধারণ করে। বাঘের খাওয়ার পর বাকী যে অংশ থাকে তাও শুকর খায়। শুকর খুব হিংস্র প্রাণী অনেক সময় দাতাল শুকরের সাথে রয়েল বেঙ্গল টাইগারের যুদ্ধ বেধে যায়। আবার অনেক সময় শুকরে শুকরে মারামারি হয়। সুন্দরবণ ভ্রমনের সময় এ বিরল দৃশ্য উপভোগের সৌভাগ্য ভ্রমনকারীদের হয়ে থাকে। কচিখালী বন্যপ্রাণী অভয়ারন্যে বেশী শুকর দেখা যায়। শুকরের যত্রতত্র বিচরনের ফলে নৃতন গাছ জম্মানোর বাধাগ্রস্থ হয়। এরা অঙ্কুরিত চারা, বীজ খেয়ে প্রাকৃতিক ভাবে বন গঠনে প্রতিকুল অবস্থার সৃষ্টি করে। গহীন বনে যখন একাকী শুকর দাড়িয়ে থাকে তখন দেখতে সুন্দর লাগে। ঘন সবুজের মাঝে কাল একটি বন্যপ্রানীর উপস্থিতি সুন্দর মানায়। কোন কোন সময় বিশ বা ততোধিক শুকর দলবদ্ধভাবে বিচরণ করতে দেখা যায়। সুন্দরবনের শুকর ডিসেম্বর-জানুয়ারী মাসে মিলিত হয়।এ সময় এদের প্রজনন সময়। শুকরের গর্ভকাল হল ৩-৫ মাছ। সাধারণতঃ সুন্দরবনের শুকর এপ্রিল-মে মাসে বাচ্চা প্রসব করে। একটি মহিলা শুকর এক সংগে ছয় বা ততোধিক বাচ্চা প্রসব করে। বাঘ কর্তৃক শুকর ছানা ভক্ষনের কারনে আশাতিতভাবে শুকরের সংখ্যা সুন্দরবনে বাড়ছে না। বাংলাদেশের অন্যান্য বনের শুকর উপজাতীয়রা শিকার করে মাংস খায়। কিন্তু সুন্দরবন সংলগ্ন উপজাতীর আবাস না থাকায় অবৈধ শুকর শিকার সুন্দরবনে নেই বললেই চলে। সুন্দরবন হতে মাংসের জন্য অতি সামান্যই শুকর শিকার হয়।</span></span></div>
<div class="_1mf _1mj" data-offset-key="1mcvv-0-0" style="color: #1d2129; direction: ltr; font-family: inherit; position: relative;">
<span data-offset-key="1mcvv-0-0" style="font-family: inherit;"><br /></span></div>
</div>
<div class="" data-block="true" data-editor="eev7q" data-offset-key="6slg5-0-0" style="background-color: white; font-family: Helvetica, Arial, sans-serif; font-size: 14px; white-space: pre-wrap;">
<div class="_1mf _1mj" data-offset-key="6slg5-0-0" style="direction: ltr; font-family: inherit; position: relative;">
<span data-offset-key="6slg5-0-0" style="font-family: inherit;"><span style="color: #1d2129;">-</span><b><span style="color: red;">চলবে</span></b></span></div>
</div>
</div>
</content><link rel='replies' type='application/atom+xml' href='http://visitsundarbon.blogspot.com/feeds/6767193122310543063/comments/default' title='Post Comments'/><link rel='replies' type='text/html' href='http://visitsundarbon.blogspot.com/2018/04/blog-post_25.html#comment-form' title='0 Comments'/><link rel='edit' type='application/atom+xml' href='http://www.blogger.com/feeds/8872312683140648806/posts/default/6767193122310543063'/><link rel='self' type='application/atom+xml' href='http://www.blogger.com/feeds/8872312683140648806/posts/default/6767193122310543063'/><link rel='alternate' type='text/html' href='http://visitsundarbon.blogspot.com/2018/04/blog-post_25.html' title='সুন্দরবনঃ পৃথিবীর সর্ববৃহৎ ম্যানগ্রোভ ফরেস্ট সম্পর্কে কিছু তথ্য - ০৯'/><author><name>RAKOM</name><uri>http://www.blogger.com/profile/02904944596596026686</uri><email>noreply@blogger.com</email><gd:image rel='http://schemas.google.com/g/2005#thumbnail' width='16' height='16' src='https://img1.blogblog.com/img/b16-rounded.gif'/></author><thr:total>0</thr:total></entry><entry><id>tag:blogger.com,1999:blog-8872312683140648806.post-4535658472335060008</id><published>2018-04-25T12:59:00.000+06:00</published><updated>2018-04-25T12:59:32.867+06:00</updated><category scheme="http://www.blogger.com/atom/ns#" term="Feature"/><category scheme="http://www.blogger.com/atom/ns#" term="Royal Bengal Tiger"/><category scheme="http://www.blogger.com/atom/ns#" term="Sundarbon"/><title type='text'>সুন্দরবনঃ পৃথিবীর সর্ববৃহৎ ম্যানগ্রোভ ফরেস্ট সম্পর্কে কিছু তথ্য - ০৮</title><content type='html'><div dir="ltr" style="text-align: left;" trbidi="on">
<div class="" data-block="true" data-editor="eev7q" data-offset-key="djocj-0-0" style="background-color: white; font-family: Helvetica, Arial, sans-serif; font-size: 14px; white-space: pre-wrap;">
<div class="_1mf _1mj" data-offset-key="djocj-0-0" style="direction: ltr; font-family: inherit; position: relative;">
<span data-offset-key="djocj-0-0" style="font-family: inherit;"><span style="color: orange;">হরিণঃ</span></span></div>
</div>
<div class="" data-block="true" data-editor="eev7q" data-offset-key="6ov0c-0-0" style="background-color: white; color: #1d2129; font-family: Helvetica, Arial, sans-serif; font-size: 14px; white-space: pre-wrap;">
<div class="_1mf _1mj" data-offset-key="6ov0c-0-0" style="direction: ltr; font-family: inherit; position: relative;">
<span data-offset-key="6ov0c-0-0" style="font-family: inherit;"><br data-text="true" /></span></div>
</div>
<div class="" data-block="true" data-editor="eev7q" data-offset-key="e6ivd-0-0" style="background-color: white; color: #1d2129; font-family: Helvetica, Arial, sans-serif; font-size: 14px; white-space: pre-wrap;">
<div class="_1mf _1mj" data-offset-key="e6ivd-0-0" style="direction: ltr; font-family: inherit; position: relative;">
<span data-offset-key="e6ivd-0-0" style="font-family: inherit;">সুন্দরবনের কথা মনে হলেই সুন্দরবনের হরিনের কথা মনে পড়ে যায়। অপুর্ব সুন্দর, টানা টানা চোখ, মায়াবী চাহনি, গুনে গুনানি¦ত সুন্দরবনের হরিণ মানুষের মনকে এক পলকে কেড়ে নেয়। সুন্দরবনে দু-ধরনের হরিণ আছে যথা চিত্রল হরিণ ও মায়া হরিণ। বন্য প্রাণীর সংখ্যার দিক দিয়ে সুন্দরবনে হরিণের সংখ্যা বেশী।</span></div>
</div>
<div class="" data-block="true" data-editor="eev7q" data-offset-key="jrdp-0-0" style="background-color: white; color: #1d2129; font-family: Helvetica, Arial, sans-serif; font-size: 14px; white-space: pre-wrap;">
<div class="_1mf _1mj" data-offset-key="jrdp-0-0" style="direction: ltr; font-family: inherit; position: relative;">
<span data-offset-key="jrdp-0-0" style="font-family: inherit;"><br data-text="true" /></span></div>
</div>
<div class="" data-block="true" data-editor="eev7q" data-offset-key="cubc4-0-0" style="background-color: white; font-family: Helvetica, Arial, sans-serif; font-size: 14px; white-space: pre-wrap;">
<div class="_1mf _1mj" data-offset-key="cubc4-0-0" style="direction: ltr; font-family: inherit; position: relative;">
<span data-offset-key="cubc4-0-0" style="font-family: inherit;"><span style="color: #bf9000;">চিত্রল হরিণঃ</span></span></div>
</div>
<div class="" data-block="true" data-editor="eev7q" data-offset-key="a9grs-0-0" style="background-color: white; color: #1d2129; font-family: Helvetica, Arial, sans-serif; font-size: 14px; white-space: pre-wrap;">
<div class="_1mf _1mj" data-offset-key="a9grs-0-0" style="direction: ltr; font-family: inherit; position: relative;">
<span data-offset-key="a9grs-0-0" style="font-family: inherit;"><br data-text="true" /></span></div>
</div>
<div class="" data-block="true" data-editor="eev7q" data-offset-key="ai3ml-0-0" style="background-color: white; color: #1d2129; font-family: Helvetica, Arial, sans-serif; font-size: 14px; white-space: pre-wrap;">
<div class="_1mf _1mj" data-offset-key="ai3ml-0-0" style="direction: ltr; font-family: inherit; position: relative;">
<span data-offset-key="ai3ml-0-0" style="font-family: inherit;">মায়াবী চিত্রল হরিণ সুন্দরবনের সর্বত্র বিচরণ করে। তবে সর্বত্র এদের প্রচুর দেখা যায় না। কটকা, কচিখালী, নীলকমল, কালিরচর, মান্দারবাড়িয়া ইত্যাদি এলাকায় প্রায়ই খুব কাছ থেকে হরিণ দেখা যায়, যা পর্যটকদের প্রচুর আনন্দ দেয়। দ্রুত গতির এ হরিণগুলো বেঙ্গল টাইগারের প্রধান খাদ্য। এই হরিণ ও বানরের মধ্যে একটি সুন্দর সম্পর্ক রয়েছে। করমজল দর্শনার্থী কেন্দ্রে বেশ কিছু চিত্রল হরিণ দর্শনার্থীদের আনন্দ দেবার জন্য বেড় দিয়ে ঘিরে রাখা আছে। প্রাকৃতিক সৌন্দর্যের লীলাভৃমি সুন্দরবনের চিত্রা হরিণ পৃথিবী বিখ্যাত।</span></div>
</div>
<div class="" data-block="true" data-editor="eev7q" data-offset-key="du113-0-0" style="background-color: white; color: #1d2129; font-family: Helvetica, Arial, sans-serif; font-size: 14px; white-space: pre-wrap;">
<div class="_1mf _1mj" data-offset-key="du113-0-0" style="direction: ltr; font-family: inherit; position: relative;">
<span data-offset-key="du113-0-0" style="font-family: inherit;"><br data-text="true" /></span></div>
</div>
<div class="" data-block="true" data-editor="eev7q" data-offset-key="fmdoq-0-0" style="background-color: white; color: #1d2129; font-family: Helvetica, Arial, sans-serif; font-size: 14px; white-space: pre-wrap;">
<div class="_1mf _1mj" data-offset-key="fmdoq-0-0" style="direction: ltr; font-family: inherit; position: relative;">
<span data-offset-key="fmdoq-0-0" style="font-family: inherit;">সুন্দরবনের মত আর কোন স্থানে এক সাথে এত বেশি চিত্রা হরিণ দেখা যায় না। চিত্রা হরিণের গা সাদা কালো ফোঁটা দ্বারা চিত্রিত। লালচে বা বাদামী চামড়ার উপর সাদা ফোঁটার সমাহার হরিণের সৌন্দর্যকে অনুপম করে তুলেছে। চিত্রা হরিনের হাত, পা, পেট সমস্ত শরীওে সাদা সাদা ছোট বড় ফোঁটা আছে। গলা বেশ ধবধবে সাদা। গায়ের সাদা ফোঁটার সমাহার সুন্দর দেখা যায়। যে সব হরিণের শিং আছে সেগুলো হলো পুরষ হরিণ। অনেক সময় স্থানীয়ভাবে এদের শিংগেল হরিণও বলা হয়। পুরুষ হরিনের শিং গুলো বড় এবং ডাল পালা থাকায় খুব সুন্দর দেখায়। শিং বিহীন চিত্রা হরিণ হলো মহিলা হরিণ। চিত্রা হরিণ দলবদ্ধ ভাবে চলাফেরা করতে ভালবাসে। এদের এক দলের মধ্যে হরিণ শাবক থেকে শুরু করে ছোট বড় বিভিন্ন সাইজের ও বয়সের হরিণ থাকে। হরিণ সাধারণ স্যাতস্যাতে ও ঠান্ডা জায়গায় বসবাস করতে ভালবাসে। এরা রাতের বেলায় পরিস্কার এবং অপেক্ষাকৃত উঁচু জায়গায় ঘুমায়। হরিণের ঘুমানোটাও একটু অদ্ভুদ ধরনের। এরা দল বদ্ধ ভাবে বৃত্তাকারে ঘুমায়। বাঘের হাত হতে রক্ষার জন্য ঘুমানোর সময় এদের মাথা গুলো চারিদিকে থাকে এবং পেছনটা একত্রে থাকে।</span></div>
</div>
<div class="" data-block="true" data-editor="eev7q" data-offset-key="e3r54-0-0" style="background-color: white; color: #1d2129; font-family: Helvetica, Arial, sans-serif; font-size: 14px; white-space: pre-wrap;">
<div class="_1mf _1mj" data-offset-key="e3r54-0-0" style="direction: ltr; font-family: inherit; position: relative;">
<span data-offset-key="e3r54-0-0" style="font-family: inherit;"><br data-text="true" /></span></div>
</div>
<div class="" data-block="true" data-editor="eev7q" data-offset-key="6t2ff-0-0" style="background-color: white; color: #1d2129; font-family: Helvetica, Arial, sans-serif; font-size: 14px; white-space: pre-wrap;">
<div class="_1mf _1mj" data-offset-key="6t2ff-0-0" style="direction: ltr; font-family: inherit; position: relative;">
<span data-offset-key="6t2ff-0-0" style="font-family: inherit;">সুন্দরবনে প্রায় ৮০ হ্জার চিত্রা হরিণ আছে। সুন্দরবনের যে সব এলাকায় প্রচুর ঘাস ও কেওড়া বন রয়েছে সেসব এলাকায় চিত্রা হরিণের জন্য উপযুক্ত ক্ষেত্র আর কেওড়া পাতা হরিণের প্রিয় খাদ্য। চিত্রা হরিণ মূলত ঘাস খেয়ে জীবন ধারণ করে। ঘাস পাওয়া না গেলে গাছের কচি পাতা খায়। সুন্দরবনের চিত্রা হরিণ চরে জেগে উঠা কচি দুর্বা ঘাস, নলখাগড়া, উলুঘাস, মালিয়া ঘাস, বাউড়ি ঘাস খেতে বেশী পছন্দ করে। তাছাড়া তারা বাইন, গেওয়া, গরাণ, গর্জন, কাকড়া গাছের চারা, পাতা ও ছাল খায়।</span></div>
</div>
<div class="" data-block="true" data-editor="eev7q" data-offset-key="deuft-0-0" style="background-color: white; color: #1d2129; font-family: Helvetica, Arial, sans-serif; font-size: 14px; white-space: pre-wrap;">
<div class="_1mf _1mj" data-offset-key="deuft-0-0" style="direction: ltr; font-family: inherit; position: relative;">
<span data-offset-key="deuft-0-0" style="font-family: inherit;"><br data-text="true" /></span></div>
</div>
<div class="" data-block="true" data-editor="eev7q" data-offset-key="72c7u-0-0" style="background-color: white; color: #1d2129; font-family: Helvetica, Arial, sans-serif; font-size: 14px; white-space: pre-wrap;">
<div class="_1mf _1mj" data-offset-key="72c7u-0-0" style="direction: ltr; font-family: inherit; position: relative;">
<span data-offset-key="72c7u-0-0" style="font-family: inherit;">হরিনের শিং এ ৩/৪টি ডাল থাকে। এদের শিং প্রতি বছর নতুন করে গজায়। বৈশাখ -জ্যৈষ্ঠ মাসে পুরাতন শিং পড়ে যায় এবং নতুন শিং গজায়। সাধারণ প্রজনন শেষে এদের শিং পড়ে যায়। পুরুষ চিত্র হরিণ এপ্রিল ও জুন মাসে সর্ব্বোচ্চ প্রজননের সময়। তখন এরা মহিলা হরিনের সাথে দলে দলে চলে। পুরুষ হরিণ আকৃতিতে মহিলা হরিনের চেয়ে বেশী বড় এবং ঘাড় ও গর্দান মোটা হয়। চিত্রা হরিণ উচ্চতায় ৩ ফুট হয়। ওজনের দিক দিয়ে একটি চিত্রা হরিণ ১ মণ হতে ৩ মণ পর্যন্ত হয়ে থাকে। চিত্রা হরিণ ১০ থেকে ১৫ বছর বেঁচে থাকে। হরিণ বছরে একবার বাচ্চা প্রসব করে। চিত্রা হরিনের বয়স ৯ মাস হতে ১ বছরের মধ্যেই এরা মা হবার যোগ্যতা অর্জন করে থাকে। এদের গর্ভধারণ সময় ৬-৭ মাস। প্রতি বাবে একটির বেশী বাচ্চা প্রসব করতে দেখা যায় না।</span></div>
</div>
<div class="" data-block="true" data-editor="eev7q" data-offset-key="7c897-0-0" style="background-color: white; color: #1d2129; font-family: Helvetica, Arial, sans-serif; font-size: 14px; white-space: pre-wrap;">
<div class="_1mf _1mj" data-offset-key="7c897-0-0" style="direction: ltr; font-family: inherit; position: relative;">
<span data-offset-key="7c897-0-0" style="font-family: inherit;"><br data-text="true" /></span></div>
</div>
<div class="" data-block="true" data-editor="eev7q" data-offset-key="8hcg1-0-0" style="background-color: white; font-family: Helvetica, Arial, sans-serif; font-size: 14px; white-space: pre-wrap;">
<div class="_1mf _1mj" data-offset-key="8hcg1-0-0" style="direction: ltr; font-family: inherit; position: relative;">
<span data-offset-key="8hcg1-0-0" style="font-family: inherit;"><span style="color: #bf9000;">মায়া হরিণঃ</span></span></div>
</div>
<div class="" data-block="true" data-editor="eev7q" data-offset-key="cjjjc-0-0" style="background-color: white; color: #1d2129; font-family: Helvetica, Arial, sans-serif; font-size: 14px; white-space: pre-wrap;">
<div class="_1mf _1mj" data-offset-key="cjjjc-0-0" style="direction: ltr; font-family: inherit; position: relative;">
<span data-offset-key="cjjjc-0-0" style="font-family: inherit;"><br data-text="true" /></span></div>
</div>
<div class="" data-block="true" data-editor="eev7q" data-offset-key="1is2c-0-0" style="background-color: white; color: #1d2129; font-family: Helvetica, Arial, sans-serif; font-size: 14px; white-space: pre-wrap;">
<div class="_1mf _1mj" data-offset-key="1is2c-0-0" style="direction: ltr; font-family: inherit; position: relative;">
<span data-offset-key="1is2c-0-0" style="font-family: inherit;">চিত্রা হরিণের পাশাপাশি সুন্দরবনে রয়েছে অসংখ্য মায়া হরিণ। ছোট আকারে লালচে বাদামী পিংগল রং এর ফোটা বিহীন এ হরিনের চলাফেরা ও জীবন ধারণ খুবই চমৎকার। ভয় পেলে মায়া হরিণ অনেকটা কুকুরের মত ঘেউ ঘেউ করে বলে এদের বার্কিং ডিয়ার বলে। সুন্দরবনের একটা পরিপক্ক মায়া হরিণের গড় ওজন ১৭ কেজি হয়। পুরুষ হরিণের উপরের চোয়ালের কেনিন দাত খুব বড় এবং দুর থেকে তা স্পষ্ট ভাবে দেখা যায়। সুন্দরবনের উত্তরাংশে মায়া হরিণ বসবাস করে। দক্ষিণ অংশে সমুদ্র উপকুলে এদের দেখা যায় না। চাঁদপাই রেঞ্জের করমজল, জোংড়া, ঢাংমারী বনাঞ্চলে মায়া হরিণ অবাধে বিচরণ করতে দেখা যায়।</span></div>
</div>
<div class="" data-block="true" data-editor="eev7q" data-offset-key="agcla-0-0" style="background-color: white; color: #1d2129; font-family: Helvetica, Arial, sans-serif; font-size: 14px; white-space: pre-wrap;">
<div class="_1mf _1mj" data-offset-key="agcla-0-0" style="direction: ltr; font-family: inherit; position: relative;">
<span data-offset-key="agcla-0-0" style="font-family: inherit;"><br data-text="true" /></span></div>
</div>
<div class="" data-block="true" data-editor="eev7q" data-offset-key="bmsiq-0-0" style="background-color: white; color: #1d2129; font-family: Helvetica, Arial, sans-serif; font-size: 14px; white-space: pre-wrap;">
<div class="_1mf _1mj" data-offset-key="bmsiq-0-0" style="direction: ltr; font-family: inherit; position: relative;">
<span data-offset-key="bmsiq-0-0" style="font-family: inherit;">সুন্দরবনে প্রায় ৩০ হাজার মায়া হরিণ আছে। মায়া হরিণ সাধারণত ৩ ফুট লম্বা হয়। উচ্চতা ১ ফুট ৮ ইঞ্চির মত এবং লেজ ৭ ইঞ্চির মত হয়। মায়া হরিণের শিং প্রায় ৬ ইঞ্চি লম্বা হয়। মারা হরিণ তৃণ ভৃমির প্রাণী নহে। মায়া হরিণ একা চলতে ভালবাসে। তবে ২টি মায়া হরিণ একত্রে বিচরণ করতে বিরল দেখা যায়। কখনো কখনো মহিলা ও মায়া হরিণের বাচ্চা বা মহিলা ও পুরুষ হরিণ এক সাথে দেখা যায়। মায়া হরিণ বছরের যে কোন সময় প্রজনন সক্ষম। তবে শীতকালে ডিসেম্বর/জানুয়ারী মাসে মায়া হরিণের প্রধান প্রজনের সময়। এর গর্ভধারণ কাল ছয় মাস। বর্ষার শুরুতে বাচ্চা প্রসব করে। মায়া হরিণ পোষ মানানো যায়। মায়া হরিণ ভোরে এবং গোধুলীতে ঘাস ও তৃনলতা খায়। বনের মাঝে বা ধারে ঘাস বহুল জায়গায় এরা থাকতে বেশী পছন্দ করে।</span></div>
</div>
<div class="" data-block="true" data-editor="eev7q" data-offset-key="9cr5t-0-0" style="background-color: white; color: #1d2129; font-family: Helvetica, Arial, sans-serif; font-size: 14px; white-space: pre-wrap;">
<div class="_1mf _1mj" data-offset-key="9cr5t-0-0" style="direction: ltr; font-family: inherit; position: relative;">
<span data-offset-key="9cr5t-0-0" style="font-family: inherit;"><br data-text="true" /></span></div>
</div>
<div class="" data-block="true" data-editor="eev7q" data-offset-key="2ksta-0-0" style="background-color: white; font-family: Helvetica, Arial, sans-serif; font-size: 14px; white-space: pre-wrap;">
<div class="_1mf _1mj" data-offset-key="2ksta-0-0" style="direction: ltr; font-family: inherit; position: relative;">
<span data-offset-key="2ksta-0-0" style="font-family: inherit;"><b><span style="color: #38761d;">কুমিরঃ</span></b></span></div>
</div>
<div class="" data-block="true" data-editor="eev7q" data-offset-key="d2ikq-0-0" style="background-color: white; color: #1d2129; font-family: Helvetica, Arial, sans-serif; font-size: 14px; white-space: pre-wrap;">
<div class="_1mf _1mj" data-offset-key="d2ikq-0-0" style="direction: ltr; font-family: inherit; position: relative;">
<span data-offset-key="d2ikq-0-0" style="font-family: inherit;"><br data-text="true" /></span></div>
</div>
<div class="" data-block="true" data-editor="eev7q" data-offset-key="a18o3-0-0" style="background-color: white; color: #1d2129; font-family: Helvetica, Arial, sans-serif; font-size: 14px; white-space: pre-wrap;">
<div class="_1mf _1mj" data-offset-key="a18o3-0-0" style="direction: ltr; font-family: inherit; position: relative;">
<span data-offset-key="a18o3-0-0" style="font-family: inherit;">সুন্দরবনের যে সব বন্যপ্রাণী ভ্রমনকারীদের মন আকর্ষণ করে, ভ্রমনকে সার্থক ও আনন্দময় করে তুলে তার মধ্যে কুমির উল্লেখযোগ্য ভুমিকা রাখে। পর্যটকরা সুন্দরবন ভ্রমনের সময় কুমির দেখার জন্য খুব ব্যস্ত হয়ে যায়। তারা চলার পথে ট্রলার, লঞ্চ থেকে অবলোকন করতে থাকে। চলতে চলতে হঠাৎ যখন দেখলো যে একটা কুমির নদীর পাড়ের চরে বিশ্রাম নিচ্ছে, রোদ পোহাচ্ছে তখন তারা সংগীদের দেখানো ও ছবি তোলায় ব্যস্ত হয়ে পড়ে। হাকা হাকি, লঞ্চ ও ট্রলার এর বিকট শব্দে ক্ষনিকের জন্য প্রাকৃতিক নির্জনতা হারিয়ে কুমিরের তন্ময় ভাবকে আঘাত করা মাত্র লাফ দিয়ে নদীর অতলে হারিয়ে যায়। এ বিরল দৃশ্য উপভোগ করা সৌভাগ্যের বিষয়।</span></div>
</div>
<div class="" data-block="true" data-editor="eev7q" data-offset-key="ecjs6-0-0" style="background-color: white; color: #1d2129; font-family: Helvetica, Arial, sans-serif; font-size: 14px; white-space: pre-wrap;">
<div class="_1mf _1mj" data-offset-key="ecjs6-0-0" style="direction: ltr; font-family: inherit; position: relative;">
<span data-offset-key="ecjs6-0-0" style="font-family: inherit;"><br data-text="true" /></span></div>
</div>
<div class="" data-block="true" data-editor="eev7q" data-offset-key="ej65a-0-0" style="background-color: white; color: #1d2129; font-family: Helvetica, Arial, sans-serif; font-size: 14px; white-space: pre-wrap;">
<div class="_1mf _1mj" data-offset-key="ej65a-0-0" style="direction: ltr; font-family: inherit; position: relative;">
<span data-offset-key="ej65a-0-0" style="font-family: inherit;">সুন্দরবনে সর্বত্র কুমির আছে। তবে বিশেষ বিশেষ স্থানে এদের বেশী চলাফেরা করতে দেখা যায়। সুন্দরবনের যে সব স্থানে প্রতিনিয়ত কুমির দেখা যায় সে গুলো হল নন্দবালা খাল, পশুর নদীর চর, শেলা গাং, ঝোংড়া খাল, শাফলা খাল, ভদ্র্ গাং, মরাভোলা নদী, পাথরিয়া গাং, আরাইবেকি খাল প্রভৃতি। সুন্দরবনে কতটি কুমির আঝে তার কোন হিসেব এখনও পাওয়া যায়নি। সুন্দরবনের জলভাগের পরিমান হল ১৭০০ বর্গ কিলোমিটা। এর মধ্যে অনেক কুমির আছে তা বলা যায়। সুন্দরবনে কুমির দেখার উপযুক্ত সময় হলো শীত মৌসুম। এ সময় রোদ পোয়ানোর জন্য কুমির নদীর চর বা খালের পাড়ে উঠে মাটিতে শুয়ে থাকে। সাধারণতঃ সকালের দিকে ভাটার সময় কুমির নদী বা খালের পাড়ে রোদ পোয়ায়। বিকেলেও ভাটা থাকলে কুমিরকে নদী বা খালের পাড়ে বিশ্রামরত অবস্থায় দেখা যায়।</span></div>
</div>
<div class="" data-block="true" data-editor="eev7q" data-offset-key="39lq4-0-0" style="background-color: white; color: #1d2129; font-family: Helvetica, Arial, sans-serif; font-size: 14px; white-space: pre-wrap;">
<div class="_1mf _1mj" data-offset-key="39lq4-0-0" style="direction: ltr; font-family: inherit; position: relative;">
<span data-offset-key="39lq4-0-0" style="font-family: inherit;"><br data-text="true" /></span></div>
</div>
<div class="" data-block="true" data-editor="eev7q" data-offset-key="92ai4-0-0" style="background-color: white; color: #1d2129; font-family: Helvetica, Arial, sans-serif; font-size: 14px; white-space: pre-wrap;">
<div class="_1mf _1mj" data-offset-key="92ai4-0-0" style="direction: ltr; font-family: inherit; position: relative;">
<span data-offset-key="92ai4-0-0" style="font-family: inherit;">সুন্দরবনে সাধারণত লোনা পানির কুমির দেখা যায়। এ কুমির প্রায় ১৫-২০ ফুট লম্বা হয়। দেখতে কালো বা হলুদা ভাব। কুমিরের দুটি হাত, ২টি পা, একটি চোয়াল ও একটি লেজ আছে। কুমিরের মাথা খুব লম্বা। চোয়ালের অগ্রভাগের উপরে নাসারন্ধ্র, মাথার উপর দু’ পাশে দু’ টি চোখ ও চোখের পিছনে ঢাকনা যুক্ত কানের ঝিল্লি। কুমিরের শরীর কাটা যুক্ত। কাটা গুলো বর্মের ন্যায় কাজ করে। কমির যেমন পানিতে বাস করতে পারে তেমনি ডাংগায়ও বাস করতে পারে। কুমির দু’ হাত ও দু’ পা ভর দিয়ে বুক ও পেট উঁচু করে ডাংগায় চলাফেরা করে।</span></div>
</div>
<div class="" data-block="true" data-editor="eev7q" data-offset-key="fch4a-0-0" style="background-color: white; color: #1d2129; font-family: Helvetica, Arial, sans-serif; font-size: 14px; white-space: pre-wrap;">
<div class="_1mf _1mj" data-offset-key="fch4a-0-0" style="direction: ltr; font-family: inherit; position: relative;">
<span data-offset-key="fch4a-0-0" style="font-family: inherit;"><br data-text="true" /></span></div>
</div>
<div class="" data-block="true" data-editor="eev7q" data-offset-key="1c7p8-0-0" style="background-color: white; color: #1d2129; font-family: Helvetica, Arial, sans-serif; font-size: 14px; white-space: pre-wrap;">
<div class="_1mf _1mj" data-offset-key="1c7p8-0-0" style="direction: ltr; font-family: inherit; position: relative;">
<span data-offset-key="1c7p8-0-0" style="font-family: inherit;">সুন্দরবনের কুমির প্রধানত মাছ খেয়ে জীবণ যাপণ করে। মাছের মধ্যে ভেটকি, পাংগাস, দাতিনা প্রভৃতি উল্লেখ্য যোগ্য মাছ তারা ধরে খায়। ডাংগায় সুবিধামত বন মোরগ, বাঘ, হরিণ, বানর ইত্যাদি পেলে শিকার করে খায়। তা ছাড়া গরু মহিষ মরাও খায়। নদীতে সাতার কাটার সময় এরা লেজ ব্যবহার করে। এবং হাত ও পা গুটিয়ে রাখে। পানির নিচে ডুব দিয়ে এক স্থান হতে অন্য স্থানে যেতে পারে। পানিতে ভাসার সময় হাত পা ছাড়িয়ে ভেসে থাকে। কুমিরের সব দাত সমান। শিকারের সময় দাত দিয়ে শিকারকে মেরে ফেলে। কুমির লেজ এবং দাঁত যুক্ত চোয়াল দিয়ে আক্রমন করে। লেজ দিয়ে আঘাত করে শিকারকে ধরে ফেলে। শিকার বড় হলে পানির উপর ছুড়ে আবার হা করে গিলে ফেলে। এ দৃশ্য উপভোগ করার মত।</span></div>
</div>
<div class="" data-block="true" data-editor="eev7q" data-offset-key="df3sl-0-0" style="background-color: white; color: #1d2129; font-family: Helvetica, Arial, sans-serif; font-size: 14px; white-space: pre-wrap;">
<div class="_1mf _1mj" data-offset-key="df3sl-0-0" style="direction: ltr; font-family: inherit; position: relative;">
<span data-offset-key="df3sl-0-0" style="font-family: inherit;"><br data-text="true" /></span></div>
</div>
<div class="" data-block="true" data-editor="eev7q" data-offset-key="4p5nq-0-0" style="background-color: white; color: #1d2129; font-family: Helvetica, Arial, sans-serif; font-size: 14px; white-space: pre-wrap;">
<div class="_1mf _1mj" data-offset-key="4p5nq-0-0" style="direction: ltr; font-family: inherit; position: relative;">
<span data-offset-key="4p5nq-0-0" style="font-family: inherit;">সুন্দরবনের কুমির ডিসেম্বর-জানুয়ারী মাসে ডিম পাড়ে। নদীর পাড়ের পার্শ্ববতী বালুর চর অথবা বনের মধ্যে গর্ত করে ডিম পাড়ে। অনেক সময় গর্ত না করে গোলপাতা দিয়ে বাসা তৈরী করে ডিম পাডে। ডিম পাড়ার পর গর্ত মাটি দিয়ে ঢেকে দেয়। গর্ত ২-৩ ফুট গভীর হয়। গোলপাতার বাসায় ডিম পাড়লে আবার পাতা দিয়ে ঢেকে দেয়। একবারে ২০-৩০ টি ডিম পাড়ে। ডিম পাড়ার পর মা কুমির একটু দুরে থেকে ডিমের দিকে দৃষ্টি রাখে। এভারে প্রায় ৫০-৬০ দিন হলে ডিম ফুটে বাচ্চা বের হয়। গর্তে ডিম পাড়লে মা কুমির খুব সতর্ক অবস্থায় থাকে। ডিম ফোটার সময় হলে কুমিরের বাচ্চার প্রথমে চোয়াল হয়। সেই চোয়াল দিয়ে ডিমের প্রাচীর ভাঙ্গার জন্য ঠুকুর দিলে টুন টুন আওয়াজ হয়। গর্তের ভিতরে যখন মা কুমির টুক টুক আওয়াজ শুনতে পায় তখন মাটি খুড়ে বাচ্চা বের করে।</span></div>
</div>
<div class="" data-block="true" data-editor="eev7q" data-offset-key="dfcb4-0-0" style="background-color: white; color: #1d2129; font-family: Helvetica, Arial, sans-serif; font-size: 14px; white-space: pre-wrap;">
<div class="_1mf _1mj" data-offset-key="dfcb4-0-0" style="direction: ltr; font-family: inherit; position: relative;">
<span data-offset-key="dfcb4-0-0" style="font-family: inherit;"><br data-text="true" /></span></div>
</div>
<div class="" data-block="true" data-editor="eev7q" data-offset-key="calf3-0-0" style="background-color: white; color: #1d2129; font-family: Helvetica, Arial, sans-serif; font-size: 14px; white-space: pre-wrap;">
<div class="_1mf _1mj" data-offset-key="calf3-0-0" style="direction: ltr; font-family: inherit; position: relative;">
<span data-offset-key="calf3-0-0" style="font-family: inherit;">কুমির ছানা গর্ত হতে বের হওয়ার পর দৌডিয়ে পাশ্ববর্তী পানিতে লাফিয়ে পড়ে। অথবা মায়ের পিঠে চড়ে পানিতে আসে। এভাবে ৫-৭ সপ্তাহ মা কুমির তার বাচ্চা চিনতে পারে। পরবর্তীতে আর চিনতে পারে না। তখন পুরুষ অথবা স্ত্রী কুমির বাচ্চা খেয়ে ফেলে। কুমির ৫০-৬০ বছর বেঁচে থাকে। সুন্দরবনের কুমির খুব ভয়ংকর প্রাণী। সময় ও সুযোগ পেলে এরা মানুষ এমনকি বাঘও খেয়ে ফেলে। কুমিরের মুখ ও পেট অনের বড়। এরা ইচ্ছে করলে একটা আস্ত মানুষ বা বাঘ একেবারে গিলে পেটে ভরে রাখতে পারে। </span></div>
<div class="_1mf _1mj" data-offset-key="calf3-0-0" style="direction: ltr; font-family: inherit; position: relative;">
<span data-offset-key="calf3-0-0" style="font-family: inherit;"><br /></span></div>
</div>
<div class="" data-block="true" data-editor="eev7q" data-offset-key="bnamu-0-0" style="background-color: white; font-family: Helvetica, Arial, sans-serif; font-size: 14px; white-space: pre-wrap;">
<div class="_1mf _1mj" data-offset-key="bnamu-0-0" style="direction: ltr; font-family: inherit; position: relative;">
<span data-offset-key="bnamu-0-0" style="font-family: inherit;"><span style="color: #1d2129;">-</span><b><span style="color: red;">চলবে</span></b></span></div>
</div>
</div>
</content><link rel='replies' type='application/atom+xml' href='http://visitsundarbon.blogspot.com/feeds/4535658472335060008/comments/default' title='Post Comments'/><link rel='replies' type='text/html' href='http://visitsundarbon.blogspot.com/2018/04/blog-post_38.html#comment-form' title='0 Comments'/><link rel='edit' type='application/atom+xml' href='http://www.blogger.com/feeds/8872312683140648806/posts/default/4535658472335060008'/><link rel='self' type='application/atom+xml' href='http://www.blogger.com/feeds/8872312683140648806/posts/default/4535658472335060008'/><link rel='alternate' type='text/html' href='http://visitsundarbon.blogspot.com/2018/04/blog-post_38.html' title='সুন্দরবনঃ পৃথিবীর সর্ববৃহৎ ম্যানগ্রোভ ফরেস্ট সম্পর্কে কিছু তথ্য - ০৮'/><author><name>RAKOM</name><uri>http://www.blogger.com/profile/02904944596596026686</uri><email>noreply@blogger.com</email><gd:image rel='http://schemas.google.com/g/2005#thumbnail' width='16' height='16' src='https://img1.blogblog.com/img/b16-rounded.gif'/></author><thr:total>0</thr:total></entry><entry><id>tag:blogger.com,1999:blog-8872312683140648806.post-3486721005365121039</id><published>2018-04-25T12:53:00.001+06:00</published><updated>2018-04-25T12:53:50.689+06:00</updated><category scheme="http://www.blogger.com/atom/ns#" term="Feature"/><category scheme="http://www.blogger.com/atom/ns#" term="Royal Bengal Tiger"/><category scheme="http://www.blogger.com/atom/ns#" term="Sundarbon"/><title type='text'>সুন্দরবনঃ পৃথিবীর সর্ববৃহৎ ম্যানগ্রোভ ফরেস্ট সম্পর্কে কিছু তথ্য - ০৭</title><content type='html'><div dir="ltr" style="text-align: left;" trbidi="on">
<div class="" data-block="true" data-editor="eev7q" data-offset-key="djocj-0-0" style="background-color: white; font-family: Helvetica, Arial, sans-serif; font-size: 14px; white-space: pre-wrap;">
<div class="_1mf _1mj" data-offset-key="djocj-0-0" style="direction: ltr; font-family: inherit; position: relative;">
<span data-offset-key="djocj-0-0" style="font-family: inherit;"><span style="color: orange;"><b>সুন্দরবনের রয়েল বেঙ্গল টাইগার :</b></span><span style="color: #1d2129;"> রয়েল বেঙ্গল টাইগার হলো সুন্দরবনের অন্যতম প্রধান আকর্ষণ। বর্তমানে বাংলাদেশের মধ্যে সুন্দরবনই হলো বাঘের শেষ আবাসস্থল। এই রয়েল বেঙ্গল টাইগার আমাদের জাতীয় পশু। এর গায়ে লালচে বর্নের উপর কালো ডোরাকাটা দাগ থাকে। এছাড়া এই বাঘের রয়েছে রাজকীয় চলন ও ক্ষিপ্রগতি। সুন্দরবনের প্রায় সব জায়গাতে এর পদচারনা লক্ষ করা যায়। কখনো সে গভীর অরণ্যে লুকিয়ে থাকে বা নদী-খালের পাড়ে হেতাল বা গোলপাতা গাছের নীচে আয়েশী ভঙ্গিমায় বিশ্রাম নেয় অথবা ঘাসের উপর শুয়ে থাকে। কখনও বা সে সাঁতার কেটে খাল বা নদী পারাপার হয় বা সমুদ্র সৈকতের পাড় দিয়ে রাজকীয় ভঙ্গিমায় হেঁটে চলে। বেঙ্গল টাইগারের এই অবাধ বিচরণের কারণে অবৈধ শিকারীরা বনের সম্পদ নষ্ট করতে ভয় পায়। তাই বাঘকে সুন্দরবনের প্রাকৃতিক রক্ষকও বলা হয়।</span></span></div>
</div>
<div class="" data-block="true" data-editor="eev7q" data-offset-key="f5nfc-0-0" style="background-color: white; color: #1d2129; font-family: Helvetica, Arial, sans-serif; font-size: 14px; white-space: pre-wrap;">
<div class="_1mf _1mj" data-offset-key="f5nfc-0-0" style="direction: ltr; font-family: inherit; position: relative;">
<span data-offset-key="f5nfc-0-0" style="font-family: inherit;"><br data-text="true" /></span></div>
</div>
<div class="" data-block="true" data-editor="eev7q" data-offset-key="dnm2j-0-0" style="background-color: white; color: #1d2129; font-family: Helvetica, Arial, sans-serif; font-size: 14px; white-space: pre-wrap;">
<div class="_1mf _1mj" data-offset-key="dnm2j-0-0" style="direction: ltr; font-family: inherit; position: relative;">
<span data-offset-key="dnm2j-0-0" style="font-family: inherit;">বিভিন্ন জরিপের ফলাফল থেকে জানা যায় যে, সুন্দরবনে প্রায় ৩৫০-৪০০ টি বাঘ রয়েছে। যা কিনা বিশ্বের যে কোন একক বনের সর্বোচ্চ সংখ্যক বেঙ্গল টাইগারের আবাসস্থল। এই রয়েল বেঙ্গল টাইগারের রাজকীয় চলন, ক্ষিপ্রগতি এবং তার বাহ্যিক সৌন্দর্য উপভোগ করার জন্য দেশ-বিদেশ হতে প্রচুর সংখ্যক পর্যটক প্রতি বছর সুন্দরবন ভ্রমন করে থাকে। একটা রয়েল বেঙ্গল টাইগারে দৈর্ঘ্য লেজ হতে মাথা পর্যন্ত ৯-১০ ফুট হয়। মহিলা বাঘ লম্বায় গড়ে সাড়ে আট ফুট। লেজের দৈর্ঘ্য সাধারণত তিন ফুট হয়। তবে ১৮ ফুট লম্বা পর্যন্ত বাঘ সুন্দরবনে পাওয়া গেছে। বাঘের সামনের পা দু’ টো মোটা, অনেকটা থামের মত। বাঘের উচ্চতা গড়ে ৪ ফুট। বাঘের ওজন ৪-৬ মন হয়। বাঘিনীর ওজন ৩ থেকে ৫ মন হয়। বাঘকে সুন্দরবনের রাজা বলে গন্য করা হয়।</span></div>
</div>
<div class="" data-block="true" data-editor="eev7q" data-offset-key="14e3n-0-0" style="background-color: white; color: #1d2129; font-family: Helvetica, Arial, sans-serif; font-size: 14px; white-space: pre-wrap;">
<div class="_1mf _1mj" data-offset-key="14e3n-0-0" style="direction: ltr; font-family: inherit; position: relative;">
<span data-offset-key="14e3n-0-0" style="font-family: inherit;"><br data-text="true" /></span></div>
</div>
<div class="" data-block="true" data-editor="eev7q" data-offset-key="dlgqr-0-0" style="background-color: white; color: #1d2129; font-family: Helvetica, Arial, sans-serif; font-size: 14px; white-space: pre-wrap;">
<div class="_1mf _1mj" data-offset-key="dlgqr-0-0" style="direction: ltr; font-family: inherit; position: relative;">
<span data-offset-key="dlgqr-0-0" style="font-family: inherit;">বাঘের সৌন্দর্য, চেহারা মাধুর্য, শক্তি, নির্দয়তা সুপার প্রাকুতিক গুনাবলীর জন্য মানুষ বাঘকে মান্য করে, ভয় পায় এবং সম্মান করে। বাঘের থাবাগুলো এমনভাবে সৃষ্ট যাতে দুরন্ত শিকারকে আঘাত ও ধরতে পারে। কেনিন দাত এমনভাবে সাজানো যাতে শিকারকে কামড়াতে ও মারতে মারে।বাঘের শক্তিশালী চোয়াল আছে যা ক্ষমতাশালী মাংসপিন্ড দ্বারা নিয়ন্ত্রিত, পায়ের তালু বেশ নরম। ফলে নিঃশব্দে দৌড়াতে পারে। বাঘের শব্দ শোনার ক্ষমতা, কোন কিছু দেখা এবং কোন প্রাণীর গন্ধ বুঝার ক্ষমতা খুবই উচ্চ ও প্রখর। বাঘ শব্দ শুনলে বা গন্ধ পেলে কোন বন্য প্রাণীর অবস্থান বা বন্য প্রাণী কি করছে তা বুঝতে পারে। বাঘ নিজকে একটি ছোট ঝোপ ঝাড়ে বা গাছের পেছনে বেশ ভালভাবে আড়াল করে রাখতে পারে। তা’ ছাড়া কোন শব্দ ছাড়া শিকার ধরার জন্য একনিষ্ঠভাবে অবস্থান করে। অতি সন্নিকটে হরিণ, বানর থাকলেও অনেক সময় এরা বাঘের উপস্থিতি বুঝতে পারে না। নিজের সুবিধা মত দুরত্বে এক লাফে হরিণ, বানর, ইত্যাদি ঘাড়ে থাবা দিয়ে মেরে ফেলে। তারপর আস্তে আস্তে ভক্ষন করে। হরিণ, বানর, শুকর ইত্যাদি তৃনভোজী প্রাণী বাঘের হাত হতে রক্ষা পাওয়ার জন্য নুতন পদ্ধতি বের করলেও বাঘও শিকার ধরার জন্য সেভাবে নুতন পদ্ধতি বের করে। যার ফলে বাঘ মাংসভোজী প্রাণীর মধ্যে একটি বিশেষ স্থান দখল করে আছে।</span></div>
</div>
<div class="" data-block="true" data-editor="eev7q" data-offset-key="9rdsp-0-0" style="background-color: white; color: #1d2129; font-family: Helvetica, Arial, sans-serif; font-size: 14px; white-space: pre-wrap;">
<div class="_1mf _1mj" data-offset-key="9rdsp-0-0" style="direction: ltr; font-family: inherit; position: relative;">
<span data-offset-key="9rdsp-0-0" style="font-family: inherit;"><br data-text="true" /></span></div>
</div>
<div class="" data-block="true" data-editor="eev7q" data-offset-key="fqa3e-0-0" style="background-color: white; color: #1d2129; font-family: Helvetica, Arial, sans-serif; font-size: 14px; white-space: pre-wrap;">
<div class="_1mf _1mj" data-offset-key="fqa3e-0-0" style="direction: ltr; font-family: inherit; position: relative;">
<span data-offset-key="fqa3e-0-0" style="font-family: inherit;">একটি বাঘ একটি বন এলাকায় বাস করে। বাঘ একা একা নির্জনে থাকতে ভালবাসে। বাঘ কখনো দল বেধে চলাফেরা করে না। পুরুষ বাঘের বসবাসের এলাকা মহিলা বাঘের চেয়ে বড়। বাঘিনীর বসবাসের এলাকার পরিধি নির্ভর করে বাঘের বাচ্চার বয়স এবং বাচ্চার চলাফেরার ক্ষমতার উপর। কয়েকটি বাঘিনীর আবাসিক এলাকা নিয়ে একটি বাঘের বিচরণ ভুমি বা আবাসিক এলাকা গঠিত হতে পারে। বাঘ তার জন্য পছন্দমত বনভুমি ঠিক করে নেয়। খাদ্যাভাব বা মানুষ দ্বারা বিরক্ত না হলে নিজের বনাঞ্চল ত্যাগ করে না। একটি বাঘের বন এলাকায় অন্য বাঘ আসলে মারামারি লেগে যায়। তাই সবাই সবার আবাসিক এলাকা সংরক্ষন করে রাখে। প্রজনন ঋতুতে বাঘ ও বাঘিনী একত্রে চলাফেরা করে। শরৎকাল বাঘের প্রজনন সময়। প্রজনন ঋতু শেষ হলে বাঘ ও বাঘিনী আলাদা হয়ে যার যার আবাস এলাকায় চলে যায়।</span></div>
</div>
<div class="" data-block="true" data-editor="eev7q" data-offset-key="8btsr-0-0" style="background-color: white; color: #1d2129; font-family: Helvetica, Arial, sans-serif; font-size: 14px; white-space: pre-wrap;">
<div class="_1mf _1mj" data-offset-key="8btsr-0-0" style="direction: ltr; font-family: inherit; position: relative;">
<span data-offset-key="8btsr-0-0" style="font-family: inherit;"><br data-text="true" /></span></div>
</div>
<div class="" data-block="true" data-editor="eev7q" data-offset-key="151g4-0-0" style="background-color: white; color: #1d2129; font-family: Helvetica, Arial, sans-serif; font-size: 14px; white-space: pre-wrap;">
<div class="_1mf _1mj" data-offset-key="151g4-0-0" style="direction: ltr; font-family: inherit; position: relative;">
<span data-offset-key="151g4-0-0" style="font-family: inherit;">প্রজনন ঋতুতে দু’টো বাঘ একটি বাঘিনীর কাছে আসলে দু, টো বাঘের মধ্যে মহাযুদ্ধ বেঁধে যায়। অনেক সময় বাঘিনী এ দৃশ্য পছন্দ করে না বলে অতি আস্তে আস্তে সে অন্য কোথাও চলে যায়। বাঘ পানিতে সাতার কাটতে পারে। আবার মাঝে মধ্যে গাছেও চড়ে। বাঘ ও বাঘিনী ২.৫ বছর বয়সে প্রজননক্ষম হয়। এ সময় বাঘের ডাকে সুন্দরবনের নির্জনতা কয়েক দিনের জন্য হারিয়ে যায়। বাঘ খুব উচ্চ স্বরে ডাকতে থাকে। ডাক শুনে মহিলা বাঘ পুরুষ বাঘের কাছে যায়। ৫-৭ দিন একত্রিত হওয়ার পর বাঘিনী গর্ভবতী হয়। বাঘিনীর গর্ভকাল সাধারণতঃ তিন মাস হয়। বাচ্চা প্রসবের দিন ঘনিয়ে আসলে বাঘিনী বাঘকে ছেড়ে নিরিবিলি আশ্রয়ে চলে যায়। আর বাঘ বাঘিনীর প্রতি আকর্ষণ হারিয়ে ফেলে। প্রজননের সময় বাঘ কোন মতেই কারও উপস্থিতি সহ্য করে না এবং কারো বিরক্তি পছন্দ করে না। তখন তারা বেশী হিংস্র হয়ে উঠে। বাঘিনী এক সাথে ২ – ৪ টি বাচ্চা প্রসব করে। বাচ্চা প্রসব করার পর বাঘিনী প্রথম দিকে বাঁচ্চাকে স্তন পান করায়। ধীরে ধীরে যখন বাঘের বাচ্চা বড় হতে শুর করে তখন তাকে শিকার করা শিখানো হয়। বাঁচ্চা বড় না হওয়া পর্যন্ত বাঘিনী বাঁচ্চাকে সব সময়ই বাঘের আড়াল করে রাখে। কারণ বাঘ বাঘের বাঁচ্চা খেয়ে ফেলে।</span></div>
</div>
<div class="" data-block="true" data-editor="eev7q" data-offset-key="7g4h8-0-0" style="background-color: white; color: #1d2129; font-family: Helvetica, Arial, sans-serif; font-size: 14px; white-space: pre-wrap;">
<div class="_1mf _1mj" data-offset-key="7g4h8-0-0" style="direction: ltr; font-family: inherit; position: relative;">
<span data-offset-key="7g4h8-0-0" style="font-family: inherit;"><br data-text="true" /></span></div>
</div>
<div class="" data-block="true" data-editor="eev7q" data-offset-key="70qo2-0-0" style="background-color: white; color: #1d2129; font-family: Helvetica, Arial, sans-serif; font-size: 14px; white-space: pre-wrap;">
<div class="_1mf _1mj" data-offset-key="70qo2-0-0" style="direction: ltr; font-family: inherit; position: relative;">
<span data-offset-key="70qo2-0-0" style="font-family: inherit;">বাঘের বয়স যখন ২.৫ বছর হয় তখন তাদের দুধের দাত পড়ে যায় এবং মায়ের নিকট হতে বিচ্ছিন্ন হয়ে একাকী জীবনযাপন শুরু করে। সুন্দরবনের রয়েল বেঙ্গল টাইগার প্রায় ২০ বছর পর্যন্ত বাঁচে। ্একটি বাঘিনী তার জীবদ্দশায় গড়ে ৬ বার বাচ্চা প্রসব করে। বাঘিনী ২ বছর পর পর বাচ্চা দেয়। হরিণ ও শুকর খেতে বাঘ বেশী পছন্দ করে। অনেক সময় বাঘকে কাকড়া ও মাছ খেতে দেখা যায়। যখন বাঘ বৃদ্ধ হয়ে যায় এবং শিকার করতে অসুবিধা হয় তখন সুন্দরবনের অভ্যন্তরে ছোট ছোট খালের মধ্যে দাখিয়ে কাকড়া ও মাছ ধরে খায়। অনেক সময় সুযোগ পেলে বাঘ জনপদে ঢুকে মানুষ , গরু, ছাগল, মহিষ শিকার করে খায়। রয়েল বেঙ্গল টাইগার শিকার করে প্রথমে রক্ত খায়। তারপর একটি নির্জন স্থানে নিয়ে গিয়ে মাংস খেতে শুরু করে। পেট ভরে গেলে আহার ঢেকে রেখে কাছেই ঘুরাফেরা করে। আবার ক্ষুদা লাগলে খায়। এভারে খাবার শেষ হওয়া পর্যন্ত চলতে থাকে। বাঘের পেট ভর্তি থাকলে কাছে হরিণ, শুকর থাকলেও শিকারের জন্য বাঘ ব্যস্ত হয় না।</span></div>
</div>
<div class="" data-block="true" data-editor="eev7q" data-offset-key="9h22h-0-0" style="background-color: white; color: #1d2129; font-family: Helvetica, Arial, sans-serif; font-size: 14px; white-space: pre-wrap;">
<div class="_1mf _1mj" data-offset-key="9h22h-0-0" style="direction: ltr; font-family: inherit; position: relative;">
<span data-offset-key="9h22h-0-0" style="font-family: inherit;"><br data-text="true" /></span></div>
</div>
<div class="" data-block="true" data-editor="eev7q" data-offset-key="6u96b-0-0" style="background-color: white; color: #1d2129; font-family: Helvetica, Arial, sans-serif; font-size: 14px; white-space: pre-wrap;">
<div class="_1mf _1mj" data-offset-key="6u96b-0-0" style="direction: ltr; font-family: inherit; position: relative;">
<span data-offset-key="6u96b-0-0" style="font-family: inherit;">বাঘ প্রতিদিন ৬-১০ কেজি মাংস খেতে পারে। বাঘ প্রতি সপ্তাহে গড়ে একটি হরিণ খায়। সুন্দরবনের বাঘ সাধারণত সন্ধ্যা হতে ভোর হওয়ার মধ্যে শিকার করে। দিনের বেলায় গরমে বাঘ সাধারণত পানির ধারে বেশী বিশ্রাম নেয়। রয়েল বেঙ্গল টাইগার খুবই নির্দয়। সময় ও সুযোগ পেলে এরা মানুষকে আক্রমন করে রক্ত ও মাংস খায়। অনেক মানুষকে মারতে না পারলেও আহত করেম ছোবল দিয়ে এক গুচ্ছ মাংস নিয়ে যায় বা চুষে রক্ত খায়। প্রতি বছর সুন্দরবনে বাওয়ালী, জেলে, মৌয়ালী এবং অবৈধভাবে অনুপ্রবেশ করে বনজ দ্রব্য পাচারকারী লোকজন বাঘের নির্মম আঘাতে প্রাণ হারায়। এতে গড়ে প্রতি বছর সুন্দরবনে বাঘ কর্তৃক অবৈধ অনুপ্রবেশকারী ৭০-৮০ জন লোক মারা যায়।</span></div>
</div>
<div class="" data-block="true" data-editor="eev7q" data-offset-key="dfcng-0-0" style="background-color: white; color: #1d2129; font-family: Helvetica, Arial, sans-serif; font-size: 14px; white-space: pre-wrap;">
<div class="_1mf _1mj" data-offset-key="dfcng-0-0" style="direction: ltr; font-family: inherit; position: relative;">
<span data-offset-key="dfcng-0-0" style="font-family: inherit;"><br data-text="true" /></span></div>
</div>
<div class="" data-block="true" data-editor="eev7q" data-offset-key="1em2e-0-0" style="background-color: white; color: #1d2129; font-family: Helvetica, Arial, sans-serif; font-size: 14px; white-space: pre-wrap;">
<div class="_1mf _1mj" data-offset-key="1em2e-0-0" style="direction: ltr; font-family: inherit; position: relative;">
<span data-offset-key="1em2e-0-0" style="font-family: inherit;">সুন্দরবনে যেমনি বাঘ কর্তৃক মানুষ মারা যায় তেমনি কোন কোন সময় মানুষ কর্তৃক বাঘও মারা যায়। বাঘের চামড়া, কংকাল, মাথার খুলি প্রভুতি সংগ্রহের লোভে অনেক সময় পাচারকারীরা অবৈধভাবে সুন্দরবনের রয়েল বেঙ্গল টাইগার নিধন করে থাকে। একটি রয়েল বেঙ্গল টাইগার এর চামড়া ও কংকাল দেশের ভিতরে এক লক্ষ টাকা এবং দেশের বাইরে বিক্রি করলে ৪-৫ লক্ষ টাকা পাচারকারীরা বিক্রয় করে। বাঘের জিব্বা সাংঘাতিক ধারালো। মনে হয় ক্ষুরের মত। সুন্দরবনে অনেক সময় বাঘে-মহিষে লড়াই হয়। সব সময়ই যে বাঘ মহিষকে কব্জা করতে পারে তা নয়।</span></div>
<div class="_1mf _1mj" data-offset-key="1em2e-0-0" style="direction: ltr; font-family: inherit; position: relative;">
<span data-offset-key="1em2e-0-0" style="font-family: inherit;">.</span></div>
</div>
<div class="" data-block="true" data-editor="eev7q" data-offset-key="cdi3f-0-0" style="background-color: white; font-family: Helvetica, Arial, sans-serif; font-size: 14px; white-space: pre-wrap;">
<div class="_1mf _1mj" data-offset-key="cdi3f-0-0" style="direction: ltr; font-family: inherit; position: relative;">
<span data-offset-key="cdi3f-0-0" style="font-family: inherit;"><span style="color: #1d2129;">-</span><span style="color: red;">চলবে</span></span></div>
</div>
</div>
</content><link rel='replies' type='application/atom+xml' href='http://visitsundarbon.blogspot.com/feeds/3486721005365121039/comments/default' title='Post Comments'/><link rel='replies' type='text/html' href='http://visitsundarbon.blogspot.com/2018/04/blog-post_45.html#comment-form' title='0 Comments'/><link rel='edit' type='application/atom+xml' href='http://www.blogger.com/feeds/8872312683140648806/posts/default/3486721005365121039'/><link rel='self' type='application/atom+xml' href='http://www.blogger.com/feeds/8872312683140648806/posts/default/3486721005365121039'/><link rel='alternate' type='text/html' href='http://visitsundarbon.blogspot.com/2018/04/blog-post_45.html' title='সুন্দরবনঃ পৃথিবীর সর্ববৃহৎ ম্যানগ্রোভ ফরেস্ট সম্পর্কে কিছু তথ্য - ০৭'/><author><name>RAKOM</name><uri>http://www.blogger.com/profile/02904944596596026686</uri><email>noreply@blogger.com</email><gd:image rel='http://schemas.google.com/g/2005#thumbnail' width='16' height='16' src='https://img1.blogblog.com/img/b16-rounded.gif'/></author><thr:total>0</thr:total></entry></feed>
If you would like to create a banner that links to this page (i.e. this validation result), do the following:
Download the "valid Atom 1.0" banner.
Upload the image to your own server. (This step is important. Please do not link directly to the image on this server.)
Add this HTML to your page (change the image src
attribute if necessary):
If you would like to create a text link instead, here is the URL you can use:
http://www.feedvalidator.org/check.cgi?url=http%3A//visitsundarbon.blogspot.com/feeds/posts/default